ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
স্মৃতির মলাটে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত পাশে ছিলেন সহপাঠীরা বেরোবির বিশেষ বাসসেবায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা সপ্তাহের প্রথম দিনে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জাতীয় বাজেট নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের হালিশহরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবককে গণপিটুনি ট্রাকসহ ভেঙে পড়ল বেইলি সেতু, ময়মনসিংহ-ধোবাউড়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে রাতে বিজিবির সঙ্গে আনসার-ভিডিপির টহল ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও ১ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু জিপিএসের নির্দেশ মেনে সোজা রেললাইনে গাড়ি, ভাইরাল বৃদ্ধার গাড়িচালনা এসএসসি পাসে চাকরির সুযোগ, নেবে ২৮০ জন কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব: যা জানা জরুরি কোটচাঁদপুরে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ কষ্টকর হবে জীবন, সব জিনিসের দাম বাড়বে বিশ্বের অন্যতম প্রশস্ত সড়ক ‘মনুমেন্টাল অ্যাক্সিস’ বিশ্বকাপ স্কোয়াডের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র, ইরানের ক্ষোভ সন্ধ্যার মধ্যে ৭ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত হরিপুর সীমান্তে ৩২ ঘণ্টা পরও শূন্যরেখায় ১১ জন রোনালদো গোল না পেলেও জিতল পর্তুগাল মিরসরাইয়ে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ১৭টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ১ম পত্র শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড অনূর্ধ্ব-১৫ ডেভেলপমেন্ট কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল নিয়ে এক দিনে ২ নির্দেশনা, প্রশাসনে বিভ্রান্তি শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় পড়া চলছে রাতারগুলে প্ল্যাস্টিক বর্জ্য ধ্বংস করে বৃক্ষরোপণ
Nagad desktop

Unit-7, Lesson-5-এর ৫টি প্রশ্নোত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৫, ০৬:০০ পিএম
Unit-7, Lesson-5-এর ৫টি প্রশ্নোত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ১ম পত্র
আমরা খাবার, জামাকাপড় বা দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য অর্থ ব্যয় করে থাকি। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Unit-7, Lesson-5
Question No. 1 (B)

1. Read the passage and answer questions B.

We spend money for different reasons. We buy foods, clothes or everyday essentials, pay for different services, entertain people, travel to places, help others in need or invest in business and thus spend money every day. In fact, spending is a part of our life. 
Spending may make us happy or unhappy depending on how and why we spend. When we spend money on things that we need and within our limit, it is good. When it becomes a compulsive behavior, it makes life stressful. Unnecessary spending or spending beyond one’s means has some bad effects. For one thing, it may lead to financial ruin or debt and for another, it may create unhappiness within families. People who overspend are never satisfied with what they have. They always rush for brands, fashion items, designer clothes etc. Over a period of time, it becomes an addiction which may eventually create psychological problems. 
Nowadays customer items are displayed in stores or in advertisements in ways that they create a feeling of immediate need for them. We are constantly tempted to buy, use or consume things even when we do not have a genuine need. We all need to be careful here. Salespersons often encourage customers to buy things by flattering them. ‘This is a perfect match for you,’ they would say, or ‘You look so stunning in that dress.’ Never forget, they say the same thing to most of their customers. It is better not to be persuaded by such words.

B. Answer the following questions.

(a) How do salespersons often allure customers to buy things? 
Ans: Salespersons often allure customers to buy things applying flattery. They extol some products to be a perfect match for a customer. Even they comment that some customer looks quite stunning in some particular dress. 

আরো পড়ুন : Unit-7, Lesson-5-এর ১০টি প্রশ্নোত্তর, ১ম পর্ব

(b) When can spending money remain normal? 
Ans: Spending money can remain normal when people spend it on things that they need and they spend it within their limit. It also may make them happy. 

(c) When does spending make life stressful? 
Ans: When spending becomes a compulsive behavior, it makes life stressful. Moreover, unnecessary spending or spending beyond one’s means creates some bad effects as well. 

(d) What does unnecessary spending result in?
Ans: Unnecessary spending results in various negative things. For example, it makes life stressful. It may result in financial ruin or debt. It may create unhappiness within families. Moreover, it may create dissatisfaction in people’s mentality. 

(e) Why do people spend money?
Ans: People spend money for various reasons. They buy foods, clothes or everyday essentials, pay for different services, entertain people, travel to places, help others in need or invest in business and thus they spend money every day.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ 
ঢাকা কমার্স কলেজ, ঢাকা

কবীর

Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৩১ পিএম
Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

Your Favourite Teacher/Favourite Personality

A teacher is a person who is engaged in teaching profession and teaches students on a particular subject. A teacher is an architect of a nation. He plays an important role in building an educated nation. At present I am studying at Adamjee Cantonment College in class XII. I have come to the close touch of a lot of teachers in my life. They are experienced and learned. But among them Mr. Hoq is my favourite teacher. He is our English teacher. He is an M.A in English. He has vast knowledge in his subject. He has also received different trainings on English language teaching. We wait eagerly to enjoy his class. He is enthusiastic in

আরো পড়ুন : How to learn English বিষয়ক Writing Paragraph, ৩০তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

teaching the students. He never feels tired while teaching. He makes a friendly environment in the classroom so that the students can ask him questions about their problems. He explains the grammatical rules very easily. He always encourages the students think themselves. If they make mistakes then he corrects them. He makes his students confident and proves them clever. He tries to find out the inner talent of the students. He is devoted to teaching profession and always thinks about the development of the students.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ১৭টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১১:৫২ এএম
সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ১৭টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

তৃতীয় অধ্যায় : সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন:  সমাজ সংস্কার কী?
উত্তর: আমাদের সমাজে অশিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বেশি। তাদের মধ্য থেকে সৃষ্ট কিছু কুসংস্কার রয়েছে। অনেক ধরনের কুসংস্কার, কুপ্রথা, বিশ্বাস, গোঁড়ামি সমাজের উন্নতি ও অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করে, সমাজ কাঠামো থেকে এ ধরনের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফলকে বলা হয় সমাজ সংস্কার।

প্রশ্ন: পেশার সংজ্ঞা লেখ। 
উত্তর: যখন কোনো প্রযুক্তি ও দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিবিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কলাকৌশলকে বিশেষ মানদণ্ড ও নীতি অনুযায়ী বাস্তবে প্রয়োগ করে জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম হয় তখন তাকে ওই ব্যক্তির পেশা বলে।

প্রশ্ন:  ‘Profession’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
উত্তর: ‘Profession’ শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে।

প্রশ্ন:  ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে কী বলা হয়?
উত্তর: ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে বাইতুল মাল বলা হয়। 

প্রশ্ন:  বৃত্তি কী?
উত্তর: মানুষ জীবন ধারণের জন্য যেসব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে তাকে বৃত্তি বলা হয়।

প্রশ্ন:  মূল্যবোধ কী?
উত্তর: মূল্যবোধ হলো ওইসব চিন্তাভাবনা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, যা মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার এবং কার্যাবলিকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রণ করে।

প্রশ্ন: NASW কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: NASW ১৯৫৫ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রশ্ন: সমাজকর্ম মূল্যবোধ কী?
উত্তর: সমাজকর্ম পেশায় নিয়োজিত সমাজকর্মীরা মানুষের কল্যাণে তাদের জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োগে যেসব মূল্যবোধ অনুসরণ করে তাকে সমাজকর্ম মূল্যবোধ বলে। 

আরো পড়ুন : সমাজকর্মের শাখা অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ১৬তম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রশ্ন: CSWE-এর পূর্ণরূপ লেখ। 
উত্তর: CSWE-এর পূর্ণরূপ Council on Social Work Education. 

প্রশ্ন:  বাংলাদেশে স্বেচ্ছাসেবী আইন কবে পাস হয়?
উত্তর: বাংলাদেশে স্বেচ্ছাসেবী আইন ১৯৪০ সালে পাস হয়।

প্রশ্ন:  কে সমাজকর্মকে সেমি প্রফেশন বলেছেন?
উত্তর: ডব্লিউ এ ফ্রেড ল্যান্ডার সমাজকর্মকে সেমি প্রফেশন বলেছেন। 

প্রশ্ন:  পেশাগত কর্মীর কাজ কী?
উত্তর: পেশাগত কর্মীর কাজ হচ্ছে তার পেশাগত দায়িত্ব নৈতিকতার সঙ্গে পালন করা। 

প্রশ্ন: স্বনির্ভরতা কাকে বলে?
উত্তর: অন্যের ওপর নির্ভর না থেকে নিজের ওপর নির্ভরতাকে স্বনির্ভরতা বলে। 

প্রশ্ন: গণতন্ত্র কাকে বলে?
উত্তর: গণতন্ত্র বলতে কোনো জাতিরাষ্ট্রের (অথবা কোনো সংগঠনের) এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে নীতিনির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিক বা সদস্যের সমান ভোটাধিকার থাকে।

প্রশ্ন: সমাজকর্ম মূল্যবোধের ভিত্তি কয়টি?
উত্তর: সমাজকর্মের মূল্যবোধের ভিত্তি চারটি। 

প্রশ্ন: কোন সংগঠন সমাজকর্ম পেশার নীতিমালা নির্ধারণ করেছে?
উত্তর: NASW সমাজকর্ম পেশার নীতিমালা নির্ধারণ করেছে। 

প্রশ্ন: ব্যক্তির মর্যাদার ক্ষেত্রে সমাজকর্মের মূল্যবোধ কী কাজ করে?
উত্তর: মূল্যবোধ হলো সমাজকাঠামোর অপরিহার্য উপাদান, যা মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-আচারণকে পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)

দেশের বৃহৎ দুই পাবলিক পরীক্ষা এসএসসি ও এইচএসসির সময়কাল কমিয়ে আনা এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

বিদ্যমান শিক্ষাক্রমের আওতায় পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা যৌক্তিকীকরণ এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে একটি কর্মপরিকল্পনা ও ধারণাপত্র তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সম্প্রতি এক পত্রের মাধ্যমে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী জানান, একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও পরবর্তী নির্দেশনার জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে এ বিষয়ে একটি কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মশালায় দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ, মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ডাকা হবে। কর্মশালায় এ বিষয়ে উঠে আসা মতামতগুলো পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন এনসিটিবি চেয়ারম্যান। এনসিটিবির ধারণাপত্রে বলা হয়, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণে প্রায় ২৫-৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসি পরীক্ষায় ৩০-৩৫ কর্মদিবস বা তার চেয়েও বেশি সময় ব্যয় হয়। এই দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে, যা অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) কমিয়ে দিচ্ছে।

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীদের ওপর অসহনীয় মানসিক চাপ তৈরি হয়। শুধু তাই নয়, পরীক্ষা পরিচালনায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে পাঠদান কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা, পরীক্ষা পরবর্তী উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল প্রকাশ ও উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় সেশনজটের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

এনসিটিবি জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী একটি কর্মশালার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। যার মূল উদ্দেশ্যগুলো হচ্ছে- এসএসসি ও এইচএসসির বিদ্যমান বিষয় কাঠামো পর্যালোচনা করা, পরীক্ষার ব্যাপ্তি কমানোর কার্যকর কৌশল নির্ধারণ, প্রতিবছর ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সম্ভাব্যতা যাচাই করা, দীর্ঘ কর্মদিবসের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা, ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের অনুপাত নির্ধারণ এবং সুপারিশমালা বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ও সম্ভাব্য ঝুঁকি প্রশমন কৌশল নির্ধারণ করা।

সংস্থাটি আরও জানায়, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে ন্যূনতম কতটি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া যৌক্তিক তা নির্ধারণ করা হবে। বর্তমান বিষয়গুলোর মধ্যে কোনগুলো একীভূত বা সমন্বিত করা যায়, আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক বিষয়ের পুনর্বিন্যাস কীভাবে হবে, বিদ্যমান প্রশ্ন কাঠামো পর্যালোচনা, ব্যবহারিক মূল্যায়নের আধুনিকায়ন এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মূল্যায়নের পরিধি ও নির্ভরযোগ্যতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কর্মশালায় বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এরপর অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করা হবে।

প্রস্তাবিত এই কর্মশালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকরা অংশ নেবেন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর)-এর বিশেষজ্ঞ, এনসিটিবি প্রতিনিধি, অভিজ্ঞ প্রধান শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মিলিয়ে প্রায় ৯০ জন অংশীজন এই সুপারিশমালা প্রণয়নে যুক্ত থাকবেন।

বিশেষজ্ঞ প্যানেলে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর-এর পরিচালক অধ্যাপক হোসনে আরা বেগমসহ প্রথিতযশা শিক্ষাবিদদের রাখা হয়েছে। কর্মশালায় ৬টি পৃথক দল কাজ করবে। দলগুলো মূলত– এসএসসি ও এইচএসসির কোন বিষয়গুলো একীভূত করা যায় এবং ন্যূনতম কতটি বিষয়ে সামষ্টিক পরীক্ষা নেওয়া যৌক্তিক- সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেবে। এ ছাড়া মাদ্রাসা ও কারিগরি সিলেবাসের সঙ্গে সাধারণ সিলেবাসের সামঞ্জস্য রক্ষার কৌশল এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়েও সুপারিশ করবে বিশেষজ্ঞ দল।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত সুপারিশমালা তৈরি করা হবে। যেখানে পুনর্বিন্যাসকৃত বিষয় কাঠামোর ছক, প্রস্তাবিত বিষয় সংখ্যা, পরীক্ষার মোট দিনসংখ্যা এবং গ্রেডিং ও সার্টিফিকেশন পদ্ধতির বিস্তারিত রূপরেখা থাকবে।

এনসিটিবি বলছে, এই সংস্কার বাস্তবায়িত হলে পাবলিক পরীক্ষার ব্যাপ্তি কমার পাশাপাশি শিক্ষাবর্ষের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এনসিটিবি, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বয়ে এই প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা এবং কর্মদিবস কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র দিয়েছি। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। পরীক্ষাসংক্রান্ত মূল বিষয়গুলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত হবে।’

পরীক্ষা ও বিষয় সংখ্যা কমানোর বর্তমান অগ্রগতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনসিটিবির প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর জানান, এনসিটিবি এ বিষয়ে কী করা যায়, তার একটি প্রাথমিক রূপরেখা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর প্রক্রিয়ায় নতুন কোনো অগ্রগতি বা কার্যক্রম নেই। কারণ আমাদের পুরো টিম এখন আগামী শিক্ষাবর্ষের বইগুলোর জরুরি পরিমার্জন (কারেকশন) এবং সেগুলো বইয়ে ইনসার্ট (অন্তর্ভুক্ত) করার মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে।’তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার সময় ও বিষয় সংখ্যা কমানোর বিষয়টি চূড়ান্তভাবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির মতামতের ভিত্তিতে কার্যকর হবে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বলেন, সম্প্রতি এক সভায় এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সূত্র: বাসস

How to learn English বিষয়ক Writing Paragraph, ৩০তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
How to learn English বিষয়ক Writing Paragraph, ৩০তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

How to learn English

Now English is used all over the world as a medium of communication. So, we must learn English to keep pace with the world. Many students of our country face various problems in learning English well. Here are given some suggestions about how to learn English. Firstly, a student should study all sorts of grammar and translation books. This will help him/her speak and write correct English. Secondly, he/she should read all sorts of English books, newspapers and magazines. It will help him/her internalize grammar and structures from reading. Thus he/she can develop the stock of vocabulary. Thirdly, he/she should listen

আরো পড়ুন : E-mail বিষয়ক Writing Paragraph, ২৯তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

to English on BBC and CNN programs and watch English films. This will help him/her use English correctly while speaking. Fourthly, he/she should practice writing English daily. For this, he/she can keep a diary and write a few pages every day. Thus his/her writing capacity will be improved. Finally, he/she must have the habit of speaking English in day-to-day life. He/she should give up shyness and should try to have lots of conversations with people. At first, he/she may not speak correctly but he/she maintain the continuity of speaking English. If a person follows the above methods, he/she will be able to read, write and speak English well.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
স্থলজ উদ্ভিদ। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : জীবের আবাসস্থল 

অনুশীলনীর প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন: জলজ প্রাণীদের কী ধরনের অভিযোজন ঘটে?

উত্তর: জলজ প্রাণীদের দেহ পানির পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত। এদের দেহ সাধারণত চ্যাপ্টা ও মসৃণ হয়, যাতে সহজে পানিতে চলাচল করতে পারে। জলজ প্রাণীদের পাখনা ও লেজ সাঁতার কাটতে সাহায্য করে এবং এরা ফুলকার মাধ্যমে পানিতে থাকা অক্সিজেন গ্রহণ করে শ্বাসকার্য চালায়।

প্রশ্ন: স্থলজ উদ্ভিদ ও স্থলজ প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

উত্তর: স্থলজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য-
i. কাণ্ড শক্ত, মোটা ও দৃঢ় হয়, যা গাছকে মাটিতে সোজা করে দাঁড়িয়ে থাকতে সাহায্য করে।
ii. মূল মাটির গভীরে বিস্তৃত এবং শাখা-প্রশাখাযুক্ত হয়, ফলে গাছ সহজে উপড়ে যায় না।
iii. পাতাগুলো সাধারণত প্রশস্ত হয়, যাতে সূর্যালোক ভালোভাবে গ্রহণ করা যায়।
iv. শীতকালে অনেক উদ্ভিদ পানি সংরক্ষণের জন্য পাতা ঝরিয়ে ফেলে।
v. বনজ পরিবেশের উদ্ভিদ সাধারণত লম্বা ও বৃহৎ আকৃতির হয়।

আরো পড়ুন : জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

স্থলজ প্রাণীর বৈশিষ্ট্য-
i. শ্বাসগ্রহণের জন্য এদের শক্তিশালী ফুসফুস থাকে।
ii. চলাচলের জন্য পা শক্ত ও উপযোগী গঠনের হয়।
iii. শিকারি প্রাণীদের ধারাল দাঁত ও নখর থাকে, যা শিকার ধরতে সাহায্য করে।
iv. অনেক প্রাণী আত্মরক্ষার জন্য পরিবেশের রং ধারণ করতে পারে।
v. পাখিদের ডানা, হালকা দেহ ও বায়ুথলি থলি থাকে, যা তাদের উড়তে সহায়তা করে।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক, বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর