ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কুয়েত ও বাহরাইনে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান এআই মামলা: ডিএমপি মাত্র দুটি নম্বর থেকে এসএমএস পাঠায়, অন্যগুলো ভুয়া ইতিহাস, সৌন্দর্য আর প্রশান্তির পরভো শহরে এক দিন রাসুল (সা.) এর খাদ্য তালিকায় কেন দুধ ছিল সেরা নওগাঁ সীমান্তে ১৭ ব্যক্তিকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিল বিএসএফ গাইবান্ধায় দুই ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাইজদীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে পুলিশে দিল ছাত্রদল রংপুরে মাদকমুক্ত সামজ গঠনে শিক্ষার্থীদের শপথ অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল মহেশখালীতে হিটস্ট্রোকে জেলের মৃত্যু কিমের আমন্ত্রণে উ. কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: ইসরায়েলের হাতে বিকল্প কী লতাপাতায় ঢাকা ২ কোটি টাকার সেতু, পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি প্রকল্প গরমে কমেছে কাজের গতি নিজেই নিজেকে গড়ছে এআই, শঙ্কা অ্যানথ্রোপিকের বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে সম্মত খরা, বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকিতে ভারত, চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া দিনাজপুরের: সুই-সুতো আর কি-বোর্ডে নির্যাতিত নারীদের নতুন স্বপ্ন পুতিনকে আলোচনায় বসতে জেলেনস্কির খোলাচিঠি রাজশাহী অঞ্চলে তাপপ্রবাহে হাঁসফাঁস দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতাপার্টির’ বিক্ষোভ আজ ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটি ৫ আগস্ট ঘটে যেতে পারে বায়ুদূষণে বদলে যাচ্ছে ভ্রূণের জিন জলাবদ্ধতা ও দুর্গন্ধে নাকাল ঘিওর বাজার ছায়ানটে শুরু হলো দুই দিনের নজরুল উৎসব রাজধানীবাসীকে ফেরাতে সিটি বাসও গেছে ঢাকার বাইরে ৬ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ৬ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল মে মাসে মব হামলায় নিহত ৩২: এমএসএফ ‘নতুন পুরাতন মিলিয়ে ভালোই বোর্ড হবে’
Nagad desktop

যে মানুষটি কখনো ক্লান্ত হন না

প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:০৮ পিএম
যে মানুষটি কখনো ক্লান্ত হন না

সময়ের স্রোতে সম্পর্কের প্রকাশভঙ্গি বদলেছে, কিন্তু এক সম্পর্ক আজও নীরবতার আড়ালে অপরিবর্তিত। আর তা হলো বাবা ও সন্তানের সম্পর্ক। বাবা কখনো আবেগের ভাষায় কথা বলেন না, কিন্তু তার প্রতিটি কর্মকাণ্ডে লুকিয়ে থাকে মমতা, দায়িত্ব আর ত্যাগের এক গভীর ইতিহাস। ভোরের আলো ফোটার আগেই যিনি ঘর ছেড়ে বের হন, সারা দিনের ক্লান্তি বুকে নিয়ে রাতে ফিরে আসেন, তবু মুখে রাখেন একটুখানি হাসি- তিনি-ই বাবা। তার ভালোবাসা প্রকাশ পায় নিঃশব্দ দৃষ্টিতে, সময়মতো দেওয়া একটি পরামর্শে কিংবা ছাতাটা নিঃশব্দে এগিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে। সন্তানের প্রতিটি সাফল্যে তার চোখে যে আনন্দের আলো জ্বলে ওঠে, সেটিই হয়তো জীবনের সবচেয়ে নির্মল তৃপ্তি।

আমরা অনেক সময় বাবার কঠোর মুখে শুধু নিয়ম আর শাসন দেখি, অথচ সেই কঠোরতার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে জীবনের শিক্ষা। বাবা শেখান- ভালোবাসা সব সময় মিষ্টি কথায় নয়, দায়িত্বের ভারে প্রকাশ পায়। বাবার মুখে ক্লান্তির ছাপ দেখা যায় বটে, কিন্তু সেই ক্লান্তি কখনো ভর করে না তার মন বা দায়িত্বে। তিনি যেন প্রতিদিন নিজেকে নতুন করে জ্বালান শুধু সন্তানদের ভবিষ্যতের আলো জ্বালাতে। আজকের ব্যস্ত পৃথিবীতে আমরা মায়ের মমতা নিয়ে যত কথা বলি, বাবার সেই নীরব ভালোবাসা ততটাই অঘোষিত থেকে যায়। অথচ প্রতিটি সন্তানের সফলতার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকেন এক নীরব মানুষ- যিনি নিজের স্বপ্নের ভস্মে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলেন। তাই বলতেই হয়- যে মানুষটি কখনো ক্লান্ত হন না, তিনিই আমাদের বাবা।

তাকবির জাহান
শিক্ষার্থী, আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদ 
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও সোনারগাঁও উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হাঁড়িধোয়া নদীটি মেঘনার অববাহিকার অংশ। একসময় এর স্বচ্ছ মিঠাপানিতে মাছসহ নানা জলজ প্রাণীর সমৃদ্ধ আবাস গড়ে উঠেছিল। কৃষিকাজ ও নৌপথে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নদীটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
উদ্বেগের বিষয় হলো, গত কয়েক বছরে বিভিন্ন শিল্পকারখানার অপরিশোধিত রাসায়নিক বর্জ্য সরাসরি হাঁড়িধোয়া নদীতে ফেলার ফলে নদীটি মারাত্মক দূষণের শিকার হয়েছে। পানির রং কালো হয়ে গেছে, সৃষ্টি হয়েছে তীব্র দুর্গন্ধ এবং বিলীন হতে বসেছে মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী। দূষণের কারণে নদীর পানি কৃষিকাজের জন্যও অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি কচুরিপানার কারণে নৌ চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। কয়েক লাখ মানুষের জীবিকা ও জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িত এই নদীকে রক্ষায় শিল্পকারখানাগুলোতে কার্যকর ইটিপি স্থাপন, নিয়মিত তদারকি এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

মোহাম্মদ নাছাত
শিক্ষার্থী, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক

উত্তরবঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা ও শিল্পায়নের বড়ই অভাব। নেই কোনো বড় কলকারখানা। নেই বড় কোনো ফ্যাক্টরি। এক সরকারের পর আরেক সরকার আসে কিন্তু উত্তরবঙ্গে কোনো কলকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয় না। এদিকের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয় না। মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কলকারখানার ভূমিকা অনেক। মানুষের নানামুখী কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়। বেকারত্ব হ্রাস পায়। নিজেকে স্বাবলম্বী করার সুযোগ হয়। উত্তরবঙ্গে এই সুযোগ না থাকায় সাধারণ দরিদ্র পরিবারের সবাই ঢাকামুখী। কেননা দেশের সব কলকারখানা ঢাকা-চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নওগাঁ, সিলেট জেলায়। গাজীপুর জেলায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সিটি করপোরেশন বিদ্যমান। গাজীপুরে প্রায় ৭৫ শতাংশ গার্মেন্ট কারখানা বিদ্যমান রয়েছে। সাধারণ মানুষ ঢাকায় গিয়ে কেউ ১০, কেউ ১২, কেউ ১৫ হাজার টাকা মাসিক বেতনে বিভিন্ন কলকারখানা বা ফ্যাক্টরিতে কাজ করে। এই টাকা দিয়ে ঢাকায় নিজের জীবনযাপন আবার গ্রামে পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ কুলিয়ে উঠতে হাঁপিয়ে উঠতে হয় বারবার। কিন্তু কোনো উপায় থাকে না হাতে। এই কাজের সুযোগ যদি নিজের অঞ্চলে হয়, তাহলে নিজেকে স্বাবলম্বী করার সুযোগ পাবে। এ জন্য সরকারের উচিত উত্তরবঙ্গে কলকারখানা বা ফ্যাক্টরি স্থাপন জোরদার করা। অন্যথায় জীবন মানর উন্নয়ন সম্ভব না।

মোজাহিদ হোসেন 
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

এ বছর যারা কোরবানি দিয়েছেন তাদের চামড়া নিয়ে বড় ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চামড়ার ক্রেতা এবং বিভিন্ন এতিম খানার জন্য যারা চামড়া সংগ্রহ করে থাকেন তাদের জন্য অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু না কেউ চামড়া নিতে আসেনি। এদিকে চামড়া পচে গেলে দুর্গন্ধ শুরু হবে। অবশেষে অনেককে লোক ভাড়া করে চামড়া নদীতে ফেলতে হয়েছে, কেউ কেউ আবার মাটিতে পুঁতে দিয়েছেন। রাষ্ট্রের সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে চামড়া খাত আজ গভীর সংকটে। পাইকাররা বছরের পর বছর লোকসানের কারণে গ্রামে চামড়া কিনতে যাননি। ট্যানারি মালিকদের বকেয়া পরিশোধে অনিয়মের প্রভাব পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়েছে। অথচ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম খাত চামড়াশিল্প। একসময় যে চামড়া ৩-৪ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা ৬০০-৭০০ টাকাতেও বিক্রি করা কঠিন। ফলে মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দেশের মূল্যবান সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ী, সিপাহীপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়?

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম
আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়?

বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যা এখন এক সামাজিক মহামারিতে রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন খবরের কাগজ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে আসে কোনো না কোনো শিশুর আর্তনাদ। ধর্ষণের পর হত্যা, লাশ গুমের চেষ্টা–প্রতিটি ঘটনাই সাময়িকভাবে আমাদের বিবেক নাড়া দেয়, রাজপথে মানববন্ধন হয়, প্রতিবাদে উত্তাল হয় দেশ। কিন্তু সময়ের নিয়মে একসময় সবকিছু স্তব্ধ হয়ে যায়। কেবল থামে না স্বজনদের কান্না আর বিচারহীনতার দীর্ঘ অপেক্ষা।

‎২০২৫ সালের মার্চে আট বছরের শিশু আছিয়া বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়। আদালত মূল আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও এক বছরেও সেই রায় কার্যকর হয়নি। আইনি জটিলতা ও আপিলের দীর্ঘসূত্রতায় ন্যায়বিচার আজ বন্দি। আছিয়ার ঘটনার পর গত এক বছরে আরও ঘটেছে শত শত  নির্যাতনের ঘটনা। সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার ধর্ষণ ও বর্বর হত্যার ঘটনা দেশকে আবারও শোকাহত করেছে। একটি শিশুর মাথা খণ্ডিত করে হত্যা–এমন নৃশংসতা কেবল কোনো অপরাধ নয়, এটি মানবতার বিরুদ্ধে ভয়াবহ আঘাত। ‎এখনই সময় এই মামলাগুলো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি করার। তদন্তে গাফিলতি ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আছিয়া কিংবা রামিসা কেবল দুটি নাম নয়, এরা আমাদের সমাজব্যবস্থার ব্যর্থতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। রাষ্ট্রকে সর্বোচ্চ কঠোরতায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেন আর কোনো নিষ্পাপ শিশুর জীবন এভাবে ঝরে না যায়।

‎‎নুসরাত জাহান অর্পিতা
‎গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

সৈয়দপুরে বিশ্ববিদ্যালয় চাই

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
সৈয়দপুরে বিশ্ববিদ্যালয় চাই

নীলফামারী জেলায় অবস্থিত সৈয়দপুর এমন একটি শহর, যা জেলার নামে কখনোই পরিচিত হয়নি। এর কারণ এই সৈয়দপুরেই রয়েছে ব্রিটিশ আমলের তৈরি বিখ্যাত রেল কারখানা, রয়েছে রংপুর বিভাগের একমাত্র বিমানবন্দর, ক্যান্টনমেন্ট এবং প্রাচীন মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ আরও অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। নীলফামারী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও রংপুরের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া সত্ত্বেও সৈয়দপুরে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম। সৈয়দপুরের মতো বাণিজ্যিক এলাকায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় না থাকা সত্যিই হতাশাজনক। দক্ষিণবঙ্গের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা বা উপজেলা শহরে একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে এবং কিছু নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবনা এসেছে। কিন্তু সৈয়দপুর নিয়ে কারোরই মাথাব্যথা নেই।

উত্তরাঞ্চলের অনেক পরিবারের পক্ষে ঢাকায় বা দূরের বিভাগে সন্তানদের পাঠিয়ে পড়ানো অর্থনৈতিকভাবে কঠিন। একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এই অঞ্চলের মেধাবী কিন্তু পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করবে। সৈয়দপুরে প্রচুর সরকারি খাস জমি ও অব্যবহৃত রেলভূমি রয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস তৈরির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এ ছাড়া সৈয়দপুরের মতো বাণিজ্যিক শহরে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কারিগরি ও গবেষণাকেন্দ্রের সংযোগ স্থাপন করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব যা দেশের অর্থনীতিতে আরও প্রভাব ফেলবে। সৈয়দপুরের মতো বাণিজ্যিক শহরের দিকে বিশেষভাবে নজর দিয়ে এখানে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে সৈয়দপুর  আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে। 

বি এম হিশাম লাজ 
আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]