সবশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের জার্সিতে ভারতের মাটিতে টেস্ট খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজের শেষ টেস্ট খেলতে চেয়েও পারেননি।
রাজনৈতিক কারণে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর আর দেশে ফেরা হয়নি এ অলরাউন্ডারের। গতবছর ছাত্র-জনতার গণভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগেই গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগ খেলতে কানাডায় অবস্থায় করছিলেন তিনি। পতিত সরকারের সংসদ সদস্য হওয়ায় আর দেশে ফিরে খেলা হয়নি তার।
ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট মিরপুরে খেলতে চেয়েও খেলতে না পারায় আফসোস আছে তার মাঝে। এখনও দেশে ফিরে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারের ইতি টানার স্বপ্ন দেখেন তিনি।
ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব অবসরের গুঞ্জন উড়িয়ে বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ফরম্যাট থেকেই অবসর নেইনি।’
আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে ফিরে বিদায়ী ম্যাচ খেলার, ‘হ্যাঁ, ১০০% (দেশে ফিরে শেষ ম্যাচ খেলতে চাই)। আমি মনে করি এটা আমার চেয়ে আমার ভক্তদের জন্যই বেশি প্রয়োজন। যদি এটা ঘটে, তবে এটা আমার ভক্তদের জন্য এবং আমার জন্য ঘটা সেরা ব্যাপার হবে।’
সাকিব দেশে ফিরে অবসরের আগ্রহ প্রকাশ করলেও এই মুহূর্তে দেশে ফেরার অবস্থায় নেই তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর পর সমালোচনার মুখে পড়েন।
এ নিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও সাকিব আল হাসানের পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাস বিনিময় হয়েছে। আর কখনোই সাকিবকে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন তিনি।
নিলয়/