ঢাকার সাভারে এক কিশোরীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে সাব্বির হোসেন (১৬) নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
এর আগে ভোরে সাভারের কাউন্দিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় পলাতক এক নারী ও দুই যুবক জড়িত রয়েছে।
সাব্বির বরগুনার চান্দুখালি গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়নের বাকসাত্তা গ্রামের চাঁদনী (১৪), কেচি রাকিব (২৫) ও আশিক (২০) পলাতক রয়েছে।
মামলার এজাহারসূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী তার বাবা, মা ও ভাই-বোনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাউন্দিয়ার বাগসাত্তা গ্রামে বসবাস করে। গত ১৩ জুলাই পূর্বপরিচয়ের সুবাদে অভিযুক্ত চাঁদনী তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সকালে একই গ্রামের হাজি মফিজুর রহমানের বাড়ির বারান্দায় ভুক্তভোগীর নিথর দেহ পড়ে থাকার খবর পায় তার পরিবার। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় বিএমআই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ভুক্তভোগীর মা খবরের কাগজকে বলেন, ‘অভিযুক্ত সাব্বির ও চাঁদনী, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আমাদের গ্রামে মফিজুর রহমানের বাড়িতে ভাড়ায় থাকত। চাঁদনী আমার মেয়ের পূর্বপরিচিত। সেই সুবাদে গত ১৩ জুলাই চাঁদনী আমার মেয়েকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরদিন ১৪ জুলাই রাত ১০টার দিকে তারা ভাড়া বাসায় প্রবেশ করেছিল। পরিকল্পিতভাবে চাঁদনীর সহায়তায় ওই বাসাতেই আমার মেয়েকে সাব্বির, কেচি রাকিব ও আশিক পালাক্রমে ধর্ষণের পর হত্যা করে পালিয়েছে।’
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিঞা বলেন, ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। তদন্ত শেষে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
ইমতিয়াজ/পপি/