সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে দেশটির সেনাবাহিনীর সদরদপ্তরে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, বুধবার (১৬ জুলাই) এই হামলা চালানো হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা দায়িত্ব নেওয়ার পর সিরিয়ার অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড় হামলাগুলোর একটি এটি।গত সপ্তাহে সুয়েদা শহরে দ্রুজ এবং বেদুঈন সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের পর সেখানে প্রবেশ করে সিরীয় বাহিনী। এরপর থেকেই ইসরায়েল একের পর এক হামলা শুরু করে। এমনকি তারা সরাসরি সিরিয়ার সেনা সদরদপ্তরে বিশাল হামলা চালিয়েছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সিরিয়ার নতুন সরকার এখন গঠনপর্বে রয়েছে। তাদের সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনী উভয়ই দুর্বল। এই মুহূর্তে ইসরায়েলের টানা হামলার ফলে দেশটির সামরিক দুর্বলতা আরও প্রকট হয়ে উঠছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলেছে, নতুন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা নেওয়ার পর এ মুহূর্তে ইসরায়েল সিরিয়ায় সবচেয়ে বেশি হামলা চালাচ্ছে। আর এ হামলার মাধ্যমে শারা এবং সিরিয়ার দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে।
বিবিসি জানায়, সারার সরকার এখন প্রাথমিক অবস্থায় আছে। তাদের সেনাবাহিনী দুর্বল, তাদের নিরাপত্তা বাহিনী দুর্বল। এরমধ্যে গত বছরের ডিসেম্বরে যখন বাশার আল-আসাদের পতন হয় তখন টানা ৪৮ ঘণ্টা সিরিয়ায় বিমার হামলা চালায় ইসরায়েল। এ সময়ে ৪০০টিরও বেশি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে সিরিয়াকে সামরিকভাবে দুর্বল করে দেয় ইসরায়েল।
সিরিয়ার নতুন সরকার স্পষ্ট করেছে তারা কোনো ধরনের যুদ্ধ করতে চায় না। অবশ্য তাদের ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ করার সক্ষমতাও নেই।
ইসরায়েলের নতুন এসব হামলা সারাকে শুধু দুর্বলই দেখাচ্ছে না, এতে করে সিরিয়ার সাধারণ মানুষও ক্ষুব্ধ হচ্ছেন বলেও জানায় বিবিসি।
সুলতানা দিনা/