ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যত আক্রোশ মুক্তিযুদ্ধে ৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২ সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল ১২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের র‍্যালি কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত শহিদ জিয়ার প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম হয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অথচ বাজেট বরাদ্দ তলানিতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অধস্তনকে চড় মারায় সিলেটের এক নির্বাচন কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করবে সরকার আরেকবার সাফের ফাইনালে ঋতুপর্ণার গোল দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে মাটির নিচ থেকে উঠছে ধোঁয়া, এলাকায় চাঞ্চল্য চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৩ জন গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩ এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ রামিসার  মামলার  দ্রুত রায় মা হচ্ছেন সোহিনী
Nagad desktop

যে কারণে ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের চেয়ে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বেশি

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৩৬ এএম
যে কারণে ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের চেয়ে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বেশি
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম আশপাশের দেশগুলোর তুলনায় বেশি। দুই বছরে দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশে স্বর্ণের দাম বাড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশে বেশি বাড়ার কারণ হলো সরকারের নীতিগত দুর্বলতা, টাকার অবমূল্যায়ন ও ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের কারণে স্বর্ণ নিরাপদ বিনিয়োগ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী কয়েক বছরে দাম কমবে না বরং বাড়ার সম্ভাবনা বেশি।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্যমতে, গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রথমবারের মতো প্রতি ট্রয় আউন্স (৩১ দশমিক ১০ গ্রাম) ‘৪ হাজার ২০০ ডলার’ ছুঁয়েছে। তিন বছর আগে, ২০২২ সালের শুরুতে দাম ছিল ‘২ হাজার ডলারের নিচে’। ২০২৩ থেকে স্বর্ণের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও দাম বাড়ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ‘লাখের ঘরে’ পৌঁছায়। দুই বছরে দাম বেড়ে ২০২৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে ‘ভরি প্রতি ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩৩ টাকা’ হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে স্বর্ণের দাম ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। যুদ্ধ বা অর্থনৈতিক মন্দার সময় স্বর্ণের দামে প্রভাব পড়ে। করোনার পর থেকে বৈশ্বিক যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে দাম কমেনি। তবে আশপাশের দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বেশি হওয়ার পেছনে রয়েছে সরকারের নীতিগত দুর্বলতা, টাকার মানের পতন ও ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফার প্রবণতা।

দাম বাড়লেও স্বর্ণের চাহিদা কমেনি। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সংকটের সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বড় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ কেনা ও সংরক্ষণ বাড়ান। যেটা বিশ্বব্যাপী স্বর্ণের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য নষ্ট করে। তবে এতে নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের স্বর্ণ কেনার ক্ষমতা ও প্রবণতা কমে যাচ্ছে।

স্বর্ণের দাম কেন বাড়ছে?
স্বর্ণের চাহিদা বাড়লেও উৎপাদন সীমিত। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল জানায়, ২০২৩ সালে বিশ্বে স্বর্ণের সরবরাহ ছিল ‘৪ হাজার ৯৭৫ টন’। যেটা গত বছর ছিল ‘৪ হাজার ৯৪৬ টন’। তবে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বড় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছেন। ২০২২ সালের শেষ থেকে তারা প্রতিবছর এক হাজার টনেরও বেশি স্বর্ণ কিনছেন, যেখানে ২০১০-২১ সালে গড় ছিল মাত্র ‘৪৮১ টন’।

গত বছর শীর্ষ ক্রেতাদের মধ্যে ছিল পোল্যান্ড, তুরস্ক, ভারত, আজারবাইজান ও চীন।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, স্বর্ণ একটি গ্রহণযোগ্য ও বাস্তব সম্পদ হওয়ায় যুদ্ধ, অর্থনৈতিক মন্দাসহ নানা বৈশ্বিক পরিস্থিতি সরাসরি এর বাজারকে প্রভাবিত করে। করোনা মহামারির পর বিশ্ব অর্থনীতির মন্দায় স্বর্ণ নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে উঠেছে। এরপর রাশিয়া-ইউক্রেনসহ অন্যান্য যুদ্ধের কারণে স্বর্ণে বিনিয়োগ বেড়েছে।

২০০৮-০৯ সালে আরেকবার স্বর্ণের দাম ব্যাপক বেড়েছিল। ২০১১ সালে বৈশ্বিক আর্থিক মন্দা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দাম ‘আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৯১৭ ডলার’ ছুঁয়েছিল, বাংলাদেশে ছিল ‘প্রতি ভরি ৪৮ হাজার টাকা’। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ ও বাণিজ্যযুদ্ধে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। এর সঙ্গে ডলারের মান কমাও বড় কারণ।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আগে কেন্দ্রীয় সব ব্যাংক রিজার্ভে ডলারের ওপর বেশি নির্ভর করলেও এখন ঝুঁকি বুঝে স্বর্ণ সংরক্ষণ বাড়াচ্ছে।

সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘গ্লোবাল ইকোনমিতে অস্থিরতা বাড়ায় অনেক দেশ ও বিনিয়োগকারী ডলারের বদলে ধরাচ্ছেন ট্যানজিবল অ্যাসেট, ফলে স্বর্ণের ওপর চাপ বাড়ছে।’

বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের দামে পার্থক্য
বিশ্বের প্রতিটি দেশে স্বর্ণের দাম ভিন্ন হয়। কারণ শুল্ক ও আমদানির খরচ দাম নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। অনেক দেশ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং আমদানি ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষায় স্বর্ণ আমদানিকে উৎসাহ দেয় না। তবে আপৎকালীন সম্পদ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো স্বর্ণ রিজার্ভ করে।

বাংলাদেশ সরকার ২০১৮ সালে স্বর্ণ নীতিমালা প্রণয়ন করে কিছু প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়। কিন্তু তেমন ফল মেলেনি। ব্যাগেজ বিধিমালা অনুযায়ী, একজন যাত্রী বছরে সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম স্বর্ণের গয়না বিনা শুল্কে আনতে পারেন। এ ছাড়া বছরে একবার ১১৭ গ্রাম স্বর্ণের একটি বার আনতে পারবেন। তবে প্রতি ভরিতে ৫ হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে।
এক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণ রিজার্ভ এবং মুদ্রার শক্তিও স্বর্ণের দামে প্রভাব ফেলে।

ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, বাহরাইন, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, দুবাই, আমেরিকা ও পেরুতে স্বর্ণ সস্তায় পাওয়া যায়। বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম আশপাশের দেশগুলো যেমন ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের তুলনায় বেশি বলে অভিযোগ আছে। তবে ব্যবসায়ীরা এটা পুরোপুরি সত্য মনে করেন না।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের ১৫ অক্টোবরের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ‘১৩৪ দশমিক ৯৬ মার্কিন ডলার’ বা ‘১৬ হাজার ৪২৫ টাকা’। একই সময়ে, ভারতে দাম ‘১৩৪ দশমিক ৭০ ডলার’, পাকিস্তানে ‘১৩৬ দশমিক ৯৪ ডলার’, নেপালে ‘১২৫ দশমিক ০৫ ডলার’, মালয়েশিয়ায় ‘১৩১ দশমিক ১৪ ডলার’, সৌদি আরবে ‘১২৬ দশমিক ৯১ ডলার’, কাতারে ‘১২৭ দশমিক ৯৭ ডলার’।

অন্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে দাম বেশি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রাম দাম ‘১৫২ দশমিক ৩৯ ডলার’ বা ‘১৮ হাজার ৫৪৭ টাকা’।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির সুযোগ সীমিত, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন ও অনানুষ্ঠানিক খাতের প্রভাবেই দাম নির্ধারিত হয়।

বাজুসের সহসভাপতি মাসুদুর রহমান বলেন, ‘সরকার বা সেন্ট্রাল ব্যাংক যদি স্বর্ণ সরবরাহ করত, বাজার নিয়ন্ত্রণে থাকত। আমাদের দেশে রিসাইকেল্ড গোল্ডই বেশি চলে, এ জন্য দাম একটু বেশি হয়।’ তারা আরও বলেন, লাগেজের আওতায় এক ভরি স্বর্ণ আনলে শুল্ক কম দিতে হয়। কিন্তু বৈধ আমদানিতে অনেক বেশি শুল্ক এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থাকে।

স্বর্ণের দাম কি কমতে পারে?
বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণে বিনিয়োগ কতটা নিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। বাজারের ধারাবাহিক অস্থিরতার কারণে সঠিক পর্যালোচনা দেওয়া কঠিন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি, যুদ্ধ পরিস্থিতিসহ নানা বিষয় স্বর্ণের বাজারকে প্রভাবিত করে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে নিশ্চিত কিছু বলা কঠিন। তবে অতীত অভিজ্ঞতা ও বাজারের ধারা দেখে ব্যবসায়ীরা মনে করেন, আগামী কয়েক বছরে স্বর্ণের দাম কমার সম্ভাবনা নেই। বরং বাড়ার প্রবণতা আছে।

বাজুসের সহসভাপতি মাসুদুর রহমান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধ এবং ডলারের অবমূল্যায়নের কারণে স্বর্ণের দাম দ্রুত কমছে না। জিও-পলিটিক্যাল টেনশন না কমলে এবং যুদ্ধ চলতে থাকলে স্বর্ণের দাম কমার সম্ভাবনা খুব কম।’

যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস বলেছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ‘৪ হাজার ৯০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা এখন ৪ হাজার ২০০ ডলারের আশপাশে।’

অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘স্বর্ণের দাম অনিশ্চয়তার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ব্যাংকিং সুদের হারের ওপরও নির্ভর করে। আগে বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো রিজার্ভ হিসেবে ডলারকে গুরুত্ব দিত, এখন স্বর্ণের পরিমাণ বাড়ছে।’ স্বর্ণের দাম আরও বাড়বে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাজার খুবই অস্থির। ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্ত এবং ডলারের সুদের হারের ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করে।’ বাংলাদেশে স্বর্ণের বাড়তি দাম নিয়ে তিনি বলেন, ‘যেসব দেশে স্বর্ণ উৎপাদন ও সরকারি আমদানির সুযোগ বেশি, সেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দাম মিলবে না। ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ ও বাজারের অস্বচ্ছতা পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ করে, যা স্বর্ণ চোরাচালানের সুযোগ বাড়ায়।’ সূত্র: বিবিসি

গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন
ছবি: সংগৃহীত

অবরুদ্ধ গাজায় গত ৪৮ ঘণ্টায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫ জন।

গুরুতর আহত হয়েছেন অর্ধশত মানুষ।

 খবরটি নিশ্চিত করেছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনার ছোড়া গুলিতে নিহত হয়েছে মাত্র ৭ মাস বয়সী এক শিশু। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার বাবা ও মা।

 অবশ্য ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, সৈন্যদের দিকে একটি গাড়ি এগিয়ে আসতে দেখেই নিরাপত্তার স্বার্থে গুলি ছোড়ে তারা।

গেলো বছরের অক্টোবর থেকে কথিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরাইলে অব্যাহত হামলায় প্রাণহানি হয়েছে প্রায় ১ হাজার মানুষের।

গুরুতর আহত হয়েছে প্রায় ৩ হাজারের কাছাকাছি।

এসএন/

হরমুজে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ, পাল্টা রাডার সাইট লক্ষ্যবস্তু করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
হরমুজে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ, পাল্টা রাডার সাইট লক্ষ্যবস্তু করল যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীর দিকে পাঠানো চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। শুক্রবার (৫ জুন) এর জবাবে ইরানের কয়েকটি উপকূলীয় নজরদারি রাডার কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর নীতির মধ্যে এ ঘটনা যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, ‘আক্রমণকারী ড্রোনগুলো আঞ্চলিক সামুদ্রিক চলাচলের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি সৃষ্টি করেছিল।’

বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করিডোর হরমুজ প্রণালীতে ইরানের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বন্দর কার্যক্রমের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। এর ফলে জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং মূল্যবৃদ্ধি মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে।

সেন্টকম জানায়, ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রণালীর একটি দ্বীপসহ একাধিক রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

এই ঘটনা সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার সবশেষ অধ্যায়, যা যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব এবং তা সম্প্রসারণের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সপ্তাহের শুরুতে একটি ইরানি ড্রোন কুয়েতের প্রধান বিমানবন্দরের একটি যাত্রী টার্মিনালে আঘাত হানলে একজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন। ঘটনার পর বিমানবন্দরটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

যদিও এসব হামলা যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে, তবুও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে পরিস্থিতি মোটামুটি ভালোভাবেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’

উইসকনসিনে কৃষকদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই ইরান ইস্যুর সমাধানে পৌঁছাব। সেটা আলোচনার মাধ্যমে হোক বা কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে- যেভাবেই হোক আমরা সফল হব।’

তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, ট্রাম্প এমন একটি সংঘাতের মধ্যে ক্রমশ জড়িয়ে পড়ছেন, যা বর্তমানে অচলাবস্থার দিকে এগোচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে মার্কিন ও ইরানি আলোচকরা ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানো এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু করার বিষয়ে একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অতিরিক্ত শর্ত এবং ইরানের নীরব অবস্থান অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি তাদের জন্য খুবই কঠিন একটি সিদ্ধান্ত। তারা স্বাধীন, শক্তিশালী এবং গর্বিত জাতি। তবে বর্তমান বাস্তবতায় কিছু সিদ্ধান্ত তাদের নিতেই হবে।’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের কাছে এখনও তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রায় ২১ থেকে ২২ শতাংশ অবশিষ্ট রয়েছে।

এদিকে, ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় লেবানন সরকার ও ইসরায়েলের মধ্যে যে নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে, তা নিয়েও মার্কিন প্রশাসন আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। তবে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ওই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় এবং ৯টি গ্রামের বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ৯জন নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষের সময় তাদের দুই সৈন্য আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননের চলমান সংঘাত ইরান-সংক্রান্ত সংকট নিরসন এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালুর প্রচেষ্টাকেও প্রভাবিত করতে পারে। কারণ ইরান দাবি করে আসছে, যেকোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননের পরিস্থিতিকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এদিকে, হরমুজ প্রণালীতে ড্রোন প্রতিহত করার পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ভারত মহাসাগরে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেলবাহী ট্যাংকারে অভিযান চালিয়েছে। এর লক্ষ্য ইরানের তেল রপ্তানি থেকে আয় সীমিত করা।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি খাতকে লক্ষ্য করে নতুন করে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও তেলবাহী জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

কুয়েত ও বাহরাইনে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
কুয়েত ও বাহরাইনে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধবিরতির নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেই কুয়েত ও বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শনিবার (৬ জুন) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

সেন্টকমের দাবি, ইরানের ছোড়া সাতটি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ছয়টি মার্কিন ও মিত্রদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাঝআকাশেই ভূপাতিত করে। অপর ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই বিকল হয়ে পড়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মার্কিন সেনা সদস্যের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

মার্কিন বাহিনী আরও জানিয়েছে, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ইরানের দাবি সত্য নয়।

এদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর শনিবার ভোরে বাহরাইনজুড়ে জরুরি সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের শান্ত থাকার পাশাপাশি নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানায়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের চারটি আত্মঘাতী ড্রোন ভূপাতিত করার পর এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এর আগে হরমুজ প্রণালীর দিকে অগ্রসর হওয়া ড্রোনগুলো ধ্বংস করার পাশাপাশি মার্কিন যুদ্ধবিমান ইরানের গোরুক ও কেশম দ্বীপে অবস্থিত কয়েকটি উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালায়।

মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই ঘটনা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং চলমান যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টাকে করে তুলতে পারে আরও জটিল। সূত্র: বাসস

আমান/

অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম
অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশিসহ ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী সব বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (৫ জুন) নয়াদিল্লিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশিসহ যেকোনো বিদেশি নাগরিক যদি ভারতে অবৈধভাবে অবস্থান করেন, তবে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের দেশে আইন রয়েছে। সেই আইন অনুযায়ীই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এক বিবৃতিতে দাবি করে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের ১০টি পৃথক চেষ্টা তারা প্রতিহত করেছে।

এ প্রসঙ্গে রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেন, ভারত একটি আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। এই প্রক্রিয়া অনুযায়ী যেকোনো নাগরিককে ফেরত পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তার জাতীয়তার সত্যতা নিশ্চিত হতে হয়। তিনি বলেন, ‘এসব মানুষকে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে একটি দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। আমরা যখন এই ধরনের মামলাগুলো বাংলাদেশ পক্ষের কাছে পাঠাই, তখন তারা ওই ব্যক্তিদের জাতীয়তা যাচাই করে। জাতীয়তা নিশ্চিত হওয়ার পরই আমরা ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিয়ে যাই।’

মুখপাত্র আরও জানান, ‘আমাদের এই ধরনের অনেক অনুরোধ এখনো বাংলাদেশ পক্ষের কাছে ঝুলে রয়েছে। আমরা আশা করি, এই অনুরোধগুলো যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি করা হবে। এর ফলে ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটি সুশৃঙ্খল ও দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।’

কিমের আমন্ত্রণে উ. কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩০ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
কিমের আমন্ত্রণে উ. কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া সফর করবেন। দীর্ঘ সাত বছর পর পিয়ংইয়ং সফরে যাচ্ছেন চীনা প্রেসিডেন্ট। সফরকালে তিনি প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। উভয় দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে গতকাল শুক্রবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে। 

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানিয়েছে, ‘কিম জং উনের আমন্ত্রণে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শি জিনপিং ৮ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া সফর করবেন।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বেইজিং সফরের কয়েক সপ্তাহ পরেই এই সফরে যাচ্ছেন শি।

চীন উত্তর কোরিয়ার একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অংশীদার। পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটি কোণঠাসা অবস্থায় আছে।

চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। দুই দেশ একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আবদ্ধ। চুক্তি অনুযায়ী কোনো দেশ আক্রান্ত হলে তারা একে অপরকে সহায়তা প্রদান করবে। এই বছর সেই চুক্তির ৬৫তম বার্ষিকী পালিত হবে।

কিমের কাছে শির সফরের প্রচারণাগত গুরুত্ব সুস্পষ্ট। মহামারি মোকাবিলা করে এবং রাশিয়ার পক্ষে ইউক্রেনের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার পর পিয়ংইয়ং বিশ্বমঞ্চে তার অবস্থান উন্নত করেছিল।

পিয়ংইয়ং ও মস্কো উভয়ের সঙ্গেই বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কিম ও পুতিনের মধ্যে গড়ে ওঠা জোট নিয়ে শি সন্দিহান। কিন্তু পিয়ংইয়ংয়ের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার বেইজিংই কিমের জন্য প্রধান জীবনরেখা হয়ে আছে। আশা করা হচ্ছে, কিম স্থল সীমান্ত দিয়ে আরও বেশি বাণিজ্য এবং তার নবনির্মিত সমুদ্রসৈকত ও স্কি রিসোর্টগুলো প্রাণবন্ত করতে আরও বেশি চীনা পর্যটক চাইবেন।

কিম গর্বের সঙ্গে তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্রাগার প্রদর্শন করে আসছেন। তিনি সফররত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের রাজধানী পিয়ংইয়ংও প্রদর্শন করছেন। তিনি বিশ্বকে জানাতে চান, এই সবকিছু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতজানু না হয়ে বা দক্ষিণের সঙ্গে কোনো সম্পর্কে না জড়িয়েই অর্জন করা হয়েছে। পিয়ংইয়ং স্পষ্ট করেছে যে তারা তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে সরে আসবে না।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই সপ্তাহেই একটি নতুন পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সময় কিম বলেছেন, গত পাঁচ বছরে উত্তর কোরিয়ার ‘অস্ত্র-গ্রেড পারমাণবিক উপকরণ উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে’। সূত্র: বিবিসি