মাঠে ৬৯ শতাংশ বল দখলে রেখেও ফিনিশিংয়ের দুর্বলতায় মাত্র ১-০ গোলে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধের ৩১ মিনিটে লো সেলসোর পা থেকে ভেনেজুয়েলার জালে যাওয়া একমাত্র গোলটিই ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়।
শনিবার (১১ অক্টোবর) মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে একের পর এক আক্রমণ করেও বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পর প্রথম প্রীতি ম্যাচে জয় পেয়েছে মাত্র ১ গোলে। ইন্টার মায়ামির হয়ে নিয়মিত এই মাঠে খেলা লিওনেল মেসি অবশ্য ছিলেন বিশ্রামে। গ্যালারি থেকেই দেখেছেন সতীর্থদের জয়।
জয় পেলেও সতীর্থদের পারফরম্যান্সে মেসি খুশি হতে পেরেছেন কিনা, তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ। কেননা, এই ব্যবধানটা হতে পারতো আরও বড়। কিন্তু সেটি সম্ভব হয়নি ফিনিশিংয়ের দুর্বলতায়।
প্রথমার্ধের ৩১ মিনিটে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডা জিওভানি লো সেলসো প্রতিপক্ষের ডি বক্সে বল পেয়ে যান হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের দারুণ সমন্বয়ে। বল পেয়ে দ্বিতীয় স্পর্শেই শট নিয়ে পরাস্ত করেন ভেনেজুয়েলা গোলকিপার হোসে কনত্রেরাসকে।
এই এক গোলেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায়। গ্যালারিতে থাকা মেসি এই গোলে খুশি হয়েছেন নিশ্চিতভাবেই। তিনি না থাকলেও মাঠে দাপুটে ছিল স্কালোনির দল। ঘাটতি ছিল কেবল ফিনিশিংয়ে।
এক্ষেত্রে কৃতিত্ব দিতে হবে ভেনেজুয়েলার গোলকিপার হোসে কনত্রেরাসকেও। পোস্ট সামলেছেন দারুণভাবে তিনি। অন্তত পাঁচটি নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে দেন তিনি। শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্তিনেজের দুটি ক্লোজ রেঞ্জ শটও রুখে দেন।
আর্জেন্টিনার মতো বড় দলের খেলা হওয়ার পরও ৬৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার হার্ড রক স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১৫ হাজার দর্শক।
আগামী মঙ্গলবার ফোর্ট লডারডেলে পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ প্রীতি ম্যাচ খেলবে তারা।
নিলয়/