ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা মানবসভ্যতার জন্য বড় ঝুঁকি স্পিলবার্গের নতুন সিনেমা স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রেমে পড়েছেন প্রভা! শাহরুখ খানের শুটিং সেটে সুমাইয়া শিমুর ক্যারিয়ারের শুরু দর্শকদের প্রতি শুভকামনা থাকল ‘মালিক’ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন আরিফিন শুভ চুয়াডাঙ্গায় অপরিচ্ছন্নতা ও অবৈধ লোগো ব্যবহারে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ ডিসি অফিস চত্বরে হামলার শিকার সেই সমন্বয়ক মাহাদী ইউসিবির মূলধন দ্বিগুণ, ৪৩তম এজিএম সম্পন্ন কাশিয়ানীতে মোড়ের নাম রাখা হলো ‘ব্রাজিল মোড়’ গোল্ডেন টিউলিপ দ্য গ্র্যান্ডমার্ক ঢাকায় শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পদত্যাগ করলেন রাবি ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম সংসদে বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ভাঙ্গায় পরীক্ষাকেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মারধর, এনসিপি নেতা আটক জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের যে তিন ব্যক্তি আল্লাহর নিকট ঘৃণিত ফিফার আপত্তির মুখে হাইতির বিশ্বকাপ জার্সিতে পরিবর্তন নতুন অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন শার্শায় সরকারি বাওড় জবরদখল, বিশুদ্ধ পানির সংকটে ৩ গ্রামের মানুষ ঠাকুরগাঁওয়ে বছরে ১৯১ আত্মহত্যা, তরুণ-তরুণীদের মধ্যে প্রবণতা বেশি আবেগে রাঙা বিশ্বকাপ, জার্সিতে উচ্ছ্বাস দাউদকান্দিতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ দিনাজপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ র‍্যালি মুন্সীগঞ্জে পদ্মার ভাঙনরোধ ও সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন নারায়ণগঞ্জ বন্দরে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫ চৌদ্দগ্রামে বাবাকে হত্যার ২০ বছর পর একইভাবে ছেলেকে হত্যা কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহারকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার দাবি মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখা হবে এলইডি স্কিনে পলাশবাড়িতে বিএনপি-জামায়াতের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া
Nagad desktop

জাপানের ১৭ নাগরিককে উত্তর কোরিয়ার অপহরণ, উনের সাক্ষাৎ চান জাপানের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৫৮ এএম
জাপানের ১৭ নাগরিককে উত্তর কোরিয়ার অপহরণ, উনের সাক্ষাৎ চান জাপানের প্রধানমন্ত্রী
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। ছবি: সংগৃহীত

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। আশির দশকে পিয়ংইয়ংয়ে ১৩ জন জাপানি নাগরিক অপহরণ ঘিরে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে কথা বলতে তিনি এই সাক্ষাৎ করতে চান বলে জানান।গত ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনও জাপানি নেতা এই পদক্ষেপ নেন নাই।

সোমবার (৩ নভেম্বর) জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কয়েক দশক আগে উত্তর কোরিয়া কর্তৃক অপহৃত জাপানি নাগরিকদের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে আমরা ইতোমধ্যেই উত্তর কোরিয়াকে একটি শীর্ষ বৈঠক করার ইচ্ছা জানিয়েছি।” 

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মতো পিয়ংইয়ংয়ের এজেন্টরা ১৯৭০ ও ৮০-এর দশকে ১৩ জন জাপানি নাগরিককে অপহরণ করেছিল বলে স্বীকার করে। এর আগে বহু বছর ধরে তারা এ কথা অস্বীকার করেছে। 

জাপান দাবি করে, ১৯৭০ এবং ১৯৮০ এর দশকের শেষের দিকে উত্তর কোরিয়ার এজেন্টরা তাদের কমপক্ষে ১৭ জন নাগরিককে অপহরণ করেছিল । এমনকি ২০০২ সালে পাঁচজন নাগরিককে ফিরিয়েও দেওয়া হয়েছিল।

২০১৪ সালের জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, অপহরণগুলো উত্তর কোরিয়ার গুপ্তচরবৃত্তি কর্মসূচির অংশ বলে মনে করা হয়। এসব নাগরিককে পিয়ংইয়ংয়ের গুপ্তচরদের জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল।

সে সময় অন্তত ১৭ জন জাপানি নাগরিককে উত্তর কোরিয়া অপহরণ করেছে বলে জাপানের ধারণা। তবে অনেকে বলেছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

টোকিওতে এই ইস্যু নিয়ে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে তাকাইচি জানান, জাপান ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে নতুন ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক গড়ে তুলতে আমি কিম জং উনের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকের বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। 

এদিকে, তাকাইচির এই প্রস্তাবে পিয়ংইয়ং এখনও প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

আরেকদিকে, পিয়ংইয়ং মোট নিহতের সংখ্যা নিয়ে দ্বিমত পোষণ করে এবং জানায়, কিছুঞ্জাপানি নাগরিক ট্র্যাফিক এবং ডুবে যাওয়া দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। কেউ কেউ আত্মহত্যাও করেছে এবং তারা বিষয়টি শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করে।

কিন্তু জাপানি অপহৃতদের পরিবার যারা এখনও নিখোঁজ, যাদের মধ্যে কেউ কেউ যখন অপহৃত হয়েছিল তখন কিশোর ছিল, তাদের জন্য কোনও সমাধান বা ত্রাণ আসেনি। তারা, বছরের পর বছর ধরে জাপানের নেতাদের দরজার গিয়ে ঘুরেছে কিন্তু কোন সমাধান পাননি।  

এদিকে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাকাইচি দুবার অপহৃতদের পরিবারের সাথে দেখা করেছেন। যার মধ্যে একবার এই পরিবারগুলো জাপান সফরের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও দেখা করেছেন। এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেও মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম মেয়াদের সময় আর কয়েকজন অপহৃতদের পরিবারকে ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

২০০২ সালে দুই দেশ এক অভূতপূর্ব শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেয়। জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুনিচিরো কোইজুমি উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং সফরে গিয়ে বর্তমান নেতা কিম জং উনের বাবা কিম জং ইলের সঙ্গে দেখা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই সফরটি ছিল প্রথমবারের মতো কোনও জাপানি প্রধানমন্ত্রীর উত্তর কোরিয়া সফর।

জাপানের একাধিক নেতা এর আগেও কিম জং উনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের চেষ্টা করেছেন। তবে তাদের কেউই সফল হননি।
সেই সফরেই পাঁচজন ভুক্তভোগীর প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা করেন। তখন উত্তর কোরিয়া দাবি করেছিল, অপহৃত আটজন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। তাকাইচির পূর্বসূরি শিগেরু ইশিবা এই ইস্যুর সমাধানে টোকিও ও পিয়ংইয়ংয়ে লিয়াজোঁ অফিস স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত তার এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি।

সমুদ্র দিয়ে বিভক্ত দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে এই সমস্যাটি অমীমাংসিত সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি, যাদের অতীতের উপনিবেশবাদ এবং সংঘাতের দীর্ঘ ইতিহাস দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পূর্ববর্তী প্রচেষ্টাগুলোকে বারবার ব্যর্থ করে দিয়েছে।

সুলতানা দিনা/

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট  বাড়ার আশঙ্কা, জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই গভীর সঙ্কটে রূপ নিচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, এই সঙ্কটের প্রভাব শুধু অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বুধবার (১১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (এক্সে) দেয়া এক বার্তায় গুতেরেস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য আরো গভীর সঙ্কটের দিকে টেনে নেয়া হচ্ছে এবং এর পরিণতি পুরো বিশ্বের জন্যই উদ্বেগজনক।’

তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে অঞ্চলটিতে নতুন করে হামলা, পাল্টা হামলা এবং সহিংসতা বেড়েছে। বর্তমানে প্রকৃত যুদ্ধবিরতি বলা যায় না; বরং এটি “কম মাত্রার যুদ্ধ” বা লেসার-ফায়ার অবস্থার মতো।

জাতিসংঘ মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, “আমরা যেন এই ঝুঁকিকে ছোট করে না দেখি। সীমিত সংঘাত খুব দ্রুত পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।” সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান, বিমান হামলা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গুতেরেস সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংঘাতের সামরিক সমাধান নেই; টেকসই শান্তির জন্য কূটনৈতিক পথই একমাত্র কার্যকর উপায়।

গুতেরেস জোর দিয়ে বলেন, “সব পক্ষকে অবশ্যই একটি কূটনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আর কোনো হামলা নয়, আর কোনো অজুহাত নয়।”

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

গুতেরেসের সর্বশেষ এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল জাজিরা

আমান/