ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাজশাহী অঞ্চলে তাপপ্রবাহে হাঁসফাঁস দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতাপার্টির’ বিক্ষোভ আজ ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটি ৫ আগস্ট ঘটে যেতে পারে বায়ুদূষণে বদলে যাচ্ছে ভ্রূণের জিন জলাবদ্ধতা ও দুর্গন্ধে নাকাল ঘিওর বাজার ছায়ানটে শুরু হলো দুই দিনের নজরুল উৎসব রাজধানীবাসীকে ফেরাতে সিটি বাসও গেছে ঢাকার বাইরে ৬ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ৬ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল মে মাসে মব হামলায় নিহত ৩২: এমএসএফ ‘নতুন পুরাতন মিলিয়ে ভালোই বোর্ড হবে’ শাহজালালের কার্গো শেডে আগুন শূন্যরেখায় মানবেতর জীবন শিকলবাহায় হত‍্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মরদেহ নিয়ে মহাসড়কে বিক্ষোভ অ্যালামনাই প্ল্যাটফর্ম ০২০৪ ব্যাচের বন্ধুদের ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী মায়ানমারে পাচারকালে দেড় হাজার বস্তা সিমেন্ট আটক ৫২ মরুভূমিতে বিকল ট্রাক, পানির অভাবে ৪৯ জনের মৃত্যু মেধা ও ক্রীড়াবান্ধব জাতি গঠনে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ভক্তদের শোডাউন সরকারকে ৭ দিনের আলটিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের প্রথমবার এআই তৈরি করল ‘সুপার-ভ্যাকসিন’ হাদি হত্যা মামলার বাদীকে নিয়ে বোনের প্রশ্ন? জয়পুরহাট সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির টহল জোরদার রাজনীতি এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে: মির্জা ফখরুল হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত হান্নানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির তথ্য ফাঁস, ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি! দোয়া গুরুত্বপূর্ণ এক ইবাদত
Nagad desktop

ভাষার মাস ভাষা আন্দোলন ও তমদ্দুন মজলিস

প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৩৩ এএম
ভাষা আন্দোলন ও তমদ্দুন মজলিস
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার এক মাসের মধ্যে প্রগতিবাদী যুবকদের উদ্যোগে গঠিত হয় সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংগঠন তমদ্দুন মজলিস। শুরুতে রাষ্ট্রভাষা বাংলা ও বাংলার ব্যবহার ওই সংগঠনে সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছিল। ভাষার প্রশ্নে গণ-আজাদী লীগ ও গণতান্ত্রিক যুবলীগের তুলনায় তমদ্দুন মজলিস অনেক বেশি সক্রিয় ছিল। 

ভাষার দাবিকে আন্দোলনে রূপান্তর করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক আবুল কাসেম। ১৯৪৭ সালের ৫ ডিসেম্বর আবুল কাসেম, আবু জাফর শামসুদ্দীনসহ প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতি মাওলানা আকরম খাঁর সঙ্গে ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন। সেই বছর ৬ ডিসেম্বর আবুল কাসেমের নেতৃত্বে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সর্বপ্রথম সাধারণ ছাত্রসভার আয়োজন করা হয়। 

১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত হলো প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। পরিষদের আহ্বায়ক নিযুক্ত হন অধ্যাপক নুরুল হক ভূঁইয়া। সর্বপ্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠনের সময় শামসুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত মুসলিম ছাত্রলীগের অল্প কয়েকজন কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সংগ্রাম পরিষদের সদস্য অধ্যাপক আবুল কাসেম, মহম্মদ তোয়াহা, শামসুল আলম, নঈমুদ্দিন আহমদ, ফরিদ আহমদ, শওকত আলী, আবুল খায়েররা এ সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

সংগ্রাম পরিষদের কাজকর্ম প্রায় সব গোপনেই হতো প্রথম দিকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন রশীদ বিল্ডিংয়ে তমদ্দুন মজলিসের অফিস ছিল ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্র। 

‘সাপ্তাহিক সৈনিক’ ছিল তমদ্দুন মজলিসের মুখপত্র; যার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর। ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই সাপ্তাহিক পত্রিকাটি। 

সংগ্রাম পরিষদ বহুদলীয় হওয়া সত্ত্বেও তমদ্দুন মজলিস রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলন সংঘটনে সফল হয়নি। 

ভাষা আন্দোলনের কর্মী প্রাবন্ধিক-গবেষক আহমদ রফিক তার ‘ভাষা আন্দোলন’ বইটিতে বলেছেন, ‌‘ভাষা আন্দোলনের একেবারে প্রাথমিক পর্বে তমদ্দুন মজলিসের সক্রিয় ভূমিকা সত্ত্বেও মতাদর্শগত সংকীর্ণতার কারণে আন্দোলনের সম্মিলিত প্রয়াসের ক্ষেত্রে মজলিস পিছিয়ে পড়ে। বামপন্থিদের প্রতি অসহিষ্ণুতাও আরেকটি কারণ।’
 
ভাষাসংগ্রামীরা নানা সাক্ষাৎকারে সেই কথারই পুনরাবৃত্তি করেছেন। তমদ্দুন মজলিস প্রসঙ্গে তারা বলেছেন, এই সংগঠনের নেতারা সমাজতন্ত্রীদের স্বার্থকে পোষণ করা বা সাহায্য করতে চাননি। তারা ইসলামের বিপ্লবী সম্ভাবনায় বিশ্বাস করতেন। 

তারা বলেন, পাকিস্তান রাষ্ট্রযন্ত্রের ক্রমাগত বৈষম্য ও নিপীড়নের মুখে ইসলামি আদর্শভিত্তিক সাম্যের সমাজ বা সমাজতন্ত্র ছিল অনেক দূরের চিন্তা। যে কারণেই ভাষা আন্দোলনের স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ে তমদ্দুন মজলিস। এ কারণে ভাষা আন্দোলনের লাগাম চলে আসে বামপন্থিদের হাতে।

তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ
তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৫৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১ জুন। ১৯৬৯ সালের এ দিনে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

১৯১১ সালে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া গ্রামে মানিক মিয়ার জন্ম। বরিশালের ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৩৫ সালে বিএ পাস করে পিরোজপুর মহকুমা হাকিমের আদালতে সহকারী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়।

১৯৪৭ সালে হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী কর্তৃক কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার পরিচালনা বোর্ডের সেক্রেটারি পদে যোগ দেন তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। ১৯৪৮ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে গেলে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং সাপ্তাহিক ইত্তেফাকের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৫৩ সালে তার সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ইত্তেফাক ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ রূপান্তরিত হয়।

মানিক মিয়ার সম্পাদনায় দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সামরিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৯৫৯ সালে তিনি এক বছর কারাভোগ করেন। ১৯৬৬ সালে তিনি আবারও গ্রেপ্তার হন। এ সময় দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশনা নিষিদ্ধ এবং নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস বাজেয়াপ্ত করা হয়।

ফলে তার প্রতিষ্ঠিত অন্য দুটি পত্রিকা ঢাকা টাইমস ও পূর্বাণী বন্ধ হয়ে যায়। গণ-আন্দোলনের মুখে সরকার ইত্তেফাকের ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। ফলে ১৯৬৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পত্রিকাটি ফের প্রকাশিত হয়।

‘রাজনৈতিক ধোঁকাবাজি’, ‘রাজনৈতিক মঞ্চ’ আর ‘রঙ্গমঞ্চ’ শিরোনামে কলাম লিখে বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতাকামী করে তোলেন মানিক মিয়া। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি আমৃত্যু নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।

আজ বিশ্ব কচ্ছপ দিবস

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
আপডেট: ২৩ মে ২০২৬, ১০:২৯ এএম
আজ বিশ্ব কচ্ছপ দিবস
ছবি: সংগৃহীত

আজ ২৩ মে বিশ্ব কচ্ছপ দিবস। পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন জীবগুলোর মধ্যে অন্যতম কচ্ছপ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি, এই প্রাণীর প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধি এবং এর সংরক্ষণে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেই প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়।

আমেরিকান টরটয়েজ রেসকিউ নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ২০০০ সাল থেকে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেয়। এরপর থেকেই প্রতি বছর ২৩ মে সারাবিশ্বে পালিত হয়ে আসছে ‘বিশ্ব কচ্ছপ দিবস’। বিশ্বজুড়ে কচ্ছপ ও তাদের বিলুপ্তপ্রায় আবাসস্থল রক্ষায় মানুষকে উৎসাহিত করাই দিবসটির মূল উদ্দেশ্য।

সরীসৃপ শ্রেণির উভচর প্রাণী কচ্ছপ পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন জীব হিসেবে পরিচিত। শান্ত স্বভাবের এই প্রাণীর আয়ু মানুষের চেয়েও বেশি। তবে জলবায়ুর দ্রুত পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ ও আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে প্রাণীটি আজ বিলুপ্তির হুমকিতে পড়েছে।

বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৩০০ প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে বলে জানা যায়। বাংলাদেশে রয়েছে প্রায় ২০ প্রজাতির কচ্ছপ। নদী, খাল-বিল, ডোবা, গভীর সমুদ্র, মাটির গর্ত, গাছের গুড়ি কিংবা বালুময় স্থানে এদের বসবাস। একসময় দেশের নদী-নালা, পুকুর-ডোবা ও গ্রামীণ পরিবেশে সহজেই কচ্ছপ দেখা গেলেও এখন তাদের উপস্থিতি অনেকটাই কমে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নদী-নালা ও জলাশয় ভরাট, ঝোপঝাড় ধ্বংস, পানি দূষণ, খাদ্যাভাব এবং মানুষের নির্বিচার আক্রমণের কারণে কচ্ছপ দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর প্রায় ৩০০ প্রজাতির কচ্ছপের মধ্যে প্রায় একশ’ প্রজাতি বর্তমানে বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে।

কচ্ছপ সাধারণত রাতের বেলা ডিম পাড়ে। স্ত্রী কচ্ছপ মাটিতে গর্ত করে সেখানে ১ থেকে ৩০টি পর্যন্ত ডিম দেয়। ডিম পাড়ার পর সেগুলো মাটি, বালি বা জৈব পদার্থ দিয়ে ঢেকে রেখে যায়। এরপর ডিমগুলো প্রকৃতির ওপরই নির্ভরশীল থাকে। প্রজাতিভেদে ৬০ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়।

দীর্ঘায়ুর জন্যও কচ্ছপ বিশেষভাবে পরিচিত। তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জীবিত সবচেয়ে বয়স্ক কচ্ছপের নাম ‘জোনাথন’। সেন্ট হেলেনা দ্বীপে বসবাসকারী এই কচ্ছপটির বয়স প্রায় ১৯০ বছর বলে ধারণা করা হয়। সত্য হলে এটি পৃথিবীর দীর্ঘায়ু জীবিত প্রাণীদের অন্যতম।

পরিবেশবিদরা বলছেন, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কচ্ছপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই প্রাণী রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অবৈধ শিকার বন্ধ এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার

আমান/

গৌরীপুরে ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
আপডেট: ১৩ মে ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
গৌরীপুরে ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে রাজেন্দ্র কিশোর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের (আর কে হাই স্কুল) প্রতিষ্ঠাতা ও গৌরীপুরের ৫ম জমিদার ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর ১৫৩তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে।

এসিক অ্যাসোসিয়েশন, ক্রিয়েটিভ অ্যাসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি অ্যান্ড লাইব্রেরি, ক্রিয়েটিভ সন্ধানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাব এবং দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর পেন অ্যাওয়ার্ড অ্যাফেয়ার্স-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচিতে ছিল, কেক কাটা ও আলোচনা সভা।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১২ মে) কেক কাটা হয়। এরপর বুধবার (১৩ মে) বেলা ১১টায় ধানমহালে ক্রিয়েটিভ অ্যাসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি অ্যান্ড লাইব্রেরির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইতিহাস ঐতিহ্যের গবেষক খায়রুল আলম তুহিন, দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর পেন অ্যাওয়ার্ড অ্যাফেয়ার্স-এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর পেন অ্যাওয়ার্ড অ্যাফেয়ার্স এর সহসভাপতি ও এসিক অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরি সদস্য হিউবার্ড চক্রবর্তী, গৌরীপুর আর কে সরকারি স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও প্রতিভা কোচিং সেন্টারের পরিচালক অমল চন্দ্র দাস।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- গৌরীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহসভাপতি মো. লুৎফর রহমান খান খোকন, সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক সুপক রঞ্জন উকিলসহ সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য, গৌরীপুর আর কে সরকারি স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্ররা।

সমাপনী বক্তব্য দেন ক্রিয়েটিভ অ্যাসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি অ্যান্ড লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক, গবেষক ও  ইতিহাস সন্ধানী মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন সরকার। 

আলোচনা সভায় গৌরীপুর রাজবাড়ির ৫ম পুরুষ জমিদার ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর কর্মময় জীবন, গৌরীপুরে উচ্চ বিদ্যালয়, ১৯২৭ সালে গৌরীপুর পৌরসভা, ১৯১২-১৮ সালে গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন ইত্যাদি গঠনে তার অবদান এবং বিভিন্ন সামাজিক অবদান তুলে ধরা হয়।

অমিয়/

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ১০:০১ এএম
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য

‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়/ পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’- অনাচার আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে কলম ধরে বাংলা সাহিত্যে বিপ্লবের সুর তোলা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৩ মে। ১৯৪৭ সালের আজকের এই দিনে ২১ বছর বয়সে কলকাতার একটি ক্লিনিকে নিভে গিয়েছিল এই প্রতিভাধর কবির জীবনদীপ।

যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অকালে ঝরে গেলেও মাত্র কয়েক বছরের সাহিত্যচর্চায় তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ‘গণমানুষের কবি’ হিসেবে। পরাধীন ভারতের বঞ্চনা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা আর তেতাল্লিশের মন্বন্তর তার লেখায় ফুটে উঠেছে শ্রেণিবৈষম্যহীন এক পৃথিবীর স্বপ্ন হয়ে।

১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতার কালীঘাটে জন্মগ্রহণ করা সুকান্তের পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। বেলেঘাটা দেশবন্ধু স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলেও জীবনের পাঠশালায় তিনি ছিলেন অনন্য। ১৯৪৪ সালে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভের পর থেকে তার সাহিত্য ও রাজনীতি একাকার হয়ে যায়।

কবির উল্লেখযোগ্য সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে ‘ছাড়পত্র’; যা তাকে বাংলা সাহিত্যে কালজয়ী আসন দিয়েছে। 

অন্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘পূর্বাভাস’, ‘মিঠেকড়া’, ‘ঘুম নেই’, ‘হরতাল’। ‘আকাল’ তার সম্পাদিত বিখ্যাত ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ।

সুকান্ত কেবল কবিতাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, কিশোর বয়সেই তিনি লিখেছিলেন গীতিনাট্য ‘রাখাল ছেলে’ এবং ব্যঙ্গাত্মক নাটিকা ‘দেবতাদের ভয়’। এ ছাড়া গল্প, গান এবং প্রবন্ধেও ছিল তার সাবলীল বিচরণ। আকাশবাণী কলকাতার ‘গল্প দাদুর আসরে’ তার লেখা গান গেয়েছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী পঙ্কজ মল্লিক।

রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী হরিপূজা

প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
আপডেট: ০২ মে ২০২৬, ১০:০০ এএম
রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হলো শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী হরিপূজা
ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ী শহরের ঐতিহ্যবাহী হরিতলা মন্দিরে অনুষ্ঠিত হলো শতবর্ষের পুরনো হরিপূজা। এই নিয়ে টানা ১৪৮ বার আয়োজন করা হয় এই পূজা।

প্রতিবছরের মতো এবারও ১৮ বৈশাখ এই পূজা উদযাপিত হয়।

শুক্রবার (১ মে) দুপুর থেকে শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। বিকেলে পূজা শেষে ভক্তরা অঞ্জলি দেন। পরে বিতরণ করা হয় প্রসাদ। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর পদাবলি কীর্তন। ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো হরিতলা এলাকা।

রাজবাড়ী শহরের বড়পুল এলাকায় অবস্থিত হরিতলা মন্দির শহরের প্রাচীন মন্দিরগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতিবছর হরিপূজা অনুষ্ঠিত হয় বলে মন্দিরটি হরিতলা মন্দির নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এই পূজার নাম অনুসারে পুরো এলাকাটিও হরিতলা নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। হরিতলা মন্দির এই অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন।

হরিতলা এলাকার বাসিন্দা ও আইনজীবী অভিজিৎ সোম অভি বলেন, ‘এই হরিপূজা আমাদের এলাকার শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী পূজা। ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি এই পূজা। এটি শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের এলাকার পরিচয়, আমাদের শিকড়ের সঙ্গে বাঁধনের উৎসব’।

প্রতি বছরের মতো এবারও এই পূজাকে কেন্দ্র করে হরিতলা এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা এসে পূজায় অংশ নেন।

সুমন/আমান