অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনিদের উৎখাত করার পরিকল্পনার বিরোধিতা করে আরব ভূখণ্ডের পাঁচটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং একজন শীর্ষ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কাছে একটি যৌথ চিঠি পাঠিয়েছেন। গত জানুয়ারির শেষদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাব করেছিলেন।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এই চিঠিটি পাঠানো হয় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়।
এই চিঠিতে সই করেছেন জর্ডান, মিশর, সৌদি আরব, কাতার এবং আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পাশাপাশি ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হুসেইন আল-শেখ।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এই চিঠির বিষয়ে প্রথম সংবাদ প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, কূটনীতিকরা গত সপ্তাহান্তে মিশরের কায়রোতে বৈঠক করেছিলেন।
গত ২৫ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গাজার ফিলিস্তিনিদের জর্ডান এবং মিশরকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করেছিলেন। সে সময় তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এটি দীর্ঘমেয়াদি না স্বল্পমেয়াদি সমাধান? তিনি বলেছিলেন, ‘যেকোনো কিছু হতে পারে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন প্রস্তাব ফিলিস্তিনিদের মাঝে আশঙ্কা তৈরি করে, তাদেরকে নিজেদের ঘরবাড়ি থেকে স্থায়ীভাবে উৎখাত করা হতে পারে, যা পশ্চিমারা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে আসছে। এ ছাড়া এটি জাতিগত নিধনের একটি কৌশলও হতে পারে বলে তারা মনে করেন। যার ফলে জর্ডান, মিশর এবং অন্য আরব দেশগুলো এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘গাজা পুনর্গঠনে সরাসরি গাজাবাসীর সম্পৃক্ততা এবং অংশগ্রহণের মাধ্যমে হওয়া উচিত। ফিলিস্তিনিরা তাদের জমিতে বাস করবে এবং এটি পুনর্গঠন করতে সহায়তা করবে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, গাজা পুনর্গঠনে ফিলিস্তিনিদের প্রতিনিধিত্ব কেড়ে নেওয়া উচিত নয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থনে এই প্রক্রিয়ার স্বত্ব অবশ্যই তাদের নিতে হবে। সূত্র: রয়টার্স
তাওফিক/