ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩১, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

নেত্রকোণার ৩ উপজেলায় বন্যা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৪, ১২:৪৫ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৪, ০৪:৫১ পিএম
নেত্রকোণার ৩ উপজেলায় বন্যা
ছবি: খবরের কাগজ

ভারতীয় পাহাড়ি ঢল আর একটানা ভারী বৃষ্টির কারণে নেত্রকোণার সীমান্তবর্তী উব্দাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে কলমাকান্দা উপজেলার আটটি ইউনিয়নে অন্তত ৬৫টি গ্ৰাম প্লাবিত হয়েছে। তা ছাড়া প্লাবিত হয়েছে নেত্রকোনা সদর ও পার্শ্ববর্তী বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলও। 

এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শতাধিক মানুষ। গবাদিপশু নিয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন। কাঁচা সড়কে কাঁদা সৃষ্টি হয়ে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। পানি উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের মাঠে। 

বাউসী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সামছুল হক জানান, বারহাট্টা উপজেলার কংস নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে কয়েকটি গ্ৰামের নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। বাউসী ও রায়পুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্ৰামে পানি উঠতে শুরু করেছে। পানি এভাবে বাড়তে থাকলে রূপগঞ্জ বাজারের তাতিয়ার আশ্রয়কেন্দ্রও তলিয়ে যাবে। তবে পার্শ্ববর্তী বাউসী অর্দ্ধচন্দ্র উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

কলমাকান্দার ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান জানান, পাহাড়ি ঢল আর একটানা বৃষ্টির কারণে উপজেলার অন্তত ৭/৮টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বরখাস্ত, হোগলা ও সদর ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে বেশি। তবে প্রস্তুত আছে আশ্রয়কেন্দ্রসহ প্রয়োজনীয় খাবারের ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে ২০/২৫টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তাদের খেয়াল রাখা হচ্ছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সারোয়ার জাহান জানান, উব্দাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ৫১ সেমি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে হাওর অঞ্চলে খলিয়াজুরীর ধনু নদীর পানিও বাড়ছে। বাড়ছে দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর পানি।

জেলা প্রশাসক মো. শাহেদ পারভেজ জানান, জেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা, হাওর অঞ্চলে আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্তদের জন্য সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। নগদ অর্থ, শুকনো খাবার, ঔষধপত্র দেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছে। বন্যার্তদের সহযোগিতার জন্য সবার সহানুভূতি ও তথ্য নিশ্চিতকরণে এগিয়ে আসা উচিত।

বিজয় চন্দ্র দাস/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

মীরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতার মৃত্যু

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৮:০৮ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৮:০৮ পিএম
মীরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতার মৃত্যু
মিরসরাইয়ের মঘাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. কামরুল আলম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বড়তাকিয়া বাজার প্রায় দুইশো কিলোমিটারের যাত্রা পথ। আর বাসযোগে এ পথ পাড়ি দিয়ে এসেও জীবিত অবস্থায় বাড়ি ফিরতে পারলেন না মিরসরাইয়ের বিএনপি নেতা মো. কামরুল আলম (৪৮)। নিজের বাড়ির মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে অন্য একটি বাসের চাপায় তিনি প্রাণ হারান।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড়তাকিয়া বাজার এলাকার চক্ষু হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কামরুল আলম উপজেলার ১১ নম্বর মঘাদিয়া ইউনিয়নের কাজীর তালুক গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি মঘাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়তাকিয়া বাইপাস এলাকায় চট্টগ্রামগামী একটি বাস থেকে নেমে সড়কের পাশ দিয়ে পায়ে হেঁটে বাড়ি যাচ্ছিলেন কামরুল। এসময় বড়তাকিয়া চক্ষু হাসপাতালের সামনে পৌঁছলে একটি দ্রুতগামী বাস আরেকটি কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা দিলে বাসটি উল্টে যায়। এসময় পথচারী কামরুল বাসের নিচে চাপা পড়েন। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বাসের আরও ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

মঘাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল উদ্দিন বলেন, ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল আলম ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। দুইশোর কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে আসলেও বাড়ির কাছে এসেই তার মৃত্যু হয়। আমরা একজন দক্ষ নেতাকে হারালাম।

কুমিরা হাইওয়ে পুলিশের ওসি আবদুল হাকিম আজাদ খবরের কাগজকে বলেন, একটি বাস আরেকটি কাভার্ডভ্যানকে ধাক্কা দিলে কামরুল আলম বাসের নিচে চাপা পড়েন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। কাভার্ডভ্যান ও বাস জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।

এদিকে কামরুলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকার, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিনসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা।

খুলনায় পুলিশের ওপর হামলা, কৃষক লীগ নেত্রীসহ গ্রেপ্তার ১৪

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৭:৪৯ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৭:৪৯ পিএম
খুলনায় পুলিশের ওপর হামলা, কৃষক লীগ নেত্রীসহ গ্রেপ্তার ১৪
কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক হালিমা খাতুন। ছবি: সংগৃহীত

খুলনায় হত্যাচেষ্টা মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক হালিমা খাতুনসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুলাই) খালিশপুর থানায় মামলার পর তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর বাস্তুহারা কলোনির কৃষক লীগ নেত্রীর বাড়িতে হত্যাচেষ্টা মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযানে যায়। এ সময় খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ছয় পুলিশ সদস্যকে লিফট বন্ধ করে তার মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট আটকে রাখা হয়। এক পর্যায়ে লিফটের দরজা ভেঙে তারা বাইরে বের হন।

খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে সন্ত্রাসীরা। ওই হত্যাচেষ্টা ঘটনার আসামিরা বাস্তুহারা কলোনিতে কৃষক লীগ নেত্রীর বাসায় অবস্থান করছেন এমন খবরে পুলিশ সেখানে অভিযানে যায়। কিন্তু ওই বাড়িতে ঢুকতে তাদের বাধা দেওয়া হয়। পরে ৯ তলা ভবনের ৫ তলায় ওই নেত্রীর বাসায় যাওয়ার জন্য লিফটে উঠলে লিফট বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রায় ৪০ মিনিট পুলিশ সদস্যরা সেখানে অবস্থানের পর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তারা দরজা ভেঙে বেরিয়ে আসেন। এ সময় নানাভাবে পুলিশকে নাজেহাল করা হয়। এরপর রাত দেড়টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার দুই আসামি মিনার ও আবু সাঈদ এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় হালিমাসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে হত্যাচেষ্টা মামলার আরেক আসামি পলাশ অবস্থান করলেও হামলা চালিয়ে তাকে অন্যরা ছিনিয়ে নেন।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে সিডিএ চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৭:২২ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৭:২২ পিএম
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে সিডিএ চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসন ব্লুতে গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

এ সময় তারা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যেকোনো প্রয়োজনে একে অপরকে সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রামের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন প্রমুখ।

পঞ্চগড়ে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রণোদনার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫৭ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫৭ পিএম
পঞ্চগড়ে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রণোদনার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
পঞ্চগড় হর্টিকালচার সেন্টারের সিনিয়র হর্টিকালচারিস্ট আল মামুন-অর-রশিদ। ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ‘কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচি’র সাড়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আল মামুন-অর-রশিদ নামের সাবেক এক কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঠাকুরগাঁওয়ের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক। অভিযুক্ত আল মামুন-অর-রশিদ বর্তমানে পঞ্চগড় হর্টিকালচার সেন্টারে সিনিয়র হর্টিকালচারিস্ট হিসেবে কর্মরত।

এর আগে গত ১০ জুলাই বোদা উপজেলা কৃষি অফিসে অভিযান চালায় দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম। জানা গেছে, বোদা উপজেলা সাবেক কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন-অর-রশিদ কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির জন্য বরাদ্দকৃত ১৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরপূর্বক আত্মসাৎ করেছেন, এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুদক টিম সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং ব্যাংক থেকে প্রমাণাদি সংগ্রহ করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঠাকুরগাঁওয়ের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। সংগৃহীত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পরবর্তী সময়ে কমিশন বরাবর দাখিল করা হবে। 

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আল মামুন-অর-রশিদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

এ প্রসঙ্গে পঞ্চগড় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল মতিন বলেন, ‘যতটুকু শুনেছি ২০২১ সালের দিকে বোদা উপজেলা কৃষি অফিসের এক কর্মচারী এক কর্মকর্তার সঙ্গে অসদাচরণ করায় তাকে বদলি করা হয়। ওই কর্মচারী নাকি ক্ষুব্ধ হয়ে দুদকে অভিযোগ করেছেন। তবে অভিযোগের সত্যতা মিললে দুদক অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

রনি মিয়াজী/এমএ/

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত
ছবি: খবরের কাগজ

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শুধু রাজশাহী নগরী নয়, জেলার বিভিন্ন স্থান ছাড়াও আশেপাশের জেলাগুলিতেও হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টি। যা প্রকৃতিকে প্রশান্তি দেওয়ার পাশাপাশি চলতি আউশ ও আসন্ন আমন আবাদের জন্য আশীর্বাদ বয়ে এনেছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টা থেকে শুরু হয়ে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজশাহীতে রেকর্ড ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এদিকে, দীর্ঘক্ষণ বৃষ্টিপাতের ফলে শহরের বেশ কিছু এলাকার সড়কে পানি জমে যায়। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেই পানি ড্রেনের মাধ্যমে নেমে যায়। এর আগে গত ৩০ জুন রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছিল। সেদিন ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন রাজশাহীতে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, ৩০ জুন ৩০ দশমিক ৬ মিলিমিটার ও ১ জুলাই ৭ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাজশাহীতে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি আবার কখনো মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। তবে দীর্ঘক্ষণ  বৃষ্টির মধ্যে বেশির ভাগ সময় মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ ছাড়া বৃষ্টিপাতের ফলে রাজশাহী নগরীর উপশহর, উপশহর নিউমার্কেট, সপুরা করবস্থানের উত্তরের সড়ক ও সাহেব বাজারের একটি সড়কে পানি জমে যায়। তবে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পানি নেমে যায়।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, রাজশাহীতে ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির চেয়ে বেশি সময় মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটি মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। এর আগে গত ৩০ জুন বৃষ্টিপাত হয়েছিল ৫৮ মিলিমিটার।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোছা. উম্মে ছালমা বলেন, বর্তমানে জমিতে কৃষকের ক্ষতি হওয়ার মতো কোনো ফসল নেই। বরং এই বৃষ্টি ফসলের জন্য ভালো। কেননা, জমিতে কৃষকরা ধানের বীজ ফেলছেন। পাটের জন্যও ভালো হলো। জমিতে কৃষকের ক্ষতি হওয়ার মতো কোনো ফসল নেই। এ ছাড়া বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন শাকসবজিও ভালো হবে।

এনায়েত করিম/এমএ/