ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩১, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

ভেক্টর অধ্যায়ের ৩৬টি জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর- এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ০৭:২৭ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৪, ০৭:২৭ পিএম
ভেক্টর অধ্যায়ের ৩৬টি জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর- এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। একক ভেক্টর কাকে বলে?
উত্তর: কোনো ভেক্টরের মান এক একক হলে তাকে একক ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-২। অবস্থান ভেক্টর কাকে বলে?
উত্তর: প্রসঙ্গ কাঠামোর মূল বিন্দুর সাপেক্ষে যে ভেক্টর দিয়ে কোনো বিন্দুর অবস্থান নির্দেশ করা হয় তাকে অবস্থান ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-৩। নাল ভেক্টর কাকে বলে?
উত্তর: যে ভেক্টরের মান শূন্য এবং যার কোনো নির্দিষ্ট দিক থাকে না তাকে নাল ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-৪। আয়ত একক ভেক্টর কাকে বলে?
উত্তর: ত্রিমাত্রিক স্থানাঙ্ক ব্যবস্থায় ধনাত্মক তিনটি অক্ষের দিকে ব্যবহৃত একক ভেক্টরগুলোকে আয়ত একক ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-৫। সরণ ভেক্টর কাকে বলে?
উত্তর: কোনো কণার অবস্থান ভেক্টরের পরিবর্তনের হারকে সরণ ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-৬। ব্যাসার্ধ ভেক্টর কী?
উত্তর: প্রসঙ্গ কাঠামোর মূল বিন্দুর সাপেক্ষে কোনো বিন্দুর অবস্থান যে ভেক্টর দিয়ে নির্দেশ করা হয় তাকে ওই বিন্দুর অবস্থান ভেক্টর বা ব্যাসার্ধ ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-৭। স্বাধীন ভেক্টর কী?
উত্তর: কোনো ভেক্টর রাশির মান ও দিক ঠিক রেখে ইচ্ছেমতো পাদবিন্দু নেওয়া গেলে তাকে স্বাধীন বা মুক্ত ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-৮। সদৃশ ভেক্টর কী?
উত্তর: সমজাতীয় অসম মানের দুটি ভেক্টর যদি একই দিকে ক্রিয়া করে। তবে তাদের পরস্পর সদৃশ ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-৯। সমরেখ ভেক্টর কী?
উত্তর: দুই বা ততোধিক ভেক্টর যদি একই সরলরেখা বরাবর বা পরস্পর সমান্তরালে ক্রিয়া করে তবে তা সমরেখ ভেক্টর।
প্রশ্ন-১০। সমপ্রারম্ভিক ভেক্টর কাকে বলে?
উত্তর: একই পাদবিন্দু বিশিষ্ট ভেক্টরগুলোকে সমপ্রারম্ভিক ভেক্টর বলে।

প্রশ্ন-১১। সীমাবদ্ধ ভেক্টর কী?
উত্তর: যে ভেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুকে পাদবিন্দু হিসেবে ঠিক করে রাখা হয় তাই সীমাবদ্ধ ভেক্টর।
প্রশ্ন-১২। ঋণাত্মক ভেক্টর কী?
উত্তর: নির্দিষ্ট দিক বরাবর কোনো ভেক্টরকে ধনাত্মক হিসেবে ধরলে তার বিপরীত দিকে সমমানের সমজাতীয় ভেক্টরটিই হলো ঋণাত্মক ভেক্টর।
প্রশ্ন-১৩। বিপরীত ভেক্টর কাকে বলে?
উত্তর: সমমানের দুটি সমজাতীয় ভেক্টর যদি পরস্পর বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে তবে তাদের একটিকে অপরটির বিপরীত বা ঋণাত্মক ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-১৪। সমান ভেক্টর কী?
উত্তর: সমজাতীয় দুটি সমান্তরাল ভেক্টরের মান ও দিক একই হলে তারা পরস্পর সমান ভেক্টর।
প্রশ্ন-১৫। তল ভেক্টর কাকে বলে?
উত্তর: যেকোনো সমতলের ওপর অঙ্কিত অভিলম্বকে ওই তলের তল ভেক্টর বলে।
প্রশ্ন-১৬। লব্ধি ভেক্টর কী?
উত্তর: দুই বা ততোধিক ভেক্টরের সমন্বয়ে যে নতুন ভেক্টর পাওয়া যায় তাই লব্ধি ভেক্টর।
প্রশ্ন-১৭। দুটি ভেক্টরের লব্ধির মান কখন সর্বনিম্ন হয়?
উত্তর: দুটি ভেক্টর যখন একই সরলরেখা বরাবর পরস্পর বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে তখন তাদের লব্ধির মান সর্বনিম্ন হয়।
প্রশ্ন-১৮। তিনটি ভেক্টরের লব্ধি কখন শূন্য হয়?
উত্তর: একই বিন্দুতে একই সময়ে ক্রিয়ারত তিনটি সমজাতীয় সমতলীয় ভেক্টর রাশিকে কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহু দ্বারা একইক্রমে নির্দেশ করলে এদের লব্ধি শূন্য হয়।
প্রশ্ন-১৯। ভেক্টরের বিয়োগ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: দুটি ভেক্টর রাশির বিয়োগ বলতে একটি ভেক্টরের সঙ্গে অপরটির ঋণাত্মক ভেক্টরের যোগফল বোঝায়।
প্রশ্ন-২০। কোন সূত্রকে ভেক্টর যোগের সাধারণ নিয়ম বলা হয়?
উত্তর: একই জাতীয় দুটি ভেক্টরের প্রথমটির শীর্ষবিন্দুতে দ্বিতীয় ভেক্টরের পাদবিন্দু বসিয়ে সমান ভেক্টর অঙ্কন করে প্রথমটির পাদবিন্দু থেকে দ্বিতীয়টির শীর্ষবিন্দু যোগ করলে যে সরলরেখা পাওয়া যাবে তার দৈর্ঘ্য ভেক্টরদ্বয়ের লব্ধির মান নির্দেশ করবে। এই সূত্রকে ভেক্টর যোগের সাধারণ নিয়ম বলা হয়।

প্রশ্ন-২১। সমতলীয় ভেক্টর কী? 
উত্তর: যেসব ভেক্টর একই তলে অবস্থান করে সেগুলো হচ্ছে সমতলীয় ভেক্টর।
প্রশ্ন-২২। ভেক্টর যোগের সামান্তরিক সূত্রটি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: ভেক্টর যোগের সামান্তরিক সূত্রটি হলো- কোনো সামান্তরিকের দুটি সন্নিহিত বাহু যদি দুটি ভেক্টরের মান ও দিক সূচিত করে তবে ওই বাহুদ্বয়ের ছেদবিন্দু দিয়ে অঙ্কিত সামান্তরিকের কর্ণটি ভেক্টর দুটির লব্ধির মান ও দিক নির্দেশ করে।
প্রশ্ন-২৩। ত্রিভুজ সূত্রটি লেখ।
উত্তর: যদি কোনো ত্রিভুজের দুটি সন্নিহিত বাহু দ্বারা একই ক্রমে দুটি একই জাতীয় ভেক্টর নির্দেশ করা যায় তাহলে ত্রিভুজের তৃতীয় বাহুটি বিপরীতক্রমে ভেক্টর দুটির লব্ধি নির্দেশ করবে।
প্রশ্ন-২৪। ভেক্টর বিভাজন বা বিশ্লেষণ কী?
উত্তর: একটি ভেক্টর রাশিকে দুই বা ততোধিক ভেক্টর রাশিতে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াই ভেক্টর বিভাজন।
প্রশ্ন-২৫। স্কেলার গুণন কাকে বলে?
উত্তর: দুটি ভেক্টরের যে গুণনে একটি স্কেলার রাশি পাওয়া যায় এবং এর মান ওই ভেক্টরদ্বয়ের মান এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত কোনের cosine-এর মানের গুণফলের সমান হয় সে গুণনকে স্কেলার গুণন বলে।
প্রশ্ন-২৬। ভেক্টর গুণন কী?
উত্তর: দুটি ভেক্টরের যে গুণনে একটি ভেক্টর রাশি পাওয়া যায় এবং এর মান ওই ভেক্টরদ্বয়ের মান এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণের sine-এর মানের গুণফলের সমান হয় সে গুণনই ভেক্টর বা ক্রসগুণন।
প্রশ্ন-২৭। দুটি ভেক্টরের লব্ধির সর্বোচ্চ মান কত হতে পারে?
উত্তর: দুটি ভেক্টরের লব্ধির সর্বোচ্চ মান ভেক্টর দুটির মানের যোগফলের সমান হতে পারে।
প্রশ্ন-২৮। দুটি ভেক্টর পরস্পর 180° কোণে ক্রিয়া করলে এদের লব্ধির মান ও দিক কেমন হবে?
উত্তর: দুটি ভেক্টর পরস্পর 180° কোণে ক্রিয়া করলে অর্থাৎ পরস্পর বিপরীতমুখী হলে এদের লব্ধির মান ভেক্টর দুটির বিয়োগফল এবং দিক হবে বৃহত্তর ভেক্টরটির দিকে।
প্রশ্ন-২৯। দুটি ভেক্টরের লব্ধির মান কখন সর্বোচ্চ হয়?
উত্তর: দুটি ভেক্টর যখন একই সরলরেখা বরাবর পরস্পর একই দিকে ক্রিয়া করে তখন তাদের লব্ধির মান সর্বোচ্চ হয়।
প্রশ্ন-৩০। দুটি ভেক্টর রাশির ডট গুণনে কী পাওয়া যায়?
উত্তর: দুটি ভেক্টর রাশির ডট গুণনে একটি স্কেলার রাশি পাওয়া যায়। 

প্রশ্ন-৩১। ভেক্টরদ্বয়ের ভেক্টর গুণনের দিক নির্দেশ করো।
উত্তর: ভেক্টরদ্বয়ের ভেক্টর গুণনের দিক হলো A ও B ভেক্টরদ্বয় যে সমতলে আছে তার লম্ব দিকে।
প্রশ্ন-৩২। দুটি ভেক্টর কখন সমান্তরাল হয়?
উত্তর: দুটি ভেক্টরের ক্রস গুণফল শূন্য হলে ভেক্টরদ্বয় পরস্পর সমান্তরাল হয়।
প্রশ্ন-৩৩। স্কেলার ত্রিগুণন কী? 
উত্তর: দুটি ভেক্টর রাশির ক্রস গুণনের সঙ্গে অন্য একটি ভেক্টর রাশির ডট গুণনকে স্কেলার ত্রিগুণন বলে।
প্রশ্ন-৩৪। ক্যালকুলাস কী?
উত্তর: বিজ্ঞানের ভাষায় ক্যালকুলাস হলো অবিরত পরিবর্তনশীল ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ গণনার একটি শাস্ত্র যা আধুনিক গণিতের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।
প্রশ্ন-৩৫। আংশিক অন্তরীকরণ কাকে বলে?
উত্তর: দুই বা ততোধিক স্বাধীন চলকের সাপেক্ষে একটি অধীন চলকের একাধিক অন্তরীকরণ করাকে আংশিক অন্তরীকরণ বলে।
প্রশ্ন-৩৬। ভেক্টর অপারেটর কী?
উত্তর: যেসব গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে ভেক্টর রাশির রূপান্তর করা হয় সেগুলোকে ভেক্টর অপারেটর বলে।
প্রশ্ন ৩৭। স্কেলার ক্ষেত্র কাকে বলে?
উত্তর: ভেক্টর ফাংশন বা ক্ষেত্রের ডাইভারজেন্সগুলোকে স্কেলারক্ষেত্র বলে।
প্রশ্ন ৩৮। সলিনয়ডাল কী?
উত্তর: যে ভেক্টর ক্ষেত্রের ডাইভারজেন্স শূন্য সেই ভেক্টর ক্ষেত্রটি হচ্ছে সলিনয়েডাল।
প্রশ্ন ৩৯। ক্ষেত্র ভেক্টর বলতে কী বুঝ?
উত্তর: কোনো পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফলকে ক্ষেত্র ভেক্টর বলে। এর দিক ওই ক্ষেত্রের ওপর বাইরের দিকে লম্ব।
প্রশ্ন ৪০। গ্রাডিয়েন্ট কী?
উত্তর: যে ভেক্টর ক্ষেত্র অদিক রাশির সর্বাধিক বৃদ্ধির হার প্রকাশ করে তাকে গ্রেডিয়ান্ট বলে।

প্রশ্ন ৪১। কার্ল কী?
উত্তর: ভেক্টর ক্ষেত্রে অবস্থিত একটি বিন্দুর চারদিকে এর লাইন ইন্টিগ্রালের মান প্রতি একক ক্ষেত্রফলে সর্বোচ্চ হলে তা উক্ত বিন্দুতে ভেক্টর ক্ষেত্রের কার্ল প্রকাশ করে।
প্রশ্ন ৪২। ডাইভারজেন্স কাকে বলে?
 উত্তর: ভেক্টর অপারেটর ∇ এর সঙ্গে কোনো একট ভেক্টর ক্ষেত্রের ডট গুণন বা স্কেলার গুণনকে ওই ক্ষেত্রের ডাইভারজেন্স বলে।
প্রশ্ন ৪৩। ভেক্টর ব্যবকলনীয় বা ডিফারেনশিয়াল অপারেটর কী?
উত্তর: সময় t-এর ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরিবর্তনের জন্য t-এর সাপেক্ষে ভেক্টরের পরিবর্তনের হারকে সময় সাপেক্ষে ভেক্টরের ভেক্টর ব্যবকলনীয় বা ডিফারেনশিয়াল অপারেটর বলে।
প্রশ্ন ৪৪। একটি ভেক্টরের ঘূর্ণনশীল ও সলিনয়েড হওয়ার শর্ত কী?
উত্তর: কোনো ভেক্টরের কার্ল অশূন্য হলে ভেক্টরটি ঘূর্ণনশীল হবে এবং কোনো ভেক্টর ক্ষেত্রের ডাইভারজেন্স শূন্য হলে ওই ভেক্টর ক্ষেত্রটি সলিনয়ডাল হবে।
প্রশ্ন ৪৫। বিপ্রতীপ ভেক্টর কী?
উত্তর: দুটি সমান্তরাল ভেক্টরের একটির মান অপরটির বিপ্রতীপ হলে তাদের বিপ্রতীপ ভেক্টর বলে।

মৃদুল চন্দ্র মন্ডল, প্রভাষক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ
মিরপুর, ঢাকা/আবরার জাহিন

বাংলা উচ্চারণের ২টি ব্যাকরণিক প্রশ্নোত্তর এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৭:০৯ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৭:০৯ পিএম
বাংলা উচ্চারণের ২টি ব্যাকরণিক প্রশ্নোত্তর এইচএসসি বাংলা ২য় পত্র
ছবি: সংগৃহতি

ব্যাকরণিক প্রশ্ন ও উত্তর

সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ ও তাদের উচ্চারণ রীতি
১৫। র-ফলা: পদের প্রারম্ভে অবস্থিত ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে র-ফলা ( ª) যুক্ত হলে এবং ওই ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ‘অ’ স্বরচিহ্ন ব্যতীত অন্য কোনো স্বরচিহ্ন যুক্ত না থাকলে ‘র-ফলা’ যুক্ত বর্ণটির উচ্চারণ ‘ও-কারান্ত’ হয়ে থাকে। যেমন প্রভাব এর উচ্চারণ হবে প্রোভাব্। কোনো পদের মধ্য কিংবা অন্ত্য বর্ণের সঙ্গে ‘র-ফলা’ ( ª) যুক্ত হলে উক্ত বর্ণটি দুবার উচ্চারিত হয়। যেমন- রাত্রি এর উচ্চারণ হবে রাত্ত্রি। তবে পদের মধ্যে কিংবা শেষে ‘র-ফলা’ যুক্ত বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ হলেও ঋ-কার ( „) যুক্ত বর্ণের উচ্চারণ দ্বিত্ব হয় না। যেমন- বিক্রীত এর উচ্চারণ হবে বিক্ক্রিতো তবে বিকৃত এর উচ্চারণ হবে বিকৃতো।
১৬। ল-ফলা: শব্দের প্রথমে ল-ফলা যুক্ত বর্ণের উচ্চারণ অপরিবর্তিত থাকে। এর কোনো দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় না। যেমন- প্লাবন এর উচ্চারণ হবে প্লাবোন্। তবে পদের মধ্যে বা শেষে ল-ফলা যুক্ত হলে উক্ত বর্ণের উচ্চারণ দুইবার হয়। যেমন- আপ্লুত এর উচ্চারণ হবে আপ্প্লুতো। 
১৭। ব-ফলা: শব্দের প্রথমে ব-লা যুক্ত থাকলে সংযুক্ত বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় না। যেমন-স্বাধীন এর উচ্চারণ হবে শাধিন্। তবে শব্দের মাঝে বা শেষে ব-ফলা যুক্ত হলে সংযুক্ত বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ ঘটে। যেমন- বিশ্বাস এর উচ্চারণ হবে বিশ্শাশ্ ।

প্রশ্ন: ১। আদ্য অ-ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
উত্তর: ক) শব্দের আদিতে যদি ‘অ’ থাকে এবং তারপরে ‘ই’ কার, ‘উ’ কার থাকে তবে আদ্য ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ কারের মতো হয়। যেমন- অভিধান এর উচ্চারণ হবে ওভিধান্।
খ) শব্দের আদিতে যদি ‘অ’ থাকে এবং তারপরে য-ফলা (¨) যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে তবে আদ্য ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ কারের মতো হয়। যেমন- অদ্য এর উচ্চারণ হবে ওদ্দো।
গ) শব্দের আদ্য ‘অ’ এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’-কারের মতো হয়। যেমন- অক্ষ এর উচ্চারণ হবে ওক্খো।
ঘ) শব্দের আদিতে যদি ‘অ’ থাকে এবং তারপরে ঋ-কার ( „) যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে তবে ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ কারের মতো হয়। যেমন- মসৃণ এর উচ্চারণ হবে মোসৃন্ ।
ঙ) শব্দের প্রথমে ‘অ’ যুক্ত ‘র’ ( ª)- ফলা থাকলে আদ্য ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’-কার হয়ে থাকে। যেমন- শ্রদ্ধা এর উচ্চারণ হবে স্রোদ্ধা।

প্রশ্ন: ২। উদাহরণসহ ব-ফলা উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ।
উত্তর: ক) শব্দের প্রথমে থাকলে ব-ফলার উচ্চারণ হয় না। যেমন- ধ্বনি (ধোনি), ত্বক (তক্) ইত্যাদি।
খ) শব্দের মধ্যে বা শেষে ব-ফলা থাকলে সংযুক্ত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব হয়। যেমন- বিশ্ব (বিশ্শো), বিদ্বান (বিদ্‌দান্) ইত্যাদি।
গ) যুক্ত ব্যঞ্জনের সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে ‘ব’ অনুচ্চারিত থাকে। যেমন- সান্ত্বনা (শান্তোনা), দ্বন্দ্ব (দন্দো) ইত্যাদি।
ঘ) ব-য়ে ও ম-য়ে ব-ফলার উচ্চারণ বহাল থাকে। যেমন- নব্বই (নোব্বোই), সম্বোধন (শম্বোধন্) ইত্যাদি।
ঙ) শব্দের মধ্যে ও শেষে দ্ব-ফলা থাকলে ‘ব’-এর উচ্চারণ বহাল থাকে। যেমন- উদ্বেল (উদ্বেল্), ভবিষ্যদ্বাণী (ভোবিশ্‌শদ্বানি) ইত্যাদি।

মঈনউদ্দিন আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ, গোপালগঞ্জ/ আবরার জাহিন

মহাবিশ্ব অধ্যায়ের ৩টি যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর ও ১০টি শূন্যস্থান পূরণ করো, পর্ব-৪, ৫ম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৭:০৭ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৭:০৭ পিএম
মহাবিশ্ব অধ্যায়ের ৩টি যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর ও ১০টি শূন্যস্থান পূরণ করো, পর্ব-৪, ৫ম শ্রেণির বিজ্ঞান

যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: পৃথিবী সম্পর্কে যা জানো পাঁচ বাক্যে লেখ।
উত্তর: পৃথিবী সম্পর্কে যা জানি তা হলো-
১) পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ।
২) পৃথিবী একমাত্র গ্রহ, যেখানে মানুষসহ অন্যান্য প্রাণী বসবাস করতে পারে।
৩) পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর অবিরাম পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে।
৪) অন্যান্য গ্রহ, উপগ্রহের মধ্যে পৃথিবীর উপগ্রহই চাঁদ বৃহত্তম।
৫) পৃথিবী সূর্যকে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে একবার প্রদক্ষিণ করে।

প্রশ্ন: চাঁদ কী? চাঁদের চারটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর: চাঁদ হলো পৃথিবীর একটি উপগ্রহ। চাঁদের চারটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১) চাঁদ পৃথিবীর একটি উপগ্রহ।
২) চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই।
৩) চাঁদের আলোকিত অংশের কারণে পূর্ণিমা ও অমাবস্যা হয়।
৪) চাঁদ ২৮ দিনে নিজ অক্ষে একবার ঘুরে আসে।

প্রশ্ন: পৃথিবীর অবস্থান ও ঘূর্ণনের কারণে কীভাবে গ্রীষ্মকাল ও শীতকাল হয় পাঁচটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: ১) সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী আবর্তন করে।
২) পৃথিবীর আবর্তনের জন্য বিভিন্ন সময় পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ সূর্যের দিকে বা সূর্যের বিপরীত দিকে হেলে পড়ে।
৩) যখন পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলে থাকে তখন সূর্য অনেক উঁচুতে অবস্থান করে খাড়াভাবে কিরণ দেয়। এ সময় দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল।
৪) ফলে এ অংশে তখন গ্রীষ্মকাল।
৫) আবার উত্তর গোলার্ধ সূর্যের বিপরীত পাশে অবস্থান করলে সে অংশে তখন শীতকাল।

শূন্যস্থান পূরণ করো
১. ছায়াপথে অসংখ্য--- আছে।
উত্তর: ছায়াপথে অসংখ্য নক্ষত্র আছে।
২. বিপুলসংখ্যক গ্যালাক্সি ও এদের মধ্যবর্তী স্থান মিলে---।
উত্তর: বিপুলসংখ্যক গ্যালাক্সি ও এদের মধ্যবর্তী স্থান মিলে মহাবিশ্ব।
৩. বিজ্ঞানের লক্ষ্য হলো নানা ঘটনার মধ্যে--- উদঘাটন করা।
উত্তর: বিজ্ঞানের লক্ষ্য হলো নানা ঘটনার মধ্যে সম্পর্ক উদঘাটন করা।
৪. তত্ত্ব সৃষ্টি করতে--- চিন্তা প্রয়োজন।
উত্তর: তত্ত্ব সৃষ্টি করতে উদ্ভাবনী চিন্তা প্রয়োজন।
৫. চাঁদের নিজস্ব--- নেই।
উত্তর: চাঁদের নিজস্ব আলো নেই।
৬. বিশাল সৌরজগৎ--- একটি সদস্যমাত্র।
উত্তর: বিশাল সৌরজগৎ মহাবিশ্বের একটি সদস্যমাত্র।
৭. সৌরজগৎ যে গ্যালাক্সির সদস্য তাকে--- বলে।
উত্তর: সৌরজগৎ যে গ্যালাক্সির সদস্য তাকে ছায়াপথ বলে।
৮. বিজ্ঞান চর্চার নির্দিষ্ট কোনো--- নেই।
উত্তর: বিজ্ঞান চর্চার নির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতি নেই।
৯. সূর্য একটি বিশাল---।
উত্তর: সূর্য একটি বিশাল গ্যাসপিণ্ড।
১০. চাঁদ আসলে পৃথিবীর মতো কঠিন এক---।
উত্তর: চাঁদ আসলে পৃথিবীর মতো কঠিন এক গোলক।

পিয়ারা আক্তার, শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা/আবরার জাহিন

পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর- পর্ব-৩, এইচএসসি ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:৫৫ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:৫৫ পিএম
পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর- পর্ব-৩, এইচএসসি ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র
ছবি: সংগৃহীত

ব্যাকরণিক প্রশ্ন ও উত্তর

সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ ও তাদের উচ্চারণ রীতি
১৫। র-ফলা: পদের প্রারম্ভে অবস্থিত ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে র-ফলা ( ª) যুক্ত হলে এবং ওই ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে ‘অ’ স্বরচিহ্ন ব্যতীত অন্য কোনো স্বরচিহ্ন যুক্ত না থাকলে ‘র-ফলা’ যুক্ত বর্ণটির উচ্চারণ ‘ও-কারান্ত’ হয়ে থাকে। যেমন প্রভাব এর উচ্চারণ হবে প্রোভাব্। কোনো পদের মধ্য কিংবা অন্ত্য বর্ণের সঙ্গে ‘র-ফলা’ ( ª) যুক্ত হলে উক্ত বর্ণটি দুবার উচ্চারিত হয়। যেমন- রাত্রি এর উচ্চারণ হবে রাত্ত্রি। তবে পদের মধ্যে কিংবা শেষে ‘র-ফলা’ যুক্ত বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ হলেও ঋ-কার ( „) যুক্ত বর্ণের উচ্চারণ দ্বিত্ব হয় না। যেমন- বিক্রীত এর উচ্চারণ হবে বিক্ক্রিতো তবে বিকৃত এর উচ্চারণ হবে বিকৃতো।
১৬। ল-ফলা: শব্দের প্রথমে ল-ফলা যুক্ত বর্ণের উচ্চারণ অপরিবর্তিত থাকে। এর কোনো দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় না। যেমন- প্লাবন এর উচ্চারণ হবে প্লাবোন্। তবে পদের মধ্যে বা শেষে ল-ফলা যুক্ত হলে উক্ত বর্ণের উচ্চারণ দুইবার হয়। যেমন- আপ্লুত এর উচ্চারণ হবে আপ্প্লুতো। 
১৭। ব-ফলা: শব্দের প্রথমে ব-লা যুক্ত থাকলে সংযুক্ত বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় না। যেমন-স্বাধীন এর উচ্চারণ হবে শাধিন্। তবে শব্দের মাঝে বা শেষে ব-ফলা যুক্ত হলে সংযুক্ত বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ ঘটে। যেমন- বিশ্বাস এর উচ্চারণ হবে বিশ্শাশ্ ।

প্রশ্ন: ১। আদ্য অ-ধ্বনি উচ্চারণের ৫টি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
উত্তর: ক) শব্দের আদিতে যদি ‘অ’ থাকে এবং তারপরে ‘ই’ কার, ‘উ’ কার থাকে তবে আদ্য ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ কারের মতো হয়। যেমন- অভিধান এর উচ্চারণ হবে ওভিধান্।
খ) শব্দের আদিতে যদি ‘অ’ থাকে এবং তারপরে য-ফলা (¨) যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে তবে আদ্য ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ কারের মতো হয়। যেমন- অদ্য এর উচ্চারণ হবে ওদ্দো।
গ) শব্দের আদ্য ‘অ’ এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’-কারের মতো হয়। যেমন- অক্ষ এর উচ্চারণ হবে ওক্খো।
ঘ) শব্দের আদিতে যদি ‘অ’ থাকে এবং তারপরে ঋ-কার ( „) যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে তবে ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ কারের মতো হয়। যেমন- মসৃণ এর উচ্চারণ হবে মোসৃন্ ।
ঙ) শব্দের প্রথমে ‘অ’ যুক্ত ‘র’ ( ª)- ফলা থাকলে আদ্য ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’-কার হয়ে থাকে। যেমন- শ্রদ্ধা এর উচ্চারণ হবে স্রোদ্ধা।

প্রশ্ন: ২। উদাহরণসহ ব-ফলা উচ্চারণের ৫টি নিয়ম লেখ।
উত্তর: ক) শব্দের প্রথমে থাকলে ব-ফলার উচ্চারণ হয় না। যেমন- ধ্বনি (ধোনি), ত্বক (তক্) ইত্যাদি।
খ) শব্দের মধ্যে বা শেষে ব-ফলা থাকলে সংযুক্ত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব হয়। যেমন- বিশ্ব (বিশ্শো), বিদ্বান (বিদ্‌দান্) ইত্যাদি।
গ) যুক্ত ব্যঞ্জনের সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে ‘ব’ অনুচ্চারিত থাকে। যেমন- সান্ত্বনা (শান্তোনা), দ্বন্দ্ব (দন্দো) ইত্যাদি।
ঘ) ব-য়ে ও ম-য়ে ব-ফলার উচ্চারণ বহাল থাকে। যেমন- নব্বই (নোব্বোই), সম্বোধন (শম্বোধন্) ইত্যাদি।
ঙ) শব্দের মধ্যে ও শেষে দ্ব-ফলা থাকলে ‘ব’-এর উচ্চারণ বহাল থাকে। যেমন- উদ্বেল (উদ্বেল্), ভবিষ্যদ্বাণী (ভোবিশ্‌শদ্বানি) ইত্যাদি।

মঈনউদ্দিন আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ, গোপালগঞ্জ/ আবরার জাহিন

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ৩১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর, পর্ব-৫, এইচএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:৪৭ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:৪৭ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ৩১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নোত্তর, পর্ব-৫, এইচএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৯৫. প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার কোন ভাষায়?
ক. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষায় 
খ. মেশিন ভাষায় 
গ. অ্যাসেম্বলি ভাষায় 
ঘ. উচ্চস্তরের ভাষায় 
৯৬. অ্যালগরিদমের চিত্রকে কী বলে?
ক. সিনট্যাক্স ভুল     খ. অ্যালগরিদম 
গ. অনুক্রমিক     ঘ. ফ্লোচার্ট
৯৭. অ্যাসেম্বলার কী?
ক. একটি মেশিন     খ. ব্রাউজার 
গ. প্রিন্টার     ঘ. সফটওয়্যার
৯৮. অ্যারে উপাদানের ঘরগুলোকে কী বলে?
ক. অ্যারে ইলিমেন্টস     খ. অ্যারে পয়েন্টার 
গ. অ্যারে বক্স     ঘ. অ্যারে ইনডেক্স
৯৯. বর্গমূল বের করার জন্য হেডার ফাইলে কোনটি দিতে হয়?
ক. conio.h     খ. stdion.h 
গ. math.h     ঘ. sqrt.h
১০০. সি কম্পাইলারে বিল্ট-ইন ফাংশনগুলো কোথায় থাকে?
ক. লাইব্রেরি ফাংশনে     
খ. বিল্ট-ইন ফাংশনে 
গ. ইউজার ডিফাইড ফাংশনে 
ঘ. মেইন ফাংশনে

১০১. প্রোগ্রামের ভিত্তি কোনটি? 
ক. কোডিং     খ. ডিবাগিং 
গ. প্রবাহচিত্র     ঘ. সুডোকোড
১০২. গঠন বিচার ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামের ভাষাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. ২ ভাগে     খ. ৩ ভাগে 
গ. ৪ ভাগে     ঘ. ৫ ভাগে
১০৩. সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানোর নির্দেশমালাকে কী বলে?
ক. হার্ডওয়্যার     খ. ফার্মওয়্যার 
গ. প্রোগ্রাম     ঘ. সফটওয়্যার
১০৪. সফটওয়্যার তৈরির জন্য কী প্রয়োজন? 
ক. হার্ডওয়্যার     খ. প্রোগ্রাম 
গ. কম্পিউটার ভাষা     ঘ. ফার্মওয়্যার 
১০৫. কম্পিউটার কোন ধরনের ভাষা বোঝে?
ক. English Language 
খ. Spoken Language
গ. Machine Language 
ঘ. Customized Language

১০৬. কম্পিউটার বুঝতে পারে এমন কিছু সংকেত ও কতিপয় নিয়মকানুনকে একত্রে কী বলে? 
ক. প্রোগ্রাম     খ. প্রোগ্রামের ভাষা 
গ. সফটওয়্যার     ঘ. ফার্মওয়্যার
১০৭. কম্পিউটারের অভ্যন্তরে দুটি সংকেত কী কী?
ক. ০ ও ১     খ. ১ ও ২ 
গ. ০ ও ২     ঘ. ০ ও ৩
১০৮. যান্ত্রিক ভাষার প্রধান উপকরণ নিচের কোনটি? 
ক. নিজস্ব ভাষা     খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. মানুষের ভাষা     ঘ. যন্ত্রের নিজস্ব ভাষা
১০৯. কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা কোনটি?
ক. মেশিন ভাষা     খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা    ঘ. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা
১১০. অ্যাসেম্বলি ভাষার নির্দেশাবলিকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. ৩ ভাগ     খ. ৪ ভাগ 
গ. ৫ ভাগ     ঘ. ৬ ভাগ

১১১. কোন ভাষা 0 ও 1 নির্ভর?
ক. মেশিন ভাষা     খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. কৃত্রিম ভাষা     ঘ. কম্পাইলার ভাষা
১১২. কোন ভাষায় প্রোগ্রাম কম্পিউটার সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের ঊর্ধ্বে থাকে?
ক. উচ্চ স্তরের ভাষা     খ. নিম্ন স্তরের ভাষা 
গ. মেশিন ভাষা     ঘ. কৃত্রিম ভাষা
১১২. উচ্চ স্তরের ভাষা কোনটি?
ক. Word Star     খ. Visicale 
গ. C++     ঘ. Lotus 1-2-3
১১৪. C++ কোন সালে শুরু হয়?
ক. ১৯৮০ সালে     খ. ১৯৮২ সালে
গ. ১৯৮৩ সালে     ঘ. ১৯৮৪ সালে
১১৫. চলক ও মেথডকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিনে নেয় কোনটি?
ক. পাইথন     খ. এডা 
গ. ফোরট্রান     ঘ. বেসিক

১১৬. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত কোন প্রজন্মের কম্পিউটার ভাষা?
ক. দ্বিতীয়     খ. তৃতীয় 
গ. চতুর্থ     ঘ. পঞ্চম
১১৭. কোন ধরনের এক্সপ্রেশন ব্যবহার করে শর্ত তৈরি করা হয়?
ক. কনডিশনাল এক্সপ্রেশন 
খ. প্রোগ্রামিং এক্সপ্রেশন
গ. কম্পাইলার এক্সপ্রেশন 
ঘ. রিলেশনাল এক্সপ্রেশন
১১৮. কোনটির মাধ্যমে একই ধরনের একাধিক ডেটা রাখা যায়?
ক. স্ট্রিং     খ. পয়েন্টার 
গ. সর্টিং     ঘ. অ্যারে
১১৯. একটি প্রোগ্রামের কতটি অংশ থাকে?
ক. ২টি     খ. ৩টি 
গ. ৪টি     ঘ. ৫টি
১২০. সমস্যা সমাধানের জন্য প্রোগ্রাম তৈরির ধাপ কয়টি?
ক. ২টি     খ. ৩টি 
গ. ৪টি     ঘ. ৫টি

১২১. প্রোগ্রাম টেস্টিংয়ের পূর্ববর্তী ধাপ কোনটি?
ক. সমস্যা বিশ্লেষণ     খ. কোডিং 
গ. প্রোগ্রাম উন্নয়ন     ঘ. প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ 
১২২. প্রোগ্রামে কোন ধরনের ভুলের জন্য কম্পিউটার বার্তা দেয়?
ক. সিনট্যাক্স ভুল     খ. লজিক্যাল ভুল 
গ. ডেটা ভুল     ঘ. যেকোনো ভুল
১২৩. প্রোগ্রামের ভুলকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
ক. দুই ভাগে     খ. তিন ভাগে 
গ. চার ভাগে     ঘ. পাঁচ ভাগে
১২৪. অ্যালগরিদম কী?
ক. পর্যায়ক্রম     খ. সিদ্ধান্তক্রম 
গ. অনুক্রমিক     ঘ. ফ্লোচার্ট
১২৫.  = কোন ধরনের অপারেটর?
ক. গাণিতিক     খ. রিলেশনাল 
গ. লজিক্যাল     ঘ. অ্যাসাইনমেন্ট

উত্তর: ৯৫. ক ৯৬.খ ৯৭. ঘ ৯৮. ঘ ৯৯.গ ১০০.ক
১০১.ক ১০২. ঘ ১০৩. গ ১০৪. গ ১০৫. গ ১০৬. খ ১০৭. ক ১০৮. ঘ ১০৯. ক ১১০.খ ১১১.ক ১১২.ক ১১৩.গ ১১৪.গ ১১৫.ক ১১৬.ঘ ১১৭.ক ১১৮.ঘ ১১৯. খ ১২০. ঘ ১২১. গ ১২২. ক ১২৩. খ ১২৪. খ ১২৫. খ।

এস কে এম মোজাম্মেল হক, সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা/ আবরার জাহিন

 

 

Rules of Sentence Connectors-এর ২০টি Rule নিয়ে আলোচনা, এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:৪০ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৬:৪০ পিএম
Rules of Sentence Connectors-এর ২০টি Rule নিয়ে আলোচনা, এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র

Rules of Sentence Connectors

32. In comparison (তুলনায়) In comparison, Rana did well in the examination. 
33. Instead (পরিবর্তে) His father told him to take biology. Instead, he took math.
34. If (যদি) If you come, I shall go.
35. However/Nevertheless (যাই হোক) He failed in the exam. However, he will try for the next time.

36. Despite (সত্ত্বেও) Despite his illness, he went to office.
37. Unless (যদি না) Unless you try hard you will fail. 
38. Whoever (যেই হোক) Whoever it may be, I shall punish him.
39. Whatever (যাই হোক) You can not do whatever you like.
40. Wherever (যেখানে খুশি সেখানে) You may go wherever you like

41. Even though/ Even if (যদিও) Even though time is valuable, many people do not realize it.
42. Usually (সাধারণত) Usually he goes to office at 5 pm.
43. Really/In fact (প্রকৃতপক্ষে) Really, he is an honest man.
44. Apart from this (এ ছাড়া) He gave me food. Apart from this, he gave me some money
45. First and most importantly (প্রধানত) First and most importantly you should find out a job.

46. While (যখনো) While it was raining, he came.
47. Provided (প্রদান করা) She had Provided all the information he needed through Connie.
48. As if/As though (যেন) He talks as if he were a mad.
49. In case (যদি) In case you fail, I shall help you.
50. Otherwise (নতুবা) You must come. Otherwise, I shall punish you. 
51. Let alone (হস্তক্ষেপ না করা) She can’t boil potatoes, let alone cook a meal.

বিদ্যুৎ রায়, সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা/আবরার জাহিন