ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিদেশি কোচদের চোখে নতুন ইতিহাস শখ থেকে স্বাবলম্বী গৃহবধূ, ঘরের ছাদ যেন ক্যাকটাস রাজ্য ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত ইসরায়েলি কারাগারে বন্দিদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন বরিশাল বিভাগে ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন ১২০ বর্গ কিমি ভুট্টা চাষে বিপর্যয়, চাষিদের স্বপ্ন এখন পচে-গলে পড়ে আছে মাঠে বড় বাজেট, বড় ঘাটতি, বড় চ্যালেঞ্জ ১০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সিলেটে নামকরণ-নামহরণ চলছেই! ঢাবি পড়ুয়া জন্মান্ধ রাজিয়ার বেঁচে থাকার সংগ্রাম ১০ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি পটিয়ায় যুবক খুন কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর  মৃত্যু জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁতীদলের আলোচনা সভা সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্যে মানববন্ধন পটিয়া প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ অনার্স কোর্স থেকে বাংলা ও ইতিহাস বাদ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী ‘শর্ত সাপেক্ষে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা’ মানিকগঞ্জে পতাকা টাঙাতে গিয়ে ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু সিংড়ায় তিন কুকুর টেনে তুলল মায়ের বস্তাবন্দি মরদেহ! কোথায় আমাদের সতর্ক থাকা উচিত? ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াত ইসলামও ইসলাম নয় শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার ঘটনায় বিএনপি নেতার সাফাই নারায়ণগঞ্জে ময়লার গাড়িরচাপায় ছাত্রদল নেতাসহ নিহত ২ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারে ৫০ বিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে জাপান ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে বৈশ্বিক যোগসূত্র স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ’ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় পদ্মা সেতুতে সৌরবিদ্যুতের ইতিবাচক প্রভাব, এক মাসেই সাড়ে ৪ লাখ টাকা সাশ্রয়
Nagad desktop

গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:১৮ পিএম
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সেচপাম্প চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের পশ্চিম বাছোহাটি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ওই গ্রামের শহিদুল ইসলাম (৪৫) ও তার ছেলে শিহাব মিয়া (১৩)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহিদুল ইসলাম ও তার ছেলে শিহাব বাড়ির পশ্চিমে প্রায় ৩০০ গজ দূরে নিজেদের সেচপাম্প দিয়ে পুকুরের পানি ধানের জমিতে দেওয়ার জন্য যান। পাম্প চালু করার সময় হঠাৎ বৈদ্যুতিক তারে শিহাব মিয়া জড়িয়ে পড়ে। পরে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে বাবাও বিদ্যুৎ তারে জড়িয়ে পুকুরের পানির নিচে পড়ে যান। এসময় তারা দুজনেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

প্রায় আধা ঘণ্টা পর শহিদুল ইসলামের স্ত্রী চায়না বেগম ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে। তারা প্রথমে শিহাবের লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পর শহিদুল ইসলামের খোঁজে গ্রামবাসী পুনরায় ঘটনাস্থলে গিয়ে সেচপাম্পের পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, ‘সেচপাম্পে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা ও ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রফিক খন্দকার/এসএন

বরিশাল বিভাগে ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন ১২০ বর্গ কিমি

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৪০ এএম
বরিশাল বিভাগে ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন ১২০ বর্গ কিমি
তেঁতুলিয়া নদীর তীব্র ভাঙনে বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাদেকপুর গ্রাম থেকে তোলা। ছবি: খবরের কাগজ

একসময় যেখানে ছিল ধানখেত, বসতভিটা, স্কুল, বাজার আর মানুষের কোলাহল, সেখানে এখন শুধু নদীর উত্তাল জলরাশি। নদীর পাড়ে দাঁড়ালে দেখা যায় ভাঙনের নির্মম চিত্র। টুকরো টুকরো মাটি হারিয়ে যাচ্ছে, আর তার সঙ্গে হারাচ্ছে মানুষের শেকড়, স্মৃতি ও জীবিকা। অব্যাহত নদীভাঙনে ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে বরিশালের ভৌগোলিক মানচিত্র।

পরিবেশ গবেষক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে বরিশাল বিভাগের অন্তত ১২০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিভাগের প্রায় ১০২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ চরম ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ এবং নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বরিশালের হিজলা উপজেলার গৌরবদী ইউনিয়নের মেঘনা তীরের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ মোল্লা (৭০)। নিজের চোখে দেখেছেন নদীর ভাঙা-গড়ার খেলা। বলেন, ‘যে মাটিতে আমার শৈশব-কৈশোর কেটেছে, সেই মাটি আজ নদীর নিচে। পাকা ঘর, ধানিজমি, বাপ-দাদার ভিটা—সব চোখের সামনে হারিয়ে গেছে।’ একই এলাকার রাবেয়া বেগম জানিয়েছেন ভয়াবহ আশঙ্কার কথা। বলেছেন, ‘নদী যেভাবে এগিয়ে আসছে, দ্রুত কার্যকর বাঁধ না হলে একদিন পুরো ইউনিয়নই মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।’

মেঘনার পাশাপাশি কীর্তনখোলা, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ, তেঁতুলিয়া, সন্ধ্যা, সুগন্ধা ও মাসকাটা নদীতেও ভয়াবহ ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী চরবাড়িয়া এলাকায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের পরও গত বর্ষায় নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়।

চরবাড়িয়ার বাসিন্দা আবদুল খালেক মিয়া বলেন, ‘তিনবার বাড়ি হারিয়ে এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছিলাম। এখন এই জায়গাটাও নদীর মুখে। আর কোথায় যাব, জানি না।’

মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নে গেলে নদীভাঙনের ভয়াবহ চিত্র দেখা যায়। কালাবদর, তেঁতুলিয়া, মাসকাটা ও আড়িয়াল খাঁ নদীঘেরা এই ইউনিয়নের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা গত পাঁচ বছরে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

সম্প্রতি হিজলা উপজেলার বাহেরচর ফেনুয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভাঙনের আতঙ্কে মানুষ ঘরবাড়ি খুলে সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ গাছ কেটে বিক্রি করছেন, কেউ টিন-কাঠ ও আসবাবপত্র রক্ষায় ব্যস্ত। নদীতীরে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ঢেউয়ের আঘাতে মুহূর্তেই তীরের অংশ ভেঙে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা হাবিব চৌকিদার বলেন, ‘বাপ-দাদার ভিটা আগেই নদীতে গেছে। গত বছর দুইবার ঘর সরিয়েছি। এখন তৃতীয়বার সরানোর প্রস্তুতি চলছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক জমি নদীতে চলে গেছে।’

নদীভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর একটি বাহেরচর ফেনুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। কয়েক বছর আগে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিদ্যালয় ভবনটি গত বছর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যালয়টি দুইবার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গত বছর তৃতীয়বারের মতো স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালাতে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরের একটি আবাসিক ভবন ভাড়া নেওয়া হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে সেটিও আবার সরিয়ে নিতে হবে। বর্তমানে স্কুলটিতে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোতাহার হোসেন বলেন, ‘ডোরী বাড়ি মসজিদ থেকে লক্ষ্মীরচর মকবুলের পুল পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা সম্প্রতি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরও অনেক স্থাপনা হারিয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘কাগজে-কলমে ইউনিয়নের জনসংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। কিন্তু বাস্তবে তা অনেক কমে গেছে। প্রায় আট হাজার পরিবারের মধ্যে কয়েক হাজার পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে বিভিন্ন চরে গিয়ে নতুন বসতি গড়েছে।’

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে শ্রীপুর মহিষা ওয়াহেদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মহিষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাহেরচর বাজার, শ্রীপুর বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ অসংখ্য স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ৯১ নম্বর চর ফেনুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীপুর মহিষা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন, বহুমুখী আশ্রয়কেন্দ্র এবং শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব।

ব্যবসায়ী নাজমুল সাকিব বলেন, ‘প্রতিবছর ঘর সরানো, দোকান সরানো–এই জীবন আর ভালো লাগে না। নদী ভাঙবে, আমরা পালাব–এটাই যেন নিয়ম হয়ে গেছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ত্রাণ চাই না, নদীভাঙনরোধে স্থায়ী সমাধান চাই। টেকসই বাঁধ হলে মানুষ অন্তত নিজের ভিটেমাটি রক্ষা করতে পারবে।’

পরিবেশবিদদের মতে, নদীভাঙন এখন শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটেও রূপ নিয়েছে। নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তন, তলদেশ থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন এবং দীর্ঘমেয়াদি নদী ব্যবস্থাপনার অভাব ভাঙনের মাত্রা বাড়াচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) বরিশাল বিভাগীয় আহ্বায়ক রফিকুল আলম বলেন, ‘অপরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও অনিয়ন্ত্রিত বালু উত্তোলনের কারণে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুহারা হচ্ছে। নদী ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।’

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ভূঁইয়া বলেন, ‘বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। ভাঙনরোধ ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য কয়েকটি বড় প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত বাস্তবায়ন শুরু হবে।

ঢাবি পড়ুয়া জন্মান্ধ রাজিয়ার বেঁচে থাকার সংগ্রাম

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:২০ এএম
ঢাবি পড়ুয়া জন্মান্ধ রাজিয়ার বেঁচে থাকার সংগ্রাম
পারিবারিক কাজে ব্যস্ত দৃষ্টিহীন রাজিয়া সুলতানা। সম্প্রতি শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আলাওলপুর এলাকায়। ছবি: খবরের কাগজ

জন্ম থেকেই দৃষ্টিহীন। কিন্তু অন্ধকারকে কখনো নিজের ভবিষ্যতের বাধা হতে দেননি রাজিয়া সুলতানা। জীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি প্রমাণ করেছেন, শারীরিক সীমাবদ্ধতা মানুষের স্বপ্নকে আটকে রাখতে পারে না। অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম আর মেধার জোরে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স সম্পন্ন করেছেন তিনি। তবু উচ্চশিক্ষার সনদ হাতে নিয়েও আজ কর্মহীন এই মেধাবী তরুণী। বৃদ্ধ ও অসুস্থ বাবার পরিবারে বোঝা না হয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও সেই স্বপ্ন এখনো অধরাই রয়ে গেছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আলাওলপুর ইউনিয়নের মুন্সিকান্দি মুন্সিবাড়ির মেয়ে রাজিয়া সুলতানা যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান কবির ও সুফিয়া কবিরের ছয় সন্তানের মধ্যে তৃতীয়। জন্মান্ধ হলেও ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি ছিল তার প্রবল আগ্রহ। মেয়ের মেধা ও ইচ্ছাশক্তিকে মূল্য দিয়ে মা-বাবাও সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন। রাজিয়ার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ঢাকার মিরপুর এলাকার ব্যাপটিস্ট মিশন ইন্টিগ্রেটেড স্কুলে। পরে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট থেকে এসএসসি এবং বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (আইইআর) বিশেষ শিক্ষা বিভাগ থেকে অনার্স সম্পন্ন করেন। 

উচ্চশিক্ষা অর্জনের পর স্বপ্ন ছিল একটি সম্মানজনক চাকরির মাধ্যমে পরিবারকে সহযোগিতা করার। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। একাধিক চাকরির লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও শেষ পর্যন্ত ভাইভা বোর্ডের গণ্ডি পেরোতে পারেননি তিনি। এদিকে পরিবারের আর্থিক অবস্থাও ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। একমাত্র ভাই সুমন আহমেদ একটি দোকানে চাকরি করে কোনোমতে সংসারের খরচ চালান। অন্যদিকে এক বছর ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান কবির। অতি দ্রুত রাজিয়ার একটি চাকরি চান স্থানীয় মানুষজন ও তার স্বজনরা।

রাজিয়ার প্রতিদিনের সংগ্রামী জীবন খুব কাছ থেকে দেখেন প্রতিবেশী ফাতেমা বেগম। ছোটবেলা থেকে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও রাজিয়ার অদম্য প্রচেষ্টা, শিক্ষার প্রতি নিষ্ঠা এবং আত্মপ্রতিষ্ঠার লড়াই তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। একজন মেধাবী ও উচ্চশিক্ষিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তরুণী হয়েও চাকরির সুযোগ না পাওয়ায় তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন। ফাতেমা বেগম বলেন, ‘একজন স্বাভাবিক মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করলেই চাকরির সুযোগ পায়। কিন্তু রাজিয়া দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় সেই সুযোগ পাচ্ছে না বলে আমাদের মনে হয়। সে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও ভাইভায় বাদ পড়েছে। আমরা চাই সরকার তার জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করুক।’

রাজিয়াকে ঘিরে উদ্বেগ আর দুশ্চিন্তার শেষ নেই স্বজনদের। বয়সের ভারে ন্যুব্জ বাবা-মা আজও তাকে আগলে রেখেছেন ভালোবাসা আর স্নেহের বন্ধনে। কিন্তু সময় তো কারও জন্য থেমে থাকে না। তাই স্বজনদের মনে একটাই প্রশ্ন, বাবা-মা একদিন না থাকলে রাজিয়ার ভবিষ্যৎ কী হবে? কে হবে তার আশ্রয়, কে দেবে ভরসা? উচ্চশিক্ষিত হয়েও কর্মসংস্থানের সুযোগ না পাওয়ায় এই দুশ্চিন্তা আরও গভীর হচ্ছে। রাজিয়ার চাচাতো ভাই সাইদুর রহমান বলেন, ‘আমার বোনটি ছোটবেলা থেকে অনেক সংগ্রাম করে বড় হয়েছে। দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ থেকে পড়াশোনা শেষ করেও সে বেকার। এটি সত্যিই কষ্টের বিষয়। এখন চাচা-চাচি বেঁচে আছেন, তাদের আশ্রয়ে রাজিয়া আছেন। তারা যেদিন না থাকবেন, এই অন্ধ মেয়ের কী হবে?

সরকার তার যোগ্যতার মূল্যায়ন করে চাকরির ব্যবস্থা করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে রাজিয়া সুলতানা বলেন, ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে নিজের যোগ্যতায় চাকরি করব। আমি কখনো নিজেকে অসহায় বা অক্ষম মনে করিনি। আমিও অন্য সবার মতো একজন মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেও এখনো চাকরি না পাওয়াটা কষ্টের। তবে আমি বিশ্বাস করি, একদিন আমার যোগ্যতার মূল্যায়ন হবে। আমি একটি চাকরি পেয়ে কারও বোঝা হয়ে থাকব না।

রাজিয়ার এই সংগ্রামী জীবনের কথা জেনে পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুশরাত আরা খানম বলেন, ‘রাজিয়া সুলতানার বিষয়ে আমরা খোঁজখবর নিয়েছি। সে উচ্চশিক্ষিত এবং মেধাবী। ভবিষ্যতে চাকরির জন্য আবেদন করলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী যোগ্যতার ভিত্তিতে তার কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে আমরা আশা করি।’

পটিয়ায় যুবক খুন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:০৫ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৫৩ এএম
পটিয়ায় যুবক খুন
নিহত পঙ্কজ শীল। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার জৌলুর দিঘীর পশ্চিম পাড় এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও এক ব্যক্তি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত যুবকের নাম পঙ্কজ শীল (৩৫)। তিনি ওই এলাকার মিলন শীলের ছেলে। আহত তিলক শীল (৩৫) বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে পঙ্কজ ও তিলক স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে জৌলুর দিঘীর পশ্চিম পাড় এলাকায় পৌঁছালে তারা তিনজন সন্দেহজনক ব্যক্তিকে দেখতে পান। তাদের মধ্যে একজন বোরকা পরিহিত ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে তারা টর্চলাইটের আলো ফেলে পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই ব্যক্তিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে পঙ্কজ ও তিলক গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পঙ্কজ শীলের মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, হামলার ঘটনায় একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ উদঘাটনে পুলিশ গুরুত্বসহকারে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

রাফিউল আকরাম/এসএন

কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর  মৃত্যু

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর  মৃত্যু
ইনতিশার হাসনাত। ছবি: সংগৃহীত

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে গোসল করতে নেমে ইনতিশার হাসনাত (২২) নামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মেধাবী শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে হ্রদের চক্রপাড়া সংলগ্ন বালুচর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ এক ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে সন্ধ্যার দিকে রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল হ্রদের ২৫ ফুট গভীর তলদেশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত ইনতিশার হাসনাত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (আইআর) বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের আলিচান মাতব্বর পাড়ার বাসিন্দা এবং চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ বেলাল উদ্দিন ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শাহীন আখতার নাসরিন দম্পতির একমাত্র ছেলে।

​ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ইনতিশারসহ চার বন্ধু মিলে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে বেড়াতে যান। বিকেলে তারা একটি নৌকা ভাড়া করে কাপ্তাই হ্রদ ভ্রমণে বের হন। নৌকাটি চক্রপাড়া সংলগ্ন বালুচর নামক স্থানে পৌঁছালে চার বন্ধু মিলে হ্রদের পানিতে গোসল করতে নামেন। সাঁতার কাটার একপর্যায়ে ইনতিশার বন্ধুদের অলক্ষ্যে হ্রদের গভীর পানিতে চলে যান এবং স্রোতের টানে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন। বন্ধুরা তাঁকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।

​খবর পেয়ে রাঙামাটি ফায়ার স্টেশনের লিডার লিটন কান্তি দেবের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ডুবুরি ইউনিট স্পিডবোটযোগে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক নিউটন দাস বলেন,

​আমরা বিকেল ৫টার দিকে একজন পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাই। আমাদের ডুবুরি দল তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় হ্রদের প্রায় ২৫ ফুট গভীর তলদেশ থেকে ওই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পরপরই ইনতিশারকে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস নিশ্চিত করেছে।

​একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে সম্পূর্ণ বাকরুদ্ধ ও শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন উপাধ্যক্ষ মোঃ বেলাল উদ্দিন ও শাহীন আখতার নাসরিন দম্পতি। ইনতিশারের একমাত্র বোনও ভাইয়ের এই আকস্মিক প্রস্থানে গভীর শোকে আচ্ছন্ন।

​পারিবারিক ও ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, ইনতিশার ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, নম্র ও সম্ভাবনাময় একজন তরুণ। শিক্ষাজীবনে তার মেধা ও বিনয়ী আচরণ শিক্ষক-সহপাঠী সবার প্রশংসা কুড়িয়েছিল। তার এই  মৃত্যুতে পরিবার, চবি ক্যাম্পাস এবং পেকুয়ার নিজ এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

রকিবুল হাসান/এসএন

পটিয়া প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:২৪ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৫৩ এএম
পটিয়া প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

পটিয়া প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে অনধিকার প্রবেশ, দখলচেষ্টা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও সংবাদকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) পটিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি নুর হোসেন পটিয়া থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে পটিয়া প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে একটি জরুরি সভা চলাকালে অভিযুক্তরা বহিরাগত ১৫-২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা সভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং প্রেস ক্লাবের কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালান।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একপর্যায়ে সভার রেজুলেশন খাতা জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ক্লাব কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পটিয়া থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখান থেকে চলে যান।

অভিযোগকারী নুর হোসেন দাবি করেন, এর আগেও কয়েকজন অভিযুক্ত প্রেস ক্লাব কার্যালয় দখলের চেষ্টা করেছিলেন। তবে প্রেস ক্লাবের সদস্যদের বাধার মুখে তারা সফল হতে পারেননি।

এ বিষয়ে পটিয়া থানার পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

রাফিউল আকরাম আলভী/এসএন