ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ভয়ভীতি দেখিয়ে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ: ভারতের মানবাধিকার সংগঠন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে পুশইন করছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল আবারও এশিয়ার শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু, আহত ৩ নিয়মের তোয়াক্কা নেই, সড়কে বেপরোয়া ডিএসসিসির ডাম্পট্রাক চার দিনের সফরে বেইজিং গেছেন তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজারে মানবপাচার চক্রের মূলহোতা ছৈয়দুল হক আটক ডিক্যাব ও বাংলাদেশ চীন আপন মিডিয়া ক্লাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই শরীয়তপুরে মব করে প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা এনসিটিবিসহ চার শিক্ষা বোর্ডে নতুন নেতৃত্ব স্বপ্নে গান শোনা আসলে কীসের ইঙ্গিত? ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্যে ছিনতাই, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জেট ফুয়েলের দাম লিটারে কমল ১৫ টাকা চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালক-এনসিপি কর্মীদের মারামারি গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লাখ গাছ চসিকের সড়ক ও ফুটপাত থেকে দেড় শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা নিয়ে উত্তেজনা জ্বালানির মজুদ সম্প্রসারণ, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণসহ ১২ দফা সুপারিশ সংসদীয় কমিটির ঢামেক ও চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, ৬ দফা দাবি ভোলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ওসিকে তলব বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল কুমিল্লায়  ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪৫ জন আটক; ৫ বাস-মাইক্রো জব্দ গোয়েন্দারা কেন প্রকাশ্যে আসছেন? শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান নূরজাহান ট্র্যাজেডির সমাজতাত্ত্বিক পাঠ কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি
Nagad desktop

মুসাব্বির হত্যায় বাজেট ১৫ লাখ, জড়িত আপন তিন ভাই

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১০ এএম
মুসাব্বির হত্যায় বাজেট ১৫ লাখ, জড়িত আপন তিন ভাই
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুসাব্বির

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জেরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সদস্যসচিব মুসাব্বিরকে হত্যার জন্য ১৫ লাখ টাকার বাজেট হয়েছিল বলে তথ্য রয়েছে, তবে সেটি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম। 

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তারের পর রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

গ্রেপ্তার চার ব্যক্তি হলেন মো. জিন্নাত, বিল্লাল হোসেন, আব্দুল কাদির ও মো. রিয়াজ। এর মধ্যে বিল্লাল হোসেন, আব্দুল কাদির নিহত মুসাব্বিরের আপন দুই ভাই। 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে জিন্নাত মূল শুটার এবং বিল্লাল ওই খুনের সমন্বয়কারী বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার চারজনকে গতকাল আদালতে হাজির করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্নভাবে তদন্ত করে মোসাব্বির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। পরে ডিবি পুলিশের একাধিক টিম ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, ভৈরব ও কিশোরগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই খুনের সন্দেহভাজন দুই শুটারের মধ্যে একজন জিন্নাতকে গ্রেপ্তার করা গেলেও রহিম নামে আরেকজন এখনো পলাতক রয়েছেন। কিলিং মিশনের সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন বিল্লাল হোসেন। এ ঘটনায় বিল্লালের চাচা গ্রেপ্তার হওয়া কাদির খুনিদের পালাতে সহায়তা করেন এবং গ্রেপ্তার রিয়াজ হত্যাকাণ্ডের আগের দিন ঘটনাস্থলসহ মুসাব্বিরের অবস্থান ‘রেকি’ করে যান। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকারও করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। 

‘মুসাব্বির হত্যার মিশনে ১৫ লাখ টাকার বাজেট’ প্রসঙ্গে ডিবি পুলিশের প্রধান বলেন, এ রকম তথ্য রয়েছে, যা আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মুসাব্বিরকে হত্যার সমন্বয়ের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন বিল্লাল। বিল্লালই মূলত ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা এবং একটি মোটরসাইকেলের চুক্তিতে শুটার জিন্নাতকে ভাড়া করেন। জিন্নাতের আগে তিনি রিয়াজকে ভাড়া করেন, কিন্তু রিয়াজ হত্যার আগের দিন শুধু ‘রেকি’ করেই চলে যান। পরে জিন্নাত কিলিং মিশন সম্পন্ন করেন। 

হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য এবং নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সম্পৃক্ততার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, এটা একটি আলোচিত খুনের ঘটনা। মুসাব্বির একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন। প্রাথমিকভাবে আসামিদের শনাক্তসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো এখনো উদ্ধার করা যায়নি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এই হত্যাকাণ্ড ব্যবসাকেন্দ্রিক বিরোধের জেরে ঘটেছে। এর বাইরেও কোনো কারণ আছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। নিহত মুসাব্বিরের যেমন ব্যবসা রয়েছে, তেমনি গ্রেপ্তার আসামিদের ব্যবসা রয়েছে কারওয়ান বাজারে। কিছুদিন আগে মুসাব্বির কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে একটি মানববন্ধন করেছিলেন। সেখানে অতর্কিত হামলা-মারামারি হয়। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। ফলে এখানে বিরোধের একটি সূত্র পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে মুসাব্বির হত্যা মামরায় গ্রেপ্তার আসামিদের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও ওঠাবসা ছিল। ফলে সব বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

গত ৭ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর কারওয়ান বাজারসংলগ্ন পশ্চিম তেজতুরী বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুসাব্বির। এ ঘটনায় পরদিন তেজগাঁও থানায় অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন নিহতের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম। 

হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন আপন তিন ভাই 
মোসাব্বির হত্যায় আপন তিন ভাই জড়িত ছিলেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম। তিনি এ বিষয়ে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে আপন তিন ভাই বিল্লাল, আব্দুল কাদির ও রহিম জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর মধ্যে বিল্লাল ও আব্দুল কাদিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেক ভাই রহিম সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে শনাক্ত করা হয়েছে, তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 

মেয়েকে অশালীন কথা বলার প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বাবার

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:৪০ পিএম
মেয়েকে অশালীন কথা বলার প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বাবার
সিলেটের মানচিত্র

নিজের মেয়েকে অশালীন কথা বলার জেরে মারামারি করে প্রতিবেশীর ঘুষিতে প্রাণ হারিয়েছেন চৈতন্য গোয়ালা নামে এক ব্যক্তি।

গতকাল শনিবার বিকেলে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং চা বাগানে এই ঘটনা ঘটে। 

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে অভিযুক্ত সুমন প্রধানকে (৪২) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিহত চৈতন্য গোয়ালার মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত চৈতন্য গোয়ালা ও সুমন প্রধান প্রতিবেশী। তারা বাগানে চা শ্রমিকের কাজ করেন। শনিবার বিকেলে চৈতন্য গোয়ালার মেয়ে পুকুর থেকে গোসল করে উঠলে সুমন প্রধান তাকে অশালীন কথা বলেন। তখন পাশে থাকা বাবা এর প্রতিবাদ করলে দুজনের হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে চৈতন্য গোয়ালাকে ঘুষি মারেন সুমন। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে তাকে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে গোয়াইঘাট থানায় মামলা করেন। পরে অভিযুক্ত সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে মধ্য জাফলং ইউনিয়নের মেম্বার শৈলেন দেব খবরের কাগজকে বলেন, নিহত চৈতন্য গোয়ালা ও সুমন প্রধান পাশাপাশি বাড়িতে থাকতেন। দুজনই চা শ্রমিক। একই সঙ্গে চলাফেরা তাদের। একই পুকুরে দুই পরিবারের সদস্যরা গোসল করে। ঘটনার দিন চৈতন্য গোয়ালার মেয়ের গোসল করা নিয়েই দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও পরে মারামারি হয়। তখন চৈতন্যকে ঘুষি মারে সুমন। এতে সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গোয়াইঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফয়েজ উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, চৈতন্য গোয়ালার মেয়েকে অশালীন কথা বলেন সুমন প্রধান। তখন এক সঙ্গে বাড়ির সিঁড়িতে বসা ছিলেন চৈতন্য ও সুমন। অশালীন কথার প্রতিবাদ করলে চৈতন্যকে কানের বাম পাশে ঘুষি মারেন সুমন।  হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অমিয়/

হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক চালককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

রবিবার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে হালিশহরের ছোটপুল কাঁচাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা রুবেল (২৮) নামের অভিযুক্ত যুবককে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে গণপিটুনি দেয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত রুবেল পেশায় একজন অটো-টেম্পুচালক। ভুক্তভোগী শিশুর বাবাও একজন গাড়িচালক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুর মা পেশায় পোশাকশ্রমিক। সকালে তিনি কর্মস্থলে চলে যান। সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি থাকায় শিশুটির বাবা মেয়ের সঙ্গে ঘরেই ঘুমাচ্ছিলেন। সকাল ১০টার দিকে রুবেল গাড়ি বের করার কথা বলে ওই বাসায় আসেন। শিশুর বাবা বৃষ্টির কারণে গাড়ি বের করবেন না জানালে রুবেল ঘর থেকে চলে যাওয়ার ভান করে। এরপর শিশুর বাবা আবার ঘুমিয়ে পড়লে রুবেল পুনরায় ঘরে ঢুকে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

শিশুটির বাবা বলেন, ‘হঠাৎ মেয়ের চিৎকার শুনে আমার ঘুম ভেঙে যায়। পরে মেয়ের মুখে সব শুনে আমি রুবেলকে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে ধরা হয়।’

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দীন বলেন, ‘স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এর আগে, মঙ্গলবার (২ জুন) একই থানা এলাকার বি ব্লক পাবলিক স্কুল মোড়ে আইসক্রিমের লোভ দেখিয়ে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় দোকানদার ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয়রা।

তামান্না রুপা/

নড়াইলে প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:১৪ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:১৮ এএম
নড়াইলে প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
অভিযুক্ত সেলিম শেখ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে সেলিম শেখ (২৬) নামের এক ইজিবাইকচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৬ জুন) আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সেলিম শেখ লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বয়রা গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী লোহাগড়া এলাকার একটি গ্রামে তার নানা বাড়িতে থাকতেন। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলের দিকে অভিযুক্ত সেলিম শেখ তাকে রাস্তা থেকে ইজিবাইকে করে তুলে নিয়ে যান। তারপর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

তারপর সন্ধ্যায় তাকে উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের একটি বাজার এলাকায় নামিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত সেলিম। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেলে সে পুরো ঘটনা তাদের জানায়।

শনিবার (৬ জুন) এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা লোহাগড়া থানায় অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করেন।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজিত কুমার রায় বলেন, ভুক্তভোগী মেয়েটির মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করেন। এছাড়া ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামি সেলিম শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শরিফুল/আমান/

নাগরপুরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:১৬ এএম
নাগরপুরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে তার প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় মামলা করেছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের কাজীর-পাচুরিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে বাড়ির পাশে ধানের খোলায় কাজ করছিলেন। কিছু সময় পর মেয়েটি ধান নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দেয়। ফিরতে দেরি হলে মা তাকে খুঁজতে বের হন।

এ সময় বাড়ির পাশের জমির আইলে প্রতিবেশী সাজ্জাদের ছেলে মো. শাকিব তার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতে দেখেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে শাকিব পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর মা জানান, অভিযুক্ত শাকিব তাদের প্রতিবেশী ও আত্মীয়। তার মেয়ে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় সুযোগ নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাকিব পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জুয়েল রানা/তামান্না রুপা/

ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে আত্তাব হোসেন (৬০) নামে এক পল্লী চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে আটক করে।

অভিযুক্ত আত্তাব হোসেন উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, শনিবার (৬ জুন) বিকেলে তার মেয়ে দাদির জন্য ওষুধ আনতে আত্তাবের দোকানে যায়। এ সময় শিশুটিকে একা পেয়ে চিকিৎসক আত্তাব ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানির পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে আটকে রাখে। এ সময় এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

ভিকটিম ও তার পরিবার আরও বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। শিশুটি বাড়ি ফেরার পর তার আচরণ দেখে সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সব স্বীকার করে। এছাড়া শিশুটির মা যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ দেখতে পান বলেও জানান।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য শিশুটিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জেল্লাল হোসেন বিষয়টি নিয়ে বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত আত্তাবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহফুজুর রহমান/অন্তরা