ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে প্রেমিকার আত্মহত্যা শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম আর্জেন্টিনার উত্তাপে গলে গেল আইসল্যান্ড ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক বাড়ছে না বিড়ির দাম সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে অংশ নেবে বিসিসিসিআই ইসলামী ব্যাংকের সিআরআরে বড় ধরনের ঘাটতি আক্কেলপুরে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার একদিনেই বদলে গেল চবির দুই উপ-উপাচার্য কক্সবাজারে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬ রাজশাহীতে বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত বিদেশি কোচদের চোখে নতুন ইতিহাস ল্যাবএইডে ডেঙ্গুবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আবেগের বিয়েতে ঝুঁকিতে পড়ছে মেয়েরা শখ থেকে স্বাবলম্বী গৃহবধূ, ঘরের ছাদ যেন ক্যাকটাস রাজ্য ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত ইসরায়েলি কারাগারে বন্দিদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন বরিশাল বিভাগে ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন ১২০ বর্গ কিমি ভুট্টা চাষে বিপর্যয়, চাষিদের স্বপ্ন এখন পচে-গলে পড়ে আছে মাঠে বড় বাজেট, বড় ঘাটতি, বড় চ্যালেঞ্জ ১০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সিলেটে নামকরণ-নামহরণ চলছেই! ঢাবি পড়ুয়া জন্মান্ধ রাজিয়ার বেঁচে থাকার সংগ্রাম ১০ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি পটিয়ায় যুবক খুন কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর  মৃত্যু জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁতীদলের আলোচনা সভা সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই
Nagad desktop

রেলওয়ের কারখানায় আগুন, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৫৬ পিএম
রেলওয়ের কারখানায় আগুন, তদন্ত কমিটি গঠন
চট্টগ্রামে রেলওয়ের কারখানায় আগুন। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে রেলওয়ের মেরামত কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাত দশটার দিকে কারখানায় স্তূপ করে রাখা পুরোনো মালামালে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর মধ্যে আগুনে তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।  

ফায়ার সার্ভিসে জানায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। তাঁদের প্রচেষ্টায় এক ঘণ্টা পর আগুন নিভেছে। আগুনে তিন টাকার ক্ষতি হয়েছে। আগুন লাগার কারণ শনাক্ত করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। 

রেলওয়ে ওয়ার্কশপের বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (কারখানা) মোস্তফা জাকির হাসান বলেন, ‘ রাতে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। প্রায় এক ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওয়ার্কশপের পুরোনো স্ক্র্যাপ মালামালে আগুন লেগেছে। আগুনের কারণ উদ্‌ঘাটন করতে  তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। 

আবদুস সাত্তার/এসএন

ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে প্রেমিকার আত্মহত্যা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:০০ এএম
ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে প্রেমিকার আত্মহত্যা
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকার ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে লক্ষ্মীরানী নামে এক নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রেমিক স্বপন অধিকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এর আগে ভোর ৪টার দিকে ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের কান্দিকুল গ্রামে চিত্ত রায়ের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত লক্ষ্মীরানী টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার তক্তারঢালা গ্রামের রমেন সরকারের স্ত্রী। অন্যদিকে প্রেমিক স্বপন অধিকারী টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার বংশীনগর হলুদিয়া গ্রামের রবীন্দ্র অধিকারীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে গৃহবধূ লক্ষ্মীরাণীর সঙ্গে স্বপন অধিকারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের টানে সোমবার রাত ৮টার দিকে প্রেমিক স্বপনের হাত ধরে পালিয়ে আসেন লক্ষ্মীরাণী। স্বপন তাকে নিয়ে ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের কান্দিকুল এলাকায় তার মামা চিত্ত রায়ের বাড়িতে ওঠেন।

রাতে প্রেমিক স্বপনের সঙ্গে লক্ষ্মীরাণীর মনোমালিন্য সৃষ্টি হলে স্বপন কৌশলে তাকে মামার বাড়িতে রেখে চলে যান। পরে লক্ষ্মীরাণী কোনো উপায় না দেখে ঘরের আড়ার সঙ্গে নিজের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ধামরাই থানা পুলিশ চিত্ত রায়ের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্বপন অধিকারীকে পাশের কেলিয়া গ্রামে তার বোনের বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লক্ষ্মীরাণী নামের ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছি। স্বপন অধিকারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রুহুল আমিন/রিফাত/

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১০:০৯ এএম
ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক
ছবি: খবরের কাগজ

উখিয়ার বালুখালী সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ জন মায়ানমারের নাগরিককে (এফডিএমএন সদস্য) আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ বালুখালী বিওপির বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকার রহমতের বিল নামক স্থান থেকে তাদের আটক করে।

স্থানটি সীমান্ত পিলার বিপি-২০ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে, বিওপি থেকে দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে এবং শূন্যলাইন থেকে প্রায় ৫০০ মিটার পশ্চিমে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।

বিজিবি জানায়, আটকরা ১৯ জনই পুরুষ এবং তারা স্থানীয় একটি ঘেরে মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তবে বিজিবির ভাষ্যমতে, রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের বাইরে অবস্থান বা স্থানীয় কাজে নিয়োজিত হওয়ার সুযোগ না থাকলেও বিভিন্ন সময়ে তারা অপরাধচক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে।

পরে আটক ব্যক্তিদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা নাগরিকদের বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে ব্যবহার না করার জন্য সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক।

রিদুয়ানুল হক/থিও

কক্সবাজারে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
কক্সবাজারে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬
প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় এক প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির সময় মা ও স্কুলছাত্রী মেয়েকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ভুক্তভোগীরা শনাক্ত করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত সোমবার রাত ৩ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। মঙ্গলবার (৯জুন) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলো রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩), কেফায়েত হোসেন ওরফে পুইত্যা (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) ও মোহাম্মদ তারেক (২৬)।

পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ জানান, খবর পেয়ে মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্র ও চকরিয়া থানা-পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল গভীর রাতে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ঘরের মূল দরজা খুলে অন্য সদস্যদের ঢুকতে সহায়তা করে। ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নেয়। একপর্যায়ে বাড়িতে থাকা এক নারী ও তার দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত মেয়েকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মামা বলেন, ‘আমার ভাগ্নির শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন'।

সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাস বলেন, ‘প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে একদল ব্যক্তি বাড়িতে প্রবেশ করে ডাকাতি করে। এ ছাড়া দুই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান শুরু করে। এ পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে'।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীদের ডাক্তারি পরীক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।

এদিকে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে এলাকায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি, রাতের নিরাপত্তা জোরদার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

রাজশাহীতে বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:০২ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
রাজশাহীতে বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত
প্রতীকী ছবি

বর্ষা মৌসুম এখনো শুরু হয়নি। তবে তার আগেই রাজশাহী নগরীতে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহক এডিস মশা যেন নীরব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রাক-বর্ষা কীটতাত্ত্বিক জরিপ বলছে, নগরীতে এডিস মশার বংশবিস্তার যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত ঝুঁকিসীমাকে অনেকটাই ছাড়িয়ে গেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আসন্ন বর্ষায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

গত মে মাসে পরিচালিত জরিপে রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্রেটো ইনডেক্স (বিআই) পাওয়া গেছে ৩০ দশমিক ৬৬। ডব্লিউএইচওর মানদণ্ড অনুযায়ী, এই সূচক ২০-এর বেশি হলে সেটিকে ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকির নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জরিপে নগরীর বিভিন্ন এলাকার ৭৫টি বাড়ি পরিদর্শন করে ১৫টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। ফলে হাউস ইনডেক্স দাঁড়িয়েছে ২০ শতাংশ। এছাড়া ৫২টি পানি ধারণকারী পাত্রের মধ্যে ২৩টিতে লার্ভা শনাক্ত হওয়ায় কনটেইনার ইনডেক্স হয়েছে ৪৪ দশমিক ২৩ শতাংশ। ব্রেটো ইনডেক্স হলো এডিস মশার লার্ভা বা পিউপা (মশার বংশবিস্তারকারী ধাপ) পরিমাপের একটি সূচক। এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট এলাকায় ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি নির্দেশ করে।

পরিসংখ্যানগুলো শুধু সংখ্যা নয়, নগরীর জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ, বর্ষা শুরু হলে বৃষ্টির জমে থাকা পানি এডিস মশার প্রজননের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গত বছরের একই ধরনের জরিপে লার্ভার উপস্থিতি ছিল ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে। সে তুলনায় চলতি বছর পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে। অর্থাৎ বর্ষা শুরুর আগেই এডিসের বিস্তার অনেক বেশি দৃশ্যমান।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি পাঁচটি বাড়ির একটিতে এবং প্রায় অর্ধেক পানি ধারণকারী পাত্রে লার্ভার উপস্থিতি প্রমাণ করে–উৎসস্থল ধ্বংসে এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়নি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু ফগিং বা ওষুধ ছিটানো যথেষ্ট নয়; বরং মশার প্রজননস্থল নির্মূল করাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, দ্রুত নগরায়ণ এবং অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে এডিস মশার বিস্তৃতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে ডেঙ্গু এখন শুধু মৌসুমি রোগ নয়, বরং নগর ব্যবস্থাপনার একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের এন্টো-টেকনিশিয়ান আব্দুল বারী বলেন, ‘নিয়মিত প্রাক-বর্ষা নজরদারির অংশ হিসেবে জরিপটি পরিচালনা করা হয়েছে। নগরীতে মশার লার্ভা এবং পূর্ণবয়স্ক মশার সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

জেলা কীটতত্ত্ববিদ উম্মে হাবিবা জানান, এডিস মশা এখন শুধু প্রচলিত পানির উৎসেই নয়, মানুষের অসচেতনতার কারণে তৈরি হওয়া ছোট ছোট জলাধারেও দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। জরিপে ফুলের টব, ছাদবাগান, খোলা নারকেলের খোসা, দইয়ের পাত্র, শিশুদের খেলনাসহ নানা ধরনের পানি ধারণকারী সামগ্রীতে লার্ভা পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, জরিপের ফলাফল ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তবে সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন বলেন, মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো জরিপ প্রতিবেদন বা সুপারিশ তাদের হাতে পৌঁছায়নি। তবে বর্ষাকে সামনে রেখে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলছে।

পাশাপাশি বাসিন্দাদের টব, ছাদের পানির ট্যাংক, পরিত্যক্ত টায়ার, নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্যও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৫১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। একই সময়ে ১৮ মাস বয়সী এক শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘জরিপের ফলাফলকে গুরুত্ব দিয়ে এখনই লার্ভা ধ্বংস অভিযান জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার প্রজননস্থলগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের বিকল্প নেই। কেননা, মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে রাজশাহী নগরীতে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়বে।’

আবেগের বিয়েতে ঝুঁকিতে পড়ছে মেয়েরা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
আবেগের বিয়েতে ঝুঁকিতে পড়ছে মেয়েরা
প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারের পেকুয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় কিশোর-কিশোরীদের মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিয়ে পালিয়ে বিয়ের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এই সুযোগে কিছু অসাধু কম্পিউটার দোকানদার জাল জন্মনিবন্ধন তৈরি করছেন। আবার কিছু কাজি ভুয়া রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে অনৈতিক বিয়ে-বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। আবেগের বশবর্তী হয়ে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে নারীরা চরম আইনি ও সামাজিক ঝুঁকিতে পড়ছেন। এটি রোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি জরুরি বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঘরছাড়া এই তরুণ-তরুণীদের অধিকাংশই নবম, দশম বা একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী কিংবা এই বয়সের।

গত ৫ মে উখিয়ার পালংখালী এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় মোশারাফা নামের এক কিশোরী। পরে সে অনলাইন মিডিয়ায় ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানায়, সে স্বেচ্ছায় ঘর ছেড়ে বিয়ে করেছে। একই সঙ্গে  হুঁশিয়ারি দেয়, তার স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির কোনো ক্ষতি করা হলে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেবে। একই দিনে সাইফুল ও জান্নাতুল ফেরদৌস নামের অন্য এক যুগলও ভিডিও বার্তায় দাবি করে, পরিবার সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তারা পালিয়ে গেছে।

গত ৫ মে পিএমখালী এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া জেসমিন আক্তার ও জাকির হোসেন এবং ২ মে নাফিসা নামের আরেক কিশোরী ভিডিও বার্তায় একই ধরনের বক্তব্য প্রচার করে। এর আগে ৩০ এপ্রিল চকরিয়ার কৈয়ারবিল এলাকার সুমাইয়া এবং আবিদ  দম্পতিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাজির হয়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পক্ষে সাফাই গেয়ে ভিডিও বার্তা দেয়।

জানা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে মেয়ের পরিবার অপহরণ বা ধর্ষণ মামলা করতে চাইলেও ভিডিও বার্তার কারণে আইনি জটিলতায় পড়ছে। লোকলজ্জা আর সামাজিক সম্মানের ভয়ে অনেক বাবা-মা শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকছেন। অন্যদিকে ভিডিওগুলোতে দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছেলের পরিবার বিষয়টি জানলেও মেয়ের পরিবার কিছুই জানে না। এ ছাড়া ভিডিওর নিচে সাধারণ মানুষের বাজে মন্তব্য ও ট্রল অভিভাবকদের মানসিক যন্ত্রণাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পারিবারিক বন্ধন শিথিল হওয়া ও ইন্টারনেটের অপব্যবহারই এই সমস্যার অন্যতম কারণ। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের এমন অবাধ্যতা রোধে এবং সামাজিক অবক্ষয় ঠেকাতে এখনই পরিবার ও সমাজকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে পেকুয়ায় কিছু অসাধু কম্পিউটার দোকানে অবৈধভাবে জন্মনিবন্ধন তৈরি ও সংশোধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কাজে তাদের সহযোগিতা করছেন কিছু ইউনিয়নের উদ্যোক্তা। তারা বিভিন্ন ব্যক্তির বয়স কমিয়ে বা বাড়িয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন তৈরি করে দিচ্ছেন। 
সাধারণত জন্মনিবন্ধন সংশোধনের ক্ষেত্রে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তার সত্যায়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে। কিন্তু এই অসাধু চক্রটি জাল সিল ও নকল স্বাক্ষর ব্যবহার করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করছে, যা দিয়ে বয়স পরিবর্তন করে নতুন জন্মনিবন্ধন বানানো হচ্ছে।

অন্যদিকে কিছু অসাধু কাজির ভুয়া নিকাহ রেজিস্ট্রার ও অনৈতিক বাণিজ্যের কারণে চরম ঝুঁকিতে পড়ছে বহু মেয়ের দাম্পত্য জীবন। আইন অনুযায়ী, বিয়ের সময় বর ও কনের সরকার স্বীকৃত জন্মনিবন্ধন সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সরকারি পোর্টালে অনলাইনের মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে বর বা কনের বয়স কম থাকায় কাজিরা একটি লিখিত বা মৌখিক মুচলেকা নেন। তারা বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে জন্মনিবন্ধন এনে দিতে হবে। তরুণ-তরুণীরা এই শর্তে রাজি হয়ে বিয়ে সম্পন্ন করে খুশি হন। কিন্তু তিন মাস পেরিয়ে গেলেও যখন পরিবারগুলো জন্মনিবন্ধন দিতে ব্যর্থ হয়, তখন কাজি অফিসে থাকা ওই বিয়ের তথ্য আর সরকারি অনলাইন সার্ভারে ওঠে না। ফলে খাতা-কলমে বিয়েটি অবৈধ থেকে যায়।

পরবর্তীতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হলে বা নির্যাতন করলে মেয়েরা আইনি প্রতিকার চাইতে গিয়ে দেখে তাদের বিয়ের কোনো বৈধ কাবিননামাই নেই। কাবিননামার মূল কপি বা অনলাইন কপি দেখাতে না পারায় সবচেয়ে বেশি ঠকছে মেয়েরা ।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কিছু অসাধু কাজি সরকারি কর্মকর্তাদের পরিদর্শন থেকে বাঁচতে সমান্তরালভাবে দুটি রেজিস্ট্রার খাতা তৈরি করেন। একটি খাতা থাকে সম্পূর্ণ বৈধ ও ফ্রেশ, যা সরকারি অডিটের সময় দেখানো হয়। আর অন্য একটি লুকানো খাতায় অবৈধ, বাল্যবিবাহ কিংবা ত্রুটিপূর্ণ কাগজের বিয়েগুলো সাময়িকভাবে টুকে রাখা হয়। পরবর্তীতে সুবিধা বুঝে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সেগুলো মূল খাতায় তোলা হয়, অন্যথায় তা গায়েব করে দেওয়া হয়।

তবে সব কাজি এই অনৈতিক চক্রের সঙ্গে জড়িত নন। পেকুয়ার উজানটিয়া ইউনিয়নের কাজি আজিজুল হক বলেন, ‘আমি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করি। এই ধরনের কোনো দুই নম্বরি খাতা আমি রাখি না। অন্য কেউ যদি অডিট ফাঁকি দিতে এই অনৈতিক কাজ করে, সেটি আমার জানা নেই।’

অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ রোধে আইন অনুযায়ী ছেলেদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ বছর ও মেয়েদের ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে পালিয়ে বিয়ে করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে মেয়ের বয়স ১৮ বছর হলেও ছেলের বয়স ২১ বছর না হওয়ায় কাজি বিয়ে রেজিস্ট্রি করেন না। তখন কেউ কেউ ভুয়া বা ডুপ্লিকেট এনআইডি ব্যবহার করে বয়স বাড়িয়ে দেখানোর চেষ্টা করে। অল্প বয়সে সংসার শুরু করার কারণে এরা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। ফলে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি সৃষ্টি হয় ও সংসার টেকে না।’

পেকুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বিষয়টি তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। তিনি বলেন, ‘ভুয়া জন্মনিবন্ধন তৈরি, জাল জন্মনিবন্ধন সরবরাহ এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।’

ইউএনও আরও বলেন, ‘শুধু আবেগের বশবর্তী হয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে করলেই সেটি পূর্ণাঙ্গ ও বৈধ বিয়ে হিসেবে গণ্য হয় না। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।’

পেকুয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এতিমখানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্কুল-কলেজে গিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হবে। কারণ বর্তমানে অনেকেই পালিয়ে বিয়ে করছেন ও ভুয়া জন্মনিবন্ধন তৈরি করে কোর্ট ম্যারেজ করছেন। অবক্ষয় রোধে এই সামাজিক প্রতিরোধ আরও জোরদার করা হবে।