মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উত্তর কোরিয়াকে ‘দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র’ হিসেবে মন্তব্য করেছে। বিপরীতে উত্তর কোরিয়া এই মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছে। দেশটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা মার্কিন কূটনীতিকের করা মন্তব্যকে ‘বাজে কথা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সিউল থেকে এই তথ্য জানায় এএফপি।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, নতুন ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে পিয়ংইয়ং প্রকাশ্যে নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘আমরা কখনই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো উসকানি সহ্য করব না, তবে যথারীতি কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নেব।’
সাম্প্রতিক এক রেডিও সাক্ষাৎকারে রুবিও উত্তর কোরিয়া ও ইরানকে ‘দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, পররাষ্ট্র নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ‘আপনাকে মোকাবিলা করতে হবে’।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডিপিআরকে-কে ‘দৃর্বৃত্ত রাষ্ট্র’ বলে অভিহিত করে অর্থহীন উক্তি করেছেন। ‘ডিপিআরকে-এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈরী মন্তব্যকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নষ্ট করার এক গুরুতর অবিবেচনাপ্রসূত রাজনৈতিক উস্কানি বলে মনে করেন।’
কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে বিশ্ব থেকে ব্যাপকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি বছরের পর বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ট্রাম্প, তার প্রথম মেয়াদে কিমের সঙ্গে বিরল ধারাবাহিক বৈঠক করেছিলেন, জানুয়ারিতে কিমকে ‘বুদ্ধিমান লোক’ বলে অভিহিত করে বলেছিলেন যে, তিনি আবারও উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বিনিময়ে পিয়ংইয়ং কী ত্যাগ করতে ইচ্ছুক তা নিয়ে বিতর্কের কারণে ২০১৯ সালে হ্যানয়ে উভয়ের মধ্যে একটি শীর্ষ সম্মেলন ভেঙে যায়।
গত সপ্তাহে, ট্রাম্পের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়া বলেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ অব্যাহত থাকবে। সূত্র: এএফপি
বাসস/তাওফিক/