সারা দেশে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু হলেও ‘স্থবির’ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। বেশির ভাগ সংগঠনেরই কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই। ছাত্রদলের কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কমিটি নেই ১২ বছর ধরে। গ্রুপিং-কোন্দলে বিপর্যস্ত জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)। এক বছর ধরে কেন্দ্রীয় কমিটি নেই জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের। মেয়াদহীন কমিটি দিয়ে চলছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, তাঁতী দল এবং কৃষক দল। এসব গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের কার্যকর কমিটি না থাকায় অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সাংগঠনিক স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ অবস্থার মধ্যেই আজ ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। ১৫ মাস ধরে ৬ সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি দিয়ে চলছে যুবদল। এসব সংগঠনের পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা বলছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক বছরের বেশি সময় পরও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো গুছিয়ে আনতে না পারা বিএনপির জন্য খুবই নেতিবাচক দিক। আসছে নির্বাচনে কোনো বিরূপ প্রভাব তৈরি হলে এর দায় কে নেবে? তবে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা বলছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সব খবর রাখছেন। তিনি যখন ভালো মনে করবেন তখন সিদ্ধান্ত নেবেন। কমিটি পূর্ণাঙ্গ থাক বা না থাক কর্মকাণ্ডে কোনো প্রভাব পড়বে না। বিগত দিনে বারবার উদ্যোগ নিয়েও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠন শেষ করতে পারেনি বিএনপি।
এদিকে অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। এ লক্ষ্যে তারা কার্যক্রমও পরিচালনা করছেন। তবে যেসব নেতা এমপি হিসেবে নমিনেশন পাবেন, তাদের আগামীতে অঙ্গসংগঠনের পদে রাখা হবে না বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, একটি রাজনৈতিক দলকে নানামুখী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ায় কমিটি গঠনে বিলম্ব হয়েছে। আসলেই সময় অনেক চলে গেছে। এখন ধীরে ধীরে দল পুনর্গঠনের কার্যক্রম শেষ হবে বলে আশা করি।
যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই ১৫ মাস
২০২৪ সালের ৮ জুলাই যুবদলের ৬ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় (আংশিক) কমিটির সভাপতি হয়েছেন আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন। গত ১৫ মাসেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। ফলে পদবঞ্চিতের সংখ্যা দীর্ঘ হয়েছে। সেই সঙ্গে ৫ আগস্টের পর যুবদলের বেশ কিছু নেতার বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তার ও দখল-চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে আংশিক কমিটি দিয়েই আজ ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে যুবদল। জানা গেছে, কয়েক মাস আগে লন্ডনে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির একটি তালিকা পাঠানো হয়। কিন্তু কী কারণে পূর্ণাঙ্গ কমিটি হচ্ছে না তা জানা নেই নেতা-কর্মীদের।
অবশ্য যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদপ্রত্যাশীরা বলছেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটি না দেওয়াটা চরম লজ্জাজনক। দলের নীতিনির্ধারকদের এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তা না হলে সাংগঠনিকভাবে যুবদল আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কেননা, দীর্ঘ ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অনেকের অবদান যেমন রয়েছে, তেমনই নানাভাবে অনেকেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তবে যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক বলেন, কমিটি পূর্ণাঙ্গ না হলেও যুবদলের সব কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু কী কারণে পূর্ণাঙ্গ কমিটি হচ্ছে না তা জানা নেই।
যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না জানান, ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সারা দেশের সব জেলা ও বিভাগীয় শহরে র্যালি বের করা হবে। এর পাশাপাশি ২৮ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত জনসম্পৃক্ত সামাজিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। যেমন: মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি।
তিনি বলেন, ‘গত ৪ আগস্ট আমরা বিশাল সমাবেশ করেছি। এবারও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমাবেশ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।’
অবশ্য ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও দোয়া-মোনাজাত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যুবদল। এরপর দুপুর ১২টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে।
ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা
বিএনপির আন্দোলনের অন্যতম চালিকাশক্তি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ২০২৪ সালের ১ মার্চ রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি ও নাছির উদ্দীন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭ সদস্যের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়। এরপর ১৫ জুন ২৬০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির পূর্ণাঙ্গ (আংশিক) প্রকাশ করে। গত বছরের ৫ আগস্ট-পরবর্তী ছাত্ররাজনীতির প্রতি দেশবাসীর যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, সেটি পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি সংগঠনটি। কেননা, চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের মূল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা। তাদের নেতৃত্বেই দেশের আপামর জনসাধারণ আন্দোলনে অংশ নিয়ে শেখ হাসিনার পতন ঘটান। কিন্তু অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ছাত্রদল বেশ কিছু ইতিবাচক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলেও অতি সম্প্রতি ছাত্রদলের কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ ডাকসু, জাকসু, চাকসু ও রাকসু ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের জয়ের পর ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও মন্থর হয়েছে। ক্যাম্পাসভিত্তিক কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারছে না সংগঠনটি। এতে করে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এমন অবস্থায় গত ১৯ অক্টোবর থেকে কমিটি আরও বর্ধিত করার দাবিতে কর্মসূচি পালন করছেন পদবঞ্চিতরা। তারা জানান, পদ না পেয়ে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছেন তারা। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে জেল-জুলুম, হামলা-মামলার শিকার হলেও এখন দলীয় পরিচয়হীনতায় ভুগছেন তারা।
জানতে চাইলে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘আমরা ছাত্রদল অতীতের মতোই বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে মাঠে রয়েছি। সংগঠনের প্রয়োজনে ছাত্রদলে নতুনভাবে পদ দেওয়ার বিষয়টি সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান দেখবেন।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসভিত্তিক আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু আছে।’
স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ
২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এস এম জিলানীকে সভাপতি ও রাজিব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় (আংশিক) কমিটি হয়। পরে ২৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলেও এখনো ৩৭টি পদ শূন্য। এর মধ্যেই মেয়াদ শেষ হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দলের। তবে দলের সভাপতি এস এম জিলানী গোপালগঞ্জ-৩ এবং সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান বরিশাল-৪ এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ঝিনাইদহ-৪ আসনে সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সভাপতি এস এম জিলানী বলেন, ‘আমরা আমাদের কাজ করছি। নতুন কমিটি করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।’
মেয়াদহীন কমিটি দিয়ে চলছে মহিলা দল
২০১৬ সালে আফরোজা আব্বাসকে সভাপতি ও সুলতানা আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫ সদস্যের মহিলা দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল সংগঠনটির ২৬৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়, যা বর্তমানে মেয়াদোত্তীর্ণ। এরপরও বিভিন্ন জেলা শাখা কমিটি গঠন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭৭টি সাংগঠনিক জেলা শাখার মধ্যে প্রায় সব কটিই নতুনভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
মহিলা দলের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেত্রী আলাপকালে জানান, সাত বছর আগে মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটি হয়েছে। সবাই এখন নতুন কমিটি চান।
অবশ্য মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে মহিলা দলও মাঠে আছে। অনেকের মনে পদ নিয়ে সামান্য মান-অভিমান থাকায় কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর মানে আমরা ঘরে ঢুকে যাইনি। কেন্দ্রীয় কমিটি মেয়াদহীন হলেও এটি বিএনপির হাইকমান্ড দেখবে।’
নাজুক হয়ে পড়েছে শ্রমিক দল
১২ বছরে ধরে কমিটি না হওয়ায় শ্রমিক দল নাজুক হয়ে পড়েছে। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১৯ ও ২০ এপ্রিল জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের জাতীয় কাউন্সিল হয়। আনোয়ার হোসাইন ও নূরুল ইসলাম খান নাসিমের নেতৃত্বাধীন শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি বর্তমানে মেয়াদোত্তীর্ণ। তা ছাড়া সেক্রেটারি নাসিম বহু দিন নিষ্ক্রিয় ও অসুস্থ। দীর্ঘদিনেও নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি না হওয়ায় দলের কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। শ্রমিক দলের কার্যক্রম সমন্বয় করছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
কৃষক দল
২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি ও শহীদুল ইসলাম বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক করে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের ২৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কৃষক দলের কমিটিও মেয়াদোত্তীর্ণ।
মুক্তিযোদ্ধা দল
বিএনপির অন্যতম অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল। এই সংগঠনের সর্বশেষ কাউন্সিল হয় ২০১৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর। ১৯১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন ইশতিয়াক আজিজ উলফাৎ ও সাদেক খান। এই সংগঠনের কমিটিও মেয়াদোত্তীর্ণ।
মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান বলেন, ‘গঠনতন্ত্র মোতাবেক আমাদের মেয়াদ নেই। নানা কারণেই সম্মেলন হয়নি। তবে কাউন্সিলের চিন্তা আছে।’
জাসাস
জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) তাদের ঐতিহ্য হারাচ্ছে। গত ১৫ বছরে জাসাসের কর্মকাণ্ড নেই বললেই চলে। ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ড. মামুন আহমেদ ও হেলাল খানের নেতৃত্বাধীন কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর হেলাল খানকে আহ্বায়ক ও জাকির হোসেন রোকনকে সদস্যসচিব করে ২০২১ সালের ৬ নভেম্বর ৭১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা হয়। তবে জাসাসের নতুন কমিটি গঠনের পর ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। নেতাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। অযোগ্য ও নিষ্ক্রিয়দের দিয়ে কমিটি করা হয়েছে দাবি করে তা বিলুপ্ত চেয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে চিঠি দেয় বিক্ষুব্ধ একটি গ্রুপ।
সূত্র জানায়, আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক হেলাল খানের নিষ্ক্রিয়তার কারণে ওই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। বছরের ১১ মাসই তিনি আমেরিকায় অবস্থান করেন। আর সদস্যসচিবের সাংগঠনিক দক্ষতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। জাসাসের কমিটিও মেয়াদহীন।
তাঁতী দল
২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল আবুল কালাম আজাদকে আহ্বায়ক ও মো. মজিবুর রহমানকে সদস্যসচিব করে ১২৮ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়, যা মেয়াদোত্তীর্ণ।
মৎস্যজীবী দল
২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মাহতাবকে আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা আব্দুর রহিমকে সদস্যসচিব করে ১৫৪ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কয়েক মাস আগে আহ্বায়ক মারা গেছেন। একপর্যায়ে ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবী দলের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়।