ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডে শুরু হয়েছে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে গ্রিনল্যান্ডের নির্বাচন আন্তর্জাতিক মহলে এত গুরুত্ব না পেলেও এবার যেন তার ব্যতিক্রম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে, আলোচনাকে উসকে দিয়েছে ডেনমার্কের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও।
ড্যানিশ-গ্রিনল্যান্ডিক নীতি বিশেষজ্ঞ নাউজা বিয়ানকো বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড আগে কখনো এতটা আলোচনার কেন্দ্রে আসেনি।’
গ্রিনল্যান্ড প্রায় ৩০০ বছর ধরে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ১৯৫৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ডেনিশ রাজ্যের অংশ হওয়া দ্বীপটি নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এখনো কোপেনহেগেন নির্ধারণ করে। এবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ছয়টি দলের মধ্যে পাঁচটিই স্বাধীনতার পক্ষে, যদিও তারা আলাদা আলাদা সময়ে সেটি অর্জনের পক্ষে মত দিয়েছে। আজ জানা যাবে নির্বাচনের ফলাফল।
গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান ও খনিজসম্পদ আকৃষ্ট করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। ২০১৯ সালে তিনি প্রথম দ্বীপটি কেনার প্রস্তাব দেন। দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আবারও গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, যা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড উভয়েই প্রত্যাখ্যান করেছে। সূত্র: বিবিসি