ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চসিকের সড়ক ও ফুটপাত থেকে দেড় শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা নিয়ে উত্তেজনা জ্বালানির মজুদ সম্প্রসারণ, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণসহ ১২ দফা সুপারিশ সংসদীয় কমিটির ঢামেক ও চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, ৬ দফা দাবি ভোলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ওসিকে তলব বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল কুমিল্লায়  ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪৫ জন আটক; ৫ বাস-মাইক্রো জব্দ গোয়েন্দারা কেন প্রকাশ্যে আসছেন? শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান নূরজাহান ট্র্যাজেডির সমাজতাত্ত্বিক পাঠ কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি যশোর জেলার দর্শনীয় ও ভ্রমণযোগ্য স্থান সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক তামিম ইকবাল রামুতে ছেলের গুলিতে বাবার মৃত্যু পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে দুই মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্বের এই বৃহত্তম যৌথ পরিবারে দৈনিক লাগে ৯০ কেজি চাল প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার ঝিনাইদহে তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক গানে আর ফিরবেন না রিংকু ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ শাড়ির নিচে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না তৃণমূল নেতা কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই নোয়াখালীতে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি ধ্বংস, লাখ টাকা জরিমানা টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ এবং শত্রু-মিত্র খেলা এ যেন মাঠ ভরাট নয়, সম্প্রীতির উৎসব
Nagad desktop

প্রেমিকা ও তার বান্ধবী খুন করে মোকাররমকে, জড়িত কিশোরী মেয়েও

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৮:৫০ এএম
প্রেমিকা ও তার বান্ধবী খুন করে মোকাররমকে, জড়িত কিশোরী মেয়েও
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মুগদা থানার মান্ডা এলাকা থেকে উদ্ধার ৮ টুকরা করা মরদেহটি সৌদি প্রবাসী মোকাররম মিয়ার (৩৭) বলে জানিয়েছে র‌্যাব। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে র‌্যাব-৩ হেলেনা বেগম (৪০) নামে এক নারী ও তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া জড়িত সন্দেহভাজন প্রেমিকা তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনা (৩১) এখনো পলাতক। 

র‌্যাব জানায়, পরকীয়ার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।

সোমবার (১৮ মে) বিকেলে র‍্যাব-৩ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন।

তিনি জানান, গত ১৪ মে মোকাররমকে হত্যার পর মরদেহ গুম করতে খণ্ড-বিখণ্ড করে ভাড়া বাসার বেজমেন্টের নিচে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনার পরদিন অভিযুক্ত তাসলিমা, তার বান্ধবী হেলেনা, হেলেনার মেয়ে রাতে ‘পার্টিও’ করেন। পরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের খবরে পুলিশ গিয়ে গত রবিবার বিকেলে মরদেহের সাতটি টুকরো উদ্ধার করে।

পরে জড়িত সন্দেহভাজন হেলেনা ও তার কিশোরী মেয়েকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নিহতের পরিচয় জানিয়ে খুনের বিষয়ে তারা নানা তথ্য দেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে রাতেই ওই বাসা থেকে এক কিলোমিটার দূরের একটি স্থান থেকে নিহতের বিচ্ছিন্ন মাথার অংশটি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমেও নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মোকাররমের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ গতকাল নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ফায়েজুল আরেফীন বলেন, মোকাররমের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একই গ্রামের সৌদিপ্রবাসী সুমনের সুসম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে সুমনের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনার সঙ্গে মোকাররমের পরিচয় হয়।

মোকাররম সৌদিতে থাকা অবস্থায় একপর্যায়ে তাসলিমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। এ সম্পর্কের সূত্র ধরে মোকাররম বিভিন্ন সময় তাসলিমাকে পাঁচ লাখের বেশি টাকা দেন।

গত ১৩ মে মোকাররম সৌদি থেকে দেশে ফিরে ঢাকার কমলাপুর এলাকায় তাসলিমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখান থেকে তাসলিমা মোকাররমকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মান্ডা এলাকায় তার বান্ধবী হেলেনার ভাড়া বাসায় গিয়ে ওঠেন। তাসলিমা ও হেলেনা দুজনের বাবার বাড়িই নরসিংদী জেলায়। দুই কক্ষের ওই বাসায় বান্ধবী হেলেনা তার দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন।

হেলেনার সেই বাসায় গিয়ে তাসলিমাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন মোকাররম। কিন্তু রাজি হচ্ছিলেন না প্রেমিকা তাসলিমা। তখন মোকাররম তার দেওয়া সব টাকা ফেরত দিতে বললে এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।

ঝগড়ার একপর্যায়ে মোবাইলে থাকা তাদের দুজনের বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন মোকাররম। তার মাঝেই সে রাতে মোকাররম তাসলিমার বান্ধবী হেলেনার কিশোরী মেয়ের সঙ্গেও অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করেন। সেটি দেখে হেলেনাও ক্ষুব্ধ হন।

সব মিলিয়ে তাসলিমা-হেলেনা মোকাররমকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরদিন সকালে পানির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয় মোকাররমকে। পরে ঘুমের প্রভাবে দুর্বল হয়ে পড়লে হেলেনা বালিশচাপা দিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাসলিমা হাতুড়ি দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করলে মোকাররম সেটি ধরে ফেলেন। তখন হেলেনা বঁটি দিয়ে মোকাররমের গলায় কোপ দেন। মোকাররম হাতুড়ি ছেড়ে মেঝেতে পড়ে যান।

তখন হেলেনার কিশোরী মেয়ে সেই হাতুড়ি নিয়ে মোকাররমের মাথায় আঘাত করেন। একপর্যায়ে মোকাররমের মৃত্যু নিশ্চিত হলে বাথরুমে নিয়ে মরদেহ টুকরো করে আলাদা পলিথিনে ভরেন তারা। হত্যার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর গভীর রাতে মরদেহের সাতটি খণ্ড বাসার নিচে বেজমেন্টে এবং মাথার অংশ প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ফেলে দেন তারা।

ঘটনা নিয়ে অন্যদের সন্দেহ এড়াতে হেলেনা ও তাসলিমাসহ তারা সবাই পরদিন বাইরে ঘুরতে যান, হোটেলে বিরিয়ানি খান এবং রাতে বাসার ছাদে গান-বাজনার পার্টি দেন। পর দিন তাসলিমা তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীতে চলে যান।

মেয়েকে অশালীন কথা বলার প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বাবার

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:৪০ পিএম
মেয়েকে অশালীন কথা বলার প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বাবার
সিলেটের মানচিত্র

নিজের মেয়েকে অশালীন কথা বলার জেরে মারামারি করে প্রতিবেশীর ঘুষিতে প্রাণ হারিয়েছেন চৈতন্য গোয়ালা নামে এক ব্যক্তি।

গতকাল শনিবার বিকেলে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং চা বাগানে এই ঘটনা ঘটে। 

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে অভিযুক্ত সুমন প্রধানকে (৪২) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিহত চৈতন্য গোয়ালার মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত চৈতন্য গোয়ালা ও সুমন প্রধান প্রতিবেশী। তারা বাগানে চা শ্রমিকের কাজ করেন। শনিবার বিকেলে চৈতন্য গোয়ালার মেয়ে পুকুর থেকে গোসল করে উঠলে সুমন প্রধান তাকে অশালীন কথা বলেন। তখন পাশে থাকা বাবা এর প্রতিবাদ করলে দুজনের হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে চৈতন্য গোয়ালাকে ঘুষি মারেন সুমন। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে তাকে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে গোয়াইঘাট থানায় মামলা করেন। পরে অভিযুক্ত সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে মধ্য জাফলং ইউনিয়নের মেম্বার শৈলেন দেব খবরের কাগজকে বলেন, নিহত চৈতন্য গোয়ালা ও সুমন প্রধান পাশাপাশি বাড়িতে থাকতেন। দুজনই চা শ্রমিক। একই সঙ্গে চলাফেরা তাদের। একই পুকুরে দুই পরিবারের সদস্যরা গোসল করে। ঘটনার দিন চৈতন্য গোয়ালার মেয়ের গোসল করা নিয়েই দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও পরে মারামারি হয়। তখন চৈতন্যকে ঘুষি মারে সুমন। এতে সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গোয়াইঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফয়েজ উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, চৈতন্য গোয়ালার মেয়েকে অশালীন কথা বলেন সুমন প্রধান। তখন এক সঙ্গে বাড়ির সিঁড়িতে বসা ছিলেন চৈতন্য ও সুমন। অশালীন কথার প্রতিবাদ করলে চৈতন্যকে কানের বাম পাশে ঘুষি মারেন সুমন।  হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অমিয়/

হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তকে গণপিটুনি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক চালককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

রবিবার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে হালিশহরের ছোটপুল কাঁচাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা রুবেল (২৮) নামের অভিযুক্ত যুবককে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে গণপিটুনি দেয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত রুবেল পেশায় একজন অটো-টেম্পুচালক। ভুক্তভোগী শিশুর বাবাও একজন গাড়িচালক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুর মা পেশায় পোশাকশ্রমিক। সকালে তিনি কর্মস্থলে চলে যান। সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি থাকায় শিশুটির বাবা মেয়ের সঙ্গে ঘরেই ঘুমাচ্ছিলেন। সকাল ১০টার দিকে রুবেল গাড়ি বের করার কথা বলে ওই বাসায় আসেন। শিশুর বাবা বৃষ্টির কারণে গাড়ি বের করবেন না জানালে রুবেল ঘর থেকে চলে যাওয়ার ভান করে। এরপর শিশুর বাবা আবার ঘুমিয়ে পড়লে রুবেল পুনরায় ঘরে ঢুকে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

শিশুটির বাবা বলেন, ‘হঠাৎ মেয়ের চিৎকার শুনে আমার ঘুম ভেঙে যায়। পরে মেয়ের মুখে সব শুনে আমি রুবেলকে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে ধরা হয়।’

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দীন বলেন, ‘স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এর আগে, মঙ্গলবার (২ জুন) একই থানা এলাকার বি ব্লক পাবলিক স্কুল মোড়ে আইসক্রিমের লোভ দেখিয়ে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে স্থানীয় দোকানদার ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয়রা।

তামান্না রুপা/

নড়াইলে প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:১৪ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:১৮ এএম
নড়াইলে প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
অভিযুক্ত সেলিম শেখ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে সেলিম শেখ (২৬) নামের এক ইজিবাইকচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৬ জুন) আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সেলিম শেখ লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বয়রা গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী লোহাগড়া এলাকার একটি গ্রামে তার নানা বাড়িতে থাকতেন। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলের দিকে অভিযুক্ত সেলিম শেখ তাকে রাস্তা থেকে ইজিবাইকে করে তুলে নিয়ে যান। তারপর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

তারপর সন্ধ্যায় তাকে উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের একটি বাজার এলাকায় নামিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত সেলিম। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেলে সে পুরো ঘটনা তাদের জানায়।

শনিবার (৬ জুন) এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা লোহাগড়া থানায় অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করেন।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজিত কুমার রায় বলেন, ভুক্তভোগী মেয়েটির মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করেন। এছাড়া ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামি সেলিম শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শরিফুল/আমান/

নাগরপুরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:১৬ এএম
নাগরপুরে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে তার প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় মামলা করেছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের কাজীর-পাচুরিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে বাড়ির পাশে ধানের খোলায় কাজ করছিলেন। কিছু সময় পর মেয়েটি ধান নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দেয়। ফিরতে দেরি হলে মা তাকে খুঁজতে বের হন।

এ সময় বাড়ির পাশের জমির আইলে প্রতিবেশী সাজ্জাদের ছেলে মো. শাকিব তার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতে দেখেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে শাকিব পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর মা জানান, অভিযুক্ত শাকিব তাদের প্রতিবেশী ও আত্মীয়। তার মেয়ে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় সুযোগ নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাকিব পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জুয়েল রানা/তামান্না রুপা/

ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রাম্য চিকিৎসক আটক
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৮ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে আত্তাব হোসেন (৬০) নামে এক পল্লী চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে আটক করে।

অভিযুক্ত আত্তাব হোসেন উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, শনিবার (৬ জুন) বিকেলে তার মেয়ে দাদির জন্য ওষুধ আনতে আত্তাবের দোকানে যায়। এ সময় শিশুটিকে একা পেয়ে চিকিৎসক আত্তাব ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানির পর স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে আটকে রাখে। এ সময় এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

ভিকটিম ও তার পরিবার আরও বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। শিশুটি বাড়ি ফেরার পর তার আচরণ দেখে সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সব স্বীকার করে। এছাড়া শিশুটির মা যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ দেখতে পান বলেও জানান।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক আরিফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য শিশুটিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জেল্লাল হোসেন বিষয়টি নিয়ে বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত আত্তাবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহফুজুর রহমান/অন্তরা