ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ভয়ভীতি দেখিয়ে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ: ভারতের মানবাধিকার সংগঠন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে পুশইন করছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল আবারও এশিয়ার শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু, আহত ৩ নিয়মের তোয়াক্কা নেই, সড়কে বেপরোয়া ডিএসসিসির ডাম্পট্রাক চার দিনের সফরে বেইজিং গেছেন তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজারে মানবপাচার চক্রের মূলহোতা ছৈয়দুল হক আটক ডিক্যাব ও বাংলাদেশ চীন আপন মিডিয়া ক্লাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই শরীয়তপুরে মব করে প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা এনসিটিবিসহ চার শিক্ষা বোর্ডে নতুন নেতৃত্ব স্বপ্নে গান শোনা আসলে কীসের ইঙ্গিত? ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্যে ছিনতাই, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জেট ফুয়েলের দাম লিটারে কমল ১৫ টাকা চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালক-এনসিপি কর্মীদের মারামারি গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লাখ গাছ চসিকের সড়ক ও ফুটপাত থেকে দেড় শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা নিয়ে উত্তেজনা জ্বালানির মজুদ সম্প্রসারণ, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণসহ ১২ দফা সুপারিশ সংসদীয় কমিটির ঢামেক ও চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, ৬ দফা দাবি ভোলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ওসিকে তলব বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল কুমিল্লায়  ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪৫ জন আটক; ৫ বাস-মাইক্রো জব্দ গোয়েন্দারা কেন প্রকাশ্যে আসছেন? শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান নূরজাহান ট্র্যাজেডির সমাজতাত্ত্বিক পাঠ কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি
Nagad desktop

রোমান্টিক থেকে অ্যাকশন হিরো হয়ে ওঠার গল্প

প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১২:১৭ পিএম
আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ১২:২৩ পিএম
রোমান্টিক থেকে অ্যাকশন হিরো হয়ে ওঠার গল্প
ধর্মেন্দ্র। ছবি: সংগৃহীত

বলিউড কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করেছেন তিনি। খ্যাতিমান এই অভিনেতার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল রোমান্টিক নায়ক হিসেবে, পরবর্তী সময়ে অ্যাকশন হিরো হিসেবে বিশেষভাবে দর্শকদের হৃদয় কাড়েন।

১৯৬০ সালে ফিল্মফেয়ার আয়োজিত প্রতিভা প্রতিযোগিতায় জিতে তিনি বলিউড সিনেমায় সুযোগ পান। প্রথম ছবি ‘দিল ভি তেরা, হাম ভি তেরে’।

১৯৬১-তেই ‘শোলা অওর শবনম’-এ নজর কাড়েন ছাব্বিশ বছর বয়সী সুদর্শন নায়ক। কিন্তু জনপ্রিয়তা আসে ‘শোলা অউর শবনম’ আর ‘বন্দিনী’ সিনেমা দিয়ে। ১৯৬৯ সালে হৃষিকেশ মুখার্জি পরিচালিত ‘সত্যকাম’ ছবিটি ধর্মেন্দ্রর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এতে তিনি অভিনয় করেন এক আদর্শবাদী মানুষের চরিত্রে, যে বিয়ে করেন এমন এক নারীকে, যিনি যৌন সহিংসতার শিকার ও সমাজের চোখে ‘কলুষিত’। 

পাঞ্জাবের লুধিয়ানার গ্রাম থেকে উঠে আসা ধর্মেন্দ্রর নাম ছিল ধরম সিংহ দেওল। বলিউড তাকে ‘ধর্মেন্দ্র’ হিসেবে খ্যাতিমান করেছে। হৃষিকেশ মুখার্জি পরিচালিত ‘গুড্ডি’ (১৯৭১) ছবিতে ধর্মেন্দ্র অভিনয় করেছিলেন ধর্মেন্দ্রর ভূমিকায়।

তখন বলিউড সিনেমায় এমন ঘটনা একেবারেই ব্যতিক্রম। একজন অভিনেতা নিজের চরিত্রেই পর্দায় অবতীর্ণ হবেন, এ কথা ভাবা বেশ দুরূহ ছিল সেই সময়ে। অথচ ঘটনাটি ঘটেছিল। পর্দা আর বাস্তবের দূরত্ব গুছিয়ে ধর্মেন্দ্র হয়ে উঠেছিলেন দর্শকদের প্রিয় নায়ক। 

মূলধারার হিন্দি ছবি তখন রোমান্টিক গল্পে ভরপুর। রোমান্টিক গল্পের জয়জয়কার। তাই ধর্মেন্দ্রর শুরুটাও হয়েছিল রোমান্টিক নায়ক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে নিজের রোমান্টিক ইমেজ ভেঙে রীতিমতো মারকুটে অ্যাকশন হিরো হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন রুপালি পর্দার দুনিয়ায়। ধর্মেন্দ্র এমনই একজন অভিনেতা, যিনি কালের দাবি মেনে নিজের ইমেজকে ভেঙেছেন-গড়েছেন। 

সত্তরের দশকে হিন্দি মূলধারার ছবির আদল পাল্টে যেতে থাকে। ওলটপালট শুরু হয় গল্পবলা ও নির্মাণে। পর্দায় উঠে আসতে থাকেন ‘রাগী যুবকেরা’। স্বপ্ন দেখার বা দেখানোর দিন তখন অতীত। স্বপ্নভঙ্গের কাহিনি দিয়েই বলিউড তার পসরা সাজাতে শুরু করে।

১৯৭১-এর ছবি ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’-এই যে হিন্দি ছবির ঘরানা-বাহিরানা অনেকাংশে বদলে যাবে, তা সেই সময় হয়তো বোঝা যায়নি। সেই ছবির নায়ক ছিলেন ধর্মেন্দ্র। শহুরে খলনায়ক নয়, বরং ‘ডাকু’র বিরুদ্ধে গ্রাম বাঁচানোর লড়াই। আর এমন গল্পে দর্শক নতুন এক ধর্মেন্দ্রকে দেখে। এই সিনেমার সাফল্যে ধর্মেন্দ্র কাজ করেন ‘শোলে’তে। এটি ভারতীয় সিনেমার মোড় ঘোরানো একটি সিনেমা হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত। এই ছবিতে অমিতাভ বচ্চন ও ধর্মেন্দ্রর অভিনয় মুগ্ধ করেন দর্শকদের।

পরে অসংখ্য বাণিজ্যসফল ছবিতে দেখা গিয়েছে ধর্মেন্দ্রকে। তখন তিনি বলিউডের থার্ডথ্রব নায়ক। তারকা অভিনেত্রী হেমা মালিনী শুধু তার পর্দার নায়িকা হয়েই থাকেননি। হয়েছেন জীবনের নায়িকাও।

দীর্ঘ কর্মজীবন। একসঙ্গে অনেক সিনেমার কাজ। বিবাহিত হওয়ার পরও ধর্মেন্দ্র হেমা মালিনীর মতো ‘স্বপ্নসুন্দরী’র সঙ্গে ঘর বাঁধেন ভালোবেসে। অভিনয় ও সংসার জীবনের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বৃদ্ধাবস্থাতেও অ্যাকশন ছবিতে অভিনয় করে যেতে হয়েছে তাকে। ক্লান্ত লেগেছে ১৯৯০-এর দশক ও তার পরবর্তী সময়ের ছবিগুলোতে। 

জীবন সায়াহ্নে এসে এক আশ্চর্য কাণ্ড ঘটালেন ধর্মেন্দ্র। ২০২৩ সালে ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’ সিনেমায় অভিনয় করে। করণ জোহর পরিচালিত এই ছবির গল্প ছিল পারিবারিক কমেডি ঘরানার। ছবিতে দেখা যায়, ধর্মেন্দ্র হুইলচেয়ারে বন্দি এক বৃদ্ধ। অ্যামনেশিয়ার রোগী সেই চরিত্রের স্মৃতি প্রায় লুপ্ত। কেবল মাঝে মাঝে মস্তিষ্কে ঝলক দিয়ে যায় ‘যামিনী’ নামে এক নারী।

কে এই যামিনী, সন্ধানে নামে বৃদ্ধের নাতি। খোঁজও মেলে তার, বৃদ্ধা যামিনীর কাছ থেকে জানা যায়, একবার এক শৈলশহরে কমল নামে এক যুবকের সঙ্গে তার হৃদয় বিনিময় হয়েছিল। সেই কমলই আজকের স্মৃতিভ্রষ্ট বৃদ্ধ। যামিনী তার পরিবার নিয়ে দেখা করে কমলের সঙ্গে। প্রাথমিক অবস্থায় তাকে চিনতে পারেনি কমল। তার পর যখন সে ফিরে যাচ্ছে, হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে কমল গেয়ে ওঠে শাপির লুধিয়ানভির লেখা ‘হম দোনো’।

যামিনীরূপী শাবানা আজমির কণ্ঠেও ধ্বনিত হয় সেই গানের কলি। ধর্মেন্দ্রের দুই চোখে ভেসে উঠছে কয়েক যুগ ধরে জমিয়ে রাখা প্রেম, হাসি-অশ্রুর অতীত সেই অভিব্যক্তি। পাঞ্জাবের এক মাটির ছেলে ধর্মেন্দ্র ছয় দশকেরও বেশি সময় বলিউডে অভিনয় করে সিনেমাকে নিয়ে গেছেন অনন্য এক উচ্চতায়। কাজের মাধ্যমে কিংবদন্তি এই অভিনেতা বেঁচে থাকবেন দর্শকদের হৃদয়ে। সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠা তার গল্পগুলো অনুপ্রেরণা জোগাবে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সিনেমাপ্রেমী প্রজন্মকে। 

/এমএস 

শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’
ছবি: সংগৃহীত

নাট্যসংগঠন বটতলা কর্তৃক পরিচালিত অভিনয় শেখার স্কুল অ্যাক্টরস স্টুডিওর আওতায় শিশুদের জন্য ‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ শীর্ষক চার মাসব্যাপী নাট্যকর্মশালার ষষ্ঠ আবর্তন সম্পন্ন হয়েছে গত ৬ জুন। ৬ মাস প্রশিক্ষণ ও মহড়া শেষে, বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে শিশুরা পরিবেশন করে নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ নাটকের উদ্বোধনী প্রদর্শনী। 
জার্মান সাহিত্যিক ওটফিল্ড প্রুশলার-এর নন্দিত রচনা ‘ডাকাত হটজেনপ্লটয’ অবলম্বনে নাট্যরূপ দিয়েছেন শাম্মি আক্তার এবং নির্দেশনা দিয়েছেন হুমায়ূন আজম রেওয়াজ।
প্রদর্শনী শেষে শিশুদের হাতে সনদপত্র ও উপহার তুলে দেন বাংলাদেশের অষ্টম এভারেস্ট বিজয়ী নুরুন্নাহার নিম্নি, আয়রনম্যান মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আরাফাত, লেখক ও গবেষক সামীও শীশ, কবি ও শিক্ষক সাকিরা পারভীন সুমা, বটতলার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিজানুর রহমান এবং বটতলা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও শিল্পী লায়েকা বশীর।
‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ কর্মসূচির সাফল্যের ধারাবাহিকতা শিশুদের থিয়েটার চর্চার স্বতন্ত্র পরিসর তৈরিতে বটতলা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে অভিনয়ে হাতেখড়ি কর্মশালার মাধ্যমে বটতলা মঞ্চে এনেছে শিশুতোষ নাটক গুপীবাঘা, গালিভারস ট্রাভেলস, আমরা সবাই রাজা, হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা ও ফাংসাং নাটকগুলো।

জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান
ছবি: সংগৃহীত

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও সুরকার লাকী আখান্দের ৭০তম জন্মদিন ৭ জুন। জন্মদিনে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রকাশ পেল তারই সুরে অপ্রকাশিত গান। গানটির শিরোনাম ‘উড়ছে ধুলো ছুটছে ঘোড়া’। গীতিকবি গোলাম মোর্শেদের কথায় গানটি গেয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার। গানটির লিরিক ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে জয় শাহরিয়ার ও গান জানালার ইউটিউব চ্যানেলে। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে সব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শোনা যাচ্ছে গানটি। 
নতুন এই গান প্রসঙ্গে জয় শাহরিয়ার বলেন, ‘লাকী ভাই কিংবদন্তি শিল্পী। তার সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য হয়নি সরাসরি। প্রিয় গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ ভাইয়ের কাছে তার লেখা ও লাকী ভাইয়ের সুরে কিছু অপ্রকাশিত গান আছে জানতে পেরে আমি একটি গান করার আগ্রহ প্রকাশ করি। মোর্শেদ ভাই আমার সেই আবদার রেখে আমাকে এই গানটি দেন। আমার জীবনের একটি স্বপ্ন পূরণ হলো এর মধ্যদিয়ে। আমি চেষ্টা করেছি লাকী ভাইয়ের মূল সুরের আমেজ ধরে রাখতে। লাকী ভাইয়ের জন্মদিনে এই গান আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি তার স্মৃতির প্রতি।’
গীতিকবি গোলাম মোর্শেদ বলেন, ‘লাকী ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি, অনেক গান। একসঙ্গে টানা কাজ করেছি আমরা। আমি লিরিক লিখে উনাকে দিতাম। সেগুলো সুর করলে মোবাইলে রেকর্ড করে রাখতাম। প্রকাশ পায়নি এমন বেশ কিছু গান রয়ে গেছে আমার কাছে। জয় শাহরিয়ার আমার স্নেহের অনুজ শিল্পী। ওর আগ্রহে এই গানটি ওকে দেওয়া। আমার খুব ভালো লেগেছে জয়ের কাজ। আশা করি লাকী ভাইয়ের শ্রোতাদেরও ভালো লাগবে।’

গানে আর ফিরবেন না রিংকু

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
গানে আর ফিরবেন না রিংকু
ছবি: সংগৃহীত

ক্লোজআপ ওয়ান খ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীতিশিল্পী রিংকু। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ তিনি। চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে থমকে গেছে তার জীবন। ২০২০ সাল থেকে শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে যাওয়ার পর থেকে নিভৃতে দিন কাটাচ্ছেন নিজ গ্রামে। এক সময়ে গানের ব্যস্ততা ভুলে শহর ছেড়েছেন অনেক আগেই। অসুস্থ শরীর নিয়ে জীবনের তাগিদে করেছেন কৃষি খামারও। 
এবার এই তারকা জানালেন গানের জগতে আর ফেরা হবে না তার। তার কথায় শেষ আকুতি— তার সৃষ্টিগুলো যেন হারিয়ে না যায়। 
সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে হাজির হয়ে নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থা, ক্যারিয়ার এবং এক সময়ের কাছের মানুষদের বদলে যাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন রিংকু।
রিংকু বলেন, ‘পুরোপুরি গানে ফেরার ইচ্ছা আমার নেই। ইচ্ছা করলেও সেই সম্ভাবনা নেই। কারণ, চারবার স্ট্রোক হয়েছে, এর মধ্যে একবার-দুবার তো কেউ জানতই না। চারবার যখন স্ট্রোক হয়ে গেল, তখন আমি বুঝলাম সব আশা শেষ। এটা মানতে হবে, কারণ এটাই সত্য। আসলে আমি যেভাবে ব্যাক করতে চাই, সেভাবে আর হবে না। পরিপূর্ণভাবে ব্যাক করতে না পারলে ব্যাক করার দরকার নেই। আমি মরে গেলেও গানগুলো তো থাকবে। একটাই আহ্বান আমার, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।’
আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শহরের মানুষের ভালোবাসা হচ্ছে কাজের জন্য ভালোবাসা। আর গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অরিজিনাল। তারাই এখন আমার বন্ধু। একটা কথা আছে—কাজ করলে কাজী, কাজ ফুরালে পাজি। ঠিক তেমন হচ্ছে শহরের মানুষের ভালোবাসা। যদি কারও কাজ করে দিতাম তাহলে ভালোবাসত, কাজ না করে দিলে আমি নেই—বিষয়টি এমন আরকি। সেই সময়ের কোনো বন্ধুই নেই এখন। কেউ খোঁজ রাখে না। যদি কারও জন্য কিছু করে থাকি, সেটা আমি করেছি। কিন্তু কারও সিমপ্যাথি আমি চাই না।’

ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম
ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট
ছবি: সংগৃহীত

দুই বাংলার জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী জয়া আহসান। ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য আদালতে একটি রিট আবেদন করেছিলেন তিনি। রবিবার (৭ জুন) জয়া আহসানের দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি হয়েছে। শুনানি শেষে ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রণয়নের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
গত ১১ মে দায়ের করা রিটে অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণামূলকভাবে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।
রিটে আরো বলা হয়, মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আগের অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনে পিটিশনকারীদের দাবি, দ্রুত বিচারিক হস্তক্ষেপ না হলে এই অবৈধ বাণিজ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

মা হচ্ছেন সোহিনী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম
মা হচ্ছেন সোহিনী
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। ভালোবেসে বিয়ে করেছেন গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়কে। কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল মা হতে যাচ্ছেন সোহিনী সরকার। তবে এ নিয়ে মুখ খোলেননি এতদিন। চুপ ছিলেন তার স্বামী শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ও। তবে বিষয়টি নিয়ে টলিপাড়ায় ফিসফাস চলছেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চলতি বছরই মা হবেন সোহিনী। তবে চাইছেন না আগেভাগে কেউ জানুক। এ জন্য সাবধানতা অবলম্বন করে চলছেন তারা। কোথাও খুব একটা দেখাও যায় না সোহিনীকে। যান না কোনো সিনেমার প্রিমিয়ারেও। হঠাৎ ঘরকুনো হতে দেখেই গুঞ্জন আরও বেশি করে পাখা মেলেছে। 
এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে সোহিনীর সিনেমা ‘ফেরা’। সিনেমাটির পরিচালক পৃথা চক্রবর্তী। এতে আরও অভিনয় করেছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সঞ্জয় মিশ্র প্রমুখ। সম্প্রতি সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সেখানেও ছিলেন না অভিনেত্রী।
শোভনের সঙ্গে সোহিনী বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে। বছর খানেক প্রেমের পর গাঁটছড়া বাঁধেন তারা। তার দুই বছরের এল অতিথি আগমনের সুখবর। এ সুখবরে সোহিনীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীরা।