ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কৃষি শব্দকোষ জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন খবরের কাগজে পদোন্নতি-বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ: তদন্তে নেমেছে আইন মন্ত্রণালয় মেধাবীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা কী বার্তা দিচ্ছে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ক্ষুধা লাগলে মায়ের চিতায় ছুটে যান ৩ ভাই নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! মুন্সীগঞ্জে বিদেশি বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগপত্র দাখিল বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা লালমনিরহাটের ৩ সীমান্ত দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে ৫ লাখ ১২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে
Nagad desktop

৫ পা ওয়ালা বাছুর

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৫, ০৪:২৭ পিএম
৫ পা ওয়ালা বাছুর
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে জন্ম নিয়েছে পাঁচ পা-ওয়ালা বাছুর। উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের সাজানপুর গারালিয়া পাড়া গ্রামের কৃষক মো. শাহিন মিয়ার বাড়িতে গেল শনিবার সন্ধ্যায় বাছুরটির জন্ম হয়।

কৃষক শাহিন মিয়া জানান, তার গাভীটি স্বাভাবিকভাবেই বাছুর প্রসব করে। তবে কিছুক্ষণ পর তিনি দেখতে পান, বাছুরটির সামনের অংশে একটি অতিরিক্ত পা। একটি পা তুলনামূলক ছোট। যে পায়ের সঙ্গে ছোট পা লাগানো সেটি বাঁকা। তবে, বাছুরটি তিন পায়ে ভর দিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করছে।

অদ্ভুত গঠনের এই বাছুরটি দেখতে আশেপাশের গ্রামের মানুষ আসছেন শাহিন মিয়ার বাড়িতে।

রুবেল মিয়া নামে একজন বলেন, এলাকায় এ ধরনের কোনো ঘটনা আগে দেখিনি।

স্থানীয় মো. মুক্তার হোসেন বলেন, আমি জীবনে কখনও এমন দেখিনি। বিষয়টি অবিশ্বাস্য।

এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. গোলাম মোর্শেদ জানান, এটি সম্ভবত জেনেটিক মিউটেশনের ফল। যদিও ঘটনাটি অত্যন্ত বিরল। যদি বাছুরটির অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা না থাকে, তাহলে অতিরিক্ত পা তার স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের বড় কোনো ক্ষতি করবে না।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শহিদুল ইসলামও একই কথা বলেন।

জুয়েল রানা/অমিয়/

এক কাপ চায়ের দাম ৫ হাজার!

প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৩৫ এএম
আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৫৩ এএম
এক কাপ চায়ের দাম ৫ হাজার!
ছবি: খবরের কাগজ

প্রথম দেখাতে কারও কারও কাছে মনে হতে পারে কোনো বিশেষ পানীয়। কিন্তু না, এটি আসলে চা। আমাদের দেশে যেভাবে ফুঁ দিয়ে গরম চা খাওয়া হয়, এটি সেই ধরনের চা নয়। একটুও গরম নয়, বরং একেবারে ঠাণ্ডা। অনেকে যেমন মদের গ্লাসে বরফের টুকরো দিয়ে পান করেন, তেমনি কাপের মধ্যে বরফ দিয়ে পরিবেশন করা হয় এই চা। 

একে কোল্ড টিও বলা হয়। বাংলাদেশের মানুষ কোল্ড কফির সঙ্গে পরিচিত হলেও কোল্ড টির সঙ্গে অনেকটাই অপরিচিত। কোল্ড টির সঙ্গে পরিচিত হতে হলে যেতে হবে ভিয়েতনাম। সে দেশের মানুষ আমাদের মতো ফুঁ দিয়ে গরম চা পান করেন না, তারা চায়ের কাপে বরফ কুচি দিয়ে নেন। ভিয়েতনামে এই এক কাপ চা খেতে গুনতে হয় ৫ হাজার ডং, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ টাকা।

বাংলাদেশিদের ভ্রমণের জন্য ভিয়েতনাম দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। প্রতিবছর বহু বাংলাদেশি দেশটিতে ভ্রমণে যান। ভিয়েতনামে এক বাংলাদেশি এই বরফের চা পান করার পর এই প্রতিবেদকের কাছে তার অনুভূতি প্রকাশ করেছিলেন। ভিয়েতনামের হ্যানয় শহরে দেখা হয় তার সঙ্গে। তিনিসহ বাংলাদেশে ১৯ সদস্যের একটি দল ভিয়েতনামে ভ্রমণে গিয়েছিল।

শেখ মাসুম নামের ওই ব্যক্তি তখন বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। আমার একটু চায়ের নেশা আছে। ঘন ঘন চা পান করি। ভিয়েতনামে যাওয়ার পর নাশতা শেষে চা খেতে ইচ্ছে করছিল। খুঁজতে শুরু করলাম চায়ের দোকান। কিন্তু সেখানে বাংলাদেশের মতো মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকান নেই। তাই চা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অনেক ঘোরাঘুরির পর এক দোকানে চা পেলাম। সেখানে আগে চায়ের দাম জিজ্ঞেস করে নিলাম। প্রতি কাপ চা ৫ হাজার ডং।’ তিনি বলেন, ‘অর্ডার দেওয়ার পর দেখলাম চায়ের দোকানি নারী বড় কাপের মধ্যে প্রথমে এক টুকরো বরফ রাখলেন। তারপর কেটলি থেকে কী যেন কাপে ঢেলে দিলেন। রংটা অন্য রকম মনে হলো। ভাবলাম, হয়তো তিনি নিজস্ব পানীয় পান করতে করতে চা বানাবেন। কিন্তু না, ওই কাপটি আমার দিকেই এগিয়ে দিলেন। কী করব বুঝতে একটু সময় লাগল। কারণ প্রথমে আমি ভাবছিলাম চা তো আমাদের দেশের মতো হবে। কিন্তু না। আমাকে যে বরফ দেওয়া কাপটি এগিয়ে দিলেন, সেটাই আসলে চা। ভিয়েতনামে নতুন কিছুর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এই অভিজ্ঞতা সত্যিই অন্য রকম ছিল।’

এই চায়ের কোনো বিশেষত্ব আছে কি না জানতে চাইলে ঢাকার জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. আফরিন জাহান বলেন, ‘আমার জানামতে কোল্ড চায়ের উপকারিতা বা অপকারিতা নিয়ে গবেষণা তেমন নেই। তাই এতে কোনো বিশেষত্ব আছে কি না এখনো সেভাবে কিছু জানা যায়নি। যেহেতু কোল্ড চা খেলে অপকার হয় না এবং স্বাদেও ভিন্নতা পাওয়া যায়; সে জন্য হয়তো তারা বরফ দিয়ে চা পান করেন। উপরন্তু গরমের দিনে হাইড্রেশন মেইনটেইনও হয় হয়তো।’

পুষ্টিবিদ ফাউন্ডেশনের মিডিয়া সেক্রেটারি পুষ্টিবিদ নাঈমা রুবী বলেন, ‘গরম পানিতে চা পাতা দেওয়ার চেয়ে ঠাণ্ডা পানিতে যদি চা পাতা দেওয়া হয়, তাহলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। আমরা অনেক বেশি জ্বাল দিয়ে, দুধ-চিনি দিয়ে সাধারণত যেভাবে চা খাই, তাতে চায়ের যে উপকারিতা, তা পাই না। শুধু স্বাদ পাই। ঠাণ্ডা পানিতে চা পাতা দেওয়ার পর চায়ের রংটা যখন ছড়িয়ে যাবে, তখন সেটি ছেকে নিয়ে পান করলে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ পানীয় পাওয়া যাবে, যা উপকারী।’

দুবাইয়ের গোল্ডেন ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের লাগবে ৩৩ লাখ ৪১ হাজার!

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৫, ০১:০৮ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৫, ০১:২২ পিএম
দুবাইয়ের গোল্ডেন ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের লাগবে ৩৩ লাখ ৪১ হাজার!
ছবি: সংগৃহীত

এত দিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের গোল্ডেন ভিসা পেতে কমপক্ষে ২ মিলিয়ন দিরহাম (৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি) বিনিয়োগের প্রয়োজন হতো। তবে এখন ভারতীয় এবং বাংলাদেশিদের জন্য চালু হয়েছে একটি নতুন ধরনের গোল্ডেন ভিসা, যেটি মূলত মনোনয়ন-ভিত্তিক। ফলে এই ভিসা পেতে এখন আর ব্যবসা বা সম্পত্তিতে বিশাল বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে না।

নতুন ‘মনোনয়ন-ভিত্তিক ভিসা নীতির আওতায় ভারতীয় ও বাংলাদেশিরা ১ লাখ দিরহাম (প্রায় ৩৩ লাখ ৪১ হাজার টাকার কিছু বেশি) ফি দিলে দুবাইয়ের গোল্ডেন ভিসা নিয়ে দিয়ে আজীবন বসবাসের সুযোগ পাবেন এই দুই দেশের নাগরিকেরা।

ভারত ও বাংলাদেশের জন্য এই নতুন ভিসা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার প্রক্রিয়া চলছে। রায়াদ গ্রুপ নামে একটি পরামর্শক সংস্থা ভারত ও বাংলাদেশে মনোনয়ন-ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসার প্রাথমিক রূপটি পরীক্ষা করার দায়িত্ব পেয়েছে। রায়াদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়াদ কামাল আইয়ুব এই নতুন ভিসাকে ভারতীয় ও বাংলাদেশিদের জন্য একটি ‘সুবর্ণ সুযোগ’ বলে অভিহিত করেন।

কর্মকর্তাদের মতে, মনোনয়ন ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসার পরীক্ষার প্রথম পর্যায়ের জন্য ভারত ও বাংলাদেশকে নির্বাচিত করা হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের জন্য এই পাইলট প্রকল্প সফলভাবে শেষ হওয়ার পর,  চীন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যান্য সিইপিএ (কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট) আওতাভুক্ত দেশগুলোতেও এই নতুন ভিসা চালু করা হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া 

নতুন গোল্ডেন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া এবং অনুমোদনের বিষয়ে রায়াদ কামাল আইয়ুব বলেন, যারা এই ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড (অতীত ইতিহাস) যাচাই করা হবে। এর আওতায় অর্থপাচার এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড যাচাইও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আবেদনকারীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও পরীক্ষা করা হবে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাজার এবং ব্যবসাগুলো যেন আবেদনকারীর কাছ থেকে সংস্কৃতি, অর্থ, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, স্টার্টআপ, পেশাদার পরিষেবা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কীভাবে উপকৃত হতে পারে, তা নির্ধারণ করতে পারে।

রায়াদ সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ‘এরপর রায়াদ গ্রুপ আবেদনপত্রটি সরকারের কাছে পাঠাবে, সরকারের নির্দিষ্ট দপ্তর মনোনয়ন-ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’

আবেদনকারীদের দুবাই ভ্রমণ করতে হবে এবং তারা নিজ দেশ থেকে প্রাথমিক অনুমোদন নিতে পারবেন।

রায়াদ জানান, আবেদনগুলো ভারত ও বাংলাদেশের ওয়ান ভাস্কো (One VASCO) সেন্টার (ভিসা কনসিয়ারজ সার্ভিস কোম্পানি), তাদের নিবন্ধিত অফিস, অনলাইন পোর্টাল, অথবা তাদের ডেডিকেটেড কল সেন্টারের মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে।

নতুন ভিসার সুবিধা

এই নতুন ভিসার অন্যতম বড় সুবিধা হলো, এটি সম্পত্তি-ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসা থেকে আলাদা। সম্পত্তি-ভিত্তিক ভিসা সম্পত্তি বিক্রি বা ভাগ হয়ে গেলে বাতিল হয়ে যেতে পারে, কিন্তু মনোনয়ন-ভিত্তিক ভিসা একবার পেলে তা স্থায়ী হবে।

রায়াদ আরও জানান, যারা এই ভিসার জন্য মনোনীত হবেন, তারা সপরিবারকে দুবাই বসবাস করতে পারবেন এবং তাদের ভিসার ওপর ভিত্তি করে গৃহকর্মী ও গাড়িচালক রাখতে পারবেন। এ ছাড়া তারা দুবাইতে যেকোনো ব্যবসা বা পেশাদার কাজ করতে পারবেন। সূত্র: মিন্ট

সুলতানা দিনা/

রোগীর অনুমতি ছাড়াই গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন চিকিৎসক

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৫, ০১:০৩ পিএম
রোগীর অনুমতি ছাড়াই গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন চিকিৎসক
ছবি: সংগৃহীত

গোপনাঙ্গে সংক্রমণ নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন ২৮ বছরের যুবক আতিকুর রহমান। কিন্তু রোগীর অনুমতি ছাড়াই তার গোপনাঙ্গ কেটে বাদ দিয়ে দেন চিকিৎসক। এই ঘটনায় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি।

ভারতের অসমের কাছারে অবস্থিত একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সম্প্রতি এমনই অভিযোগ ওঠেছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

সংবাদমাধ্যমের খবর, মণিপুরের জিরিবাম জেলার বাসিন্দা আতিকুর রহমান গত ১৯ জুন গোপনাঙ্গে গুরুতর সংক্রমণের কারণে কাছারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। সেখানে প্রাথমিকভাবে তার বায়োপসি টেস্ট করার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

আতিকুরের অভিযোগ, তিনি বায়োপসি করাতে রাজি হয়ে যান। কিন্তু বায়োপসি করাতে গিয়েই নাকি তার গোটা গোপনাঙ্গ কেটে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের সময় তাকে বেহুঁশ করে দেওয়া হয়েছিল। অস্ত্রোপচার শেষে যখন তার জ্ঞান ফেরে, তিনি দেখতে পান তার গোপনাঙ্গ গায়েব হয়ে গেছে। এ নিয়ে চিকিৎসককে প্রশ্ন করলে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।

এই ঘটনার পর রোগী থানা গিয়ে চিকিৎসক ও হাসপাতালের নামে মামলা করেন। এই ঘটনার রীতিমতো মুষড়ে পড়েছেন রোগী।

আতিকুর একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এই ঘটনার পরে বারবার তিনি চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

আতিকুরের আরও অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর থেকে তার গোপনাঙ্গ নানা সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। এই মুহূর্তে তিনি কী করবেন, তা বুঝতে পারছেন না। চিকিৎসকের গাফিলতিতে তার জীবন শেষ গেল বলে দাবি করছেন রোগী।

এই ঘটনায়র যথোপযুক্ত বিচার দাবি করছেন আতিকুর। তার অনুরোধ, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা যেন এই বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে দ্রুত সুবিচারের বন্দোবস্ত করেন।

অমিয়/

নীরবেই থেমে গেল রিকশাচালক দুলালের জীবনচাকা

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৫, ১১:৩৬ এএম
নীরবেই থেমে গেল রিকশাচালক দুলালের জীবনচাকা
রিকশাচালক মোহাম্মদ দুলাল সরকার

মোহাম্মদ দুলাল সরকার। বয়স পঁয়ষট্টির ওপরে। জীর্ণশীর্ণ শরীর, বয়সের ভারে যেন ভেঙে পড়েছে। তবু পেটের দায়ে রিকশা চালিয়ে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করছিলেন তিনি। হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পর একটু বিশ্রাম নিতে চলতি পথে নিজ রিকশার সিটে গা এলিয়ে আধশোয়া হয়েছিলেন। কিন্তু সেখানেই দুলালের জীবনচাকা থেমে গেছে চিরতরে। দীর্ঘ সময় নড়াচড়া না দেখে কৌতূহলী পথচারীরা তাকে ডাকাডাকি করতে গিয়ে দেখেন, দুলাল সরকার আর নেই। চলে গেছেন চিরবিশ্রামে। পরে পুলিশের সহায়তায় অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয় তার লাশ। 

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মোড়ে। 

কৌতূহলী পথচারী ও শিক্ষার্থীরা শাহবাগ থানার পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থল থেকে রিকশাচালক দুলাল সরকারের নিথর দেহ উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে গতকাল বুধবার তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় পুলিশ তার নাম-পরিচয় শনাক্ত করে। মৃত দুলাল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চান্দের বাজার গ্রামের বাসিন্দা।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মিঠু ফকির বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসির যাত্রীছাউনির কোণে থেমে রিকশার ওপর বিশ্রাম নিচ্ছিলেন ওই চালক। কিন্তু বেশ কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সাড়াশব্দ ছিল না। এতে আশপাশের পথচারী ও শিক্ষার্থীরা বিষয়টি আমাদের জানান। পরে আমরা এসে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’ 

এসআই মোহাম্মদ মিঠু বলেন, ‘নিহতের পরিবার জানিয়েছে, দুলালের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। সংসারের খরচ জোগাতে তিনি এই বৃদ্ধ বয়সেও গাইবান্ধা থেকে ঢাকায় এসেছিলেন রিকশা চালাতে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার সকালে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর স্যারের চেষ্টায় অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে ওই রিকশাচালকের লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়।’

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৫, ০১:২৩ পিএম
আপডেট: ১৯ মে ২০২৫, ০২:০১ পিএম
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
মেঘনা গ্রুপ

‘পাচার করা অর্থে বিদেশে রাখঢাক ছাড়াই মেঘনা গ্রুপের বিনিয়োগ’ শিরোনামে গত মঙ্গলবার দৈনিক খবরের কাগজের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে মেঘনা গ্রুপ।

গত বুধবার খবরের কাগজের অফিসে পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের কয়েকটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠানকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদটি আদৌ সত্য নয়। তাই এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মেঘনা গ্রুপ ও তার অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের বরাত দিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা মিথ্যা, বানোয়াট ও দুরভিসন্ধিমূলক; যা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মধ্যে পড়ে না।

ওই প্রতিবেদনে আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে পণ্য আমদানির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। একই পণ্য আরও অনেক প্রতিষ্ঠান আমদানি করে থাকে। অর্থ পাচার, পাচারের অর্থে বিদেশে বিনিয়োগের অভিযোগ সম্পূর্ণ অবান্তর, ভিত্তিহীন এবং প্রতিবেদকের মনগড়া কাহিনি। ইন্স্যুরেন্স ফাঁকির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক এবং অসত্য ও মানহানিকর।

মেঘনা গ্রুপ এজাতীয় মিথ্যা, বানোয়াট ও অসত্য সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি শিল্প গ্রুপের বিরুদ্ধে এ ধরনের মানহানিকর সংবাদ প্রচার করা হতে বিরত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে।

প্রতিবেদকের বক্তব্য:
প্রতিবেদনটিতে যেসব তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করা হয়েছে, তা সদ্য বিলুপ্ত এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক তদন্ত সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক প্রতিবেদন থেকে পাওয়া গেছে।