স্পোর্টস কার মানেই উচ্চগতির অভিজ্ঞতা ও স্টাইলের সংমিশ্রণ। দেখতে সাধারণ সেডানের মতো হলেও, স্পোর্টস কারগুলো সাধারণত নিচু ও চাকাগুলো বডির কাছাকাছি থাকে। এতে করে গাড়িটি আরও আকর্ষণীয় দেখায়। এ ধরনের গাড়ির ডিজাইন অ্যারোডাইনামিক হওয়ায় দ্রুত গতি তোলা যায়।
গতি, হ্যান্ডলিং ও পারফরম্যান্সের ওপর বিশেষভাবে ফোকাস করে তৈরি করা হয় স্পোর্টস কার। এ ধরনের গাড়ির পেছনে বুটের ওপরে সাধারণত স্পয়লার থাকে। এটি বাতাস কাটিয়ে গতি তুলতে সাহায্য করে এবং গাড়িকে রাস্তার সঙ্গে ভালোভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। এতে গাড়িটি উচ্চগতিতেও স্থিতিশীল থাকে।
বেশির ভাগ স্পোর্টস কার দুই আসনবিশিষ্ট হয়। তবে কিছু কিছু মডেলে চারটি আসনও থাকতে পারে। স্পোর্টস কারে সাধারণত শক্তিশালী ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। এটি গাড়িকে দ্রুতগতিতে চালাতে সাহায্য করে। স্পোর্টস কার চালানো অন্য যেকোনো গাড়ি চালানোর চেয়ে অনেক বেশি আনন্দদায়ক। এর ছোট ও হালকা কাঠামো দ্রুতগতিতে ভ্রমণের জন্য উপযোগী। এর ডিজাইন সাধারণত অন্য গাড়ির চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়।
কমপ্যাক্ট ডিজাইন ও শক্তিশালী ইঞ্জিন থাকার কারণে স্পোর্টস কার খুব কম সময়ে গতি তুলতে সক্ষম। একই সঙ্গে বাঁকা পথে গাড়ির চাকার সঙ্গে রাস্তার সম্পূর্ণ সংযোগ থাকায় নিয়ন্ত্রণ করা বেশ সহজ। বাজারে স্পোর্টস কার এবং স্পোর্টস সেডানের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে, কারণ এগুলো শুধু গতি ও পারফরম্যান্সেই নয়, স্টাইল এবং আধুনিক প্রযুক্তির দিক থেকেও এগিয়ে। বাজারে প্রচলিত টয়োটা ৮৬, সেলিকা, এমআর২-এর মতো মডেলগুলো বাংলাদেশের রাস্তায় দেখা যায়, যা তরুণ চালকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।
স্পোর্টস কার বনাম স্পোর্টস সেডান
অনেকেই স্পোর্টস সেডান ও স্পোর্টস কারকে একই ধরনের গাড়ি মনে করেন। তবে এদের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। স্পোর্টস সেডান গাড়িগুলো দেখতে অনেকটা স্পোর্টস কারের মতো, তবে এগুলোয় আরও বড় চেসিস এবং কিছু বাড়তি ফিচার থাকে। স্পোর্টস সেডানে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিন থাকে। এ কারণে স্পোর্টস সেডানে দ্রুত গতি তুলতে সক্ষম হলেও, স্পোর্টস কারের মতো অতটা নিচু এবং অ্যারোডাইনামিক নয়।