‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে ধরাশায়ী হয়েছে বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক সময়ে একে-অপরের রাইভাল বনে যাওয়া বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার লড়াই মানেই বাড়তি উত্তাপ। এই শ্রীলঙ্কাকেই দুদিন আগে সমর্থন দিয়েছে বাংলাদেশ। কেননা, আফগানিস্তানের বিপক্ষে লঙ্কানরা জয় পেলেই সুপার ফোরে জায়গা পাবে টাইগাররা। আসালাঙ্কাদের দাপুটে জয়ে খুলেছে বাংলাদেশের ভাগ্য।
দুই দলের টি-টোয়েন্টির লড়াইয়ে অবশ্য বাংলাদেশের পরিসংখ্যানটা মোটেও সমৃদ্ধ নয়। একটা সময় তো দুই দলের লড়াইয়ে বাংলাদেশকে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হতো। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশের ৮ জয়ের বিপরীতে শ্রীলঙ্কা জিতেছে ১৩ ম্যাচে।
এশিয়া কাপে ৩ জয়ের বিপরীতে আছে ১৪টি হার। সবশেষ গ্রুপপর্বের ম্যাচেই হেরেছে লিটন দাসরা। তবে এশিয়া কাপের ইতিহাসে পাওয়া ৩ জয়ে আছে বিশেষ সুখস্মৃতি। যে তিনবার লঙ্কানদের হারিয়েছে ততবারই এশিয়া কাপের ফাইনালে পা রেখেছে বাংলাদেশ। সেই হিসেবে এই অতীত অবশ্যই প্রেরণা জোগাবে।
মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বে ওয়ানডে সংস্করণের এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কাকে প্রথমবার হারায় বাংলাদেশ। সেই আসরেই প্রথমবারের মতো ফাইনালে পা রাখে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি সংস্করণের প্রথম এশিয়া কাপেও বাংলাদেশ জয় পায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সেবারও ফাইনাল খেলে বাংলাদেশ। অধিনায়ক ছিল মাশরাফি বিন মোর্ত্তাজা।
মাশরাফির অধীনেই ২০১৮ সালে ওয়ানডে ফরম্যাটের এশিয়া কাপেও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ, সেবার খর্বশক্তির দল নিয়েও পৌঁছে গিয়েছিল ফাইনালে।
এতে করে স্পষ্ট যে, যে তিনবারই শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পেরেছে বাংলাদেশ, ততবারই নিশ্চিত হয়েছে ফাইনাল। এবার শ্রীলঙ্কাকে হারালেই ফাইনাল নিশ্চিত নয়। তবে সে লক্ষ্যে বড় একটা পদক্ষেপ হবে নিশ্চয়ই। বাংলাদেশও সেটাই করতে চাইবে আজ।
নিলয়/