ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
১৩ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল অর্থবিল বিশ্লেষণ: পার পাচ্ছেন সম্পদশালীরা হাকিমি: আফ্রিকার আশা, মরক্কোর প্রাণ ভিনিসিয়ুস: এবার হলুদ জার্সিতে প্রমাণের পালা প্রেরণার নাম ম্যাকগিন মৃত্যুকূপে দাঁড়িয়ে ফিরে আসার রোমাঞ্চ হাইতির স্বপ্নসারথি ইসিদোর অবসর ভাবনায় কর্তোয়া ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার কাতারের সামনে সুইজারল্যান্ড চ্যালেঞ্জ লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি
Nagad desktop

আবারও বিয়ে করলেন আবু ত্বহা ও সাবিকুন নাহার

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:১৭ পিএম
আপডেট: ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:২৯ পিএম
আবারও বিয়ে করলেন আবু ত্বহা ও সাবিকুন নাহার
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামিক বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার প্রাক্তন স্ত্রী সাবিকুন নাহার আবারও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

জানা গেছে, গত ২১ অক্টোবর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। আর সেই বিচ্ছেদের মাসখানেক পর তারা পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন সাবিকুন নাহার নিজেই। 

আবু ত্বহার সঙ্গে আলাদা হয়ে ফের কিভাবে একসঙ্গে হলেন, বিষয়টি নিয়ে লিখেছেন, দুনিয়াটা ক্ষণস্থায়ী।

কত দিনই আর বাঁচব আমরা এই দুনিয়ায়? পুরোদস্তুর ধোঁকা, নিখাঁদ এক প্রতারণা। অনন্ত পরকালের চুলচেড়া হিসাব আর চিরস্থায়ী জান্নাতের সাফল্যই যে সব! সেই সাফল্যের ভিখারি হয়েই আজ কথাগুলো লিখছি। কে কী ভাববে? কে কী বলবে?

বাচ্চারা বাবা-মাকে খোঁজে-এমনটা জানিয়ে সাবিকুন নাহার লিখলেন, ‘কী হবে আর কী না হবে এসবেরও বিন্দুমাত্র পরোয়া নেই। 

প্রতিনিয়ত আয়িশা তার বাবাকে খোঁজে! বাবা যাব! বাবা গাড়ি! বাবা কই? শব্দগুলোর ওজন উঠানোর কোনো পরিমাপক মহাবিশ্বে নেই।

উসমানও মাকে পাচ্ছে না। উসমানের সামনে অন্যরা তাদের মায়ের নিকট আম্মু বলে ছুটে যাচ্ছে। অন্যদিকে নির্লিপ্ত চাহনিতে উসমানের প্রশ্ন তার আম্মুর কাছে কখন নিয়ে যাবে?’

বিচ্ছেদ ও পূর্বের ঘটনা প্রসঙ্গে সাবিকুন নাহার বলেন, ‘যা ঘটে গেছে তার অনিবার্য পরিণতি যে এটাই তা হয়তো আমরা জানতাম, তবে জানা আর প্রতিনিয়ত উপলব্ধি করা যে কখনোই এক নয়! ইলমুল ইয়াক্বিন আর হাক্কুল ইয়াক্বিনে আছে আকাশসম ফারাক। জানা বিষয়টি উপলব্ধি করেছি আমরা।

বেশাক আমাদের ভুল ছিল। কিছু ভুল বুঝেছি, বোঝানোও হয়েছে! উসমানের বাবার প্রতি প্রগাঢ় মুহাব্বাত থেকেই অস্থির হয়েছি, কিছু রাগ, জেদ ও সীমালঙ্ঘনও হয়ে গেছে! সঙ্গে মানুষ ও জিন শয়তান, বিচ্ছেদের জাদু কি না ছিল?’

সাবিকুন নাহার বলেন, ‘হয়তো এভাবেই আমাদের ভাগ্য লেখা হয়েছিল। তাকদিরের কাছে তো অনেক বড়রাও অসহায় ছিলেন, যেমন গ্রহণের সময় নিরূপায় থাকে চাঁদের আলো। তাই বলে কি চাঁদ কস্মিনকালেও কলঙ্কিত? সে যে আজন্ম আমার চাঁদ-ই ছিল! দুরাচার শয়তান সঠিক সময়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে বারবার! শুভ্র, স্বচ্ছ, সুন্দরে, চিন্তায় ইবলিসকে তাই ঠাঁই দিইনি আর। ফা লিল্লাহিল হামদ! অতঃপর... আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।

রিফাত/

ফুটপাথের দোকানীকে সাধারণ ভাববেন না! হতে পারে...

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম
ফুটপাথের দোকানীকে সাধারণ ভাববেন না! হতে পারে...
ছবি: ইনস্টাগ্রামের পোস্ট থেকে

আখের রস কিনতে গিয়েছিলেন এক তরুণী। সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু রস বিক্রেতার আসল পরিচয় জানতে পেরে রীতিমতো বিস্মিত হয়ে যান তিনি।

টাটকা আখের রস হাতে পাওয়ার পর তরুণী জানতে পারেন, ফুটপাথে দাঁড়িয়ে রস বিক্রি করা ওই ব্যক্তি শুধু একজন বিক্রেতাই নন, তিনি একজন জনপ্রিয় নেটপ্রভাবীও। রাস্তার ধারের খাবার, দৈনন্দিন জীবন ও সংগ্রামের গল্প নিয়ে নিয়মিত ইনস্টাগ্রামে কনটেন্ট তৈরি করেন তিনি। সমাজমাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ।

ঘটনাটি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা এক্সে শেয়ার করেছেন এক তরুণী।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘গতকাল আমি বাজারের একটি আখের রসের দোকানে দাঁড়িয়েছিলাম। হঠাৎ দোকানের গায়ে লেখা একটি ইনস্টাগ্রাম আইডি চোখে পড়ে। প্রথমে ভেবেছিলাম, হয়তো মজা করেই লেখা হয়েছে। কৌতূহলবশত আইডিটি খুঁজে দেখি, অ্যাকাউন্টটিতে ১ লাখ ২৫ হাজার অনুসারী রয়েছে। তখন আমি বললাম, ‘ভাই, আপনি তো বেশ বড় একজন নেটপ্রভাবী!’

তরুণীর ভাষ্য, তার কথা শুনে বিক্রেতা হেসে উত্তর দেন, ‘তেমন কিছু না ম্যাডাম। আমি শুধু নিয়মিত ভিডিও পোস্ট করি। মানুষের ভালো লাগে বলেই হয়তো তারা অনুসরণ করেন।’

বিক্রেতার বিনয়ী উত্তর আরও বেশি মুগ্ধ করে তরুণীকে। তার মতে, ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে যে কোনো পেশাই ছোট নয় এবং পরিশ্রমী মানুষের পরিচয় কখনো বাহ্যিক অবয়ব দেখে বিচার করা উচিত নয়।

পোস্টটি দ্রুতই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অসংখ্য মানুষ এতে প্রতিক্রিয়া জানান। কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ প্রশংসা করেছেন আখের রস বিক্রেতার অধ্যবসায় ও সাফল্যের।

একজন মন্তব্য করেন, ‘আজকের যুগে প্রতিভার কোনো অভাব নেই। অনেকেই প্রতিদিনের কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি সমাজমাধ্যমে কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবেও অসাধারণ কাজ করছেন।’

আরেকজন লেখেন, ‘অনেকে লাখ লাখ টাকা খরচ করেও এমন অনুগত অনুসারী গড়ে তুলতে পারেন না। অথচ এই আখের রস বিক্রেতা নিজের পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও সাধারণ জীবনযাপনের গল্প দিয়েই মানুষের মন জয় করেছেন।’

শাড়ির নিচে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না তৃণমূল নেতা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
শাড়ির নিচে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না তৃণমূল নেতা
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার উদয়নরায়ণপুরে সরকারি আবাসন প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি একটি কাপড়ের দোকানের গুদামে শাড়ির স্তূপের নিচে লুকিয়ে ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাটি হাওড়ার উদয়নরায়ণপুরের বিলাসপুর এলাকায়। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম ব্রহ্মানন্দ চক্রবর্তী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন স্থানীয় নেতা।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি আবাসন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের জন্য বরাদ্দ টাকা থেকে বেআইনিভাবে কমিশন বা ‘কাটমানি’ আদায় করা হয়েছিল। এ ঘটনায় কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ব্রহ্মানন্দ চক্রবর্তীকে খুঁজতে শুরু করেন তদন্তকারীরা। তবে গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একটি স্থানীয় কাপড়ের দোকানে অভিযান চালায়।

সেখানেই সামনে আসে নাটকীয় দৃশ্য। অভিযোগ, দোকানের গুদামে রাখা শাড়ির বিশাল স্তূপের নিচে লুকিয়ে ছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। পুলিশের চোখ ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ধরা পড়ে যান। শাড়ির গাদা সরিয়ে তাকে বের করে আনার পর পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা শাড়ির স্তূপ সরিয়ে এক ব্যক্তিকে বের করে আনছেন। স্থানীয়দের দাবি, ভিডিওতে দেখা ব্যক্তিই ব্রহ্মানন্দ চক্রবর্তী।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে।

পুলিশ জানায়, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজন হলে অভিযুক্তকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

জিপিএসের নির্দেশ মেনে সোজা রেললাইনে গাড়ি, ভাইরাল বৃদ্ধার গাড়িচালনা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
জিপিএসের নির্দেশ মেনে সোজা রেললাইনে গাড়ি, ভাইরাল বৃদ্ধার গাড়িচালনা
ভিডিও থেকে

অচেনা গন্তব্যে যাওয়ার সময় এখন অনেকেই জিপিএসের ওপর নির্ভর করেন। সঠিক পথ খুঁজে পেতে প্রযুক্তিটির জুড়ি নেই। তবে সম্প্রতি জিপিএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে গিয়ে এক বৃদ্ধা এমন এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইনস্টাগ্রামের ‘আপ্লাস্টিকপ্ল্যান্ট’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, একটি লাল রঙের ব্যক্তিগত গাড়ি রেললাইনের ওপর দিয়ে চলছে। বিষয়টি নজরে আসার পর এক পুলিশ কর্মকর্তা গাড়িটির কাছে এগিয়ে যান। পরে গাড়ি থেকে এক বৃদ্ধাকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।

ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের মাউন্ট বেকার স্টেশন এলাকায়। কোনো এক পর্যায়ে গাড়িটি রেললাইনে উঠে যায়, যার ফলে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, রেললাইনের ওপর বেশ কিছু দূর যাওয়ার পর গাড়িটি আটকে পড়ে। তখন চালক উপস্থিত লোকজনকে জানান, তিনি জিপিএসের নির্দেশনা অনুসরণ করছিলেন।

পরে উদ্ধারকারী দল গাড়িটি রেললাইন থেকে সরিয়ে নেয়। রেলপথ ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

পুলিশ জানায়, বৃদ্ধা মাদক বা অ্যালকোহলের প্রভাবে ছিলেন বলে মনে হয়নি। তবে তাকে কিছুটা বিভ্রান্ত দেখাচ্ছিল এবং প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সময় নিচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে জরুরি সেবাকর্মীরা তার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করেন এবং পরবর্তী পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বয়সজনিত বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝির কারণেই তিনি জিপিএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে গিয়ে রেললাইনে উঠে পড়েছিলেন।

অমিয়/

পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে তরুণীর হুমকি, ‘আমার স্বামী পুলিশ’

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:০৯ পিএম
পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে তরুণীর হুমকি, ‘আমার স্বামী পুলিশ’
ছবি: সামাজিক মাধ্যম থেকে সংগৃহীত

গাড়ি চালিয়ে এক পথচারীর পায়ে আঘাত করার পর ক্ষমা চাওয়ার বদলে তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। স্বামীর পুলিশ পরিচয়ের কথা উল্লেখ করে ওই পথচারীকে ধমক দিতে দেখা যায় তাকে। 

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হরিয়ানার সেক্টর–৬২ এলাকায়। 

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এক্সে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, এক পথচারী তরুণ অভিযোগ করছেন যে রাস্তার এক পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ওই তরুণী গাড়ি চালিয়ে তার পা ও পায়ের পাতায় আঘাত করেন। অভিযোগের জবাবে ক্ষমা না চেয়ে উল্টো ওই পথচারীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন গাড়িচালক তরুণী।

ভিডিওতে গাড়িটির নম্বরপ্লেটও দেখা যায়, যা থেকে বোঝা যায় এটি হরিয়ানার নিবন্ধিত যানবাহন। অভিযোগকারী তরুণ ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করতে করতে গাড়ির কাছে গেলে তরুণী দরজা খুলে তাকে হুমকি দিতে শুরু করেন।

ভিডিওতে তরুণীকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার স্বামী পুলিশে চাকরি করে। তুমি রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাঁটছিলে, তাই ধাক্কা লেগেছে।’

এ সময় পথচারী তরুণ পাল্টা প্রশ্ন করেন, তিনি সত্যিই রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাঁটছিলেন কি না। এরপর তিনি ক্যামেরা ঘুরিয়ে দেখান যে গাড়িটি রাস্তার এক পাশে পার্ক করা ছিল। তার দাবি, তিনি রাস্তার মাঝখান নয়, বরং পাশ দিয়েই হাঁটছিলেন।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দুর্ঘটনার সঙ্গে তার স্বামীর পেশার সম্পর্ক কী এবং কেন তিনি পুলিশ পরিচয়কে প্রভাব খাটানোর উপায় হিসেবে ব্যবহার করলেন।

এক নেটিজেন মন্তব্য, ‘এটি চরম ঔদ্ধত্যের পরিচয়। একজন মানুষের পায়ে আঘাত লাগার পর সাধারণ সৌজন্য দেখানোর পরিবর্তে তিনি পুলিশি ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছেন।’

বিড়ালকে লাথি মেরে হাতেনাতে ফল!

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
বিড়ালকে লাথি মেরে হাতেনাতে ফল!
ছবি: সংগৃহীত

সিঁড়ির পাশে শুয়ে থাকা একটি বিড়ালকে লাথি মারার পর মুহূর্তেই বিপাকে পড়লেন এক তরুণী। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে নানা আলোচনা।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণী সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে একটি করিডরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় সিঁড়ির পাশে একটি ছোট বিড়ালকে শুয়ে থাকতে দেখে তিনি তার দিকে এগিয়ে যান। হঠাৎ করেই অসহায় প্রাণীটিকে লাথি মারেন।

লাথি খাওয়ার পরও বিড়ালটি চুপচাপ সিঁড়ির কাছেই বসে থাকে। তবে ঘটনার পরপরই বিপত্তি ঘটে ওই তরুণীর। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে যান তিনি। পড়ে গিয়ে যন্ত্রণায় কাতরাতেও দেখা যায় তাকে। পুরো ঘটনাটি নীরবে দেখছিল বিড়ালটি।

ভিডিওটি ‘ঘর কা কলেশ’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। যদিও ঘটনাটি কোথায় এবং কবে ঘটেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভিডিওটি দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ব্যবহারকারীরা। কেউ এটিকে ‘কর্মফল’ বলে মন্তব্য করেছেন, আবার কেউ প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের সমালোচনা করেছেন।

একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘বিড়ালের প্রতি দুর্ব্যবহারের প্রতিশোধ যেন প্রকৃতিই নিয়েছে।’ 

আরেকজনের মন্তব্য, ‘মানবতা হারিয়ে যাচ্ছে, যেমন কর্ম তেমনই ফল পেয়েছেন ওই তরুণী।’

অমিয়/