দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার উইনস্টন চার্চিলের মতে, একজন ভালো রাজনীতিবিদ তাকেই বলা যায়, যিনি আগামীকাল কী ঘটবে সে সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারেন। পরে কেন তা ঘটল, তারও ব্যাখ্যা দিতে পারেন তিনি।
ডাকসু নির্বাচনের ফলাফলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নিরঙ্কুশ জয়ের ঘটনায় শুধু বিএনপি নয়, দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের নেতা হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। তারা কেউ বুঝতে পারেননি জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবির এমন ফলাফল করবে। ফলে তারা এখন রাজনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন।
পাশাপাশি বিশ্লেষকরা বলছেন, ডাকসুর এই ফলাফল রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একধরনের সতর্কবার্তা। তাদের মতে, পুরোনো বা ট্র্যাডিশনাল রাজনীতি দিয়ে আর চলবে না। কারণ ছাত্রসমাজ তথা তরুণ প্রজন্মের মনোজগতে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে গেছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে যারা চলতে পারবেন, আগামী দিনে তারাই জনসমর্থন পাবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ খবরের কাগজকে বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে কী ফলাফল আসবে জানি না। তবে ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল রাজনীতিকদের জন্য এই বার্তাই দেয় যে তাদের বস্তাপচা বয়ান পরিবর্তন করতে হবে। উপস্থাপন করতে হবে সময়োপযোগী বয়ান।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, তরুণ প্রজন্মের মনোজগতে পরিবর্তন ঘটে গেছে। পুরোনো রাজনৈতিক বয়ান তারা আর শুনতে চাইছেন না। অন্যায়ের প্রতিবাদ, ন্যায় ও সত্যের পক্ষে এবং দেশের মঙ্গলের কথা তারা ভাবেন। দুর্নীতি-লুটপাট ও দখল-চাঁদাবাজিকে তারা পছন্দ করছেন না।
তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল জাতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে কি না, তা বলার সময় এখনো আসেনি। তবে এই ফলাফল বিচার-বিশ্লেষণ করে রাজনীতিবিদদের শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত। এই নির্বাচনের ইতিবাচক দিকগুলো গ্রহণ করে নেতিবাচক দিকগুলো পরিহার করা দরকার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরীর মতে, বাংলাদেশ এবং দেশের নতুন প্রজন্ম বদলে গেছে। ট্র্যাডিশনাল রাজনীতি আর চলবে না। তরুণ প্রজন্মের মনোজগতে পরিবর্তন এসেছে। জুলাই অভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন, যারা অত্যাচারিত হয়েছেন, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা যদি বিএনপি ধারণ করতে না পারে তাহলে রাজনীতি করা কঠিন হয়ে পড়বে। হয়তো বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, কিন্তু বেশিদিন থাকবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, রাজনীতিবিদদের সবকিছু থেকেই শিক্ষা নেওয়া উচিত। সামাজিক অবক্ষয়, রাজনৈতিক দুর্বলতাগুলো বের করে শিক্ষা নিতে হবে।
দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসবিষয়ক গবেষক ও লেখক আলতাফ পারভেজ নেপালের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলছেন, নেপালের বর্তমান বিদ্রোহ মূলত পুরোনো রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে। নেপালের তরুণরা স্পষ্ট কোনো দলের প্রবীণ রাজনীতিবিদদের দেখতে চাইছেন না। তারা মনে করেন, নেপালের আর্থসামাজিক রূপান্তর ঘটাতে রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ হয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-তরুণরা সব সময়ই ‘অ্যান্টি-এস্টাবলিশমেন্ট’ মনোভাব পোষণ করে থাকেন। ছাত্রশিবিরের জয়লাভ বা উত্থানের পর এই আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। বলা হচ্ছে, নির্যাতিতরা সব সময় ডাকসুতে জয়লাভ করে। গত ১৫ বছরে ছাত্রশিবিরের পাশাপাশি ছাত্রদলও নির্যাতিত ছিল। অথচ ডাকসুর রায় গেছে শিবিরের পক্ষে।
কোনো কোনো বিশ্লেষক মনে করেন, হাসিনা সরকারের পতনের পর গত এক বছরে বিএনপিকে ছাত্ররা ‘ছায়া সরকার’ মনে করেছে; যার প্রভাব পড়েছে ছাত্রদলের ওপর। দেশের কিছু জায়গায় বিএনপির দখল বা চাঁদাবাজির অভিযোগগুলোকে নিজেদের পক্ষে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়েছে ছাত্রশিবির। ‘বিএনপিই ক্ষমতায়’, এমন ধারণা প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রায় একই রকম’ এ রকম একটি ন্যারেটিভ’ প্রচার পেয়েছে বলেও কেউ কেউ মনে করেন।
তবে দলটির নীতিনির্ধারকদের পাশাপাশি দেশের অন্য কোনো রাজনীতিবিদ আগে থেকে বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারেননি। শিবির জয়লাভ করবে, এমন আভাস বা বিশ্লেষণ গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়নি। অনেকের মতে, দেশের এ এক নতুন পরিস্থিতি! রাজনীতির জন্য নতুন ভাবনা। বিশেষ করে আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপিকে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। বলা হচ্ছে, যুগোপযোগী রাজনীতি নিয়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ঢুকতে না পারলে ক্ষমতায় যাওয়া বিএনপির জন্য কঠিন হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের লেখক, মন্ত্রী ও ধর্মতত্ত্ববিদ জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক মনে করেন, রাজনীতিবিদ হলেন তিনি, যিনি পরবর্তী নির্বাচনের কথা বলেন; একজন রাষ্ট্রনায়ক হলেন তিনি, যিনি পরবর্তী প্রজন্মের কথা ভাবেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অবশ্য নতুন প্রজন্মের কথা অনেক দিন ধরেই তার বক্তব্যে বলে আসছেন। গত ১২ আগস্ট এক সভায় তিনি বলেছিলেন, প্রচলিত স্লোগাননির্ভর রাজনীতির যুগ শেষ। জনগণ এখন বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা ও পরিবর্তনের রাজনীতি চায়।
এর আগে গত ২৩ মার্চ এক সভায় তারেক রহমান বলেন, ‘একটি পরিবর্তনের জন্য জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোকে সমর্থন দিয়েছে বলেই স্বৈরাচার মাফিয়া বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে। আমাদের এখন জনগণের ইস্যুগুলো নিয়ে কথা বলা উচিত।’
অনেক বিশ্লেষকের মতে, তারেক রহমানের বক্তব্য বা প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাধারণ ছাত্রদের সম্পৃক্ত করা যায়নি। প্রচারণা নিয়ে তাদের মধ্যে ঢোকা যায়নি। এর অন্যতম কারণ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গত ১৫ বছরে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ভিত্তি ছিল না। কোথাও ছাত্রদলের একজন নেতাও দৃশ্যমান ছিলেন না। বেশির ভাগ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে ৩৫ বছরের বেশি বয়স্ক নেতাদের দিয়ে। তা ছাড়া বিএনপির মধ্যে এমন ভাবনাও কাজ করেছে যে ছাত্রলীগের অনুপস্থিতিতে ছাত্রদলই সবচেয়ে বড় সংগঠন এবং বিএনপিই বড় দল। ভোটে তারাই জয়লাভ করবে। কিন্তু ছাত্রশিবির সরকার পতনের পর এক বছর ধরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংগঠনিক কাজ করে আসছে। রাজনৈতিক বয়ানের পরিবর্তে তারা ছাত্রদের নানা সুযোগ-সুবিধা, প্রতিশ্রুতি বা কর্মসূচি নিয়ে পূর্ণমাত্রায় তৎপরতা চালিয়েছে। অনেকের মতে, স্বাধীনতাবিরোধী ট্যাগ থাকায় গত ৫৪ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির সুবিধা করতে পারেনি। কিন্তু এবার ওই ট্যাগ তেমন কাজে আসেনি। ছাত্রছাত্রীরা গ্রহণ করেননি।
ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ এক নিবন্ধে বলছেন, যারা ডাকসু নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন তাদের জন্ম একাত্তরের অনেক পর। তারা একাত্তর দেখেননি, পঁচাত্তর দেখেননি, নব্বই দেখেননি। তারা দেখেছেন শেখ হাসিনার শাসন আর খালেদা জিয়ার বিরোধিতা। এখান থেকেই তরুণদের মধ্যে এমন একধরনের মন তৈরি হয়ে থাকতে পারে, যা প্রচলিত ধারার রাজনীতি আর রাজনৈতিক বিরোধিতাকে সমর্থন করে না।
মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, একটি বিষয় মনে রাখা দরকার। ভোটারদের বেশির ভাগই তরুণ। কে অতীতে কী করেছেন, তা নিয়ে জাবর কেটে তাদের জীবন চলবে না। তারা কী চান, রাজনৈতিক দলগুলোকে সেটি বিবেচনায় নিতে হবে। ‘কাল্ট ওরশিপ’ বা ব্যক্তিপূজার বড়শি দিয়ে তরুণদের মন গেঁথে ফেলার দিন সম্ভবত শেষ।
অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগের চেতনার বয়ান দিয়ে আর কোনো কাজ হবে না। বঙ্গবন্ধুকে আর বিক্রি করা যাবে না। স্বাধীনতা যুদ্ধ আর বিক্রি করা যাবে না। কারণ মানুষ দেখছে যে স্বাধীনতা-বঙ্গবন্ধুর কথা বলে সমাজকে বিভক্ত করা হয়েছে, দুর্নীতি ও টাকা পাচার করেছে। গুম-খুন হয়েছে। মানুষ এসব ঘৃণা করে। বিএনপিকেও তার পুরোনো ধারার রাজনীতি বদলাতে হবে।
রাজনীতি পরিবর্তনের পরামর্শ বিশ্লেষকদের
রাজনৈতিক বিশ্লেষক দিলারা চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি নেপাল সরকারের পতন হয়েছে। এর আগে ইন্দোনেশিয়ার সরকারের পতন হয়েছে। এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। এ সমস্ত ছেলের কাছে সব খবর আছে। রাজনীতিবিদদের ছেলেমেয়েরা বিদেশে পড়াশোনা করবে, আরাম-আরাশে জীবন কাটাবে, ৩০০ ফিটে গিয়ে গাড়ি রেসিং করবে, আর আমরা জীবন দেব। এটা কেন তারা সহ্য করবে?
তিনি বলেন, ডাকসুর এই ভোট হলো পুরোনো রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোট। একটা পরিষ্কার বার্তা দেওয়া হয়েছে- আগের যে রাজনীতি, দখলবাজের রাজনীতি, সেন্টার দখল করে জিতে যাওয়ার রাজনীতি, বাংলাদেশে আর চলবে না। পুরোনো বস্তাপচা দখলদারত্ব-দুর্নীতি-রাজনীতি আর চলবে না। পুরোনো রাজনৈতিক স্লোগান মানুষ আর নিচ্ছে না। জনগণের মনোজগৎ বুঝে জনগণের রাজনীতি করতে হবে। এখন মানুষের কাছে যেতে হবে।
দিলারা চৌধুরী বলেন, এখন রাজনীতিবিদদের নিয়ে প্রচণ্ড ক্রিটিসিজম হচ্ছে। ভারতের আধিপত্য মেনে নেবে না তরুণ প্রজন্ম। তাদের মনোজগতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। রাজনীতিবিদদের এখন সাধারণ মানুষের সঙ্গে চায়ের দোকানে বসে চা খেতে হবে, তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগের যে বয়ান মানুষের ওপর ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করেছে, সেই ধরনের পুনরাবৃত্তি করে এগোনো যাবে না। ১৯৭১ থেকে শুরু করে অথবা তারও আগে থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইতিহাসের সত্যিকারের ব্যাখ্যা জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। এই সুবিধাবাদের চোরাগলিতে ডুবে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের আদর্শগত আপস থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির কৃপায় ক্ষমতায় আসব, এই চিন্তা মাথা থেকে একেবারে উচ্ছেদ করতে হবে। এই ধরনের চিন্তা বিপজ্জনক চিন্তা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শের চরম বিরোধী।
তিনি বলেন, জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে, তাদের ওপর খবরদারি করে কোনো লাভ হবে না। আদর্শবাদের চর্চা, জনগণের সঙ্গে মেশা, জনগণের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান না করতে পারলেও তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সুখে-দুঃখে তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করা- এই কাজগুলো নিয়মিত করে যেতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, গত এক বছরে দেশব্যাপী চাঁদাবাজি ও মাস্তানির যে ঘটনা ঘটেছে, তা রাজনৈতিক দলের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। এই প্রবণতাকে একেবারে ক্ষমাহীনভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিতে হবে। অতীতের দখলদারি-চাঁদাবাজির রাজনীতির অবসান ঘটাতে হবে।
পরামর্শ দিয়ে মাহবুব উল্লাহ বলেন, সঠিক রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করতে হবে। সাংগঠনিকভাবে সংগঠনের সর্বস্তরে রাজনীতি-চর্চা, সংস্কৃতি-চর্চা, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা, মতবিনিময় করতে হবে এবং যত রকম অপরাজনীতি-অপসংস্কৃতি আছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সংগঠনে এমন কিছু নেতা থাকতে হবে, যাদের ছাত্ররা আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করবেন। ছাত্রনেতাদের নিষ্ঠাবান, সৎ ও লেখাপড়াসহ নিজস্ব একটা কারিশমা থাকতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক আনু মুহাম্মদ খবরের কাগজকে বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির সবচেয়ে সংগঠিত ও শক্তিশালী সংগঠন। তারা গুছিয়ে কাজ করেছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। গত ১৫ বছর যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলেছেন, তাদের অত্যাচার ছাত্ররা দেখেছেন। মুক্তিযুদ্ধের বিষয়টা সেভাবে গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত ছাত্রদলের প্রতি মানুষের আগ্রহ ছিল। কিন্তু গত এক বছরে তাদের মাঠপর্যায়ের ভূমিকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়েছে। আবার ছাত্রলীগ কাদের ভোট দিয়েছে, সেটাও একটা ব্যাপার। তাদের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ভোট কোথায় গেল? ছাত্রলীগ ভোট না দিলে শিবির এত ভোট পেল কীভাবে?