এবারের ঈদে সবচেয়ে তারকাবহুল নাটক ‘একান্নবর্তী’। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা জামানসহ গুণী অভিনয়শিল্পী তারিক আনাম খান, মাসুম বাশার, চিত্রলেখা গুহ, সাবেরী আলম, মনিরা মিঠুসহ এই সময়ে নাটকে তুমুল জনপ্রিয় জুটি নিলয় আলমগীর ও জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি।
নাটকটিতে আমাদের দেশের পারিবারিক যে ঐতিহ্য, অর্থাৎ একান্নবর্তী পরিবারের যে ঐতিহ্য তাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন নাট্যকার ও পরিচালক মহিন খান।
নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে দিলারা জামান বলেন, ‘একান্নবর্তী পরিবার বলতে এখন কিছুই নেই। তার পরও এ ধরনের গল্প নিয়ে নাটক নির্মিত হলে আমরা হারানো ঐতিহ্য ফিরেও পেতে পারি।’
তারিক আনাম খান বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে মহিন দর্শকের পালসটা বেশ ভালো বুঝে। যে কারণে আমাদের সংস্কৃতির নিজস্ব কিছু যে গল্প থাকে, তাই নিয়ে সে কাজ করার চেষ্টা করে। এটা অনুপ্রেরণা দেওয়ারই মতো।’
মাসুম বাশার বলেন, ‘মহিনের কাজ মানেই জানা কথা- একটি ভালো স্ক্রিপ্ট, একটি পরিবারের গল্প থাকবে।’ চিত্রলেখা গুহ বলেন, ‘সম্পর্কের নিয়মিত চর্চা থাকলে যে পরিবারও টিকে থাকে, এই নাটকই তার দৃষ্টান্ত।’ সাবেরী আলম বলেন, ‘মহিনের কাজ মানেই হলো- একটি ভালো টিমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মন দিয়ে কাজ করার আনন্দ।’
মনিরা মিঠু বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবাইকে নিয়ে কাজ করা যেখানে কঠিন, সেই কঠিন কাজটাই মহিন করে। সবার মধ্যে যখন আমি থাকি, তখন আমি ভীষণ আনন্দ নিয়ে কাজ করি।’ নিলয় বলেন, ‘আমার পরম সৌভাগ্য যে এত এত কিংবদন্তি শিল্পীর সঙ্গে আমি একই নাটকে কাজ করতে পেরেছি।’
হিমি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় আমরা সবাই একটি পরিবারের। সেই পরিবারটি মিলেই একান্নবর্তী পরিবারকে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ফিরিয়ে আনার চেষ্টাই এই নাটক।’
পরিচালক মহিন খান বলেন, ‘আমার দীর্ঘদিনের ইচ্ছে ছিল এ ধরনের গল্প নিয়ে নাটক নির্মাণের। আমি নিলয় ভাইয়ের সঙ্গে বিষয়টা শেয়ার করার পর তিনিই নাটকটি প্রযোজনায় ভীষণ উৎসাহী হলেন। যে কারণেই কাজটি সম্পন্ন করতে পেরেছি। সব শিল্পীর প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা।’
/শাকিল