ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শেরপুরে নিখোঁজ ৫ ছাত্রের ৩ জনকে জীবিত উদ্ধার তনু হত্যা: দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের নির্দেশ বোয়ালখালীতে ওমান প্রবাসীকে হত্যা: শোকে পাথর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মা মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বাড়ছে: যুবদল সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইউনুছ হাওলাদার আর নেই মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন যেকোনো সাফল্যে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি (সা.) রৌমারীতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নারীর মৃত্যু ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক
Nagad desktop

বসন্ত ভালোবাসায়

প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৯:০৫ এএম
বসন্ত ভালোবাসায়
অভিনেত্রী সাফা কবির। ছবি: সংগৃহীত

আজ পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বসন্তবরণ বাঙালির সংস্কৃতির এক অনন্য উৎসব। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনকে স্বাগত জানানোর জন্য উদযাপিত হয় এই উৎসব। প্রথম ফাল্গুনকে বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি প্রিয়জনদের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগাভাগি করে নেবেন সাধারণ মানুষ থেকে শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। এসব বিষয় নিয়ে আয়োজন করা হয়ে খবরের কাগজের আজকের রঙ। তারকাদের সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন এ মিজান।

অভিনেতা সোহেল রানা । ছবি: সংগৃহীত


আমাদের সময় প্রপোজ করতেই ৫ বছর লেগে যেত: সোহেল রানা
বিশ্ব ভালোবাসা নিয়ে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক শফিক রেহমান যখন ‘লাল গোলাপ’ শো শুরু করেন তখন আমি তার বিরোধিতা করেছিলাম। সে সময় পত্রিকাতেও আমি এসবের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলাম তাকে নিয়ে। কারণ এসবের জন্য আমাদের সংস্কৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদেশি কালচার আমাদের কালচারে প্রভাব বিস্তার করেছে। বাঙালির সংস্কৃতি অনেক বেশি সমৃদ্ধ। ১২ মাসে ১৩ পার্বণের দেশ বাংলাদেশ। বৈশাখ, চৈত্রসংক্রান্তি, ফাল্গুনসহ বাঙালিদের নানা রঙিন সংস্কৃতি রয়েছে। বিদেশি সংস্কৃতির বিভিন্ন ডে দিয়ে আমাদের সংস্কৃতি আজ ধ্বংসপ্রায়। তাদের আবেগ আর আমাদের আবেগ এক নয়। বিদেশিরা লিভ টুগেদার করেন। বিয়ের আগেই তাদের ছেলেমেয়ে হয়।

১৮ বছর বয়স হলেই ছেলেমেয়েরা মা-বাবার কাছ থেকে আলাদা থাকে। এটা আমাদের সংস্কৃতিতে ভাবাই যায় না। আমরা পরিবারনির্ভর। পরিবার আমাদের সারা জীবনের জন্য। আমরা পারিবারিক ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা ঘরের বাইরে গেলেও বাবা-মাকে বলে যেতাম। তাদের ভালোবাসা সব সময় আমার মাথার ওপর ছিল। এখন কে কোথায়, কার সঙ্গে যায় এসব নিয়ে কেউ খবর রাখেন না। সবাই নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত। আর ভালোবাসা নিয়ে বিশেষ কোনো দিবস আমার খুবই অপছন্দের। ভালোবাসার বিশেষ কোনো দিবস কেন থাকবে? প্রিয় মানুষকে আমরা সব সময়ই ভালোবাসব। প্রতিদিনই ভালোবাসার দিন আমাদের। ভালোবাসার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা সময় থাকা উচিত না।

এখন ভালোবাসা বিষয়টি ঠুনকো হয়ে গেছে। এখন মানুষ অর্থ এবং এনজয় করাতেই বেশি বিশ্বাসী। সবকিছু একেবারেই রোবোটিক হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স। আমাদের সময় প্রোপজ করতেই ৫ বছর লেগে যেত। কাউকে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করা ছিল অনেক কঠিন বিষয়। এখন প্রথম দিনেই কফি ডেট, প্রথম দিনেই তুমি সম্বোধন। সবকিছু কেমন যেন এলোমেলো লাগে। প্রজন্ম অনেক আবেগহীন হয়ে যাচ্ছে। কেউ মারা গেলেও এখন আর সবাই কাঁদেন না। কিছু মানুষ কাঁদেন, আর কিছু মানুষ যেন দায়িত্ব পালন করতেই ছুটে যান। সবকিছুই আর্টিফিশিয়াল। আমি পর্দায় অসংখ্য প্রেম করেছি। কিন্তু ব্যক্তিজীবনে প্রেমের অভিজ্ঞতা ভালো না। কারণ আমার সব সময় ফোকাস ছিল আমার ক্যারিয়ার নিয়ে। আমি রাজনীতি করেছি, খেলাধুলা করেছি। পড়াশোনা নিয়েও তুমুল ব্যস্ত থাকতাম। ব্যস্তময় জীবনে ওইভাবে প্রেম করা হয়নি। তবে আমি আমার প্রিয় মানুষদের অনেক ভালোবাসি। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা আছে এবং থাকবে। সবার জন্যই অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা।

অভিনেত্রী ববিতা। ছবি: সংগৃহীত

 

ভালোবাসার চেয়ে মূল্যবান কিছু নেই: ববিতা
বিশেষ দিন বা সময় ভালোবাসার জন্য নির্ধারণ করা উচিত নয়। ভালোবাসা হচ্ছে সাংঘাতিক একটা ব্যাপার। এর চেয়ে সত্য, সুন্দর ও চিরন্তন কিছু নেই। ভালোবাসার চেয়ে মূল্যবান আর কিছু নেই। সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা, স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা, ভাই-বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা, প্রেমিক-প্রেমিকার ভালোবাসা- সবকিছু মিলিয়ে ভালোবাসাটা স্বর্গীয় একটা বিষয়। এই পৃথিবীতে ভালোবাসা না থাকলে পৃথিবী এত সুন্দর হতো না। আমাদের সময় যে ভালোবাসা ছিল, আর এখন বর্তমান সময়ে ভালোবাসার যে ধরনের ভালোবাসা দেখি তা হচ্ছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। আমাদের সময়ে ভালোবাসা ছিল আস্থার, শ্রদ্ধা ও একে অপরের প্রতি দারণ বিশ্বাসের। ভালোবাসা এখনো আছে কিন্তু তার পরও এখনকার ছেলেমেয়েরা কীসের পেছনে যেন ছুটে বেড়ায় সব সময়। এক ধরনের অস্থিরতা দেখি তাদের মাঝে। ভালোবাসা নিয়ে আমার বেশ স্মৃতি আছে। আমি যদি বলি আমার ভালোবাসা ছিল না, তাহলে ভুল বলা হবে। তবে বিভিন্ন পত্রিকায় তখন বিভিন্নজনের সঙ্গে আমার গসিপ লেখা হতো। এগুলো পড়ে আমি হাসতাম।

ছোট বয়সেই মিডিয়ায় কাজ শুরু করেছিলাম। আমার ক্যারিয়ারে অনেক নায়কের সঙ্গেই কাজ করেছি। কিন্তু জাফর ইকবালের প্রতি আমার একটা ভালোলাগা ছিল। সেটা ভালোবাসাও বলতে পারেন। জাফর ইকবাল ছিল ভীষণ স্মার্ট, গুড লুকিং। অভিনয়ও যেমন দারুণ করতেন আবার গানও গাইতেন চমৎকার। কেউ কেউ বলেন, ভালোলাগার তীব্রতা নাকি জাফর ইকবালের বেশি ছিল। আমারও কিন্তু ভালোই ছিল। অভিনয়ের কারণে অসংখ্য ভক্তের ভালোবাসা পেয়েছি। অনেক ভক্ত আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য পাগলামীও করেছেন। একবার প্রেস ক্লাবের সামনে এক ভক্ত মশারি টাঙিয়ে বসে গেলেন আমার জন্য। তার দাবি ছিল আমার সঙ্গে দেখা করে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করবেন। সে সময় এ ঘটনা পত্রিকাগুলো ফলাও করে ছাপিয়েছিল। পুলিশ নাকি বুঝিয়ে সেই ভক্তকে ফিরিয়ে দিয়েছিল। আমি কী কারণে যেন সেই ভক্তের কাছে যেতে পারিনি। এখনো অনেক মানুষ আমার বাসার নিচে এসে দেখা করতে চায়। সবার সঙ্গে তো আর দেখা করা সম্ভব নয়, তবে আমি চেষ্টা করি ভক্তদের অনুরোধ রাখতে। কোথাও গেলে ভক্তদের কারণে আমি কখনই বিরক্ত হই না। কারণ তাদের ভালোবাসার জন্যই আমি ববিতা হতে পেরেছি। আমি দোয়া করি সবাই সবার ভালোবাসার মানুষগুলো নিয়ে সুখে থাকুক। সবাইকে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা। কারণ ভালোবাসা সুন্দর হলেই মানুষগুলো ভালো থাকে। ভালোবাসায় ভালো থাকুন পৃথিবীর সব মানুষ।

আমি হলুদ শাড়ি পরব: সাফা কবির
প্রতিদিনই আমার কাছে ভালোবাসার দিন। তারপরও ভালোবাসার জন্য একটি বিশেষ দিন থাকলে এটা আরও বেশি উপভোগ্য হয়। আমার কাছে মনে হয়, ভালোবাসা মানে শুধুই প্রেমিক-প্রেমিকা এমনটি নয়। ভালোবাসার মানুষ মা-বাবা, ভাইবোন, বন্ধুরা যে কেউই হতে পারেন। তবে যেকোনো বিশেষ দিন বা সময় আমার ভালো লাগে। পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসের পরিকল্পনা হয়ে গেছে। আমি দুপুরে হলুদ শাড়ি পরব, আর রাতে লাল পোশাক পরে সেলিব্রেট করব। আমার কাছে ভালোবাসার মানে  হচ্ছে ‘ওপেন টু লাভ’। ভালোবাসার দিনে সবাই ভালো থাকুক সেই কামনা করি। সবাই তার ভালোবাসার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দিনটি ভালোভাবে উদযাপন করুক। 

অভিনেত্রী মুমতাহিনা টয়া। ছবি: সংগৃহীত

 

শুধু মুখে বলে দিলেই ভালোবাসা হয় না : মুমতাহিনা টয়া
আমার কাছে ভালোবাসা দিবসের বিশেষ পরিকল্পনা নেই। প্রতিদিনই প্রিয় মানুষদের ভালোবাসার দিন। ভালোবাসার দিনে আমি একটা বার্তা দিতে চাই, সেটা হলো ভালোবাসা পাওয়ার চেয়ে সেটা রক্ষা করাটা বেশি কঠিন। ভালোবাসা মেইনটেইন করতে হয়। আমি তোমাকে ভালোবাসি শুধু মুখে বলে দিলেই ভালোবাসা হয় না। কাজে ও ব্যবহারে বোঝাতে হয়। নিজের পার্টনারকে অথবা পরিবারের মানুষকে যাকেই ভালোবাসেন, কাজ দিয়েই তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে, আপনি আসলে কতটা ভালোবাসেন। 

সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। ছবি: সংগৃহীত

 

ভালোবাসা শুধু একটা শ্রেণিতে আবদ্ধ নয় : ইমরান
ভালোবাসা একেকজনের কাছে একেক রকম। আমরা এটাকে আসলে প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে আবদ্ধ করে ফেলি। এটা সঠিক নয়, প্রেমিক-প্রেমিকা ছাড়াও ভালোবাসা হচ্ছে মা-বাবার প্রতি, দেশ, সমাজের প্রতি বিশেষ অনুভূতি। ভালোবাসা মানে সংগ্রাম ও সেক্রিফাইস। ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের মাস। ভাষার জন্য অনেকেই রক্ত দিয়েছেন। ভাষার প্রতি যারা জীবন দিয়েছেন তাদের এই ভালোবাসাটা শ্রদ্ধা ও সম্মানের। তাই ভালোবাসা দিবস শুধু একটা শ্রেণিতে আবদ্ধ নয়। ভালোবাসা দিবস আমি গানে গানে ভক্তদের সঙ্গে উদযাপন করব। এই মাসে আমার অনেক শো আছে। তাই ভালোবাসা দিবস নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা করতে পারিনি। তবে একজন শিল্পী হিসেবে ভক্তদের সঙ্গে ভালোবাসা শেয়ার করার যে সুযোগ পাচ্ছি, এটাই আমার অনেক বড় প্রাপ্তি।

/আবরার জাহিন

শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই সিনেমার দুই নন্দিত নায়িকা শাবনূর ও পূর্ণিমা। দুজনেই অভিনয়ে অনিয়মিত। শাবনূর বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। এদিকে পূর্ণিমা দেশে থাকলেও রুপালি পর্দায় তার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। তবে অভিনয়ে নিয়মিত না থাকলেও এই দুই নায়িকার সম্পর্ক বেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ। শাবনূরকে নিয়ে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার একটি ফেসবুক পোস্ট নেটিজেনদের মধ্যে  আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শাবনূরের সঙ্গে কাটানো একটি স্মরণীয় মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ করেন।
পোস্টের ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেন, ‘কিছু মানুষ শুধু তারকা নন, তারা মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকেন। বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ‘শাবনূর’ আপু। পর্দার সাফল্যের বাইরেও তিনি একজন অসাধারণ মনের মানুষ। ২-৩ বছর আগে তার সঙ্গে কাটানো এই মুহূর্তটি আজও আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় স্মৃতিগুলোর একটি।’
এই নায়িকা আরো লিখেন, ‘বাংলা সিনেমায় আপনার অবদান যেমন অবিস্মরণীয়, তেমনি মানুষ হিসেবেও আপনি অসাধারণ। আপনাকে বড় পর্দায় খুব মিস করি। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।’
ভিডিওতে দুই নায়িকাকে হাস্যোজ্জ্বল ও আন্তরিক পরিবেশে একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায়। পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’
ছবি: সংগৃহীত

নাট্যসংগঠন বটতলা কর্তৃক পরিচালিত অভিনয় শেখার স্কুল অ্যাক্টরস স্টুডিওর আওতায় শিশুদের জন্য ‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ শীর্ষক চার মাসব্যাপী নাট্যকর্মশালার ষষ্ঠ আবর্তন সম্পন্ন হয়েছে গত ৬ জুন। ৬ মাস প্রশিক্ষণ ও মহড়া শেষে, বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে শিশুরা পরিবেশন করে নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনী। 
জার্মান সাহিত্যিক ওটফিল্ড প্রুশলার-এর নন্দিত রচনা ‘ডাকাত হটজেনপ্লটয’ অবলম্বনে নাট্যরূপ দিয়েছেন শাম্মি আক্তার এবং নির্দেশনা দিয়েছেন হুমায়ূন আজম রেওয়াজ।
প্রদর্শনী শেষে শিশুদের হাতে সনদপত্র ও উপহার তুলে দেন বাংলাদেশের অষ্টম এভারেস্ট বিজয়ী নুরুন্নাহার নিম্নি, আয়রনম্যান মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাত, লেখক ও গবেষক সামীও শীশ, কবি ও শিক্ষক সাকিরা পারভীন সুমা, বটতলার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিজানুর রহমান এবং বটতলা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও শিল্পী লায়েকা বশীর।
‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ কর্মসূচির সাফল্যের ধারাবাহিকতা শিশুদের থিয়েটার চর্চার স্বতন্ত্র পরিসর তৈরিতে বটতলা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে অভিনয়ে হাতেখড়ি কর্মশালার মাধ্যমে বটতলা মঞ্চে এনেছে শিশুতোষ নাটক গুপীবাঘা, গালিভারস ট্রাভেলস, আমরা সবাই রাজা, হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা ও ফাংসাং নাটকগুলো।

জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান
ছবি: সংগৃহীত

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও সুরকার লাকী আখান্দের ৭০তম জন্মদিন ৭ জুন। জন্মদিনে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রকাশ পেল তারই সুরে অপ্রকাশিত গান। গানটির শিরোনাম ‘উড়ছে ধুলো ছুটছে ঘোড়া’। গীতিকবি গোলাম মোর্শেদের কথায় গানটি গেয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার। গানটির লিরিক ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে জয় শাহরিয়ার ও গান জানালার ইউটিউব চ্যানেলে। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে সব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে গানটি। 
নতুন এই গান প্রসঙ্গে জয় শাহরিয়ার বলেন, ‘লাকী ভাই কিংবদন্তি শিল্পী। তার সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য হয়নি সরাসরি। প্রিয় গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ ভাইয়ের কাছে তার লেখা ও লাকী ভাইয়ের সুরে কিছু অপ্রকাশিত গান আছে জানতে পেরে আমি একটি গান করার আগ্রহ প্রকাশ করি। মোর্শেদ ভাই আমার সেই আবদার রেখে আমাকে এই গানটি দেন। আমার জীবনের একটি স্বপ্ন পূরণ হলো এর মধ্যদিয়ে। আমি চেষ্টা করেছি লাকী ভাইয়ের মূল সুরের আমেজ ধরে রাখতে। লাকী ভাইয়ের জন্মদিনে এই গান আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি তার স্মৃতির প্রতি।’
গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ বলেন, ‘লাকী ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি, অনেক গান। একসঙ্গে টানা কাজ করেছি আমরা। আমি লিরিক লিখে উনাকে দিতাম। সেগুলো সুর করলে মোবাইলে রেকর্ড করে রাখতাম। প্রকাশ পায়নি এমন বেশ কিছু গান রয়ে গেছে আমার কাছে। জয় শাহরিয়ার আমার স্নেহের অনুজ শিল্পী। ওর আগ্রহে এই গানটি ওকে দেওয়া। আমার খুব ভালো লেগেছে জয়ের কাজ। আশা করি লাকী ভাইয়ের শ্রোতাদেরও ভালো লাগবে।’

গানে আর ফিরবেন না রিংকু

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
গানে আর ফিরবেন না রিংকু
ছবি: সংগৃহীত

ক্লোজআপ ওয়ান খ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীতিশিল্পী রিংকু। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ তিনি। চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে থমকে গেছে তার জীবন। ২০২০ সাল থেকে শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে যাওয়ার পর থেকে নিভৃতে দিন কাটাচ্ছেন নিজ গ্রামে। এক সময়ে গানের ব্যস্ততা ভুলে শহর ছেড়েছেন অনেক আগেই। অসুস্থ শরীর নিয়ে জীবনের তাগিদে করেছেন কৃষি খামারও। 
এবার এই তারকা জানালেন গানের জগতে আর ফেরা হবে না তার। তার কথায় শেষ আকুতি— তার সৃষ্টিগুলো যেন হারিয়ে না যায়। 
সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে হাজির হয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থা, ক্যারিয়ার এবং এক সময়ের কাছের মানুষদের বদলে যাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন রিংকু।
রিংকু বলেন, ‘পুরোপুরি গানে ফেরার ইচ্ছা আমার নেই। ইচ্ছা করলেও সেই সম্ভাবনা নেই। কারণ, চারবার স্ট্রোক হয়েছে, এর মধ্যে একবার-দুবার তো কেউ জানতই না। চারবার যখন স্ট্রোক হয়ে গেল, তখন আমি বুঝলাম সব আশা শেষ। এটা মানতে হবে, কারণ এটাই সত্য। আসলে আমি যেভাবে ব্যাক করতে চাই, সেভাবে আর হবে না। পরিপূর্ণভাবে ব্যাক করতে না পারলে ব্যাক করার দরকার নেই। আমি মরে গেলেও গানগুলো তো থাকবে। একটাই আহ্বান আমার, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।’
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শহরের মানুষের ভালোবাসা হচ্ছে কাজের জন্য ভালোবাসা। আর গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অরিজিনাল। তারাই এখন আমার বন্ধু। একটা কথা আছে—কাজ করলে কাজী, কাজ ফুরালে পাজি। ঠিক তেমন হচ্ছে শহরের মানুষের ভালোবাসা। যদি কারও কাজ করে দিতাম তাহলে ভালোবাসত, কাজ না করে দিলে আমি নেই—বিষয়টি এমন আরকি। সেই সময়ের কোনো বন্ধুই নেই এখন। কেউ খোঁজ রাখে না। যদি কারও জন্য কিছু করে থাকি, সেটা আমি করেছি। কিন্তু কারও সিমপ্যাথি আমি চাই না।’

ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম
ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট
ছবি: সংগৃহীত

দুই বাংলার জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী জয়া আহসান। ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য আদালতে একটি রিট আবেদন করেছিলেন তিনি। রবিবার (৭ জুন) জয়া আহসানের দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি হয়েছে। শুনানি শেষে ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রণয়নের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
গত ১১ মে দায়ের করা রিটে অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণামূলকভাবে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।
রিটে আরো বলা হয়, মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আগের অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনে পিটিশনকারীদের দাবি, দ্রুত বিচারিক হস্তক্ষেপ না হলে এই অবৈধ বাণিজ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।