রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকা থেকে ছাত্রদল নেতা মো. সাব্বির আহমেদের (২৮) হাত বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি এলাকায়। বাবার নাম সিরাজুল ইসলাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাব্বির আহমেদ চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকার একটি ব্যাচেলর বাসায় বন্ধুদের সঙ্গে ভাড়া থাকতেন। গতকাল সোমবার থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কেউ যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। পরে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে খোঁজ নিতে গিয়ে হাত বাঁধা ও গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।
পরে কাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে সাব্বিরের বড় ভাই আব্দুল আজিজ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানি না।লাশ উদ্ধার হয়েছে শুনে এসেছি। কয়েকদিন আগে আমার সঙ্গে কথা হয়েছে। সাব্বির একাই মোহাম্মদপুর থাকতো। পরিবারের সবাই যাত্রাবাড়ি এলাকায় থাকি। মোহাম্মদপুরে পড়াশোনা শেষে হোটেল ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি নিয়ে কিছুদিন চাকরিও করেছে। এখন কিছুই করতো না।
মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক সাংবাদিকদের বলেন, মোহাম্মদপুর থানার এক ছাত্রদল নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শরীরে আঘাতে চিহ্ন নেই। তবে হাত বাঁধা ছিল। এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের পরে জানা যাবে।
অমিয়/