ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সক্ষমতা বাড়াতে সুপরিকল্পিত বাজেটের তাগিদ টেকনাফ দিয়ে মাছ ধরা নৌকায় মানবপাচার প্রাকৃতিকভাবেই এইচআইভি দমনে সক্ষম দুই নারীর গল্প ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক নিশ্চিহ্নের পথে শেরেবাংলার জন্মভিটা শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ আম পাড়া নিয়ে ব্যস্ত মৌসুমি শ্রমিকরা মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা বাতিলের দাবি খুলনায় ধারাবাহিক খুন-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগ, কাজে আসছে না বিশেষ অভিযানও নারায়ণগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর, আহত ১০ জয়পুরহাটে দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যা গ্রাহকের ব্যানারে আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তারা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে ৪৫ শতাংশ সাভারে তিন কারখানা থেকে ১৮৬৮ শ্রমিক অব্যাহতি এখনো উৎপাদনে আসেনি বন্ধ চিনিকল ৭ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল সিরাজগঞ্জে ৪০০ একর জমির ওপর শিল্প পার্ক ৭ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ‘বরফ চিবিয়ে’ দিন পার, হামাগুড়ি দিয়ে বেস ক্যাম্পে ফেরা, বেঁচে ফেরা পর্বতারোহীর রোমহর্ষক বর্ণনা বন্ধ কারখানা চালু হলে গতি ফিরবে অর্থনীতিতে ময়মনসিংহে বাড়তি ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের ভোগান্তি দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাবেশ যত আক্রোশ মুক্তিযুদ্ধে ৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
Nagad desktop

স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মসমর্পণ!

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৮:৪৪ এএম
আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৮:৪৯ এএম
স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মসমর্পণ!
ছবি : খবরের কাগজ

বরগুনায় স্ত্রী আসমা আক্তার পুতুলকে কুপিয়ে হত্যা করার পর থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন স্বামী আবুল কালাম।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বরগুনা পৌরসভার বাগানবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  

আত্মসমর্পণকারী আবুল কালাম বরগুনা শহরে গ্যাস সিলন্ডার ও জালানি তেলের ব্যবসা করতেন। তিনি বরগুনা শহরের শহীদ স্মৃতি সড়কের আব্দুল করিমের ছেলে। আবুল কালামের স্ত্রী আসমা আক্তার পুতুল বরগুনার চান্দখালীর বকুলতলীর মো. ইউনুসের মেয়ে।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে আবুল কালাম ও আসমা আক্তার পুতুলের পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এ বছরের জানুয়ারি মাসে বাগানবাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া আসেন তারা। সেখানেও তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। এর জেরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুতুলকে কুপিয়ে হত্যার করে বরগুনা সদর থানার এসে আত্মসমর্পণ করেন স্বামী আবুল কালাম। পরে তাকে নিয়ে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করলেও এ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

পুতুল ও আবুল কালাম দম্পতির সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে রাকা মনি বলে, আমার বাবা ও মায়ের মধ্যে স্বর্ণালংকার বানানোর টাকা নিয়ে ঝামেলা চলছিল। কয়েকবার তাদের মধ্যে মারামারিও হয়। আমার বাবা দুপুরে আমাকে কোমল পানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ জাতীয় কিছু একটা মিশিয়ে খাওয়ালে আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। সন্ধ্যায় ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার ছোট ভাই কান্না করছে, আর মা রক্তাক্ত অবস্থায় পাশের রুমে পড়ে আছে। 

এ বিষয় বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, 'স্ত্রীকে হত্যা করে আবুল কালাম নামের একজন থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কি কারণে হত্যা করা হয়েছে তা জানতে তদন্ত চলমান রয়েছে। আত্মসমর্পণকারী আবুল কালামকে সোমবার আদালতে উঠনো হবে।'

মহিউদ্দিন অপু/জোবাইদা/

ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে আত্তাব হোসেন (৬০) নামে এক পল্লী চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে আটক করে।

অভিযুক্ত আত্তাব হোসেন উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, শনিবার (৬ জুন) বিকেলে তার মেয়ে দাদির জন্য ওষুধ আনতে আত্তাবের দোকানে যায়। এ সময় শিশুটিকে একা পেয়ে চিকিৎসক আত্তাব ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানির পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে আটকে রাখে। এ সময় এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

ভিকটিম ও তার পরিবার আরও বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। শিশুটি বাড়ি ফেরার পর তার আচরণ দেখে সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সব স্বীকার করে। এছাড়া শিশুটির মা যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ দেখতে পান বলেও জানান।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য শিশুটিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জেল্লাল হোসেন বিষয়টি নিয়ে বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত আত্তাবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহফুজুর রহমান/অন্তরা

খুলনায় ধারাবাহিক খুন-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগ, কাজে আসছে না বিশেষ অভিযানও

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
খুলনায় ধারাবাহিক খুন-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগ, কাজে আসছে না বিশেষ অভিযানও
ছবি: খবরের কাগজ

শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে খুলনা। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, মাদক কারবার ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুলনায় ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড-হামলা, গুলি বিনিময়ের ঘটনায় উদ্বেগ ছড়াচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে নগরীর লবণচরা এলাকায় রাশিদুল ইসলাম নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এর আগে ১৯ মার্চ তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে পরিবারের চারজনকে গুলি করার ঘটনা ঘটে। 

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে খুলনায় এখন পর্যন্ত ৩৬টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৫ সালে ৮৩টি ও ২০২৪ সালে আরও ৬০টি হত্যার ঘটনা ঘটে।

খুলনায় হত্যা, চাঁদাবাজি, টাকার বিনিময়ে টার্গেট কিলিং, মাদক সিন্ডিকেটে কমপক্ষে ৯টি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গেছে। ২০২৪ সালের আগস্টের পর পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় অপরাধ প্রবণতা বেড়েছে বলে দাবি করেন বিশ্লেষকরা। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‍্যাব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অন্য ইউনিটগুলো বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু করেছে। তবে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কেউ এখনো ধরা না পড়ায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন নগরবাসী।

জানা গেছে, গত ৪ মার্চ নগরীর ডাকবাংলা মোড়ে রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই মিশনে একাধিক সন্ত্রাসী দল অংশ নেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রসহ একজনকে গ্রেপ্তার করলেও পরবর্তী সময়ে তদন্ত কার্যক্রম আর এগোয়নি। ২৯ মে নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় দুই নাতিসহ বৃদ্ধ নানিকে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ মামলার প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম হাওলাদারকে ৫ জুন রাতে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। একইভাবে ২ জুন লবণচরা এলাকায় বাড়ির সামনে থেকে রাশিদুল ইসলাম নামে এক যুবককে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পরে প্রকাশ্যে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পুলিশ জানায়, প্রায় তিন বছর আগে একটি মামলায় রাশিদুল কারাগারে ছিলেন। সেখানে ইমরান নামের আরেক যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই সূত্রে ইমরানের পরিবারের সঙ্গে রাশিদুলের যোগাযোগ গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ইমরানের স্ত্রীর সঙ্গে রাশিদুলের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর আট মাস আগে ইমরান আরেকটি মামলায় কারাগারে গেলে রাশিদুল তার স্ত্রীকে বিয়ে করেন। কারাগার থেকে বের হয়ে ইমরান দলবল নিয়ে ১৯ মার্চ রাশিদুলের বাড়িতে হামলা করলে ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে ২ জুন বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রাশিদুলকে হত্যা করা হয়।

মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা খুলনার সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক সময়ে খুলনায় মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী চক্রগুলোর সংঘাত আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায়ই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রের মহড়া, গোলাগুলি ও খুনের ঘটনা ঘটছে।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতে ৩ জুন কেএমপির সদর দপ্তরে শহরের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসংক্রান্ত বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত চলা অভিযানে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কয়েকজন সহযোগী, মাদক কারবারি, অস্ত্রসহ ৬২ জন গ্রেপ্তার হয়।

পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য বিশেষায়িত ইউনিট বর্তমানে একযোগে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করছে। গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র এবং অবৈধ মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। তবে অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কেউ এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম-চাঁদাবাজি অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ কাটছে না।

পুলিশ জানায়, এর আগে ১৫ এপ্রিল নগরীর বিভিন্ন থানার ওসি রদবদল করা হয়। তবে ওসিদের বদলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। 
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, শীর্ষ পর্যায় থেকে যৌথ অভিযানের নির্দেশনা রয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের তালিকা করা হয়েছে। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখা পুলিশের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোকে অভিযানে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

শিবালয়ে ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে চেইন ছিনতাই

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩১ পিএম
শিবালয়ে ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে চেইন ছিনতাই
ছবি: খবরের কাগজ

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় ৬৩ বছর বয়সী এক ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করার পর তার গলায় থাকা রুপার মালা ছিনতাইয়ের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দুইজন ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত এবং একজন ছিনতাই করা মালামাল কেনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) ভুক্তভোগী বৃদ্ধা শিবালয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এর আগে শনিবার (৩০ মে) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ তেওতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তাররা হলেন, উপজেলার দক্ষিণ তেওতা এলাকার আশরাফুল (২৬), রবিন ওরফে সোহেল রানা (২৭) এবং তেওতা বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী নিতাই চন্দ্র পাল (৪৫)। চুরি যাওয়া রুপার মালা উদ্ধারসহ অভিযুক্তদের আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী বৃদ্ধা একজন ভিক্ষুক। ঘটনার দিন তিনি স্থানীয় একটি বাজারে ভিক্ষা করছিলেন। এ সময় আশরাফুল ও রবিন তার কাছে এসে জানান, রবিনের মা তাকে কিছু দেওয়ার জন্য বাড়িতে ডাকছেন। তাদের কথায় বিশ্বাস করে তিনি একটি ইজিবাইকে করে তাদের সঙ্গে রওনা দেন। তবে অভিযুক্তরা তাকে বাসায় না নিয়ে, দক্ষিণ তেওতা এলাকায় তৈয়বের বাঁশবাগানে নিয়ে যান। সেখানে মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ধর্ষণের সময় আশরাফুল ভুক্তভোগীর গলায় থাকা প্রায় ১ ভরি ১৪ আনা ওজনের একটি রুপার মালা চুরি করে নেন। ঘটনার বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

পরে বিষয়টি স্বজনদের জানালে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে ষাইটঘর বাজার এলাকা থেকে আশরাফুল ও রবিনকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা চুরি হওয়া রুপার মালা তেওতা বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী নিতাই চন্দ্র পালের কাছে বিক্রির কথা স্বীকার করে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিতাই চন্দ্র পালকেও গ্রেপ্তার করে এবং তার কাছ থেকে চুরি যাওয়া রুপার মালা উদ্ধার করে।

শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। ধর্ষণের কারণে দুইজনকে আর চোরাই গয়না কেনার কারণে ক্রেতাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

আসাদ/নাঈম

সাঘাটায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
সাঘাটায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩
ছবি: খবরের কাগজ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ঘটনায় জড়িত স্বাধীন পলাতক রয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে কচুয়া ইউনিয়নের গাছাবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন, গাছাবাড়ী গ্রামের লাবু হাসান (২০), নিরব মিয়া (১৯) ও পাশ্ববর্তী পশ্চিম শিমুলতাইড় গ্রামের রহমত উল্লাহ প্রধান (১৯)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী খবরের কাগজকে জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির উঠানে মোবাইল ফোনে কথা বলছিল ওই কিশোরী। এ সময় অভিযুক্তরা তাকে তুলে নিয়ে বাড়ি-সংলগ্ন বিলের পাশে ধর্ষণ করেন।

‎সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান খবরের কাগজকে বলেন, শুক্রবার ভোরে তাদের আটক করা হয়। দুপুরে এ ঘটনার মামলা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া পলাতক আসামি স্বাধীন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মিলন খন্দকার/থিও

শাহরাস্তিতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ বৃদ্ধের বিরুদ্ধে

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৫ এএম
শাহরাস্তিতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ বৃদ্ধের বিরুদ্ধে
ছবি: খবরের কাগজ

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নাসিরউদ্দিনের (৬০) বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পরে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।

ভুক্তভোগী শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং সে প্রায় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রায় সাত মাস আগে প্রতিবন্ধী বাবা-মা শিশুটিকে প্রতিবেশী নাসিরউদ্দিনের বাড়িতে গৃহস্থালির কাজে পাঠান। ভুক্তভোগী শিশুর অভিযোগ, সেই সুযোগে নাসিরউদ্দিন তাকে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিকভাবে স্পর্শ করত এবং গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঘরে আটকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে বাবা-মাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ায় প্রাণভয়ে এতদিন সে মুখ খোলেনি।

গত ২ জুন শারীরিক পরিবর্তন দেখে পরিবারের লোকজন জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি ঘটনাটি বিস্তারিত প্রকাশ করে। পরে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তার পাচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

ভুক্তভোগীর মা এই জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্যও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তদন্তের দাবি জানান।

এ বিষয়ে শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তামান্না রুপা/