ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩১, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

সাইকেলের দুনিয়ায়

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৪, ০৬:৫৮ পিএম
আপডেট: ০২ জুন ২০২৪, ০৬:৫৮ পিএম
সাইকেলের দুনিয়ায়
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় দুই শতক ধরে চলার পর ২০১৮ সালে জাতিসংঘ বিশ্ব সাইকেল দিবস ঘোষণা করে। সে অনুযায়ী ৩ জুন বিশ্ব সাইকেল দিবস। সাইকেল দিবসে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি অবলম্বনে সাইকেল নিয়ে কিছু মজার তথ্য:

  • সময়টা ছিল ১৮১৭ সাল। হঠাৎ এক অদ্ভুত বাহন উদ্ভাবন করে বসলেন এক জার্মান ব্যারন। ব্যারনের নাম কার্ল ফন ডরিস। উদ্ভাবনটা হচ্ছে ঘোড়াবিহীন যান, যেটা দ্রুত গতিতে ছুটতে পারে। বাহনটা দুই চাকার, প্যাডেলবিহীন, আর মাটিতে পা দিয়ে ঠেলে সামনে এগোতে হয়। যন্ত্রটি পরিচিত হয়ে উঠল ‘ড্রেইজিন’ নামে। আর এটা থেকেই সৃষ্টি হলো আধুনিক সাইকেল।
  • বিমান আবিষ্কারক হিসেবে অরভিল আর উইলভার রাইটের নাম তো আমরা সবাই জানি। মজার বিষয় হচ্ছে, উড্ডয়নের জন্য প্রথম বিমানটিও তারা তৈরি করেছিলেন সাইকেল সারাইয়ের দোকানে। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও রাজ্যের ডেটনে ছিল তাদের সাইকেল সারাইয়ের দোকান।
  • পঁচিশ বছর বয়সী ফ্রেড এ বার্কমোর সাইকেলে বিশ্ব ভ্রমণ করেছিলেন ১৯৩৫ সালে। এই ভ্রমণে ইউরোপ, এশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়েছেন ফ্রেড। এর মধ্যে তিনি সাইকেলে প্যাডেল মেরেছেন ২৫ হাজার মাইল। বাকি পথটুকু নৌকায় পাড়ি দিয়েছিলেন। সুদীর্ঘ এই পথে তার সাইকেলের সাতজোড়া টায়ার বদলাতে হয়েছিল।
  • আঠারো শতকেই চীনে সাইকেল আমদানি করা হয়। বর্তমানে চীনে চলাচল করে ৫০ কোটিরও বেশি সাইকেল।
  • বর্তমান বিশ্বে বছরে ১০ কোটি সাইকেল উৎপাদিত হয়।
  •  বিগত ৩০ বছরে সাইকেলের মাধ্যমেই বিতরণ সেবা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শহর অঞ্চলে, যেখানে যানবাহনের জ্যাম খুবই বিরক্তিকর পর্যায়ে চলে গেছে।

আহমেদ রিয়াজ/আবরার জাহিন

যত শান্তি গোসলে

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৫১ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৫১ পিএম
যত শান্তি গোসলে

জুনের ১৪ তারিখ পালন করা হয় বিশ্ব গোসল দিবস। তুমি হয়তো অবাক হচ্ছ যে, গোসলেরও দিবস আছে! অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২০১৬ সাল থেকে জাতিসংঘ দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয়। যাতে মানুষের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। আর গোসল মানেই হচ্ছে সারা দিনের যত ক্লান্তি, যত ব্যস্ততা- সবকিছুকে দূরে সরিয়ে নিজেকে নিজে যত্ন করা এবং গোসলকে উপভোগ করা। তো বিশ্ব গোসল দিবসে গোসল সম্পর্কে কিছু চমকপ্রদ তথ্য জানাচ্ছেন আহমেদ রিয়াজ


গোসল মানেই আরাম
এই যে এত গরম পড়েছে, তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, সারা দিন বাইরে কাটিয়ে, ঘেমে একাকার হয়ে ঘরে ফেরার পর গোসলের চেয়ে আরাম আর কিছু কি হতে পারে? চর্মরোগ এবং ত্বক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গোসলের মাধ্যমে ‘ভালো অনুভূতি’ সৃষ্টির হরমোন যাকে এন্ডোরফিনস বলা হয়, সেটা নিঃসৃত হয়। কাজেই ভালো অনুভূতি চাইলে ঝাঁপ দাও পানিতে কিংবা মাথা পেতে দাও ঝরনাতলায়।

গোসল মানেও জিম করা
গোসলকে যদিও অনেকে কাজ হিসেবে দেখতে রাজি নন, তবু গোসল করাও কিন্তু একটা কাজ। আর কাজ মানেই শরীরের ক্যালরি ক্ষয় করা। ৩৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় এক ঘণ্টা ধরে গোসল করলে গড়ে ১৩০ ক্যালরি ক্ষয় হয়। তার মানে গোসল মানেও জিম করা। 

আয় ঘুম আয়
অনেকের আবার ঘুম না আসার রোগ আছে। রাতে বিছানায় ছটফট করেন, এ পাশ-ও পাশ করেন। তারা যদি হালকা গরম পানিতে গোসল করতে পারেন তাহলে তাদের মাংসপেশি শিথিল হবে। শরীর শিথিল হওয়া মানেই ঘুমের জন্য শরীর উপযুক্ত হওয়া। 

শুষ্ক ত্বকের মহৌষধ
অনেকে শীতের সময় গোসল করতে চান না। গোসল করলে নাকি শীত আরও বেশি অনুভূত হয়। আসলে তা নয়। বরং যত কড়া শীতই পড়ুক, গোসল করলে শীতটা কমই অনুভূত হয়। আর যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের জন্য গোসল তো মহৌষধ। এমনিতেই আমাদের ত্বক শীতের সময়ে আর্দ্রতা হারায়। তার ওপর শুষ্ক ত্বক যাদের, তাদের এই আর্দ্রতা হারানোর মাত্রা তখন আরও বেড়ে যায়। ফলে একজিমা, সোরিয়াসিসসহ নানা ধরনের চর্মরোগ হয়। নিয়মিত গোসল এসব চর্মরোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে।

গোসল মানেই সুস্থতা
গোসল যে আমাদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয় এটা কি আমরা জানি? হৃদয় বা হার্ট আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করে যায় প্রতিনিয়ত। গরম পানিতে গোসল করলে হৃদয়ের জন্য কাজটা একটু কঠিন হয়ে যায়। সে কারণে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করাই উত্তম। আর গোসলের কারণে হৃদযন্ত্রেরও ব্যায়াম হয়ে যায়। সে কারণে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। গোসল আমাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে এতটাই প্রশান্তি এনে দেয় যে, একটা সুন্দর গোসলের পর আমাদের মন বলে ওঠে- আহ্! কাজেই গোসল মানেই সুস্থতা।

মেজাজও ঠিক রাখে গোসল
বাবা বকা দিয়েছে? শিক্ষকের ঝারি খেয়েছ? বন্ধুদের সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে? নানান কারণে আামদের মেজাজ খারাপ হতেই পারে। কিন্তু কোনোভাবেই যদি মেজাজ ঠিক রাখতে না পার, তবে সোজা চলে যাও গোসলে। গোসল আমাদের মেজাজমর্জির হালও ধরে রাখতে পারে।

জাহ্নবী

 

অন্যরকম স্নান

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৫০ পিএম
অন্যরকম স্নান

পানি ছাড়া কি গোসল বা স্নান হয়? হয় তো। পানি ছাড়াও আছে হরেকরম স্নান।

বালিস্নান

বালিগোসলের আরেক নাম ধুলোস্নান। সাধারণত পাখিদের এ ধরনের গোসল করতে দেখা যায়। চড়ুই, মালাবারের ধনেশ, ভরত, টার্কি ইত্যাদি পাখির বালিতে গোসল করা খুবই সাধারণ ব্যাপার। অনেক পাখি জাপানিজ আগ্নেয়গিরির বালুতে শরীর ঢেকে গোসল সারে।

কাদাস্নান

হাতি, গণ্ডারসহ নানান স্তন্যপায়ী প্রাণী কাদাস্নান করে। আর মানুষের মধ্যে এই কাদাস্নানের প্রচলন কিন্তু কয়েক শ বছর ধরে চলে আসছে। তবে বেশির ভাগ মানুষ শখে নয়, চিকিৎসার অংশ হিসেবে কাদাস্নান করে থাকেন।

টমেটোস্নান

স্পেনের লা টমাটিনো উৎসবের কথা তো অনেকেই জানেন। ওটা একটা খেলা। এ-ওর গায়ে টমেটো ছুড়ে মারে। মানে টমেটো ছোড়াছুড়ি। গায়ে টমেটো লেগে থেঁতলে যায়। পুরো শরীর টমেটোয় মাখামাখি হয়ে যায়। অনেকটা টমেটো দিয়ে স্নানের মতোই বিষয়টা। তবে সত্যিকারের টমেটো স্নান হয় দক্ষিণ কোরিয়ায়। ওখানে শিশুদের ত্বক সুন্দর রাখার জন্য কিছু সুইমিংপুলে টমেটো স্নানের ব্যবস্থা আছে।

জাহ্নবী

গুলুর ঝালমুড়ি

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৪৮ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৪৮ পিএম
গুলুর ঝালমুড়ি

গুলু সকাল হলেই দু-মুঠো পান্তাভাত আর কাঁচামরিচ মেখে খায়। তারপর থলে হাতে গাঁয়ের বটতলা দিয়ে হাঁটা ধরে নিশিপুর স্কুলের দিকে। স্কুলের গেটের সামনে চট বিছিয়ে বসে বিক্রি করে ঝালমুড়ি আর ভাঁজা বাদাম।

বেচাবিক্রির ফাঁকে ফাঁকে ঠিক পাখির মতো গলা উঁচিয়ে হাঁক দেয় রাস্তার মানুষদেরও। এই ঝালমুড়ি, ভাঁজা বাদাম, যে খাবেন নিয়া যান, নিয়া যান…
একেবারে সস্তা দাম! নিয়া যান…

একবার খাইলেই ফের মন চাইব, এই সেই ঝালমুড়ি, ভাঁজা বাদাম।

এভাবে হাঁক পাড়তে পাড়তে বিক্রি করতে থাকে ঝালমুড়ি আর বাদাম। স্কুলের ছেলেমেয়েসহ গ্রামের প্রায় সব মানুষই গুলুর কাছেই ঝালমুড়ি কিনে খায়। ছেলে-বুড়ো সবাই গুলুকে এক নামে চেনে! গুলু ঝালমুড়িওয়ালা! সেদিন স্কুলের টুকুন, রাকিব, তনয় গুলুকে ডেকে বলে- গুলু ভাই, তোমার হাতের ঝালমুড়ির যা মজা! তার কোনো তুলনা নেই। আর বাদাম ভাঁজাও অনেক ভালো, একদম মুচমুচে!  

আজকাল এত যত্ন করে কজনই-বা বেচাকেনা করে বলো! সবাই কেবল ভেজাল বিক্রি করে।

সারা দুনিয়াটাই ভেজালময় হয়ে গেছে গো গুলু ভাই।

মৃদু হেসে জবাব দেয় গুলু, তা আপনারা ঠিক কথাই কইছেন। তবে এগুলো তো সবই আমার মায়ের হাতের তৈরি। ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই মায়ের সব জোগাড় সারা হয়ে যায়। মা আগের যুগের মানুষ, ভেজাল কিছু দু-চোখে দেখতে পারেন না।

যাই বল গুলু ভাই, তোমার এই ঝালমুড়ি খেয়ে আমাদের হেডস্যারও তোমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

তাই নাকি ভাইজানেরা! এ তো আমার ভারি সৌভাগ্যির ব্যাপার!

কথার মাঝেই টুকুন বলে ওঠে, এই যে গুলু ভাই, তোমরা যে গল্পেই ডুবে গেলে, কই আমাদের ঝালমুড়ি দাও! সঙ্গে বাদামও দিও।  

গুলু বলল, জি ভাইজান দিতাছি।

এই নেন।

এভাবেই সকাল ও দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়। স্কুলে ছুটির ঘণ্টা বেঁজে ওঠে টুংটাং, টুংটাং করে।

ছেলেমেয়েরাও বই-খাতা গুছিয়ে বাড়ির দিকে ছুট দেয়। সেই সঙ্গে গুলুরও ছুটি হয়। থলেটা মাথায় তুলে বাড়ির দিকে রওনা হয় গুলু।

রোজ ঝালমুড়ি আর বাদাম বিক্রি করে কোনোমতে দিন পার হয় গুলুর। ভিটেমাটি বলতে তেমন কিছুই নেই। শুধু এক টুকরো জমিতে একটি কুঁড়েঘর।

সেখানেই বৃদ্ধ মাকে নিয়ে থাকে গুলু।

আজ শুক্রবার স্কুল ছুটির দিন। তাই গুলু ঝালমুড়ি বেচতে যায়নি।

এদিকে গুলুর মা ডাকে- বাবা গুলু, নেও বাপু এই তোমার জন্যি একটু চালের গুঁড়ো দিয়ে হালুয়া করেছি, খেয়ে নেও।

গুলু হালুয়া খায়।

একবার এক সপ্তাহ ধরে গুলুর কোনো খবর নেই। ঝালমুড়ি, বাদাম বেচতে যায়নি। গুলুর যে ভীষণ জ্বর!

ঘরে যা পয়সাকড়ি ছিল তা ডাক্তার দেখাতেই শেষ হয়ে গেছে। এক টাকাও পুঁজি নেই! যা দিয়ে ব্যবসাটা আবার শুরু করবে। চিন্তায় গুলুর মাথায় হাত।

এদিকে স্কুলের ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন গুলুর মজাদার ঝালমুড়ি খাওয়ার অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু তার নাগাল পায় না কেউ।

রাকিব আর টুকুন ভাবে- কী হলো গুলু ভাইয়ের, এতদিন হয়ে গেল দেখা মেলে না। ব্যাপারটা দেখতে হচ্ছে।

টুকুন বলে, চল আজ গুলু ভাইয়ের বাড়ি গিয়ে দেখি সমস্যা কোথায়?

যেই ভাবা সেই কাজ! গুলুর বাড়ি গিয়ে তার মুখে সব কথা শুনে টুকুন ভাবে- আসলে কী করা যায়!

টুকুন আর রাকিব পরামর্শ করে।

পরের দিন সকালে স্কুলে তারা হেডস্যারের কাছে গিয়ে গুলুর ব্যাপারে সব কথা খুলে বলে।

সব শুনে স্যার বললেন, তাহলে কী করতে চাও তোমরা?

টুকুন বলে, আপনি অনুমতি দিলে আর কিছু আর্থিক সহযোগিতা করলে ভালো হবে। স্কুলের ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে গুলু ভাইয়ের জন্য স্কুলের গেটের বাইরে ছোট একটি দোকান করে দিতে চাই। সেখানে বসে গুলু ভাই ঝালমুড়ি, বাদাম, চা-বিস্কুটসহ সবই বেচতে পারবে। তাতে আমাদেরও সুবিধা হবে এবং গুলু ভাইয়েরও উপকার হবে।

সব শুনে হেডস্যার জবাব দিলেন, বাহ! ভালোই বলেছ। আচ্ছা, অনুমতি দিলাম।

পরদিনই টুকুন ও রাকিব স্কুলের ছেলেমেয়েদের নিয়ে কাজ শুরু করে দেয়। ছোট্ট একটা দোকান বানিয়ে দেয়। দোকানে মুড়ি, বাদামসহ নানান কিছু সাজিয়ে দেয়।

পরের দিন গুলুকে ডেকে নিয়ে আসে টুকুন। হেডস্যারকে দিয়ে গুলুর দোকান উদ্বোধন করায়। হেডস্যার বলেন, আজ থেকে এখানে বসেই ঝালমুড়ি বেচবে, বুঝলে গুলু। তোমাকে আর পাড়ায় পাড়ায় হাঁক দিয়ে বিক্রি করতে হবে না। সবাই এখান থেকেই কিনবে।

গুলু তো অবাক! খুশিতে ওর দু-চোখ পানিতে ভরে যায়।

কাঁপা গলায় বলে, কী বলে যে ধন্যবাদ দেব মাস্টার মশাই।

না না গুলু, আমায় ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নেই, সবই করেছে রাকিব, টুকুন ওরা মিলে। আমি তো শুধু সহযোগিতা করেছি।

জাহ্নবী

ছড়া

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৪৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১২:৪৫ পিএম
ছড়া

ঝড়কন্যা 
কাজল নিশি 
রহমতেরই বৃষ্টি চাই 
দাও থামিয়ে ঝড়, 
ঝড়ো হাওয়ায় ভাঙছে লোকের 
অনেক বাড়িঘর!

তাণ্ডব করে ঝড়কন্যা তুই  
করলি ফসল নষ্ট, 
কৃষক ভায়ের মনে দিলি
ভীষণ রকম কষ্ট!

গেলো বছর দুষ্ট কন্যা
নিয়ে গেছিস মাকে
সেই না দুখে আজও বাবা
পথে পথে থাকে!

তোর তাণ্ডবে পারছি না আর 
থাকতে ঘরে টিকে,
খোদার দোহাই যারে কন্যা
নিজের দেশের দিকে।


ইচ্ছে হলে পারি 
মজনু মিয়া 
খেলতে পারি ইচ্ছে হলে
কানামাছি ভোঁ ভোঁ-
বলতে পারি ইচ্ছে করে 
যাকে পাবি তাকে ছোঁ।

গোল্লাছুট ও দাঁড়িয়া বাঁধা 
ওপেন টু টাই টু খেলা-
ছি খেলা আর চড়ুইভাতি 
বসে যে বৈশাখের মেলা।

ফড়িং ধরা প্রজাপতির 
পিছু পিছু ছুটে যাই,
জোনাক পোকার আলো দেখে
আনন্দ আর মজা পাই।

 

যে জয়ে প্রদীপ জ্বলে
এম এ জিন্নাহ 

সরল হওয়ার ইচ্ছে নিয়ে
ঘুম থেকে রোজ ওঠি; 
ফুলের সাথে পাখির সাথে 
হয়-যে ছোটাছুটি। 

শহর গলির আলোক সাজে
ছলচাতুরী কত!  
আমি কেবল নীরব মনে 
গুনছি অবিরত। 

পাপ সমাচার ছড়াছড়ি 
শ্বাস বেঁধে যায় তাতে; 
এমন কিছু চাই না আমি 
ক্ষতি থাকে যাতে। 

সবকিছুতে শেষ নামিলে
আমি হবো অন্য; 
মানুষ হওয়ার ইচ্ছে কেবল 
মানুষ হবো ধন্য।

জাহ্নবী

খুকিপনা

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৪, ০১:২৯ পিএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৪, ০১:২৯ পিএম
খুকিপনা
অলংকরণ: নাজমুল আলম মাসুম

এটা সেটা কতকিছু 
খুকি ধরে বায়না 
গিন্নিও বলে ওগো, 
একখানা আয়না!
আয়নাটা হতে হবে 
এতোটুকু লম্বা 
বড় খুকি বলে ওঠে 
আমি কীসে ‘কম-বা’
ছুঁতে পারি ছাদটাও-
আট ফুট লম্বা!

/আবরার জাহিন