ঢাকার সাভার উপজেলায় সকাল থেকেই সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে এসেছেন নারী ও পুরুষ ভোটাররা। ভোটগ্রহণ শুরুর অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপি ও জামায়াত জোটের এনসিপিসহ আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোট শুরুর আগে থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ ভোটাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছেন। রাজনৈতিক দলের মতাদর্শী অনেকই ফজরের নামাজ শেষে চলে এসেছেন ভোট দিতে। এছাড়া উৎসাহ নিয়ে উৎসুক অনেকেই এসেছেন আগেভাগে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে। সবারই প্রত্যাশা যেন সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
সাভার পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা মো. টিটু বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর নির্যাতিত ছিলাম। আজ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে এসে আমরা সবাই আনন্দিত। আমরা যে দলই করি না কেন, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। আমরা আশা করব শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। যদি শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারি তাহলে আমরা অনেক আনন্দিত হবো। এলাকার মানুষ যেহেতু দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেনি। তারা বিগত দিনের নির্বাচনে কেন্দ্রে এসে দেখেছে তাদের ভোট হয়ে গেছে। এবার যেহেতু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবাই তৎপর আছে। ইনশাল্লাহ সবাই ভোট দিতে উপস্থিত হবে।’
একই কেন্দ্রের একজন নারী ভোটার বলেন, ‘ভোট দিতে এসে অনুভূতি অনেক ভালো। ভোর ৬টায় এসে দাঁড়িয়েছি প্রথম ভোট দেওয়ার জন্য। আজ ঈদের মতো আনন্দ লাগছে। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এটাই প্রত্যাশা।’
আব্দুস সাত্তার নামে আরেক ভোটার বলেন, ‘আমি ফজরের নামাজ পড়ে এসেই ভোটকেন্দ্রের লাইনে দাঁড়িয়েছি। কারণ দীর্ঘ দিন আমাদের ভোটের অধিকার আমরা প্রয়োগ করতে পারিনি। এই বছর যেহেতু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে আমরা ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছি। এই কারণে আমরা গর্বিত ও আনন্দিত।’
এদিকে জিরাবো দেওয়ান ইদ্রিস কলেজে ভোট প্রদান করেছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু।
ইমতিয়াজ ইসলাম/অমিয়/