ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পীরগাছায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রান্তিক ধাপের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের সুবিধা পাবেন না বস্তিবাসী ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন দিল স্থানীয়রা পদ্মায় আবারও বাসডুবি, আগেই নেমে যাওয়ায় যাত্রীদের প্রাণরক্ষা গাছ লাগান, সওয়াব কামান পাসপোর্ট ও বিদেশযাত্রার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে জটিলতা দূর, বাংলাদেশে টিভির পর্দায় দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা মাস্টার বাড়ি কোরবানির চামড়া বিক্রিতে ধস বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ নারী-পুরুষকে পুশইনের চেষ্টা কৃষি শব্দকোষ নড়াইলে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ ঝিনাইদহের এসপি প্রত্যাহার টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ ঝিনাইদহে গাছ থেকে ঝুলন্ত নারীর মরদেহ উদ্ধার জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন সোনারগাঁয় মেঘনা টোলপ্লাজায় লরির ধাক্কায় আহত ৬ খবরের কাগজে পদোন্নতি-বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ: তদন্তে নেমেছে আইন মন্ত্রণালয় ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ মেধাবীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা কী বার্তা দিচ্ছে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল
Nagad desktop

ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা: অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি, স্ত্রী কারাগারে

প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
আপডেট: ২০ মে ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা: অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি, স্ত্রী কারাগারে
আদালত প্রাঙ্গণে আসামি সোহেল রানা। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল রানা। একই ঘটনায় গ্রেপ্তার তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ আসামি সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

অপর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হক আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। 

আসামি সোহেল রানা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান তা ফৌজদারি কার্যবিধির বিধি মোতাবেক রেকর্ড করার আবেদন করেন। অন্যদিকে স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার পৃথক আবেদন করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ এসব তথ্য জানান। 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

ঘটনাস্থলে স্বপ্নাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, তার স্বামী রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে এবং গলাকেটে হত্যা করে। রামিসার মরদেহ গুম করার উদ্দেশে তার মাথা কাটে। এছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এরপর জানালার গ্রিল কেটে সোহেল রানা পালিয়ে যায়।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার কথা স্বীকার করে। 

জলিল উজ্জ্বল/সালমান/

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায় আগামী ৭ জুন ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য গ্রহণ শেষে আদালত রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়।

শুনানির শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু আসামি সোহেল রানার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি আদালতে পড়ে শোনান। এটিই ছিল গোপনীয় এই জবানবন্দির প্রথম প্রকাশ্য পাঠ।

গ্রেপ্তারের পর দোষ স্বীকার করে সোহেল রানা জবানবন্দিতে বলেন, “আমার নাম সোহেল রানা। আমি ওই বাসার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকি। এ বাসার তিন তলায় তিনটি ফ্ল্যাটে তিনজন ভাড়াটিয়া থাকেন। সকালে তারা কাজে বের হয়ে যান। আমি নিয়মিত নেশা করি।”

তিনি আরও বলেন, “পাশের বাসার আট বছরের শিশু রামিসা বাসার বাইরে এলে আমি তাকে ডাকি। সে আসার পর তাকে জোরপূর্বক বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করি। সে চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরি এবং ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করি। এরপর সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে মৃত ভেবে ঘর থেকে ছুরি এনে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করি। পরে হাত কাটার চেষ্টা করছিলাম। এ সময় শিশুটির মা খোঁজাখুঁজি করে দরজার বাইরে জুতা দেখে ডাকাডাকি শুরু করেন। আমি ভয় পেয়ে সেলাই রেঞ্জ দিয়ে গ্রিল কেটে বাইরে পালিয়ে যাই।”

যুক্তিতর্ক শুনানিতে বর্তমানে আসামিপক্ষের বক্তব্য চলছে। শুনানির শুরুর আগে আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার অসুস্থতা বোধ করলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী, প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে বিচারকের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। অন্যদিকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতি প্রার্থনা করেছেন।

অমিয়/

আদালতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যার বর্ণনা দিলেন ঘাতক সোহেল

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:০০ পিএম
আদালতে রামিসা ধর্ষণ-হত্যার বর্ণনা দিলেন ঘাতক সোহেল
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে  আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়।

শুনানির শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু আসামি সোহেল রানার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি আদালতে পড়ে শোনান। এটিই ছিল গোপনীয় এই জবানবন্দির প্রথম প্রকাশ্য পাঠ।

গ্রেপ্তারের পর দোষ স্বীকার করে সোহেল রানা জবানবন্দিতে বলেন, “আমার নাম সোহেল রানা। আমি ওই বাসার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকি। এ বাসার তিন তলায় তিনটি ফ্ল্যাটে তিনজন ভাড়াটিয়া থাকেন। সকালে তারা কাজে বের হয়ে যান। আমি নিয়মিত নেশা করি।”

তিনি আরও বলেন, “পাশের বাসার আট বছরের শিশু রামিসা বাসার বাইরে এলে আমি তাকে ডাকি। সে আসার পর তাকে জোরপূর্বক বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করি। সে চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরি এবং ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করি। এরপর সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে মৃত ভেবে ঘর থেকে ছুরি এনে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করি। পরে হাত কাটার চেষ্টা করছিলাম। এ সময় শিশুটির মা খোঁজাখুঁজি করে দরজার বাইরে জুতা দেখে ডাকাডাকি শুরু করেন। আমি ভয় পেয়ে সেলাই রেঞ্জ দিয়ে গ্রিল কেটে বাইরে পালিয়ে যাই।”

যুক্তিতর্ক শুনানিতে বর্তমানে আসামিপক্ষের বক্তব্য চলছে। শুনানির শুরুর আগে আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার অসুস্থতা বোধ করলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী, প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে বিচারকের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। অন্যদিকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতি প্রার্থনা করেছেন।

অমিয়/

মা ও বাবার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতে দেশে রয়েছে কঠোর আইন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
মা ও বাবার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতে দেশে রয়েছে কঠোর আইন
ছবি: এআই
যে মা-বাবা সন্তানদের জীবন গড়তে নিজেদের জীবনের সবটুকু উজাড় করে দেন, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া সেই মা-বাবার অনেকেই আজ সন্তানের নূন্যতম ভরণ-পোষণ ও ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত। এমন সামাজিক বাস্তবতায় পিতা-মাতার অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশে রয়েছে ‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন-২০১৩’।
 
এই আইনে ‘ভরণ-পোষণ’ বলতে মা-বাবার খাওয়া-দাওয়া, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং তাদের সময় বা সঙ্গ দেওয়াকে বোঝানো হয়েছে।
 
আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী, প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে হবে। একাধিক সন্তান থাকলে তারা নিজেরা আলোচনা করে এই দায়িত্ব ভাগ করে নেবেন। এছাড়া প্রত্যেক সন্তানকে সাধ্যমতো পিতা-মাতার সঙ্গে একই স্থানে বসবাস নিশ্চিত করতে হবে।
 
মা, বাবা অথবা উভয়কে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো বৃদ্ধাশ্রম কিংবা অন্য কোথাও একত্রে বা আলাদাভাবে বসবাস করতে বাধ্য করতে পারবে না। নিয়মিত রাখতে হবে তাদের  স্বাস্থ্যের খোঁজখবর। প্রত্যেক সন্তান তার দৈনিক, মাসিক বা বার্ষিক আয় থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ নিয়মিত পিতা-মাতাকে প্রদান করবে।
 
আইনের ৪ ধারায় দাদা-দাদী ও নানা-নানীর ভরণ-পোষণের বিষয়ে বলা হয়েছে, পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ভরণ-পোষণ দিতে সন্তান বাধ্য থাকবে। এটি পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসেবেই গণ্য হবে।
 
৫ ধারায় বলা হয়েছে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার শাস্তি সম্পর্কে, কোনো সন্তান এই আইনের ৩ ও ৪ নং বিধান লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা তা অনাদায়ে অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদণ্ড হতে পারে।
 
এছাড়া কোনো সন্তানের স্ত্রী বা স্বামী, পুত্র-কন্যা বা অন্য কোনো নিকটাত্মীয় যদি পিতা-মাতা, দাদা-দাদী বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ দেওয়ায় বাধা সৃষ্টি বা অসহযোগিতা করেন, তবে তিনিও অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের জন্যও সমপরিমাণ অর্থাৎ অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা অনাদায়ে অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
 
আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, ভুক্তভোগী পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ছাড়া আদালত এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ আমলে নেবে না। তবে মামলা-মোকদ্দমার বাইরে আপস-নিষ্পত্তির সুযোগ রাখা হয়েছে এই আইনের ৮ ধারায়।
 
এর অধীনে আদালত প্রাপ্ত অভিযোগটি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা মেম্বার, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলর কিংবা অন্য যেকোনো উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে পাঠাতে পারবেন। 
 
তারা উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে বিরোধটি মীমাংসা করবেন এবং এটি আপস-নিষ্পত্তি আদালত কর্তৃক অনুমোদিত বলে গণ্য হবে।
 
আরো পড়ুন>>
 
আমান/

সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান কারাগারে

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান কারাগারে
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

আওয়ামী লীগের প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরে গুলিতে আসাদুল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মুজিবুর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়। 

মামলায় সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহীন মাহমুদ।

প্রসিকিউশন শাখার কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম এ তথ্য জানান।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরে গুলিবিদ্ধ হন আসাদুল্লাহ। পরিবারের লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুজির পরেও পাননি। এ ঘটনায় তার স্ত্রী তুরাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ১১ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে তার মরদেহ শনাক্ত করে পরিবারের সদস্যরা। পরে এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

মঙ্গলবার (২ জুন) গভীর রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১নং সেক্টরের একটি বাসা থেকে মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

জলিল উজ্জ্বল/সালমান/

এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি
সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা সাত মামলার মধ্যে এক মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি।

তবে আরও ছয় মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৩ জুন) বিচারপতি মো.খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।  

এর আগে মঙ্গলবার বিচারপতি মো.খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা সাত মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন দীপু মনি। এরপর হাইকোর্ট আদেশের জন্য এদিন ঠিক রাখেন।

ডা. দীপু মনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা থেকে দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতার নির্দেশনাসহ প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

রিফাত/