বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও টেসলার সিইও ইলন মাস্ক এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির স্বীকৃতি পেয়েছেন আগেই। তবে একক ব্যক্তি হিসেবে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সম্পদের মাইলফলক স্পর্শ করলেন একমাত্র তিনিই।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বাণিজ্য বিষয়ক বার্তাসংস্থা ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে তথ্য উঠে এসেছে।
সম্প্রতি স্পেসএক্সের শেয়ার বিক্রির কারণে মাস্কের সম্পদ এত দ্রুত বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছেন মাস্ক।
স্পেসএক্সের বর্তমান মূল্যমান প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর কোনো প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান এই মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেনি।

এদিকে টেসলা গাড়ির দাম বাড়ার কারণেও মাস্কের মোট সম্পদ ৪৪৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
গ্রিন এনার্জির প্রতি বিনিয়োগকারীদের ভরসা থাকায় টেসলার স্টক প্রাইস ৪১৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নিত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে ব্লুমসবার্গ।
বিশ্বঅর্থনীতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপট মাস্কের সম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।
এদিকে সদ্য অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জেতার পর টেসলার শেয়ারে প্রায় ৬৫ শতাংশ উর্ধ্বগতি দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনে রদবদলের প্রত্যাশায় টেসলায় বিনিয়োগ করতে আগ্রহ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে স্পেসএক্স ও টেসলা ছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক প্রতিষ্ঠান এক্সএআই থেকেও প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন এই ধনকুবের।
তবে আর্থিকভাবে সফলতা পেলেও সম্প্রতি বেশ কিছু আইনি জটিলতায় পড়েছেন তিনি।
ডেলাওয়ারের একটি আদালত প্রায় ১০০ বিলিয়ন মূল্যমানের টেসলা পে প্যাকেজের বৈধতা প্রত্যাখান করায় কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়েছেন মাস্ক। তবে এই সমস্যা তার ধনরাশিতে বড় প্রভাব রাখবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
সর্বশেষ ১০ ডিসেম্বরের হিসাব অনুযায়ী মাস্কের চেয়ে ১৪০ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে আছেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি জেফ বেজোস। সূত্র: ব্লুমবার্গ
নাইমুর/অমিয়/