ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রেরণার নাম ম্যাকগিন মৃত্যুকূপে দাঁড়িয়ে ফিরে আসার রোমাঞ্চ হাইতির স্বপ্নসারথি ইসিদোর অবসর ভাবনায় কর্তোয়া ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার কাতারের সামনে সুইজারল্যান্ড চ্যালেঞ্জ লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ প্রথম ম্যাচে খেলা হচ্ছে না ডেভিসের নওগাঁয় দুইদিন মাইকিং করেও মেলেনি ব্রাজিল সমর্থক বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
Nagad desktop

শ্রীলঙ্কাকে হারানোর আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান লিটন

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৫, ১১:৫০ এএম
শ্রীলঙ্কাকে হারানোর আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান লিটন
ছবি : সংগৃহীত

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে শ্রীলঙ্কাকে তাদের মাটিতে ২-১ ব্যবধানে হারানোর স্মৃতি নিয়ে বাংলাদেশ দল এবার নিজেদের মাটিতে সমানসংখ্যক ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামবে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জয়ে এই সিরিজে আত্মবিশ্বাস হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করেন অধিনায়ক লিট দাস। আজ প্রথম ম্যাচকে সামনে রেখে গতকাল মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তার বলা কথার চুম্বক অংশ খবরের কাগজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

প্রশ্ন: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস, এই সিরিজে কতটা আত্মবিশ্বাস জোগাবে? 

লিটন: পাকিস্তানে যখন খেলতে যাই, একই চিন্তাধারা ছিল যে জেতার জন্য খেলব। দুর্ভাগ্যবশত জিততে পারিনি। কিছু ভুল করেছি, তাই ফল আনতে পারিনি। তবে শ্রীলঙ্কা সিরিজে প্রথম ম্যাচ হারার পর ভালোভাবে কামব্যাক করেছি। অবশ্যই আমাদের প্রতিটি খেলোয়াড়ের ভেতরে আত্মবিশ্বাস জন্মেছে। তবে একই সঙ্গে এখন ভিন্ন কন্ডিশন, ভিন্ন দল। তাই পার্টিকুলারলি ওই দিনে ওই ভাবেই ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। আত্মবিশ্বাস আপনাকে সাহায্য করবে। একই সময়ে অবস্থানটা ধরে রাখার জন্য আপনার মনোযোগটা কেমন আছে, সেটাও অনেক বেশি জরুরি হবে সামনের ম্যাচের জন্য।

প্রশ্ন: হোম কন্ডিশনের সুবিধা? যেকোনো দলকে হারানোর মানসিকতা কী আছে? 

লিটন: যেকোনো দলকে হারানোর মতো মানসিকতা আমাদের আছে। আমরা সেই চেষ্টাই করব। তবে আপনাকে নির্দিষ্ট দিনে ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। তার মানে এই না যে, হোম কন্ডিশন বলে আমরাই ভালো ক্রিকেট খেলব। আগেও বলেছি, পাকিস্তান ভালো দল। তাদের বেশির ভাগ ক্রিকেটারই বিপিএল খেলে থাকে। তারাও সেই কন্ডিশনটা সম্পর্কে জানে। আমরা চেষ্টা করব, ভালো ক্রিকেট খেলার।

প্রশ্ন: হাই স্কোরিং ম্যাচ?

লিটন: আমার ক্রিকেট অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয় এখানে (বিপিএল ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রানের তফাত) দুটি বিষয়। আমরা যখন বিপিএল খেলি, একটা ইনিংস থাকে যেখানে শিশির পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তখন ব্যাটিং করাটা সহজ হয়ে যায়। আর বিপিএলে আমার মনে হয় না, প্রত্যেক দলে ৫টা মানসম্পন্ন বোলার থাকে। তাই ২-১টা বোলারকে টার্গেট করলে রানটা বেড়ে যায়। তবে জাতীয় দল ভিন্ন জায়গা। প্রতিটি দলে ৫-৬টা মানসম্পন্ন বোলার থাকে। তো আমার মনে হয়, হাই স্কোরিং না হলেও খেলাটা জমবে খুব। দুই দলই কাছাকাছি থাকবে।

প্রশ্ন: একই একাদশ?

লিটন: পার্টিকুলার দিন, পার্টিকুলার কন্ডিশনের ওপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব (একই একাদশ নাকি বেঞ্চ দেখব)। আমাদের দলে যে বেঞ্চের শক্তি আছে, সবাই খেলার মতো সামর্থ্যবান। আমরা টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে ঠিক করব, কোন সময় কাকে খেলানো যায়। আমরা সেভাবেই চেষ্টা করব।

প্রশ্ন: অধিনায়কত্ব ও নিজের ব্যাটিং?

লিটন: যখন ব্যাটিংয়ে যাই, তখন তো আমি ব্যাটসম্যান থাকি, অধিনায়ক থাকি না। আমার দায়িত্ব হচ্ছে রান করা। প্রত্যেক ম্যাচে আমার এটাই চিন্তা থাকে। যত দিন ক্রিকেট খেলি, যদি ভবিষ্যতেও অধিনায়ক থাকি, একই চিন্তা থাকবে। এই মুহূর্তে ভবিষ্যৎ অতটা দেখাটা ঠিক না। কারণ এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপ এখনো অনেক দূর। এরপর আমাদের হাতে সময় থাকবে। আপনি একসঙ্গে তো ১০ ধাপ এগোতে পারবেন না। এক-দুই-তিন করে এগোতে হবে। সেই ধাপগুলো হচ্ছে এই জায়গা। আমরা চেষ্টা করব ওই ধাপগুলো পূরণ করতে।

প্রশ্ন: মিরাজ, না মেহেদি

লিটন: দুজনের (মিরাজ ও মেহেদি) সম্ভাবনাই খুব বেশি। আমার মনে হয়, আমরা সিদ্ধান্ত নেব, কালকেই (আজ) দেখতে পারবেন।

প্রশ্ন: পাওয়ার প্লেতে ওপেনার

লিটন: একটা ওপেনারকে তো ব্যাটিং ভালো করতেই হবে। শুধু (তানজিদ) তামিম না, (পারভেজ হোসেন) ইমনও দুই-একটা ম্যাচ খুবই ভালো ইনিংস খেলেছে এবং ইন ফ্যাক্ট ও তো ইউএই-এর সঙ্গে একশও মেরেছে। তো এটা বিগ অ্যাচিভমেন্ট। প্রত্যেকটা ওপেনার, ওপেনার না শুধু, যে ব্যাটসম্যান যাবে তারই রোল হচ্ছে ইনিংসটা বড় করা এবং ইফেক্টিভ ইনিংস খেলা।

প্রশ্ন: নাঈম শেখের এক ম্যাচ খেলে বাদ পড়া?

লিটন: প্রফেশনাল প্লেয়ারের মেন্টালি ডাউন হওয়ার কোনো চান্স এখানে আমি দেখি না। আপনাকে এটাও বুঝতে হবে, যেকোনো প্লেয়ারই যখন বাংলাদেশ টিমে ঢোকে, সে ডমিস্টিকে রান করেই ঢোকে। বাট আপনি যার জায়গাটা নিবেন, যার জায়গায় খেলবেন, সে তো ন্যাশনাল টিম খেলছে এবং প্রুভেন। সো তার জায়গায় আসতে গেলেও আপনাকে এ রকম সিচুয়েশন পার করে আসতে হবে। যেমন আপনি বললেন যে, জাকের ইনজুরড থাকার কারণে সে (নাঈম শেখ) খেলছে। জাকের যদি ইনজুরড না থাকত, নাঈম খেলত না। সো জিনিসগুলো এখনকার জন্য। তারও অনেক সময় আছে, অপরচুনিটি আসবে। যদি অপরচুনিটি আসে সে চেষ্টা করবে হান্ড্রেড পার্সেন্ট দেওয়ার। আই বিলিভ, নাঈমেরও সেই ক্যাপাবিলিটি আছে। 

প্রশ্ন: বিপিএলে পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের খেলা প্রসঙ্গে?

লিটন: ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের মজাই এটা যে, বিশ্বের সব ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলার সুযোগ থাকে, বন্ধুত্ব করার সুযোগ থাকে। আমার মনে হয়, এটা দুই দিক থেকেই কাজে দেবে। তারাও যেমন আমাদের শক্তি-দুর্বলতার জায়গা জানবে, আমরাও তাদের সঙ্গে খেলে, তাদের শক্তি-দুর্বলতা জানি। তাই আমার মনে হয় না, খুব একটা সমস্যা হবে। তবে ইকুয়েলি এটা খুব ভালো দিক।

প্রশ্ন: উইকেট নিয়ে?

লিটন: উইকেট ভালোই দেখলাম। আমার কাছে মনে হয় ভালো উইকেট হবে। ব্যাটিং-বোলিং দুই সাইডেই থাকবে।

অবসর ভাবনায় কর্তোয়া

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ এএম
অবসর ভাবনায় কর্তোয়া
থিবো কর্তোয়া। ছবি: সংগৃহীত

সিয়াটলে বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ শিবিরে চলছে মিশরের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতি। এর মাঝেই দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ মুখগুলোর একজন, থিবো কর্তোয়া ভাবিয়ে তুললেন বেলজিয়ান ফুটবল সমর্থকদের। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপই হতে পারে জাতীয় দলের জার্সিতে তার শেষ বড় টুর্নামেন্ট।

২০১১ সালে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হওয়া কর্তোয়া এখন বেলজিয়ামের অন্যতম নির্ভরতার নাম। ১০৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই গোলরক্ষক কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে স্বীকার করেছেন, নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সময় হয়তো চলে এসেছে, ‘এখনই ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলা উচিত কি না জানি না, তবে এই টুর্নামেন্টের পর আমি জাতীয় দলে না থাকার সম্ভাবনাই বেশি, থাকার সম্ভাবনার চেয়ে। আমি এখনো আরও কয়েক বছর খেলতে চাই। কিন্তু তখন নিজের শরীরেরও যত্ন নিতে হয়। আমার পরিবার এখানে এসেছে, কারণ এটি আমার শেষ টুর্নামেন্টও হতে পারে।’

তবে অবসরের সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত নয় বলেও জানিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই গোলরক্ষক। বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স এবং ড্রেসিংরুমের পরিবেশ তার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে, ‘যদি আমাদের বিশ্বকাপ ভালো যায়, আর যদি দলের ভেতরের ইতিবাচক পরিবেশটা বজায় থাকে। এর পর আমাকে কোচ, (টেকনিক্যাল ডিরেক্টর) ভিনসেন্ট মানার্ট এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে বসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে হবে।’

কর্তোয়ার ভাবনায় পরিবর্তন আনার পেছনে ভূমিকা রেখেছে সাম্প্রতিক কয়েকটি মৌসুমও। সাবেক কোচ ডোমেনিকো তেদেস্কোর সময়ে কিছু আন্তর্জাতিক বিরতিতে না খেলেও চলত তার। সেই অভিজ্ঞতা তাকে উপলব্ধি করিয়েছে বিশ্রামের গুরুত্ব, ‘আমি লক্ষ্য করেছি, ওই আন্তর্জাতিক বিরতিগুলোতে কিছুটা বিশ্রাম নেওয়া যায় এবং জিমে শান্তভাবে কাজ করা যায়। এ ছাড়া গত দেড় বছরে আমার বেশ কিছু ছোটখাটো শারীরিক সমস্যা ও চোট হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আপনি ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি ভাবতে শুরু করেন। আমি দায়িত্ব নতুনদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ভাবছি। সেনে (ল্যামার্স) এবং মাইক (পেন্ডার্স)-এর মতো অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসছে।’

ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে শরীরের সঙ্গে সমঝোতা করেই এগোতে হচ্ছে কর্তোয়াকে। গত বসন্তে চোট কাটিয়ে ফেরার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে, বিশেষ করে কোয়াড্রিসেপসের চোট তাকে বেশ ভুগিয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেকে উজাড় করে দিতে প্রস্তুত বেলজিয়ান গোলরক্ষক, ‘হ্যাঁ, আমি খুবই ক্ষুধার্ত (সফল হওয়ার জন্য), দলের অন্য সবার মতোই। আমি খুব ভালো অনুভব করছি এবং ম্যাচটির জন্য মুখিয়ে আছি। বসন্তে ফেরার জন্য আমি খুব কঠোর পরিশ্রম করেছি। চোটটা দুর্ভাগ্যজনক ছিল। কারণ তখন আমি নিজেকে প্রায় অপরাজেয় মনে করছিলাম। কিন্তু এখন আমি আমার মান ধরে রাখতে এবং মনোযোগ ধরে রাখতে প্রস্তুত।’

আগামী বৃহস্পতিবার বেলজিয়াম তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। ‘জি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ইরান ও নিউজিল্যান্ড।

ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৩ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৯ এএম
ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার
গোলের পর উদ্‌যাপনে কাইল লারিন। ছবি: সংগৃহীত

ঘরের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জয় দিয়ে রাঙাতে পারল না কানাডা। বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে কাইল লারিনের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা।

ড্রয়ের সুবাদে এই প্রথম কোনো বিশ্বকাপে পয়েন্ট পেল কানাডা। এর আগে, ১৯৮৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপে মোট ৬ ম্যাচ খেলে ৬টিতেই হেরেছিল তারা। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে ড্রয়ের মধ্য দিয়ে নিজদের পয়েন্টের খাতা খুলল তারা।

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১টার দিকে কানাডার টরেন্টোর বিএমও ফিল্ডে প্রথমবারের মতো একে অপরের মুখোমুখি হয় দুই দল।  

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে কানাডা। ম্যাচের ১৭ মিনিটে গোলের সুযোগ আসে তাদের সামনে। কিন্তু জোনাথান ডেভিডের সেই সুযোগ হাতছাড়ার খেসারত দিতে হয় গোল হজমের মধ্য দিয়ে। 

তিন মিনিট পরেই ম্যাচের ২১ মিনিটে বসনিয়াকে গোলের আনন্দে ভাসান জোভো লুকিচ। ডান দিক থেকে ইভান বেসিকের নেওয়া কর্নারটি নিয়ার-পোস্টে পেয়ে ফ্লিক করে লুকিচের দিকে বাড়িয়ে দেন সিয়াদ কোলাসিনাচ। সেখান থেকে হেডে কানাডার জাল কাঁপান বসনিয়ার এই ফরোয়ার্ড। তার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বসনিয়া। 

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে কানাডা। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে আসে সুযোগ। বসনিয়ার গোলরক্ষক নিকোলাকে পরাস্ত করেন জোনাথন ডেভিড। কিন্তু তার নেওয়া শট গোললাইনে ঠেকিয়ে দেন কোলাসিনাচ। তার পায়ে লেগে বলটি বারপোস্টে লেগে ফিরে যায়। এতে বিপদমুক্ত হয় বসনিয়া। 

বসনিয়ার সামনেও সুযোগ ছিল লিড বাড়ানোর। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে কানাডার ভুলে ডি-বক্সের কাছে বল পেয়ে যান এরমেদিন দেমিরোভিচ। কিন্তু কানাডার গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপিউকে একা পেয়েও জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন তিনি। 

অন্যদিকে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণভাগে একাধিক পরিবর্তন আনেন কানাডার কোচ জেসি মার্শ। এর ফল পাওয়া যায় ৭৯ মিনিটে। বদলি মাঠে নামা কাইল লারিনের কোনাকুনি শট বসনিয়ার ডিফেন্ডারের শরীরে লেগে জালে জড়ায়। এতে পুরো স্টেডিয়াম ফেটে পড়ে উল্লাসে। মাঠে নামার মাত্র ১২১ সেকেন্ডের মধ্যেই কানাডাকে খেলায় ফেরান লারিন। 

ম্যাচের বাকি সময় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণেও কোনো গোলের দেখা পায়নি দুই দল। এতে ১-১ গোলে ড্রয়ের মধ্য দিয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।

সালমান/

লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:০৭ এএম
লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে কানাডা এবং বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা। প্রথম দেখায় স্বাগতিকরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও শেষ পর্যন্ত গোল হজম করতে হয়েছে তাদের। জোভো লুকিচের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে বসনিয়া। 

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১টার দিকে কানাডার টরেন্টোর বিএমও ফিল্ডে গড়ায় ম্যাচটি। 

ম্যাচের শুরু থেকেই বসনিয়াকে চেপে ধরে কানাডা। ম্যাচের ১৭ মিনিটে গোল করার সুযোগ হাতছাড়া করে তারা। তানি ওলুয়াসেয়ির পাস থেকে পাওয়া বল পেনাল্টি বক্সের কাছে ফাঁকায় পান জোনাথান ডেভিড। সেখান থেকে তার নেওয়া জোরালো শটটি রুখে দেন বসনিয়ার গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিলজ। 

গোলবঞ্চিত হওয়ার তিন মিনিট পর ২১ মিনিটে গোল হজম করে কানাডা। ডান দিক থেকে ইভান বেসিকের নেওয়া কর্নারটি নিয়ার-পোস্টে পেয়ে ফ্লিক করে জোভো লুকিচের দিকে বাড়িয়ে দেন সিয়াদ কোলাসিনাচ। সেখান থেকে হেডে গোল আদায় করে নেন বসনিয়ার এই ফরোয়ার্ড। 

এতে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বসনিয়া। 

সালমান/

কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:২৬ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:২৬ এএম
কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। মেক্সিকোর পর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজন হলো কানাডায়। দেশটিতে বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেব। 

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে কানাডার টরেন্টোতে আয়োজিত জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সবচেয়ে আলোচিত ছিল বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি, ফ্রেঞ্চ হিপ-হপ শিল্পী ভেগেড্রিম এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেবের যৌথ পরিবেশনা। 

সঞ্জয়ের পারফরম্যান্স প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি দেশের ফুটবল সমর্থকদের মধ্যেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

উদ্বোধনী আয়োজনের শুরুতেই কানাডার প্রথম অধিবাসী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। আদিবাসী বংশোদ্ভূত কানাডীয় সংগীতশিল্পী উইলিয়াম প্রিন্স ঐতিহ্যবাহী সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে দেশের প্রথম অধিবাসীদের ঐতিহ্য তুলে ধরেন। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোরা ফাতেহি বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ‘সির সির’ পরিবেশন করেন। এরপর মঞ্চে জেসি রেয়েজ ও এলিয়ান্নার ‘ইলুমিনেট’ গান পরিবেশিত হয়।

এছাড়া বিশ্বখ্যাত তারকা মাইকেল বুবল, অ্যালানিস মরিসেট, অ্যালিসিয়া কারা, উইলিয়াম প্রিন্স ও ইলিয়েনার পরিবেশনাও দর্শকদের মুগ্ধ করে।

সালমান/

প্রেরণার নাম ম্যাকগিন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:০০ এএম
প্রেরণার নাম ম্যাকগিন
জন ম্যাকগিন। ছবি: সংগৃহীত

মূলত আধুনিক ফুটবল অবকাঠামো, দলীয় প্রচেষ্টা ও বাছাই পর্বের শেষ দিকে ভাগ্যের ছোঁয়ায় প্রায় তিন দশক পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে এসেছে স্কটল্যান্ড। দলটিতে সেই অর্থে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় মাপের কোনো ফুটবলার নেই। কোচ স্টিভ ক্লার্কের ভরসা মিডফিল্ডে জন ম্যাকগিন ও স্কট ম্যাকটমিনের অভিজ্ঞতা। ডিফেন্স ও স্ট্রাইকিংয়ের মধ্যে মেলবন্ধন গড়ে দিতে পারেন দীর্ঘদিন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলা ম্যাকগিন এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও নাপোলির হয়ে খেলা ম্যাকটমিনে। ৩১ বছর বয়সী ম্যাকগিন ভিলার জার্সিতে ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে আছেন। ২০১৮ থেকে খেলেছেন ২৭৩ ম্যাচ। সেখানে ২৮ গোল প্রমাণ করে প্রয়োজনে তিনি কতটা অ্যাটাকিং। ২০১৬ থেকে প্রায় এক দশক স্কটল্যান্ড জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি। ৮৬ ম্যাচে করেছেন ২০ গোল। 

একসময় জন ম্যাকগিন নিজেও বিশ্বাস করতেন না যে, তিনি কোনোদিন স্কটল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপাবেন। বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। অথচ আজ তিনিই স্কটিশ ফুটবলের অন্যতম নির্ভরতার প্রতীক, সমর্থকদের হৃদয়ের নায়ক এবং দলের অনুপ্রেরণার উৎস। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা স্কটল্যান্ডের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও আত্মবিশ্বাসের গল্পে ম্যাকগিন যেন এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি, ‘আমি কখনো ভাবিনি যে স্কটল্যান্ডের হয়ে খেলতে পারব, বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করব।’ ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলছিলেন তিনি।  

অন্যদিকে স্কট ম্যাকটমিনের জন্ম-বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডে। ইপিএলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলোয়াড় রেড ডেভিলদের হয়ে খেলেছেন লম্বা সময়। ১৭৮ ম্যাচে করেছেন ১৯ গোল। এরপর ২০২৪ থেকে আছেন ইতালিয়ান সিরি-আ’র ক্লাব নাপোলিতে। ৬৭ ম্যাচ খেলে করেছেন ২২ গোল। তবে বাবার সূত্রে স্কটল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে খেলাটাই বেছে নিয়েছেন ২০১৮ সালে। তখন থেকেই দেশটির ফুটবলে অন্যতম বড় মুখ তিনি। ৭০ ম্যাচে করেছেন ১৫ গোল।