চাঁদাবাজি মামলায় পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা মাইকেল চাকমাকে ৮ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাওহিদুল হক এ রায় দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী প্রসাদেব চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘একই মামলায় দুই নম্বর আসামি সুমন চাকমাকেও ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর তিন নম্বর আসামী প্রদীপ চাকমাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামিরা উপস্থিত ছিলেন না।’
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি করার সময় নিরাপত্তা বাহিনী অস্ত্র ও টাকাসহ ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমা ও তার সহযোগী সুমন চাকমাকে আটক করে। পরে তাদের রাঙামাটির লংগদু থানায় হস্তান্তর করে। এ ঘটনায় লংগদু থানায় চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়।
২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত মাইকেল চাকমাকে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং হত্যার হুমকি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। উভয় ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে আদালত রায় দেন। তবে আসামি মাইকেল চাকমা সেসময় গুম থাকায় তার বিরুদ্ধে রায় কার্যকর করা যায়নি।
এ ছাড়া চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অপরাধে মামলার দ্বিতীয় আসামি সুমন চাকমাকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এবার চাঁদাবাজির মামলায় মাইকেল চাকমাকে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
জিয়াউর/এসজি/