ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সাম্বার ছন্দে থেমে যাবে আটলাসের গর্জন? লাইসেন্স বাতিলে আদ্-দ্বীন ছাড়ছেন রোগীরা রাজশাহী ফুটবলপ্রেমীদের রঙিন শোভাযাত্রা ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কে ‘জলপরী’ প্রদর্শনী নিয়ে বিতর্ক চা শ্রমিকের সন্তানদের মধ্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ চট্টগ্রামে সরকারি খামারে প্রাণীর খাদ্য সরবরাহ বিশেষ চক্রের কাছে জিম্মি রাষ্ট্রীয় ব্যয় ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার গৌরীপুর ও মুক্তাগাছায় পানির প্রকল্প: ২ বছরে অগ্রগতি মাত্র ২০ শতাংশ রাশিয়ার দখলকৃত ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের দাবি ইউক্রেনের সাম্বার অপেক্ষায় বিশ্ব অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস আমন্ত্রণে শিক্ষা ও গবেষণা সম্প্রসারণে ১৪ দিনের সফরে বেরোবি উপাচার্য জাকসু ভিপি ও জিএস: ছাত্রত্ব শেষে পদে বহাল থাকা নিয়ে বিতর্ক রমনার বন আসরা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ১৪ জুন ১৩ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৩ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল অর্থবিল বিশ্লেষণ: পার পাচ্ছেন সম্পদশালীরা হাকিমি: আফ্রিকার আশা, মরক্কোর প্রাণ ভিনিসিয়ুস: এবার হলুদ জার্সিতে প্রমাণের পালা প্রেরণার নাম ম্যাকগিন মৃত্যুকূপে দাঁড়িয়ে ফিরে আসার রোমাঞ্চ হাইতির স্বপ্নসারথি ইসিদোর অবসর ভাবনায় কর্তোয়া ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার কাতারের সামনে সুইজারল্যান্ড চ্যালেঞ্জ লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ
Nagad desktop

ঈদে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৫, ০৩:১৯ পিএম
ঈদে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ডিএমপি কমিশনার
ছবি : সংগৃহীত

এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে কোন নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

রবিবার (৩০ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

এ সময় তিনি জাতীয় ঈদগাহ মাঠে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে বলেন, এবার ঈদে সুনির্দিষ্ট কোন থ্রেট নেই। তবে, সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রায় ৩৫ হাজার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাত ৩১ মার্চ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও উৎসবমুখর ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়। উৎসবটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বছর ঢাকা মহানগরীতে ১১১টি ঈদগাহে ও এক হাজার ৫৭৭টি মসজিদসহ মোট এক হাজার ৭৩৯টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ ও ঢাকার অন্যান্য সকল স্থানে অনুষ্ঠিতব্য ঈদ জামাতের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে, পুরো জাতীয় ঈদগাহ মাঠ সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকবে ডিএমপির বম্ব স্কোয়াড, সোয়াট ও ক্যানাইন (কে-৯) ইউনিট।

জাতীয় ইদগাহ মাঠে আগত মুসল্লীদের জন্য থাকবে নির্দিষ্ট পার্কিং এলাকা।

জিরো পয়েন্ট, সরকারি কর্মচারি হাসপাতাল, দোয়েল চত্বর, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর ভবনের পাশের গলি, ইউবিএল ক্রসিং, কন্ট্রোল রুম গ্যাপ ও মৎস্যভবন ক্রসিং এ ডাইভারশন থাকবে। 

ডিএমপি’র পক্ষ থেকে সবাইকে ট্রাফিক নির্দেশনাসমূহ অনুসরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ সময় ডিএমপি কমিশনার ঢাকা মহানগরবাসীকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানান।

ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মাসুদ করিম, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ ও উপ-পুলিশ কমিশনারগণসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস

অমিয়/

লাইসেন্স বাতিলে আদ্-দ্বীন ছাড়ছেন রোগীরা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
লাইসেন্স বাতিলে আদ্-দ্বীন ছাড়ছেন রোগীরা
কিডনি জটিলতায় কালিপদ দত্ত আদ্-দ্বীন হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা না পেয়ে স্বজনরা গতকাল তাকে রাজধানীর অন্য একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। ছবি: খবরের কাগজ

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার জেরে লাইসেন্স বাতিলের পর রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ছেড়ে যাচ্ছেন রোগীরা।একই সঙ্গে যারা এখনো চিকিৎসাধীন, তাদের স্বজনরা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত হাসপাতাল খালি করার নির্দেশনা থাকলেও জটিল রোগীদের নিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্বজনরা।

গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পর গতকাল শুক্রবার দুপুরের মধ্যেই ১৭৬ জন রোগী হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছেন। আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল জানান, লাইসেন্স বাতিলের সময় ৪২৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। এখন সেখানে প্রায় ২৫০ জন রোগী চিকিৎসাধীন।

অনিশ্চয়তায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা রোগীরা

হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বর্তমানে বন্ধ থাকলেও ভর্তি থাকা রোগীদের চিকিৎসা চলছে। তবে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের অন্য কোথাও স্থানান্তর করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্বজনরা।

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকার বাসিন্দা নুরুল আলম এন্ডোস্কোপিক স্পাইন সার্জারির পর ১৫ দিন ধরে এখানে ভর্তি। তার বোনজামাই মো. আশরাফ আলী বলেন, ‘শ্যালককে আইসিইউ থেকে এইচডিইউতে শিফট করা হয়েছে। এখানে চিকিৎসা অব্যাহত থাকবে কি না, তা নিশ্চিত নই। তাকে অন্য কোথাও নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ।’

মধুবাগের বাসিন্দা আব্দুল্লাহর নবজাতক এনআইসিইউতে ভর্তি। তিনি বলেন, ‘এই অবস্থায় বাচ্চাকে অন্যত্র স্থানান্তর করা সম্ভব নয়। আমরা চাই দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হোক। কিন্তু হাসপাতাল বন্ধ করে দিলে সাধারণ রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হবে।’

অন্যত্র ছুটছেন রোগী

গতকাল সকাল থেকেই হাসপাতালের করিডরে রোগীদের তাড়াহুড়ো দেখা গেছে। বাড্ডার বাসিন্দা সেলিনা আক্তার সন্তান প্রসবের জন্য এখানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কিন্তু হাসপাতাল বন্ধের খবর পেয়ে তাকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মালিবাগ থেকে আসা কিডনি রোগী কালিপদ দত্তকেও গতকাল দুপুরে সিরাজ উদ্দিন মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে।

চিকিৎসা পাওয়ার আশায় এখনো অনেকে

হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবার ওপর আস্থা রেখে এখনো অনেকেই এটি ছাড়তে চাইছেন না। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা সেলিনা বেগম বলেন, ‘আমার শিশুসন্তানের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। সরকারি সিদ্ধান্ত থাকলেও আমি হাসপাতাল ছাড়তে চাই না।’ ফেনীর আলী হায়দার তার ৪০ দিন বয়সী শিশুকন্যার চিকিৎসার জন্য উচ্চ আদালতের ওপর ভরসা করে আছেন। তার আশা, কর্তৃপক্ষ আপিলের মাধ্যমে হাসপাতাল পরিচালনার সুযোগ পাবে।

কর্তৃপক্ষের অবস্থান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দ্রুত রোগীদের অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলেও আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ বলছে, চাইলেই সব রোগীকে এত দ্রুত স্থানান্তর করা সম্ভব নয়। আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী রবিবারের মধ্যে আমরা আপিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করব। আপিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরই সবকিছু নির্ভর করছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে ঈদুল আজহার আগের দিন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি ও এসি বন্ধ থাকাসহ কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়।

সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জামায়াত আমিরের

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিলের পর আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ছেড়ে যাচ্ছেন চিকিৎসাধীন রোগীরা। এ পরিস্থিতিতে হাসপাতালটি বন্ধের সিদ্ধান্তকে সঠিক হয়নিবলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি শিক্ষার্থী ও জনগণের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সম্প্রতি আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয়জন নবজাতকের মৃত্যুতে আমরা সবাই গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করি। ঘটনাটি অবশ্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার আজ হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে। এটি মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। জামায়াত আমির বলেন, তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। তা না করে যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, আজ তারই লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হলো। শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতি জনগণেরই হলো।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এটি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, যেখানে শত শত শিক্ষার্থী ও নার্সিং শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছে। হাসপাতাল বন্ধ হলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তাই ব্যক্তির অপরাধের জন্য প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬
ছবি: সংগৃহীত

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৫৩ জনের।

শুক্রবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে মারা গেছে আরও ৯২ শিশু। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪৩ জনে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ২৭ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ৮৪ হাজার ২৬৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৬ জনের শরীরে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১০ হাজার ১৮৫ জনের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৮ হাজার ৯৩৪ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৬৫ হাজার ২৭৫ জন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে খুলনায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

লাইসেন্স বাতিল হওয়া মগবাজারের আদ-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পাঠানো (রেফারকৃত) রোগীদের তাৎক্ষণিক ভর্তি ও যথাযথ চিকিৎসা দিতে রাজধানীর বড় ছয়টি সরকারি হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শুক্রবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক সরকারি চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে৷  

এর আগে গত ১১ জুন এক অফিস আদেশের মাধ্যমে ঢাকার বড় মগবাজারের আদ-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
লাইসেন্স বাতিলের পর হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন বা সেখান থেকে স্থানান্তরিত রোগীদের চিকিৎসা সংকট এড়াতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

যে ছয়টি সরকারি হাসপাতালকে আদ-দ্বীনের রোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—
 # ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
 # স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
 # শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
 # মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
 # কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
 # বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, আদ-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উক্ত হাসপাতাল থেকে রেফারকৃত কোনো রোগী এলে তাকে যেন ফিরিয়ে না দিয়ে তাৎক্ষণিক যথাযথ চিকিৎসা প্রদান করা হয়। 

জয়ন্ত সাহা/এসএন

হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন শেষে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৫২৪৯১ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন।

 শুক্রবার (১২ জুন) হজ অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, তিনটি নির্ধারিত বিমান সংস্থার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ১২৩টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫৫টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৪৭টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১২৩টি ফ্লাইটের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ২৮৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় ৪৮ হাজার ২০২ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এবার হজ পালন করতে গিয়ে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারীসহ মোট ৪৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৩ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৪১০ জন বাংলাদেশি হাজি চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি আরবের মেডিকেল সেন্টারগুলো ৬২ হাজার ২৪৩ জনকে এবং আইটি হেল্প ডেস্ক মক্কা ও মদিনায় ২৭ হাজার ৪১০ জন হাজিকে সেবা প্রদান করেছে।

এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজ শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

এসএন/

সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:২১ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ । ছবি: সংগৃহীত

‘গণমানুষের বাজেট’ আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে। যারা দলীয়করণ বলছে, তারা খুবই নিকৃষ্ট লোক।’

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে কক্সবাজার পৌঁছে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ কী বিএনপির জন্য নেওয়া হয়েছে। অবশ্যই নয়, এটি বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্তসহ সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। মানুষের চাহিদা হলো— নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকা। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই বাজেট কি গণমুখী নয়? এটি কি দরিদ্রবান্ধব নয়? এটি কি জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন নয়? নিঃসন্দেহে এই বাজেট গণমুখী, দরিদ্রবান্ধব এবং জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এছাড়া আমাদের যে অঙ্গীকারগুলো ছিল— কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, সেসব বিষয়ও এই বাজেটে গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এই বাজেটে একদিকে জনগণের ওপর করের চাপ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে রাজস্ব আয়ের পরিধি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেলে উন্নয়ন বাজেটে দেশীয় আয়ের অবদানও বাড়বে। আমরা যদি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সবসময় ব্যাংক ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকি, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে নির্ভরশীলতার চক্র থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে না। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা রাজস্বভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাস্তবতার মধ্যে দাঁড়িয়ে মাত্র সাড়ে তিন মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রণয়ন করা সম্ভব হয়েছে। এটিই আমাদের সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং নির্বাচনী জোটের সমর্থনে গঠিত সরকারের বাজেট। কেউ যদি এটিকে ‘দলীয় বাজেট’ বলে আখ্যায়িত করেন, তাহলে আমি বলব— গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারের বাজেটকে শুধুমাত্র দলীয় বাজেট হিসেবে চিহ্নিত করা একটি অযৌক্তিক ও অনভিপ্রেত মন্তব্য।

এসএন/