সৃজনশীল কর্মের অধিকার সুরক্ষার বার্তা নিয়ে আজ ২৩ এপ্রিল পালিত হবে বিশ্ব গ্রন্থ ও কপিরাইট দিবস। প্রতিবছরের মতো বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হবে।
বিশ্বজুড়ে পঠন-পাঠন, প্রকাশনা ও কপিরাইটকে উৎসাহিত করতে ১৯৯৫ সাল থেকে ইউনেসকোর উদ্যোগে ২৩ এপ্রিল দিবসটি পালন করা শুরু হয়।
বিশ্ব গ্রন্থ ও কপিরাইট দিবসের যাত্রা শুরু হয় মূলত ১৯৮২ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত ইউনেসকোর আন্তর্জাতিক গ্রন্থ সম্মেলনের মাধ্যমে। সেই সম্মেলনে পরবর্তী ১০ বছরের জন্য ‘পড়ুয়া সমাজ’ গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে দিনটিকে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
২৩ এপ্রিল তারিখটি বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে বিশেষ কিছু ঐতিহাসিক কারণ। আধুনিক উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত স্প্যানিশ ঔপন্যাসিক মিগুয়েল দি কারভানতিসের মৃত্যু দিন আজ। একই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিশ্ববিখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র এবং আধুনিককালের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ভ্লাদিমির নবোকভ। এ ছাড়া স্পেনে ১৯২৫ সাল থেকে এই দিনে প্রিয়জনকে বই উপহার দেওয়ার একটি চমৎকার রেওয়াজ প্রচলিত রয়েছে।
বিশ্ব গ্রন্থ ও কপিরাইট দিবস উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত কপিরাইট অফিসে আজ দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় ‘আইপি অ্যান্ড স্পোর্টস: রেডি, সেট, ইনোভেট’ শীর্ষক সেমিনার ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বইকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গ্রহণ করা এবং লেখক-সৃজনশীল কর্মীদের মেধাস্বত্ব রক্ষা করাই এই দিবসটির মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।