Use of Synonym and Antonym
1.

2.

3.

4.

5.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা
কবীর
Use of Synonym and Antonym
1.

2.

3.

4.

5.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা
কবীর
১. আধুনিক ভূগোলের জনক কে?
ক) ইমানুয়েল কান্ট
খ) রিচার্ড হার্টশোন
গ) ভন হামবোল্ট
ঘ) হোমার
২. সমুদ্রবিদ্যার আলোচিত বিষয় হলো-
i. সমুদ্র স্রোত
ii. জাহাজ ও স্টিমার
iii. জোয়ারভাটা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) i ও iii
গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
৩. ভূগোলের জনক কে?
ক) ইরাটোসথেনিস খ) ডাডলি স্ট্যাম্প
গ) কার্ল রিটার ঘ) ম্যাকনি
৪. প্রাকৃতিক ভূগোলের মূল বিষয়বস্তু কী?
ক) সমুদ্র খ) পৃথিবী
গ) সৌরজগৎ ঘ) ভূমিরূপ
৫. প্রাকৃতিক ভূগোলের নবীনতম শাখা কোনটি?
ক) জীবভূগোল খ) জলবায়ুবিদ্যা
গ) সমুদ্রবিদ্যা ঘ) ভূমিরূপবিদ্যা
৬. প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত হলো-
i. প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর স্থানিক ও কালিক বিশ্লেষণ
ii. আঞ্চলিক তারতম্য বিশ্লেষণ
iii. মানুষ ও প্রকৃতির মিথস্ক্রিয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) i ও iii
গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
৭. ‘Geography’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন কে?
ক) কার্ল রিটার খ) টলেমি
গ) ইরাটোসথেনিস ঘ) স্ট্রারো
৮. প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় নদীর কার্য নিয়ে বর্ণনা রয়েছে?
ক) জলবায়ুবিদ্যায় খ) ভূমিরূপবিদ্যায়
গ) বারিমণ্ডলে ঘ) জীবমণ্ডলে
৯. প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিসরের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
ক) জনসংখ্যা ভূগোল খ) বসতি ভূগোল
গ) কৃষি ভূগোল ঘ) সমুদ্র ভূগোল
১০. প্রাকৃতিক ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
ক) মৃত্তিকা বিশ্লেষণ
খ) মহাকাশ গবেষণা
গ) জীবের উৎপত্তি
ঘ) বায়ুমণ্ডলীয় তাৎপর্য
১১. প্রাকৃতিক ভূগোলে আলোচিত হয়-
i. সাগর, মহাসাগরের তলদেশের ভূ-প্রকৃতি
ii. বিশ্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা
iii. পৃথিবীর জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) i ও iii
গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
১২. ভূমিধসের বিষয় আলোচনা করা হয়-
ক) বাস্তুবিদ্যায় খ) ভূমিরূপবিদ্যায়
গ) সমুদ্রবিদ্যায় ঘ) জলবায়ুবিদ্যায়
১৩. ভূগোলের যাত্রা শুরু হয় কোন যুগে?
ক) রোমান যুগে খ) গ্রিক যুগে
গ) মিসরীয় যুগে ঘ) মুসলিম যুগে
উত্তর: ১. গ, ২. খ, ৩. ক, ৪. খ, ৫. ক, ৬. ঘ, ৭.গ, ৮. খ, ৯. ঘ, ১০. ঘ, ১১. খ, ১২. খ, ১৩. খ।
লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
কবীর
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে মীর জাফরের এ সংলাপে ক্ষমতার প্রতি তার লোলুপ মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে।
মীর জাফর সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি। আলীবর্দীর আমল থেকেই তার লোভ ছিল বাংলার মসনদের প্রতি। এ কারণেই সিরাজের শাসনকে তিনি মেনে নিতে পারেননি। সিরাজের জায়গায় নিজে সিংহাসনে বসার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করেছেন। পবিত্র কোরআনে হাত রেখে শপথ করেও তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তার বাড়িতে ষড়যন্ত্র সভার একপর্যায়ে জগৎশেঠ, রাজবল্লভসহ অন্যদের সঙ্গে আলোচনার সময় ওপরের বাক্যটি বলে তার সিংহাসনে বসার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন এবং বাস্তবিক অর্থে স্বপ্ন-বিভোর হয়ে ওঠেন।
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে উমিচাঁদের এ উক্তিতে অর্থের প্রতি তার লোলুপ মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়।
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার অমাত্যদের অধিকাংশই ছিল অর্থলোভী ও বিশ্বাসঘাতক। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থলোভী ও ব্যক্তিত্বহীন ছিল উমিচাঁদ। অর্থের জন্য তিনি একেক সময় একেকজনের পক্ষ নিতেন। ঘসেটি বেগমের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে উমিচাঁদ জানান যে, তিনি দৌলতের পূজারি। কারণ দৌলত বা অর্থ তার কাছে ‘ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড়।’ এই অর্থের জন্যই তিনি নবাবকে ছেড়ে শওকতজঙ্গকে ক্ষমতায় আনতে সাহায্য করতে চান। একেকজন একেকরকম চাইলেও উমিচাঁদের চাওয়া কেবলই অর্থ।
আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে হিংসাপরায়ণ হয়ে ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলাকে লক্ষ করে ওপরের উক্তিটি করেছিলেন, কারণ নবাব তাকে মতিঝিল প্রাসাদ থেকে গৃহবন্দি করতে সেনাপতি মোহনলালকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে সরিয়ে যারা অর্থ ও ক্ষমতা লাভের জন্য ষড়যন্ত্র করেছিলেন, তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন ঘসেটি বেগম। সিরাজউদ্দৌলা নবাব হলে তা মেনে নিতে পারেননি ঘসেটি বেগম। তাই তিনি গোপনে মীর জাফর ও অন্যদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ঘসেটি বেগমের এই কর্মকাণ্ড বুঝতে পেরে তাকে মতিঝিল থেকে নবাবের মায়ের কাছে নিয়ে যেতে চাইলে ক্ষুব্ধ হন ঘসেটি বেগম। আর তখনই তিনি নবাবকে উদ্দেশ্য করে এমন অভিশাপের উক্তিটি করেন।
উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে প্রজাদের দুর্ভোগের জন্য অন্য কাউকে দোষারোপ না করে আত্মগ্লানি প্রকাশ করতে গিয়ে সিরাজউদ্দৌলা এ কথা বলেছেন, যেখানে মূলত নবাবের অসহায়ত্ব ও দুর্বলতা প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলার নবাব ব্রিটিশ বেনিয়া শক্তির কাছে অসহায় হয়ে পড়েন। তার সাম্রাজ্যের লবণ চাষিরা ইংরেজ কুঠিয়ালদের নির্যাতনের শিকার। নবাব এর প্রতিবিধানে কিছুই করতে পারেননি। তাই প্রকাশ্য দরবারে তিনি সব অমাত্যকে ডেকে জানান নবাব হিসেবে তার অযোগ্যতায় এসব ঘটছে। আসলে তিনি সবাইকে জানালেন বাংলার রাজনীতিতে বিদেশিরা প্রভাব বিস্তার করেছেন এবং এর পেছনে ইন্ধন জোগাচ্ছেন নবাবের অধীন লোকেরাই, যাদের প্রধান মীর জাফর আলী খান। তার সামনেই এসব কথা বলে নবাব ক্ষোভ ও বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা
কবীর
২১। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময়-
i. স্ত্রী জনন কোষ তৈরি হয়
ii. ক্রোমোজোম ৮ থেকে ৪টি হতে পারে
iii. ক্রোমোজোমগুলো খাটো ও মোটা দেখায়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii খ) i ও ii
গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।
জননকোষ সৃষ্টির সময় এবং নিম্ন শ্রেণির উদ্ভিদের জীবন চক্রের কোনো এক সময় যখন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় তখন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার সেই অবস্থাকে হ্যাপ্লয়েড (n) বলে। তোমরা নিশ্চয় জানো যে, মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে জাইগোট সৃষ্টি হয়।
২২। দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষের মিলনের অবস্থার নাম কী?
ক) ডিপ্লয়েড
খ) হ্যাপ্লয়েড
গ) সুপার হ্যাপ্লয়েড
ঘ) অপত্য হ্যাপ্লয়েড
২৩। জীনতত্ত্বের জনক কে?
ক) মেন্ডেল খ) নিউটন
গ) অ্যারিস্টটল ঘ) লিনিয়াস
আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
২৪। বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয় কাকে?
ক) নিউটনকে
খ) গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে
গ) অ্যারিস্টটলকে
ঘ) লিনিয়াসকে
২৫। নিউক্লিক অ্যাসিড কত প্রকার?
ক) ৪ প্রকার খ) ৩ প্রকার
গ) ২ প্রকার ঘ) ১ প্রকার
উত্তর: ২১. খ, ২২. ক, ২৩. ক, ২৪. ক, ২৫. গ।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ
কবীর
৫৫. কোনটি প্রোগ্রামের সব ভুলগুলো একসঙ্গে প্রদর্শন করে?
ক. অ্যাসেম্বলার খ. ইন্টারপ্রেটার
গ. কম্পাইলার ঘ. ডিবাগার
৫৬. প্রোগ্রামের বিভিন্ন ধাপগুলোকে কী বলে?
ক. ইনস্ট্রাকশন খ. অ্যালগরিদম
গ. প্রবাহ চিত্র ঘ. ফ্লোচার্ট
৫৭. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে কী বলে?
ক. 1GL খ. 3GL
গ. 4GL ঘ. 5GL
৫৮. ইন্টারপ্রেটারের সুবিধা হলো-
i. প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন করা সহজ হয়
ii. প্রোগ্রাম আকারে ছোট হয়
iii. মেমোরিতে বেশি জায়গা নেয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i. ও iii
গ. ii. ও iii ঘ. i, ii ও iii
৫৯. উচ্চ স্তরের ভাষার বৈশিষ্ট্য-
i. সহজবোধ্য
ii. সময় সাশ্রয়ী
iii. দ্রুত লেখা যায়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i. ও iii
গ. ii. ও iii ঘ. i, ii ও iii
৬০. বর্তমানে কতটি প্রোগ্রামিং ভাষা আছে?
ক. কয়েকটি খ. কয়েক শ
গ. কয়েক হাজার ঘ. কয়েক লাখ
৬১. প্রোগ্রামিং ভাষার নিয়মকানুনকে কী বলে?
ক. ইন্টারপ্রেটার খ. সিনট্যাক্স
গ. অ্যাসেম্বলার ঘ. কম্পাইলার
৬২. নিচের কোনটি পুরো প্রোগ্রামকে একসঙ্গে অনুবাদ করে?
ক. ইন্টারপ্রেটার খ. কম্পাইলার
গ. সফটওয়্যার ঘ. অ্যাসেম্বলার
৬৩. কোন অনুবাদক প্রোগ্রামের ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল?
ক. অ্যাসেম্বলার খ. কম্পাইলার
গ. ইন্টারপ্রেটার ঘ. পিএইচপি
৬৪. প্রোগ্রামের প্রতিটি নির্দেশকে কী বলে?
ক. কোড খ. ইন্টারপ্রেটার
গ. স্টেটমেন্ট ঘ. সিনট্যাক্স
৬৫. ভুলত্রুটি পরীক্ষা করাকে কী বলে?
ক. কোডিং খ. ডিবাগিং
গ. টেস্টিং ঘ. ডিজাইনিং
৬৬. কম্পাইলারের বৈশিষ্ট্য-
i. পুরো প্রোগ্রামকে একবারে কম্পাইল করে
ii. দ্রুতগতিতে কাজ করে
iii. সবগুলো ভুল একসঙ্গে প্রদর্শন করে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii খ. i. ও iii
গ. ii. ও iii ঘ. i, ii ও iii
৬৭. প্রোগ্রামের ধাপগুলোকে ছবির মাধ্যমে প্রকাশ করাকে কী বলে?
ক. ফ্লোচার্ট খ. অ্যালগরিদম
গ. সিনট্যাক্স ঘ. আর্ট
উত্তর: ৫৫. গ, ৫৬. খ, ৫৭. ঘ, ৫৮. ক, ৫৯. ঘ, ৬০. গ, ৬১. খ, ৬২. খ, ৬৩. খ, ৬৪. গ, ৬৫. গ, ৬৬. ঘ, ৬৭. ক।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা
কবীর
উত্তর: স্বাদু পানির পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণী দেখা যায়। স্বাদু পানির উদ্ভিদের মধ্যে শাপলা, পদ্ম, কচুরিপানা, ফার্নজাতীয় ও শৈবাল উল্লেখযোগ্য। প্রাণীদের মধ্যে রুই, কাতলা, মৃগেল, পাঙাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, কাঁকড়া, ব্যাঙ ও শামুক স্বাদু পানির পরিবেশে বাস করে।
উত্তর: জলজ পরিবেশের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো–
i. এদের দেহ নরম ও নমনীয় হয়, যাতে পানির ঢেউয়ের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে।
ii. কাণ্ডে বায়ুথলি থাকে, যা উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে।
iii. মূল সাধারণত ছোট ও দুর্বল হয়।
iv. অধিকাংশ জলজ উদ্ভিদ অযৌন বংশবিস্তার করে।
v. পাতাগুলো চওড়া ও হালকা হয়।
আরো পড়ুন : জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
জলজ পরিবেশের প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো–
i. এদের দেহ মাঝখানে চওড়া এবং মাথা ও লেজের দিকে সরু হয়।
ii. পাখনা ও লেজ সাঁতার কাটতে সাহায্য করে।
iii. ফুলকার মাধ্যমে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে।
iv. অনেক জলজ প্রাণীর দেহে বায়ুথলি বা পটকা থাকে।
v. দেহ মসৃণ হওয়ায় এ পরিবেশের প্রাণীর পানিতে চলাচল সহজ হয়।
লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা
কবীর