ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ পানির বোতল চুয়াডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যে বই কেউ ছাপতে চায়নি সেই বইয়ের বুকার জয় কেরানীগঞ্জে শ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু বেড়েছে মুরগি, কাঁচা মরিচ-কাঁচা পেঁপের দাম বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার খুলনায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড় শাহরাস্তিতে ১৮ মামলার আসামি ‘সাদা আনোয়ার’ গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ ৬ ঘণ্টা পরে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক কর্মস্থলে গরমে হাঁসফাঁস
Nagad desktop

তাহারেই পড়ে মনে কবিতার ১৮টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর ৪র্থ পর্ব, এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৫, ০৮:০০ পিএম
তাহারেই পড়ে মনে কবিতার ১৮টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর ৪র্থ পর্ব, এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

কবিতা : তাহারেই পড়ে মনে 

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন-২৯. গঠনরীতির দিক থেকে ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কেমন?
উত্তর: গঠনরীতির দিক থেকে ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি সংলাপনির্ভর।

প্রশ্ন-৩০. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবি কেমন গানের কথা জানতে চেয়েছেন?
উত্তর: কবি বসন্তের আগমনী গানের কথা জানতে চেয়েছেন।

প্রশ্ন-৩১. কবি শীতকে কী রূপে কল্পনা করেছেন?
উত্তর: কবি শীতকে মাঘের সন্ন্যাসীরূপে কল্পনা করেছেন।

প্রশ্ন-৩২. কোন ঋতুর কারণে কবি রিক্ত ও বিষণ্ন হয়ে আছেন?
উত্তর: শীত ঋতুর কারণে কবি রিক্ত ও বিষণ্ন হয়ে আছেন।

প্রশ্ন-৩৩. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় পুষ্পশূন্য কোন পথ?
উত্তর: কবিতায় পুষ্পশূন্য হলো দিগন্তের পথ।

প্রশ্ন-৩৪. ‘অলখ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘অলখ’ শব্দের অর্থ অলক্ষ বা দৃষ্টির অগোচর।

প্রশ্ন-৩৫. ‘উত্তরীয়’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: চাদর।

প্রশ্ন-৩৬. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
উত্তর: কবি সুফিয়া কামাল।

প্রশ্ন-৩৭. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ১৯৩৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন-৩৮. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকার কততম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়? 
উত্তর: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি  ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকার নবম বর্ষ ষষ্ঠ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।

আরো পড়ুন : তাহারেই পড়ে মনে কবিতার ২১টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর ৩য় পর্ব

প্রশ্ন-৩৯. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কী প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: কবিতায় প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্ক এবং প্রিয়জনের বিয়োগব্যথার অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।

প্রশ্ন-৪০. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কীসের ছায়াপাত ঘটেছে?
উত্তর: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির ব্যক্তিজীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে।

প্রশ্ন-৪১. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির মন কীসে আচ্ছন্ন হয়ে যায়?
উত্তর: কবির মন রিক্ততার হাহাকারে আচ্ছন্ন হয়ে যায়।

প্রশ্ন-৪২. কবি সুফিয়া কামালের কাব্য সাধনায় প্রেরণাপুরুষ কে ছিলেন?
উত্তর: কবির কাব্য সাধনায় প্রেরণাপুরুষ ছিলেন তার স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেন।

প্রশ্ন-৪৩. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির কাকে মনে পড়ে?
উত্তর: কবির প্রিয়তম স্বামীর কথা মনে পড়ে।

প্রশ্ন-৪৪. কার মৃত্যুতে কবি সুফিয়া কামালের জীবনে প্রচণ্ড শূন্যতা নেমে আসে?
উত্তর: স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনের মৃত্যুতে কবির জীবনে প্রচণ্ড শূন্যতা নেমে আসে।

প্রশ্ন-৪৫. কবির স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেন কত সালে মারা যান?
উত্তর: কবির স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেন ১৯৩২ সালে মারা যান।

প্রশ্ন-৪৬. ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতার গঠনগত লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য কোনটি?
উত্তর: ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতার লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর নাটকীয়তা।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
ভিজুয়াল বেসিক আবিষ্কার করেন মাইক্রোসফট কোম্পানি। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৪১. ভিজুয়াল বেসিক আবিষ্কার করেন কে?
ক. জর্ন স্ট্রাউস্ট্রপ                 খ. গিডো ভান রসাম     
গ. আইবিএম কোম্পানি        ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি

৪২. ক্যাশ মেমোরির বৈশিষ্ট্য হলো-
i. রেজিস্টারের চেয়ে আকারে বড় 
ii. রেজিস্টারের তুলনায় বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে 
iii. রেজিস্টারের তুলনায় গতি কম 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৪৩. একাধিক প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি মিলে কী তৈরি হয়?
ক. হার্ডওয়্যার      খ. সফটওয়্যার 
গ. প্রোগ্রাম          ঘ. ফার্মওয়্যার

৪৪. প্রথম আবিষ্কৃত কম্পিউটারে প্রোগ্রাম লেখা হতো কী দিয়ে?
ক. ০ ও ২ দিয়ে     খ. ০ ও ১ দিয়ে 
গ. ০ ও ৩ দিয়ে     ঘ. ০ ও ৯ দিয়ে

৪৫. কম্পিউটার প্রসেসর কোন পদ্ধতির মাধ্যমে বিভিন্ন হিসাব করে? 
ক. অক্টাল      খ. ডেসিমেল 
গ. বাইনারি     ঘ. হেক্সাডেসিমেল

৪৬. নিচের কোনগুলো বাইনারি পদ্ধতির অঙ্ক?
ক. 1 ও 0     খ. 1 ও 8 
গ. 1 ও E     ঘ. 0 ও 7

৪৭. কোনটি বাইনারি অঙ্ক ব্যবহার করে বিশেষ সংকেত তৈরি করে?
ক. প্রোগ্রাম     খ. প্রসেসর 
গ. মেশিন       ঘ. রেজিস্টার

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৪৮. অ্যাসেম্বলি ও উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যবর্তী ভাষাকে কী বলে?
ক. অতি উচ্চ স্তরের ভাষা 
খ. মধ্যম স্তরের ভাষা 
গ. নিম্নমধ্য স্তরের ভাষা 
ঘ. অতি নিম্ন স্তরের ভাষা

৪৯. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা কোনটি?
ক. মেশিন ভাষা           খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. উচ্চ স্তরের ভাষা     ঘ. নিম্ন স্তরের ভাষা

৫০. প্রথম প্রজন্মের ভাষা নিচের কোনটি?
ক. মেশিন ভাষা           খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. নিম্ন স্তরের ভাষা     ঘ. উচ্চ স্তরের ভাষা

৫১. ‘C’ প্রোগ্রামিং ভাষাটি কে প্রথম তৈরি করেন? 
ক. ডেনিস রিচি     খ. জর্ন স্ট্রাউস্ট্রপ 
গ. বিল গেটস        ঘ. স্টিভ জবস

৫২. লাইব্রেরি ফাংশন হচ্ছে-
i. আগে থেকে তৈরি করা বিভিন্ন বিষয়বস্তু 
ii. এক ধরনের বিশেষ স্টেটমেন্ট 
iii. শুধু গাণিতিক কাজে ব্যবহারযোগ্য নির্দেশ 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৫৩. ‘কম্পাইলার’ ও ‘ইন্টারপ্রেটার’ এর মধ্যে পার্থক্য হলো-
i. প্রোগ্রামটি অনুবাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
ii. কাজের গতির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
iii. ভুল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৫৪. কোন কোম্পানি ১৯৯১ সালে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষার সূচনা করে?
ক. মাইক্রোসফট কোম্পানি 
খ. সান মাইক্রো সিস্টেম 
গ. অ্যাডোবি সিস্টেম 
ঘ. অ্যাপল কোম্পানি

উত্তর: ৪১. ঘ, ৪২. ঘ, ৪৩. খ, ৪৪. খ, ৪৫. ক, ৪৬. ক, ৪৭. খ, ৪৮. খ, ৪৯. খ, ৫০. ক, ৫১. ক, ৫২. ক, ৫৩. ঘ, ৫৪. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
নবাব সিরাজউদ্‌দৌলা। ছবি- সংগৃহীত

নাটক : সিরাজউদ্‌দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে ফরাসিরা আর ইংরেজরা অর্থাৎ বিদেশি বেনিয়ারা যে এ দেশে এসেছে মূলত বাণিজ্য করার নামে অবাধলুণ্ঠন করতে, সিরাজউদ্‌দৌলা সে প্রসঙ্গেই এ কথা বলেছেন।
ইংরেজরা নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার নিষেধ সত্ত্বে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের নির্মাণকাজ চালিয়ে যান। ইংরেজদের এই নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে নবাব ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ দখল করে নেন এবং ওয়াটস ও হলওয়েলকে বন্দি করেন। বন্দিদের কাছে নবাবের নির্দেশ অমান্যের কারণ জানতে চাইলে হলওয়েল জানায়, তারা ফরাসিদের কাছ থেকে আত্মরক্ষার জন্য দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। হলওয়েলের এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে নবাব কটাক্ষ করে ওপরের উক্তিটি করেছেন। ফরাসিরা ডাকাত হলে ইংরেজরাও নিশ্চয় ভালো কিছু নয়, সেটি নবাব ভালোই জানতেন।

প্রশ্ন: ‘ইংরেজদের আধিপত্য অত সহজেই মুছে যাবে নাকি?’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে ড্রেকের এই উক্তিটি দিয়ে ইংরেজদের সুকৌশলী কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। 
নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার তাড়া খেয়ে ইংরেজরা কলকাতা দুর্গ ছেড়ে পালায়। তারা ভাগীরথী নদীতে ভাঙা ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজে আশ্রয় নিলে সেখানে খাদ্য-বস্ত্রের সংকট দেখা দেয়। জুনিয়র অফিসার মার্টিন ও হ্যারি তাদের দুরবস্থার জন্য ড্রেককে দায়ী করেন। তখন ড্রেক দাম্ভিকতার সঙ্গে ইংরেজদের আধিপত্যের স্থায়িত্বের কথা বলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। গভর্নর ড্রেক ঠিকই জানতেন ইংরেজরা এত সহজে কলকাতা থেকে যাবে না; এমনকি আবারও কলকাতায় ফিরে আসবেন, দখলদারত্ব বজায় রাখবেন। 

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘ওর লোভের অন্ত নেই।’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে উমিচাঁদের লোভী মানসিকতা প্রসঙ্গে গভর্নর রজার ড্রেক ওপরের উক্তিটি করেছেন।
ব্যক্তিত্বহীন উমিচাঁদ ছিলেন প্রচণ্ড অর্থলোভী একজন মানুষ। অর্থের বিনিময়ে তিনি ইংরেজদের পক্ষে সব কাজ করার আগ্রহের কথা জানান; আবার অর্থ পেলে তলে তলে নবাবের হয়েও কথা বলেন। তার এ সবকিছু অর্থ উপার্জনের কৌশল মাত্র। ইংরেজদের কলকাতায় ব্যবসা করার জন্য মানিকচাঁদের হুকুমনামা আনতে উমিচাঁদ মধ্যস্বত্বভোগীর কাজ করেন। মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক দাবি করেন ড্রেকের কাছে। উমিচাঁদের এমন স্বভাব নতুন কিছু নয়, সে প্রসঙ্গেই ড্রেক কথাটি বলেছিলেন।

প্রশ্ন: ‘শওকতজঙ্গ নবাব হলে সবার উদ্দেশ্য হাসিল হবে’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটক থেকে জানা যায় শওকতজঙ্গ ঘসেটি বেগমের আস্থাভাজন হওয়ায় সে নবাব হলে ষড়যন্ত্রকারীদের স্বার্থসিদ্ধি ঘটবে, ওয়াটসের উক্তিতে এ কথা বিশেষভাবে প্রকাশ হয়েছে। 
আলীবর্দী খাঁ’র মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন তার দৌহিত্র সিরাজউদ্‌দৌলা। কিন্তু খালা ঘসেটি বেগমসহ অন্য চক্রান্তকারীরা এটি মেনে নিতে পারেননি। তারা সিরাজউদ্‌দৌলার খালাতো ভাই শওকতজঙ্গকেই যোগ্য উত্তরাধিকারী মনে করেন। কেননা, সিরাজউদ্‌দৌলা নবাব হওয়ায় তাদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থে-প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। ফলে ঘসেটি বেগমের পুত্র শওকতজঙ্গকে নবাব বানাতে পারলে নিজেদের স্বেচ্ছাচারিতায় কোনো অন্তরায় থাকবে না বলে মনে করে ষড়যন্ত্রকারীরা। এ কথা উমিচাঁদের চিঠিতে উল্লেখ থাকায় ড্রেক উচ্ছ্বসিত হয়ে বিষয়টি সবাইকে জানান।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
মাইটোসিসের অ্যানাফেজ ধাপে ক্রোমোজোম মেরুমুখী অবস্থান করে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

দ্বিতীয় অধ্যায় : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের চিত্রের আলোকে ১৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

১৫। ওপরের চিত্রটির দশায় দেখা যায়-
i. ক্রোমোজোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলে আসে 
ii. ক্রোমোজোমগুলো লম্বা দেখায়
iii. ক্রোমোজোমগুলো খাটো ও মোটা দেখায় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) i ও ii 
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

১৬। মাইটোসিসের কোন ধাপে ক্রোমোজোম মেরুমুখী অবস্থান করে?
ক) অ্যানাফেজ ধাপে     
খ) টেলোফেজ ধাপে
গ) মেটাফেজ ধাপে     
ঘ) প্রো-মেটাফেজ ধাপে

১৭। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে মাতৃকোষ কত ভাগে বিভাজিত হয়?
ক) ২ ভাগে     খ) ৩ ভাগে 
গ) ৪ ভাগে     ঘ) ৫ ভাগে

আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১৮। জননকোষ সৃষ্টির সময় নিচের কোনটি ঘটে?
ক) ডিপ্লয়েড     
খ) হ্যাপ্লয়েড 
গ ) অ্যানাফেজ     
ঘ) মিয়োসিস

১৯। মিয়োসিস নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয় কতবার?
ক) ৫ বার     খ) ৪ বার 
গ) ৩ বার     ঘ) ২ বার

২০। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে মাতৃকোষ ও অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অনুপাত কত?
ক) ২ : ১     খ) ৪ : ১ 
গ) ২ : ১     ঘ) ১ : ৪

উত্তর: ১৫. ক, ১৬. ক, ১৭. ক, ১৮. ঘ, ১৯. ঘ, ২০. ঘ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
জীবের আবাসস্থলে উদ্ভিদ স্বাভাবিকভাবে জন্মায় ও বেড়ে ওঠে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : জীবের আবাসস্থল 

অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন (√) দাও বা সঠিক উত্তরটি লেখ।

ক) জলজ উদ্ভিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য কোনটি?
i. পাতা পুরু থাকে
ii. বায়ুকুঠুরি থাকে
iii. ফুল আছে
iv. কাঁটাযুক্ত থাকে

খ) মাংসাশী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
i. এরা দ্রুতগতির হয়
ii. এরা বড় আকৃতির হয়
iii. এদের তীক্ষ্ণ দাঁত আছে
iv. চর্বির স্তর আছে

গ) শ্বাসমূল কোন উদ্ভিদে পাওয়া যায়?
i. হিজল
ii. সুন্দরী
iii. শাপলা
iv. কচুরিপানা

উত্তর: ক) ii. বায়ুকুঠুরি, খ) iv) চর্বির স্তর, গ) ii. সুন্দরী।

প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলো দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো।

বায়ুথলি, চর্বিস্তর, ফার্ন, বায়ুকুঠুরি, মাছ

ক) জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে …..।
খ) তীব্র ঠাণ্ডায় প্রাণীর দেহকে গরম রাখে …..।
গ) ছায়াযুক্ত স্থানের একটি উদ্ভিদ হলো …..।

উত্তর: ক) বায়ুথলি, খ) চর্বিস্তর, গ) ফার্ন।

প্রশ্ন: জীবের আবাসস্থল বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যে স্থানে কোনো জীব স্বাভাবিকভাবে জন্মায়, বেড়ে ওঠে এবং নিরাপদে বসবাস করে, সেই স্থানকে জীবের আবাসস্থল বলে। আবাসস্থল জীবের খাদ্য, আশ্রয় ও বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সব পরিবেশগত উপাদান সরবরাহ করে থাকে।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

E-mail বিষয়ক Writing Paragraph, ২৯তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
E-mail বিষয়ক Writing Paragraph, ২৯তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
ই-মেইল হলো গ্রহণযোগ্য আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

E-mail

E-mail is the most acceptable modern communication system. Students also get a lot of benefits by e-mail. They can discuss their difficult lessons with teachers staying at home. A student needs not go to library. He can do library work sitting at home. He can also get necessary academic information from administrative office by e-mail. He can also discuss his academic lessons with his friends by e-mail. In the same way, a student can communicate with international educational supporting places for the development of studies. He can communicate with the writers of his books to be sure on specific points. To

আরো পড়ুন : Deforestation বিষয়ক Writing Paragraph, ২৮তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

get more knowledge, he can communicate with the authorities of newspapers, radio and television by e-mail. In a word, a student can think the world in the palm of his hand by the support of e-mail system. By e-mail, a student can get not only academic help but also personal support. He can easily communicate with his nearest ones by e-mail. The students of different countries are taking the advantages of e-mail. It is true that e-mail system is not available to many in Bangladesh for want of personal computers. But if the condition is changed and e-mail is available in the country, the students may get sufficient benefit from it.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর