ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ট্রেলারে তুষির চমক সামাজিক জীবনে শান্তিতে থাকার  ১০ উপায় ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন ইরানের ফুটবলাররা কথা বলতে পারছেন না ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নির্মাতা ডেঙ্গু রুখতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রাথমিকে নতুন বই ও ৬০ হাজার চাকরির ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ৫৫ বছর পেরিয়ে নূতন মাগুরায় জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা ঈশ্বরদী স্বাস্থ্যে কমপ্লেক্সে মে মাসের বেতন পাননি কর্মচারীরা আসছে শ্রদ্ধার বায়োপিক ‘ইথা’ ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’ রাজশাহীতে মাহিন্দ্রা-ট্রাক সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু ভোলায় স্ত্রী-সন্তানদের ফিরে পেতে ‘জ্বিনের বাদশা’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তাম্মি খালাস চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে নেই পুশইনের চেষ্টা, সতর্ক বিজিবি পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র ভবিষ্যত নিয়ে ভাবছেন না রোনালদো মাধবপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২ আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হবে আধুনিক, দূরদর্শী ও প্রযুক্তি নির্ভর: প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২ বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা ইংল্যান্ড ফেবারিট না হলেও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারে: টুখেল যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম লাইনচ্যুত বগি উদ্ধার করতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত! হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের আজকের মুদ্রার বাজার: ১০ জুন, ২০২৬ বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
Nagad desktop

কাবুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ৭, বহু হতাহতের শঙ্কা

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
কাবুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ৭, বহু হতাহতের শঙ্কা
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৭ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

আজ সোমবার বিকেলের এই বিস্ফোরণটি কাবুলের অন্যতম সুরক্ষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ‘শহর-এ-নও’ অঞ্চলে ঘটে, যেখানে সাধারণত বিদেশিরা বসবাস করেন।

ইতালীয় এনজিও ‘ইমার্জেন্সি’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের পরিচালিত স্থানীয় একটি সার্জিক্যাল সেন্টারে ২০ জন হতাহতকে আনা হয়েছে। এর মধ্যে সাতজন হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন। 

সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে যে, হতাহতের এই সংখ্যা এখনো প্রাথমিক এবং এটি আরও বাড়তে পারে। 

তালেবান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল মতিন কানি জানিয়েছেন, বিস্ফোরণে বেশ কিছু মানুষ হতাহত হওয়ার খবর তারা পেয়েছেন এবং বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

আফগান সংবাদ মাধ্যম টোলো নিউজ প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বিস্ফোরণ পরবর্তী ধ্বংসাবশেষ এবং ধুলোবালিতে রাস্তাটি ঢেকে গেছে। শহর-এ-নও এলাকাটি অত্যন্ত নিরাপদ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় এই হামলা বড় ধরনের নিরাপত্তা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

২০২১ সালে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে আফগানিস্তানে বিস্ফোরণের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কমেছে। তবে উগ্রবাদী গোষ্ঠী আইএসআইএল এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো এখনো দেশটিতে সক্রিয় এবং তারা মাঝেমধ্যেই এমন বিচ্ছিন্ন ও ভয়াবহ হামলা চালিয়ে থাকে। 

উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালেও আফগানিস্তান দুটি বড় ধরনের আত্মঘাতী হামলার শিকার হয়েছিল।

এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। স্থানীয় প্রশাসন এলাকাটি ঘিরে রেখেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। সূত্র: রয়টার্স

মাহফুজ/

 

আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম
আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আর্টেমিস-৩ মিশনের জন্য চার নভোচারীর নাম ঘোষণা করেছে। ২০২৭ সালের শেষ দিকে মিশন উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে।

চাঁদে মানুষ পাঠানোর আগে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও মহাকাশযান পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে এই অভিযানে।

দলটিতে যারা রয়েছেন, তারা হলেন- নাসার নভোচারী আন্দ্রে ডগলাস, ফ্রাঙ্ক রুবিও ও র‌্যান্ডি ব্রেসনিক। তাদের সঙ্গে থাকবেন ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ইতালীয় নভোচারী লুকা পারমিতানো।

নাসার বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, আর্টেমিস-৩ সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবে না। বরং পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে অবস্থান করে নাসার ওরিয়ন মহাকাশযান কীভাবে একটি চন্দ্র অবতরণযানের সঙ্গে সংযুক্ত বা ডকিং করতে পারে, তা পরীক্ষা করা হবে।

ভবিষ্যতে চাঁদে নিরাপদে অবতরণের ঝুঁকি কমানোই এ মিশনের প্রধান লক্ষ্য।

নাসা জানায়, পরীক্ষামূলক এই মিশনে স্পেসএক্সের স্টারশিপ এবং ব্লু অরিজিনের ব্লু মুন ল্যান্ডারের এক বা উভয়টির সঙ্গে ওরিয়নের ডকিং হতে পারে। তবে কোন যানটি সময়মতো প্রস্তুত হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের ল্যান্ডার উন্নয়ন কার্যক্রমে নানা বিলম্ব ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে।

নাসার প্রশাসক জানিয়েছেন, ওরিয়ন প্রথমে ব্লু মুনের সঙ্গে এবং পরে স্টারশিপের সঙ্গে ডকিং করতে পারে। ব্লু মুনের সঙ্গে প্রায় দুই দিন অবস্থান করে নভোচারীরা জীবনরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি পরীক্ষা করবেন। এরপর স্টারশিপের সঙ্গে স্বল্প সময়ের জন্য সংযুক্ত হবে ওরিয়ন।

তবে এই মিশনে নভোচারীরা স্টারশিপের ভেতরে প্রবেশ করবেন না। কারণ যানটির পূর্ণাঙ্গ ক্রু কেবিন ও জীবনরক্ষা ব্যবস্থা এখনো উন্নয়নাধীন রয়েছে।

মিশন শেষে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণের মাধ্যমে যাত্রা শেষ হবে।

নাসার ঘোষিত চার নভোচারীর মধ্যে র‌্যান্ডি ব্রেসনিক মিশনের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অভিজ্ঞ এই নভোচারী এর আগে স্পেস শাটল ও রাশিয়ার সয়ুজ মহাকাশযানে উড়েছেন।

আন্দ্রে ডগলাসের জন্য এটি হবে প্রথম মহাকাশযাত্রা। ফ্রাঙ্ক রুবিও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে টানা ৩৭০ দিনের বেশি সময় অবস্থান করে মার্কিন নভোচারীদের মধ্যে দীর্ঘতম একক মহাকাশযাত্রার রেকর্ড গড়েছেন।

অন্যদিকে লুকা পারমিতানো দুই বার মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের প্রথম ইতালীয় কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিশেষভাবে আলোচিত বিষয় হলো, আর্টেমিস-৩ দলের চার সদস্যই পুরুষ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাসার কোনো বড় মিশনে এমন পুরুষ দল খুব কমই দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ব্রেসনিক বলেন, নারী নভোচারীদের বাদ দেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। মিশনের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ক্রু নির্বাচন করা হয়েছে। 

নাসা আশা করছে, আর্টেমিস-৩ মিশনের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানের ভিত্তি তৈরি করবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে মানুষের চাঁদে অবতরণের পথ সুগম করবে।

খাদিজা রুমি/অমিয়/

বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

মায়ানমারের পাহাড়ি এলাকায় বিদ্রোহী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া চার তরুণ কখনোই দেশের গৃহযুদ্ধে অংশ নিতে চাননি। তারা কেউই বিদ্রোহী হতে চাননি, আবার সামরিক বাহিনীর সৈনিক হওয়ারও ইচ্ছা ছিল না।

সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আগে তাদের একজন ছিলেন রাঁধুনি, যাকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে আটক করে জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। আরেকজন গভীর রাতে কারাওকে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় গ্রেপ্তার হন। তৃতীয় ব্যক্তি বন বিভাগে কর্মরত ছিলেন; তাকেও আটক করে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হয়। চতুর্থ তরুণের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় তার জুতার মধ্যে মাদক ঢুকিয়ে দিয়ে তাকে ফাঁসানো হয় এবং পরে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়।

১৯ থেকে ২৫ বছর বয়সী এই চার তরুণ বিবিসিকে বলেন, ‘কী ঘটছে তা বুঝে ওঠার আগেই আমাদের সরাসরি যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পাঠানো হয়েছিল।’

তাদের একজন বলেন, ‘আমাদের দিয়ে এমন সব কাজ করানো হয়েছে, যা আমরা করতে চাইনি। সকাল, দুপুর কিংবা রাত- কোনো সময়ই বিশ্রাম পাইনি। বাধ্যতামূলকভাবে নিয়োগ পাওয়া সদস্যদের দিয়েই সব কাজ করানো হতো। অথচ নিয়মিত সৈন্যদের কাজ তুলনামূলকভাবে কম এবং সহজ ছিল।’

চার মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে তাদের কারেন অঙ্গরাজ্যে পাঠানো হয়। সেখানে এক রাতে গোসল করতে যাওয়ার পথে তারা পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে পালানোর পর তারা নিকটবর্তী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) একটি টহল দলের হাতে আটক হন। বর্তমানে তারা বিদ্রোহীদের সঙ্গেই অবস্থান করছেন।

পিডিএফের ভাষ্য, সেখানে তাদের অপরিচিত হিসেবে নয়, বরং ভাইয়ের মতো আচরণ করা হচ্ছে।

চার তরুণ আপাতত পিডিএফের সঙ্গেই থাকবেন। পরে তাদের থাইল্যান্ড সীমান্তে পাঠানো হবে। কারণ, তাদের আশঙ্কা- এখন ফিরে গেলে সেনাবাহিনী তাদের খুঁজে বের করতে পারে।

বাধ্যতামূলক নিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে জান্তা বাহিনী

চার তরুণের অনিচ্ছাকৃত সেনাজীবন মায়ানমারের সাম্প্রতিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীর বাধ্যতামূলক নিয়োগনীতি গৃহযুদ্ধে জান্তা সরকারের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।

২০২১ সালে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী। এরপর আটক করা হয় দেশটির সাবেক নেত্রী অং সান সু চিকে।

দীর্ঘদিনের এই সংঘাতে হাজারো মানুষ নিহত এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দুই বছরেরও বেশি সময় আগে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিদ্রোহী জোট দেশজুড়ে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেক এলাকায় বিদ্রোহীরা রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে গেছেন।

যদিও সামরিক বাহিনী এখনো দেশের অর্ধেকেরও কম এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে, তবু তারা গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি টাউনশিপ পুনর্দখল করেছে। উত্তরে মান্দালয় থেকে মিতকিনাগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়কও পুনরুদ্ধার করেছে। পাশাপাশি কাচিন, চিন ও কারেন অঙ্গরাজ্যের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো পুনর্নিয়ন্ত্রণে আনতে হাজারো সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

খাদিজা রুমি/অমিয়/

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৫২ এএম
পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের নতুন করে বিমান হামলায় শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, 'গত রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী আবারও আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কুনার, খোস্ত ও পক্তিকা প্রদেশে বেসামরিক বাড়িঘরে বোমা হামলা চালিয়েছে'।

খোস্ত প্রদেশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, স্পেরা জেলায় একটি বাড়িতে হামলায় ৯ জন নিহত ও আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।

পাশের পক্তিকা প্রদেশের বারমাল জেলায় পৃথক আরেকটি হামলায় তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শিশুও ছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো মন্তব্য করেনি।

তবে ইসলামাবাদ বরাবরই দাবি করে আসছে, আফগানিস্তানে তাদের হামলার লক্ষ্য সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী এবং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করে না।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। সে সময় সীমান্তজুড়ে ভয়াবহ লড়াই এবং পাকিস্তানের নজিরবিহীন বিমান হামলা চালানো হয়, যার লক্ষ্য ছিল আফগান রাজধানী কাবুল এবং দক্ষিণাঞ্চলের কান্দাহার শহর।

থিও/অমিয়/

বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা
যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট শহরে ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভে একটি বাসে অগ্নিসংযোগ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট শহরে এক সুদানি নাগরিকের ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। অভিবাসনবিরোধী উগ্র বিক্ষোভকারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ও ভবনে অগ্নিসংযোগ করেছে।

উত্তর বেলফাস্টে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করার অভিযোগে ওই সুদানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করার পর এই অশান্তির সূত্রপাত হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) শহরজুড়ে শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হন, যাদের অনেকে মুখোশ পরিহিত ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা একটি বাস এবং বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

শহরের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ডাস্টবিনে আগুন ধরায় এবং পরে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে। বেলফাস্ট থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অ্যানট্রিম এলাকাতেও বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারী জড়ো হন।

উত্তর আয়ারল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার মিশেল ও'নিল এই সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মুখোশধারী একদল মানুষের এভাবে সাধারণ পরিবারগুলোকে তাদের বাড়িঘর থেকে আগুনে পুড়িয়ে উচ্ছেদ করা চরম কাপুরুষতা ও ঘৃণ্য অপরাধ ছাড়া আর কিছুই নয়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বর্ণবাদ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সহিংসতা যেখানেই ঘটুক না কেন, তা সম্পূর্ণ ভুল। আজ রাতের এই হামলার কোনো অজুহাত বা যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। আমাদের রাস্তায় কেউ এই দৃশ্য দেখতে চায় না এবং আমি আবারও সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’ সূত্র: আল জাজিরা

আজহার/অমিয়/

যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:২৮ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম
ছবি: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে।

বুধবার (১০ জুন) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৬ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৯২ দশমিক ১১ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৬০ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়ায়।

গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালায়। 

বাজার বিশ্লেষক প্রিয়াঙ্কা সচদেভা বলেন, সবশেষ হামলার ফলে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আবারও যুদ্ধঝুঁকি এবং সম্ভাব্য জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নের দিকে ফিরে গেছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও সামরিক সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে নতুন করে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির প্রভাব যুক্ত হয়েছে।

এদিকে, তেহরান সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে তারা আবারও সংঘাতে জড়াবে। ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযান বন্ধ না হওয়ায় বৃহত্তর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আইএনজির পণ্য কৌশলবিদরা বলছেন, দ্রুত কোনো সমঝোতার সম্ভাবনা না থাকায় এবং বৈশ্বিক তেলের বাজার প্রতিদিন আরও সংকুচিত হওয়ায় দামের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে এই বিঘ্ন যদি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত স্থায়ী হয়, যখন তেলের চাহিদা সাধারণত বেশি থাকে।

উল্লেখ্য, ইরান এখনও হরমুজ প্রণালী দিয়ে অধিকাংশ জাহাজ চলাচল সীমিত রেখেছে। বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটনও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ বজায় রেখেছে। সূত্র: রয়টার্স

থিও/অমিয়/