ইন্টারনেট ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে আসক্ত এই সময়ের কিশোর ও তরুণদের বই পাঠে আগ্রহী ও সৃষ্টিশীল করে গড়ে তুলতে ধারাবাহিক গল্পবলা প্রতিযোগিতা অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে। একইসঙ্গে তরুণদের মনের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে এবং উদ্ভাবনী শক্তি চর্চায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) স্কয়ার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে বাংলা ভাষার একমাত্র গল্পবিষয়ক মাসিক পত্রিকা ‘গল্পকার’ আয়োজিত ‘আনন্দ সম্মিলন ও ধারাবাহিক গল্প বলা প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠানে আলোচকদের বক্তব্যে এসব কথা উঠে আসে।
কলেজের অধ্যক্ষ খতিব শাহনাজ সুলতানার সভাপতিত্বে এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনার শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আদু বালা শীল ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অনুবাদক ও গবেষক ড. সুরাইয়া ফারজানা হাসান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ মনিরা ফেরদৌস। উপাধ্যক্ষের বক্তব্যের পর মনোরম সংগীত পর্ব। রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত গেয়ে শোনায় অঙ্কিতা পাল দিয়া ও রাজদীপ চৌধুরী দিব্য। কবিতা আবৃত্তি করে সারা সাফরিন ও আফিয়া জাহিন।
চমৎকার নৃত্য পরিবেশন করে আব্দুল্লাহ আরিফ সিয়াম ও অর্মিতা তাবাসসুম। ধারাবাহিক গল্পবলা শুরু করেন কথাশিল্পী ও ‘গল্পকার’-এর সম্পাদক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্কয়ার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মাকসুদা লাবনী। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এগিয়ে যাওয়া আনন্দ আয়োজনে গল্পটি উপস্থিত শিক্ষার্থী এবং সুধীজনদের কাছে বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে।
ধারাবাহিক গল্পবলা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্রতিষ্ঠানটির ১০ জন শিক্ষার্থী। অত:পর উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য উম্মুক্ত সাহিত্যের সাধারণজ্ঞান প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে মিলনায়তন। প্রতিযোগিতার শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের হাতে গল্পকার-এর পক্ষ থেকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
সবশেষে সমাপনী বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও স্কয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ খতিব শাহনাজ সুলতানা। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সহযোগিতা করেন স্কয়ার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।
সুমন/