ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নিয়মের তোয়াক্কা নেই, সড়কে বেপরোয়া ডিএসসিসির ডাম্পট্রাক চার দিনের সফরে বেইজিং গেছেন তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজারে মানবপাচার চক্রের মূলহোতা ছৈয়দুল হক আটক ডিক্যাব ও বাংলাদেশ চীন আপন মিডিয়া ক্লাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই শরীয়তপুরে মব করে প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা এনসিটিবিসহ চার শিক্ষা বোর্ডে নতুন নেতৃত্ব স্বপ্নে গান শোনা আসলে কীসের ইঙ্গিত? ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্যে ছিনতাই, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জেট ফুয়েলের দাম লিটারে কমল ১৫ টাকা চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালক-এনসিপি কর্মীদের মারামারি গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লাখ গাছ চসিকের সড়ক ও ফুটপাত থেকে দেড় শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা নিয়ে উত্তেজনা জ্বালানির মজুদ সম্প্রসারণ, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণসহ ১২ দফা সুপারিশ সংসদীয় কমিটির ঢামেক ও চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, ৬ দফা দাবি ভোলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ওসিকে তলব বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল কুমিল্লায়  ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪৫ জন আটক; ৫ বাস-মাইক্রো জব্দ গোয়েন্দারা কেন প্রকাশ্যে আসছেন? শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান নূরজাহান ট্র্যাজেডির সমাজতাত্ত্বিক পাঠ কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি যশোর জেলার দর্শনীয় ও ভ্রমণযোগ্য স্থান সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক তামিম ইকবাল রামুতে ছেলের গুলিতে বাবার মৃত্যু পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে দুই মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
Nagad desktop

গতি ও স্টাইলের সংমিশ্রণ স্পোর্টস কার

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:০৫ এএম
গতি ও স্টাইলের সংমিশ্রণ স্পোর্টস কার
গতি ও স্টাইলের সংমিশ্রণ স্পোর্টস কার। ছবি: সংগৃহীত

স্পোর্টস কার মানেই উচ্চগতির অভিজ্ঞতা ও স্টাইলের সংমিশ্রণ। দেখতে সাধারণ সেডানের মতো হলেও, স্পোর্টস কারগুলো সাধারণত নিচু ও চাকাগুলো বডির কাছাকাছি থাকে। এতে করে গাড়িটি আরও আকর্ষণীয় দেখায়। এ ধরনের গাড়ির ডিজাইন অ্যারোডাইনামিক হওয়ায় দ্রুত গতি তোলা যায়।

গতি, হ্যান্ডলিং ও পারফরম্যান্সের ওপর বিশেষভাবে ফোকাস করে তৈরি করা হয় স্পোর্টস কার। এ ধরনের গাড়ির পেছনে বুটের ওপরে সাধারণত স্পয়লার থাকে। এটি বাতাস কাটিয়ে গতি তুলতে সাহায্য করে এবং গাড়িকে রাস্তার সঙ্গে ভালোভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। এতে গাড়িটি উচ্চগতিতেও স্থিতিশীল থাকে। 

বেশির ভাগ স্পোর্টস কার দুই আসনবিশিষ্ট হয়। তবে কিছু কিছু মডেলে চারটি আসনও থাকতে পারে। স্পোর্টস কারে সাধারণত শক্তিশালী ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। এটি গাড়িকে দ্রুতগতিতে চালাতে সাহায্য করে। স্পোর্টস কার চালানো অন্য যেকোনো গাড়ি চালানোর চেয়ে অনেক বেশি আনন্দদায়ক। এর ছোট ও হালকা কাঠামো দ্রুতগতিতে ভ্রমণের জন্য উপযোগী। এর ডিজাইন সাধারণত অন্য গাড়ির চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়।

কমপ্যাক্ট ডিজাইন ও শক্তিশালী ইঞ্জিন থাকার কারণে স্পোর্টস কার খুব কম সময়ে গতি তুলতে সক্ষম। একই সঙ্গে বাঁকা পথে গাড়ির চাকার সঙ্গে রাস্তার সম্পূর্ণ সংযোগ থাকায় নিয়ন্ত্রণ করা বেশ সহজ। বাজারে স্পোর্টস কার এবং স্পোর্টস সেডানের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে, কারণ এগুলো শুধু গতি ও পারফরম্যান্সেই নয়, স্টাইল এবং আধুনিক প্রযুক্তির দিক থেকেও এগিয়ে। বাজারে প্রচলিত টয়োটা ৮৬, সেলিকা, এমআর২-এর মতো মডেলগুলো বাংলাদেশের রাস্তায় দেখা যায়, যা তরুণ চালকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।

স্পোর্টস কার বনাম স্পোর্টস সেডান

অনেকেই স্পোর্টস সেডান ও স্পোর্টস কারকে একই ধরনের গাড়ি মনে করেন। তবে এদের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। স্পোর্টস সেডান গাড়িগুলো দেখতে অনেকটা স্পোর্টস কারের মতো, তবে এগুলোয় আরও বড় চেসিস এবং কিছু বাড়তি ফিচার থাকে। স্পোর্টস সেডানে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিন থাকে। এ কারণে স্পোর্টস সেডানে দ্রুত গতি তুলতে সক্ষম হলেও, স্পোর্টস কারের মতো অতটা নিচু এবং অ্যারোডাইনামিক নয়।

ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’
ওয়েমোর তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’। ছবি: সংগৃহীত

চালকহীন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েমো তাদের তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ উন্মুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ফিনিক্সের যাত্রীরা এখন এই স্বয়ংক্রিয় গাড়িতে যাতায়াত করতে পারবেন। প্রাথমিক অবস্থায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই সেবা বিনামূল্যে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশেষভাবে তৈরি এই রোবোট্যাক্সি ওয়েমোর জন্য একটি বড় মাইলফলক। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ বাণিজ্যিক গাড়িকে রূপান্তর করে চালকহীন হিসেবে ব্যবহার করত। ভ্যান আকৃতির এই গাড়িটি বেশ বড় ও প্রশস্ত। এটি টেসলার ছোট আকারের সাইবার ক্যাবের সম্পূর্ণ বিপরীত, যাতে মাত্র দুজন মানুষ মালামালসহ বসতে পারেন।

চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘জিকর’ ওজাই গাড়িটি তৈরি করেছে। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ওয়েমোর নিজস্ব কারখানায় এতে স্বয়ংক্রিয় চালনা প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়।

গাড়িটিতে যাত্রীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা, তিনটি স্ক্রিন এবং চার্জিং পোর্ট রয়েছে। এতে ওয়েমোর ষষ্ঠ প্রজন্মের নতুন চালনা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির ফলে গাড়িটির ক্যামেরা সেন্সর ২৯টি থেকে কমিয়ে ১৩টিতে আনা সম্ভব হয়েছে। এতে লিডার ও রাডার সেন্সরের সংখ্যাও কমেছে। ফলে প্রতিটি গাড়ি তৈরিতে খরচ পড়ছে ২০ হাজার ডলারের কম।

নতুন সফটওয়্যারের জন্য বরফাবৃত ও ঠাণ্ডা শহরের রাস্তায় গাড়িটি চলতে সক্ষম। এর আগে ওয়েমো কেবল উষ্ণ অঞ্চলের শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ ছিল। এই সুবিধার কারণে প্রতিষ্ঠানটি এখন শিকাগো শহরে তাদের সেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমানে আমেরিকার ১১টি প্রধান শহরে ওয়েমোর স্বয়ংক্রিয় গাড়ি সেবা চালু রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটিরও বেশি সফল ট্রিপ সম্পন্ন করেছে, যা এই খাতের যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি।

তবে চলতি মাসের শুরুতে বন্যার পানিতে গাড়ি চলে যাওয়ার কারণে দুটি শহরে ওয়েমো তাদের সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। এই ঘটনার পর প্রায় ৪ হাজার গাড়ি ফিরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনএইচটিএসএ) একটি নতুন প্রতিবেদনে টেসলার চালকহীন রোবোট্যাক্সি সেবার ধীরগতির চিত্র উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক কিছু সড়ক দুর্ঘটনা রিমোট অপারেটরের মাধ্যমে গাড়ি চালানোর সময় ঘটেছে। এতদিন টেসলা ব্যবসায়িক গোপনীয়তার স্বার্থে এসব তথ্যের কিছু অংশ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে আসছিল।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেসলার এই সেবা দীর্ঘ অপেক্ষার সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। ডালাসে এক সাংবাদিকের মাত্র ২০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে গন্তব্যের নির্ধারিত এলাকার ভেতরে থাকার পরও গাড়িগুলো যাত্রীদের মূল গন্তব্য থেকে ১৫ মিনিট দূরে নামিয়ে দিয়েছে।

টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের জুলাই থেকে টেক্সাসের অস্টিনে অন্তত দুটি দুর্ঘটনা ঘটেছে যখন গাড়িগুলো দূর থেকে অন্য একজন চালক নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। অস্টিনে টেসলা তাদের রোবোট্যাক্সি সেবা শুরু করে। দুর্ঘটনার সময় গাড়িগুলোতে যাত্রী না থাকলেও একজন করে নিরাপত্তা পরিদর্শক উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে গত বছরের জুলাইয়ে। তখন একজন নিরাপত্তা পরিদর্শক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নিতে সাহায্য চাইলে দূরবর্তী অপারেটর গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেন। এতে গাড়িটি রাস্তার পাশে একটি ধাতব বেড়ায় আঘাত করে। দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। তখন একজন রিমোট অপারেটর গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সেটি একটি নির্মাণাধীন এলাকার অস্থায়ী ব্যারিকেডে আঘাত করে। তখন গাড়ির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৯ মাইল।

অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো দূরবর্তী মনিটরিং ব্যবস্থা ব্যবহার করলেও তারা সরাসরি গাড়ি চালায় না, বরং সফটওয়্যারকে সহায়তা করে। তবে টেসলার ক্ষেত্রে অপারেটররা সরাসরি গাড়ি চালান। টেসলার সব দুর্ঘটনা অবশ্য রিমোট অপারেটরের কারণে ঘটেনি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোবোট্যাক্সি অন্য গাড়ির আয়নায় আঘাত করেছে। অন্য একটি ঘটনায় রাস্তায় আচমকা চলে আসা একটি কুকুরকে গাড়িটি এড়াতে পারেনি, তবে কুকুরটি বেঁচে যায়।

স্বয়ংক্রিয় গাড়ির ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা বা সফটওয়্যার জটিলতা নতুন কিছু নয়। টেসলার প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েমোকেও এমন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে টেসলার এই ধারাবাহিক সমস্যাগুলো ইঙ্গিত দেয়, প্রতিযোগীদের সমকক্ষ হতে প্রতিষ্ঠানটিকে এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।

দীর্ঘ ভ্রমণের আগে গাড়ির প্রস্তুতি

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
দীর্ঘ ভ্রমণের আগে গাড়ির প্রস্তুতি
ছবি: সংগৃহীত

পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আনন্দ অন্যরকম হয়ে থাকে। তবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার আগে গাড়ির অবস্থা পরীক্ষা করা জরুরি। মাঝপথে গাড়ি বিকল হলে পুরো আনন্দ মাটি হতে পারে। তাই যাত্রার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করে নিলে ভ্রমণ হতে পারে আরও নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক।

ভ্রমণের শুরুতে গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল, ব্রেক ফ্লুইড, কুল্যান্ট এবং উইন্ডশিল্ড ওয়াইপার ওয়াটার পরীক্ষা করুন। ইঞ্জিন অয়েল কম থাকলে বা পরিবর্তনের সময় হলে তা বদলে নিন। দীর্ঘ যাত্রায় ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়া রোধ করতে কুল্যান্টের ভূমিকা অপরিসীম। রেডিয়েটরে কুল্যান্টের পরিমাণ ঠিক আছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি।

গাড়ির টায়ার যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সব টায়ারের এয়ার প্রেশার বা বাতাসের চাপ পরীক্ষা করুন। টায়ারে কোনো লিক, ফাটল বা ক্ষয় আছে কি না, তা ভালোভাবে দেখে নিন। দীর্ঘ ভ্রমণের সময় গাড়িতে অতিরিক্ত মালামাল থাকে, তাই সঠিক টায়ার প্রেশার বজায় রাখা জরুরি। একই সঙ্গে গাড়ির অতিরিক্ত চাকা বা স্পেয়ার টায়ারটি ব্যবহারের উপযোগী আছে কি না এবং চাকা পরিবর্তনের টুলসগুলো গাড়িতে আছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

নিরাপদ যাত্রার জন্য ব্রেকের কার্যকারিতা যাচাই করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ব্রেক চাপার সময় কোনো অস্বাভাবিক শব্দ হলে বা ব্রেক কম ধরলে দ্রুত মেকানিকের শরণাপন্ন হোন। এছাড়া গাড়ির হেডলাইট, ব্যাকলাইট, ইন্ডিকেটর এবং ফগলাইটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন। রাতের বেলা বা কুয়াশায় পরিষ্কার দেখার জন্য সব লাইট ঠিক থাকা আবশ্যক।

গাড়ির ব্যাটারির সংযোগস্থলগুলো পরিষ্কার আছে কি না এবং সেখানে কোনো মরিচা পড়েছে কি না, তা খেয়াল করুন। ব্যাটারির চার্জের অবস্থা দুর্বল মনে হলে তা পরিবর্তন করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। দীর্ঘ যাত্রায় গাড়ির এসি বা এয়ার কন্ডিশনার ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তাও দেখে নিন।

যাত্রার আগে গাড়ির প্রয়োজনীয় সব বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন। এর মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, ট্যাক্স টোকেন এবং ফিটনেস সার্টিফিকেট অন্যতম। বর্তমান সময়ে ডিজিটাল বা অনলাইন কপির পাশাপাশি মূল কাগজপত্রের প্রিন্ট কপি গাড়িতে রাখা নিরাপদ।
সবশেষে গাড়িতে একটি ফার্স্ট এইড বক্স, টর্চলাইট, ফায়ার এক্সটিঙ্গুইশার এবং কিছু জরুরি ওষুধ রাখুন। রাস্তায় ব্যবহারের জন্য বোতলজাত পানি এবং শুকনা খাবার সঙ্গে নেওয়া ভালো। এই ছোট ছোট প্রস্তুতি আপনার দীর্ঘ ভ্রমণকে নিরাপদ, আরামদায়ক ও দুশ্চিন্তামুক্ত রাখবে। সঠিক প্রস্তুতিই একটি সফল ভ্রমণের মূল চাবিকাঠি।

চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
চীনের ইভি প্রযুক্তিতে গাড়ি বানাবে ভারতের টাটা
বৈদ্যুতিক গাড়ি অভিন্ন

ভারতের টাটা মোটরস চীনের জনপ্রিয় বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্র্যান্ড চেরির প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড ‘অভিন্ন’ ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরি করতে যাচ্ছে। 
গণমাধ্যমের তথ্যমতে, চেরি ও জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারের যৌথ উদ্যোগে তৈরি ‘ফ্রিল্যান্ডার’ প্লাটফর্মটি ব্যবহার করবে টাটা। গাড়িগুলো দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর নতুন কারখানায় তৈরি হবে। 
২০২৭ সালে অভিন্ন’র প্রথম মডেলটি বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে টাটার। এটি চীন থেকে সরঞ্জাম এনে ভারতে সংযোজন করা হবে। 
মূলত ২০২৫ সালের মধ্যে জেএলআর-এর নিজস্ব আর্কিটেকচার ব্যবহারের আগের পরিকল্পনাটি ভেস্তে যাওয়ার পর, টাটা চীনের এই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এই চুক্তির ফলে টাটা অত্যন্ত দ্রুত এবং কম খরচে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির জগতে প্রবেশ করতে যাচ্ছে টাটা। 

সূত্র: সিএমজি

ভলভোর নতুন ইলেকট্রিক এসইউভি ‘ইএক্স৬০’

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
ভলভোর নতুন ইলেকট্রিক এসইউভি ‘ইএক্স৬০’
ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক অটোমোবাইল শিল্প এখন দ্রুত সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। এই ধারাবাহিকতায় সুইডিশ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভলভো তাদের নতুন ২০২৭ মডেলের ‘ইএক্স৬০’ এসইউভি গাড়ি উন্মোচন করেছে। সম্প্রতি স্পেনের বার্সেলোনায় গাড়িটির পরীক্ষামূলক চালনা সম্পন্ন হয়। ভলভোর জনপ্রিয় জ্বালানিচালিত এক্সসি৬০ মডেলের বিকল্প হিসেবে তৈরি এই বৈদ্যুতিক গাড়িটি মূলত প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ ডিজিটাল প্রযুক্তির সক্ষমতা তুলে ধরছে।

গাড়িটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ভলভোর নিজস্ব ‘হাগিনকোর’ সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম। গুগল, এনভিডিয়া ও কোয়ালকমের যৌথ প্রযুক্তিতে তৈরি এই সিস্টেম গাড়িটিকে একটি চলন্ত কম্পিউটারে রূপান্তর করেছে। এর ফলে গাড়িটি নিয়মিত ওভার দ্য এয়ার (ওটিএ) আপডেট পাবে। একই সঙ্গে এর সক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালকের আচরণ ও চারপাশের পরিস্থিতি দ্রুত বিশ্লেষণ করতে পারবে। ভলভোর নতুন ‘এসপিএ৩’ প্ল্যাটফর্মে তৈরি এই গাড়ির চ্যাসিস ও ব্যাটারি সংযুক্ত অবস্থায় থাকায় এর ওজন অনেক কমে এসেছে।

চলতি গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আসতে যাওয়া ইএক্স৬০ গাড়িটি কয়েকটি সংস্করণে পাওয়া যাবে। এর প্রারম্ভিক সংস্করণ ‘পি৬’ একক মোটরের রিয়ার-হুইল ড্রাইভ প্রযুক্তিসম্পন্ন, যা ৩৬৯ হর্সপাওয়ার উৎপাদন করতে পারে। এতে রয়েছে ৮০ কিলোওয়াট-আওয়ারের ব্যাটারি, যা একবার পূর্ণ চার্জে ৩০৭ মাইল পথ পাড়ি দিতে সক্ষম। অন্যদিকে, শক্তিশালী ‘পি১০’ সংস্করণটি দ্বৈত মোটরের অল-হুইল ড্রাইভসমৃদ্ধ। এটি ৫০৩ হর্সপাওয়ার উৎপাদন করে এবং এর ৯১ কিলোওয়াট-আওয়ারের ব্যাটারি সর্বোচ্চ ৩২২ মাইল রেঞ্জ দেয়। ৮০০ ভোল্টের ইলেকট্রিক আর্কিটেকচারের কারণে মাত্র ১০ মিনিটে গাড়িটিতে ১৬০ মাইলেরও বেশি রেঞ্জ যুক্ত করা সম্ভব। এছাড়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৬৭০ হর্সপাওয়ারের একটি ‘পি১২’ সংস্করণ বাজারে আসবে।

গাড়িটির ভেতরে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান শৈলীর চমৎকার ও ছিমছাম নকশা চোখে পড়ে। ড্যাশবোর্ডে রয়েছে ১৫ ইঞ্চির ওএলইডি টাচস্ক্রিন, যা গুগলের অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে চলে। এতে গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘জেমিনাই’ যুক্ত করা হয়েছে, যা চালকের সাধারণ কথার উত্তর দিতে পারে। গাড়িটির কেবিন বেশ প্রশস্ত এবং এর আসনগুলো অত্যন্ত আরামদায়ক। তবে ভেন্টিলেশন ও এসির মতো গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণগুলো সম্পূর্ণ টাচস্ক্রিননির্ভর হওয়ায় চলন্ত অবস্থায় তা পরিচালনা করা কিছুটা জটিল মনে হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভলভো ইএক্স৬০-এর প্রাথমিক দাম ধরা হয়েছে ৫৯ হাজার ৭৯৫ মার্কিন ডলার। পারফরম্যান্স ও প্রযুক্তির তুলনায় এই দাম জার্মান প্রতিযোগী অডি কিউ৬ ই-ট্রন বা বিএমডব্লিউ আইএক্স৩-এর চেয়ে বেশ সাশ্রয়ী। শূন্য থেকে ঘণ্টায় ৬০ মাইল গতি তুলতে পি৬ সংস্করণের সময় লাগে ৫ দশমিক ৭ সেকেন্ড এবং পি১০ সংস্করণের লাগে মাত্র ৪ দশমিক ৪ সেকেন্ড। আধুনিক প্রযুক্তি, আকর্ষণীয় ডিজাইন এবং চমৎকার রাইডিং কমফোর্টের কারণে ভলভোর এই প্রিমিয়াম ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে বেশ ভালো সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।