জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট ‘হ্যাক করার’ ঘটনায় বঙ্গভবনের আইটি শাখার সহকারী প্রোগ্রামার ছরোয়ার আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ডিবি বলছে, গ্রেপ্তার ছরোয়ারে আলমের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্ত এবং উদ্ধার ‘ডিভাইস’ ফরেনসিকের পর বলা যাবে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে জামায়াতে ইসলামী। পরে সেটি মামলায় নথিভুক্ত হয়। এ ঘটনাটি সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত হওয়ায় ডিবি পুলিশকে তদন্ত দেওয়া হয়। পরে মতিঝিল এলাকা থেকে ছরোয়ার আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়।
তিনি বলেন, ছরেয়ারের ব্যক্তির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসেট ও কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক এবং অন্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে জব্দ আলামতের ফরেনসিক করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অহেতুক বিভ্রান্তি না ছড়ানো এবং সুষ্ঠু তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করতে সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি।
সন্দেহভাজন আসামি ছরোয়ারের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছেন কি না- প্রশ্নেন জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত এবং ফরেনসিক প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না। তদন্তে স্বার্থে যা যা করা দরকার সবকিছু করা হবে।
মামলা হওয়ার আগে বঙ্গভবনে সার্চ করা যায় কি না- এমন প্রশ্নেন জবাবে শফিকুল ইসলাম বলেন, যে কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিয়েছে, তারা বলতে পারবেন।
গত শনিবার রাতে জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডেলের একটি পোস্টের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, কর্মজীবী নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য। পরে এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে সেই পোস্ট সরিয়ে নেওয়া হয়। জামায়াত বিবৃতি দিয়ে জানায়, সাইবার হামলা করে অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে এবং জামায়াত আমিরের নামে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
শেখ জাহাঙ্গীর/অমিয়/