প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া এখন এক বিপদের কারবার। ঘরের ভেতরের বিষয়গুলো এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় চলে আসে। এ নিয়ে কিছু বললেই আবার রাইট টু ফ্রিডম (স্বাধীনতার অধিকার) নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।’
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) আদালতে এই মন্তব্য করেন তিনি। আদালত অবমাননার অভিযোগে বিএনপিপন্থি ৬ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে আনা এক মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি এ মন্তব্য করেন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি হয়। ৬ আইনজীবীর পক্ষে আদালতে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। একপর্যায়ে আদালত বলেন, ‘লিখিত বক্তব্যে ক্ষমা তো চাননি। প্রয়োজন পড়লে আবার ক্ষমা চান। আপনারা তো নির্দেশনা (আদালত প্রাঙ্গণে সমাবেশ, মিছিল, র্যালি, মানববন্ধন ও ধর্মঘট না করতে হাইকোর্টের ২০০৫ সালের ২৩ মে দেওয়া আদেশ) মানছেন না।’ পরে আদালত ২২ আগস্ট পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন। ওই দিন ৬ আইনজীবীকে আদালতে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।
সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগের দুজন বিচারপতি সম্পর্কে এক সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের সূত্র ধরে বিএনপির সাত আইনজীবীর বিরুদ্ধে গত বছরের ২৯ আগস্ট আদালত অবমাননার অভিযোগে এ আবেদন করা হয়েছিল। আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. নাজমুল হুদা। এর মধ্যে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী গত মে মাসে মারা যান। তাই তার নাম এই মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়।