পবিত্র হারামাইন শরিফাইনের সফর একজন মুমিনের জন্য সব সময় আরাধ্য। আল্লাহতায়ালা উমরা-হজকে আর্থিক এবং শারীরিক ইবাদত হিসেবে মুমিনের জন্য নির্ধারণ করেছেন। মক্কা পৃথিবীর ওই স্থান, যেখানে বায়তুল্লাহ অবস্থিত। এটা সেই মক্কা—যেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) জন্মগ্রহণ করেছেন, যেখানের বেশ কিছু জায়গায় দোয়া কবুলের ব্যাপারে হাদিসে প্রতিশ্রুতি এসেছে।
উমরাকারীরা মক্কা-মদিনার প্রত্যেকটা কাজে লাগাবেন। এক বিন্দু সময় নষ্ট করবেন না। তাওয়াফ, সাঈ শেষ করার পর প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া হারামে অবস্থান করবেন।
পৃথিবীর একমাত্র মসজিদ—মসজিদুল হারাম, যে মসজিদে আল্লাহ তাওয়াফের মতো ইবাদত রেখেছেন। এজন্য উমরাকারী হালাল হওয়ার পর বেশি বেশি নিজেকে তাওয়াফে নিয়োজিত রাখা উচিত।
মক্কায় উমরার কাজ শেষে মদিনায় মসজিদে নববি ঘুরে আসবেন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর রওজাতে দরুদ ও সালাম পৌঁছাবেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মদিনায় মারা যাবে, আমি তার জন্য কিয়ামতের দিন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সুপারিশ করব।’
মৃত্যু সবারই আসবে। তাই ভালো মৃত্যু, সুন্দর মৃত্যু, ভালো জায়গায় যেন তার মৃত্যু হয়—সেটা আল্লাহর কাছে চেয়ে মঞ্জুর করিয়ে আসবেন। মদিনা এমন জায়গা—যেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) শুয়ে আছেন। আল্লাহর বাড়ির গিলাফ ধরে আর রওজার পাশে দাঁড়িয়ে আমরা যেন দোয়া করে আসতে পারি, ঈমানের সৌভাগ্যের সাথে আমাদের মৃত্যু যেন নসিব হয়। জান্নাতুল বাকির মাটি যেন আমাদের শেষ বিছানা হয়।
লেখক: খতিব, ইস্টার্ন হাউজিং কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, রূপনগর, পল্লবী, মিরপুর