ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অর্থবিল বিশ্লেষণ: পার পাচ্ছেন সম্পদশালীরা হাকিমি: আফ্রিকার আশা, মরক্কোর প্রাণ ভিনিসিয়ুস: এবার হলুদ জার্সিতে প্রমাণের পালা প্রেরণার নাম ম্যাকগিন মৃত্যুকূপে দাঁড়িয়ে ফিরে আসার রোমাঞ্চ হাইতির স্বপ্নসারথি ইসিদোর অবসর ভাবনায় কর্তোয়া ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার কাতারের সামনে সুইজারল্যান্ড চ্যালেঞ্জ লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ
Nagad desktop

আজ এল ক্লাসিকো রিয়ালের সংখ্যা ছুঁতে পারবে বার্সা?

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:৫৬ পিএম
আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:১২ পিএম
রিয়ালের সংখ্যা ছুঁতে পারবে বার্সা?
ছবি : সংগৃহীত

এল ক্লাসিকোর মতো কিছুই নেই। রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা যখনই মুখোমুখি হয়, ফুটবল দুনিয়ায় এর চেয়ে বড় ম্যাচ আর থাকে না। আজ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে তেমনই আরেকটি মহারণ হতে চলেছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের মাঠে লড়তে নামবে লা লিগার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। লিগে নবম রাউন্ডের ম্যাচ শেষে রিয়ালের চেয়ে ২ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে কাতালান ক্লাবটি। সেই ব্যবধান কমিয়ে শীর্ষে উঠার লক্ষ্য নিয়েই এল ক্লাসিকো মোকাবিলা করবে বার্সা।

গত মৌসুমে রিয়ালের বিপক্ষে বার্সা ছিল অপ্রতিরোধ্য। হ্যান্সি ফ্লিকের অধীনে চার এল ক্লাসিকোর সবকটি জিতেছিল তারা। তখন দলের তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল ছিলেন সেই জয়গুলোর অন্যতম নায়ক এবং আজকের ম্যাচেও তিনি ফ্লিকের ট্রামকার্ড। এদিকে ম্যাচটি বিশেষ রিয়াল কোচ জাবি আলোনসোর কাছে, যিনি খেলোয়াড় হিসেবে ক্লাবের হয়ে লা লিগা ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিলেন। এবার প্রথমবারের মতো কোচ হিসেবে এল ক্লাসিকোর স্বাদ পাবেন। জাবির ট্রামকার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই তারকা স্ট্রাইকার বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন।

রিয়াল ঐতিহাসিকভাবে বার্সার বিপক্ষে হেড-টু-হেড রেকর্ডে বেশির ভাগ সময়ই এগিয়ে ছিল, যা শুরু হয়েছিল ১৯৩০-এর দশক থেকে। এরপর উভয় দলই নিজেদের আধিপত্যের সময় পেয়েছে। ১৯৬০-এর দশকে রিয়াল মাদ্রিদ ছিল প্রভাবশালী। আর ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে বার্সেলোনা ছিল দাপুটে। তবে গত দুই দশকে এই ভারসাম্য বদলাতে শুরু করে, বিশেষত পেপ গার্দিওলার যুগে। ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৪টি ক্লাসিকোতে মাদ্রিদ মাত্র একটিতে জিতেছিল, যেখানে গার্দিওলার বার্সা জয় পেয়েছিল ৬-২ ও ৫-০ ব্যবধানে ঐতিহাসিক দুই ম্যাচে, পাশাপাশি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালেও মাদ্রিদকে হারিয়েছিল।

এরপর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাটি অনেক বেশি সমানতালে চলে। ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বার্সা ছিল টানা সাত ম্যাচে অপরাজিত। আর ২০১৯ থেকে ২০২২ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদ টানা ছয়টি ক্লাসিকোতে অপরাজিত ছিল। তবে গত মৌসুমে বার্সার টানা চার জয় তাদের অল-টাইম হেড-টু-হেড রেকর্ডে মাদ্রিদের সমতায় পৌঁছে দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে এনে দিয়েছে। আগের ২৬১ এল ক্লাসিকোতে রিয়ালের জয় ১০৫টি, বার্সার ১০৪টি। বাকিগুলো ছিল অমীমাংসিত (ড্র)।

চলতি মৌসুমে দুই দল

গত মৌসুম বিবেচনায় রিয়াল এখন আরও উন্নত, তবে তারা এখনো একটি ‘ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস’- অর্থাৎ, পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। দলের খেলায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে বল ছাড়া খেলার ধরনে। সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক নিঃসন্দেহে কিলিয়ান এমবাপ্পের দুর্দান্ত ফর্ম। চলতি মৌসুমে তিনি ১১টি ম্যাচের ১০টিতে গোল করেছেন। ভিনিসিউস জুনিয়রও ধীরে ধীরে তার সেরা ফর্মে ফিরছেন। মিডফিল্ডে এখনো পুরোপুরি ছন্দে আসেনি, তবে আরদা গুলার দলে দারুণ এক প্রভাব সৃষ্টি করেছেন, যিনি চলতি মৌসুমে এমবাপ্পের পাঁচ গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন। লা লিগায় মাদ্রিদের রেকর্ডও চমৎকার, ৯ ম্যাচে ৮ জয়। তবে একমাত্র ব্যতিক্রম হলো আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ৫-২ ব্যবধানে বড় পরাজয়।

অপরদিকে বার্সা এখনো গত মৌসুমের মতো উচ্চতা ছুঁতে পারেনি। এটা স্বীকার করেছেন ফ্লিক। ইতোমধ্যে ক্লাবের দুটো সমস্যা খুঁজে পেয়েছেন তিনি। প্রথমটি, খেলোয়াড়দের পজিশনিংয়ে ঘাটতি। দ্বিতীয়টি, প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির তীব্রতা কমে যাওয়া। এর সঙ্গে ইনজুরিও বড় ভূমিকা রেখেছে। রাফিনহা, লামিনে ইয়ামাল, ফারমিন লোপেজ, গাভি, জোয়ান গার্সিয়া, দানি ওলমো এবং রবার্ট লেভানদভস্কির মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা মৌসুমের বিভিন্ন সময়ে বাইরে ছিলেন। তবুও ফলাফল একেবারে খারাপ বলা যায় না- চ্যাম্পিয়নস লিগে তিন ম্যাচের মধ্যে দুটি জয় এবং লা লিগায় রিয়ালের চেয়ে মাত্র দুই পয়েন্টে পিছিয়ে আছে।

অনিক/নিলয়/

অবসর ভাবনায় কর্তোয়া

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ এএম
অবসর ভাবনায় কর্তোয়া
থিবো কর্তোয়া। ছবি: সংগৃহীত

সিয়াটলে বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ শিবিরে চলছে মিশরের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতি। এর মাঝেই দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ মুখগুলোর একজন, থিবো কর্তোয়া ভাবিয়ে তুললেন বেলজিয়ান ফুটবল সমর্থকদের। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপই হতে পারে জাতীয় দলের জার্সিতে তার শেষ বড় টুর্নামেন্ট।

২০১১ সালে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হওয়া কর্তোয়া এখন বেলজিয়ামের অন্যতম নির্ভরতার নাম। ১০৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই গোলরক্ষক কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে স্বীকার করেছেন, নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সময় হয়তো চলে এসেছে, ‘এখনই ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলা উচিত কি না জানি না, তবে এই টুর্নামেন্টের পর আমি জাতীয় দলে না থাকার সম্ভাবনাই বেশি, থাকার সম্ভাবনার চেয়ে। আমি এখনো আরও কয়েক বছর খেলতে চাই। কিন্তু তখন নিজের শরীরেরও যত্ন নিতে হয়। আমার পরিবার এখানে এসেছে, কারণ এটি আমার শেষ টুর্নামেন্টও হতে পারে।’

তবে অবসরের সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত নয় বলেও জানিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই গোলরক্ষক। বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স এবং ড্রেসিংরুমের পরিবেশ তার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে, ‘যদি আমাদের বিশ্বকাপ ভালো যায়, আর যদি দলের ভেতরের ইতিবাচক পরিবেশটা বজায় থাকে। এর পর আমাকে কোচ, (টেকনিক্যাল ডিরেক্টর) ভিনসেন্ট মানার্ট এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে বসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে হবে।’

কর্তোয়ার ভাবনায় পরিবর্তন আনার পেছনে ভূমিকা রেখেছে সাম্প্রতিক কয়েকটি মৌসুমও। সাবেক কোচ ডোমেনিকো তেদেস্কোর সময়ে কিছু আন্তর্জাতিক বিরতিতে না খেলেও চলত তার। সেই অভিজ্ঞতা তাকে উপলব্ধি করিয়েছে বিশ্রামের গুরুত্ব, ‘আমি লক্ষ্য করেছি, ওই আন্তর্জাতিক বিরতিগুলোতে কিছুটা বিশ্রাম নেওয়া যায় এবং জিমে শান্তভাবে কাজ করা যায়। এ ছাড়া গত দেড় বছরে আমার বেশ কিছু ছোটখাটো শারীরিক সমস্যা ও চোট হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আপনি ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি ভাবতে শুরু করেন। আমি দায়িত্ব নতুনদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ভাবছি। সেনে (ল্যামার্স) এবং মাইক (পেন্ডার্স)-এর মতো অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসছে।’

ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে শরীরের সঙ্গে সমঝোতা করেই এগোতে হচ্ছে কর্তোয়াকে। গত বসন্তে চোট কাটিয়ে ফেরার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে, বিশেষ করে কোয়াড্রিসেপসের চোট তাকে বেশ ভুগিয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেকে উজাড় করে দিতে প্রস্তুত বেলজিয়ান গোলরক্ষক, ‘হ্যাঁ, আমি খুবই ক্ষুধার্ত (সফল হওয়ার জন্য), দলের অন্য সবার মতোই। আমি খুব ভালো অনুভব করছি এবং ম্যাচটির জন্য মুখিয়ে আছি। বসন্তে ফেরার জন্য আমি খুব কঠোর পরিশ্রম করেছি। চোটটা দুর্ভাগ্যজনক ছিল। কারণ তখন আমি নিজেকে প্রায় অপরাজেয় মনে করছিলাম। কিন্তু এখন আমি আমার মান ধরে রাখতে এবং মনোযোগ ধরে রাখতে প্রস্তুত।’

আগামী বৃহস্পতিবার বেলজিয়াম তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। ‘জি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ইরান ও নিউজিল্যান্ড।

ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৩ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৯ এএম
ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার
গোলের পর উদ্‌যাপনে কাইল লারিন। ছবি: সংগৃহীত

ঘরের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জয় দিয়ে রাঙাতে পারল না কানাডা। বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে কাইল লারিনের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা।

ড্রয়ের সুবাদে এই প্রথম কোনো বিশ্বকাপে পয়েন্ট পেল কানাডা। এর আগে, ১৯৮৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপে মোট ৬ ম্যাচ খেলে ৬টিতেই হেরেছিল তারা। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে ড্রয়ের মধ্য দিয়ে নিজদের পয়েন্টের খাতা খুলল তারা।

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১টার দিকে কানাডার টরেন্টোর বিএমও ফিল্ডে প্রথমবারের মতো একে অপরের মুখোমুখি হয় দুই দল।  

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে কানাডা। ম্যাচের ১৭ মিনিটে গোলের সুযোগ আসে তাদের সামনে। কিন্তু জোনাথান ডেভিডের সেই সুযোগ হাতছাড়ার খেসারত দিতে হয় গোল হজমের মধ্য দিয়ে। 

তিন মিনিট পরেই ম্যাচের ২১ মিনিটে বসনিয়াকে গোলের আনন্দে ভাসান জোভো লুকিচ। ডান দিক থেকে ইভান বেসিকের নেওয়া কর্নারটি নিয়ার-পোস্টে পেয়ে ফ্লিক করে লুকিচের দিকে বাড়িয়ে দেন সিয়াদ কোলাসিনাচ। সেখান থেকে হেডে কানাডার জাল কাঁপান বসনিয়ার এই ফরোয়ার্ড। তার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বসনিয়া। 

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে কানাডা। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে আসে সুযোগ। বসনিয়ার গোলরক্ষক নিকোলাকে পরাস্ত করেন জোনাথন ডেভিড। কিন্তু তার নেওয়া শট গোললাইনে ঠেকিয়ে দেন কোলাসিনাচ। তার পায়ে লেগে বলটি বারপোস্টে লেগে ফিরে যায়। এতে বিপদমুক্ত হয় বসনিয়া। 

বসনিয়ার সামনেও সুযোগ ছিল লিড বাড়ানোর। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে কানাডার ভুলে ডি-বক্সের কাছে বল পেয়ে যান এরমেদিন দেমিরোভিচ। কিন্তু কানাডার গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপিউকে একা পেয়েও জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হন তিনি। 

অন্যদিকে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণভাগে একাধিক পরিবর্তন আনেন কানাডার কোচ জেসি মার্শ। এর ফল পাওয়া যায় ৭৯ মিনিটে। বদলি মাঠে নামা কাইল লারিনের কোনাকুনি শট বসনিয়ার ডিফেন্ডারের শরীরে লেগে জালে জড়ায়। এতে পুরো স্টেডিয়াম ফেটে পড়ে উল্লাসে। মাঠে নামার মাত্র ১২১ সেকেন্ডের মধ্যেই কানাডাকে খেলায় ফেরান লারিন। 

ম্যাচের বাকি সময় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণেও কোনো গোলের দেখা পায়নি দুই দল। এতে ১-১ গোলে ড্রয়ের মধ্য দিয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।

সালমান/

লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:০৭ এএম
লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে কানাডা এবং বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা। প্রথম দেখায় স্বাগতিকরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও শেষ পর্যন্ত গোল হজম করতে হয়েছে তাদের। জোভো লুকিচের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে বসনিয়া। 

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১টার দিকে কানাডার টরেন্টোর বিএমও ফিল্ডে গড়ায় ম্যাচটি। 

ম্যাচের শুরু থেকেই বসনিয়াকে চেপে ধরে কানাডা। ম্যাচের ১৭ মিনিটে গোল করার সুযোগ হাতছাড়া করে তারা। তানি ওলুয়াসেয়ির পাস থেকে পাওয়া বল পেনাল্টি বক্সের কাছে ফাঁকায় পান জোনাথান ডেভিড। সেখান থেকে তার নেওয়া জোরালো শটটি রুখে দেন বসনিয়ার গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিলজ। 

গোলবঞ্চিত হওয়ার তিন মিনিট পর ২১ মিনিটে গোল হজম করে কানাডা। ডান দিক থেকে ইভান বেসিকের নেওয়া কর্নারটি নিয়ার-পোস্টে পেয়ে ফ্লিক করে জোভো লুকিচের দিকে বাড়িয়ে দেন সিয়াদ কোলাসিনাচ। সেখান থেকে হেডে গোল আদায় করে নেন বসনিয়ার এই ফরোয়ার্ড। 

এতে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বসনিয়া। 

সালমান/

কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:২৬ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:২৬ এএম
কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। মেক্সিকোর পর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজন হলো কানাডায়। দেশটিতে বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেব। 

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে কানাডার টরেন্টোতে আয়োজিত জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সবচেয়ে আলোচিত ছিল বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি, ফ্রেঞ্চ হিপ-হপ শিল্পী ভেগেড্রিম এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেবের যৌথ পরিবেশনা। 

সঞ্জয়ের পারফরম্যান্স প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি দেশের ফুটবল সমর্থকদের মধ্যেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

উদ্বোধনী আয়োজনের শুরুতেই কানাডার প্রথম অধিবাসী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। আদিবাসী বংশোদ্ভূত কানাডীয় সংগীতশিল্পী উইলিয়াম প্রিন্স ঐতিহ্যবাহী সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে দেশের প্রথম অধিবাসীদের ঐতিহ্য তুলে ধরেন। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নোরা ফাতেহি বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ‘সির সির’ পরিবেশন করেন। এরপর মঞ্চে জেসি রেয়েজ ও এলিয়ান্নার ‘ইলুমিনেট’ গান পরিবেশিত হয়।

এছাড়া বিশ্বখ্যাত তারকা মাইকেল বুবল, অ্যালানিস মরিসেট, অ্যালিসিয়া কারা, উইলিয়াম প্রিন্স ও ইলিয়েনার পরিবেশনাও দর্শকদের মুগ্ধ করে।

সালমান/

হাকিমি: আফ্রিকার আশা, মরক্কোর প্রাণ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:০০ এএম
হাকিমি: আফ্রিকার আশা, মরক্কোর প্রাণ
আশরাফ হাকিমি। ছবি: সংগৃহীত

ছন্দের জাদুকর ব্রাজিলের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে যখন মাঠে নামবে মরক্কো, তখন আলোটা শুধু প্রতিপক্ষের তারকাদের ওপরই থাকবে না। উত্তর আফ্রিকার দেশটির কোটি সমর্থকের চোখও থাকবে একজনের দিকে। তিনি হচ্ছেন বর্তমান বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা রাইট-ব্যাক আশরাফ হাকিমি। যিনি রক্ষণদুর্গ সামলে গোল করতেও সমান পটু। মরক্কোর জার্সিতে ৯৫ ম্যাচ খেলে করেছেন ১১ গোল।

ফরাসি জায়ান্ট প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইনে (পিএসজি) দুর্দান্ত সময় কাটিয়ে বিশ্বকাপে এসেছেন ২৭ বছর বয়সী এই ডান প্রান্তের ডিফেন্ডার। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে মরক্কোর ঐতিহাসিক সেমিফাইনাল যাত্রার অন্যতম নায়ক ছিলেন হাকিমি। স্পেনের বিপক্ষে টাইব্রেকারে তার সেই বিখ্যাত প্যানেঙ্কা এখনো বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। সেই দলের অনেক অভিজ্ঞ মুখ থাকলেও নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দু এখন হাকিমিই। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে মরক্কোর কৌশলের বড় অংশই আবর্তিত হবে তাকে ঘিরে।

দল রক্ষণে নামলে হাকিমি ডিফেন্সকে সংগঠিত করবেন, আর সুযোগ পেলেই ডানপ্রান্ত দিয়ে ঝড় তুলবেন আক্রমণে। মরক্কোর সমর্থক ও বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন, ব্রাজিলকে চাপে ফেলতে হলে হাকিমির গতির সদ্ব্যবহার করতেই হবে। হাকিমির পাশে আক্রমণে থাকবেন ব্রাহিম দিয়াজ, সোফিয়ান আমারবাত, ইয়াসিন বুনু।