যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অনেক মার্কিন নাগরিক আশা করেছিলেন, ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তাদের মধ্যে মাইকেল গ্রগনার্ড নামের এক রিপাবলিকান ভোটারও ছিলেন। যিনি মনে করেছিলেন ট্রাম্পের নীতি তাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। তবে তিন মাস যেতে না যেতেই তার চাকরি চলে যায়।
গ্রগনার্ড যিনি মার্কিন কৃষি বিভাগে আইনি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। সম্প্রতি চাকরি হারানোর পর সিএনএনকে জানান, তিনি পুরোপুরি বিপর্যস্ত। নতুন বাড়িতে এসে স্ত্রী ও শিশুসন্তানের সঙ্গে বসবাস শুরু করেছিলেন, কিন্তু এখন চাকরি হারিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, ‘চাকরি হারানো ছিল আমার জন্য এক বড় ধাক্কা। যদি জানতাম চাকরি যাবে, তবে আমি কখনো ট্রাম্পকে ভোট দিতাম না।’ তার মতো অনেক ফেডারেল কর্মীই ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু বর্তমানে তারা নিজেদের চাকরি হারিয়ে হতাশ।
অনেক কর্মী জানিয়েছেন, তারা ট্রাম্পের নীতির প্রতি বিশ্বাস রেখেছিলেন, ভাবছিলেন এটি তাদের জীবনমানের উন্নতি ঘটাবে। কিন্তু এখন চাকরি চলে যাওয়ার পর তারা অনুশোচনায় ভুগছেন।
অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বিভাগের (আইআরএস) কর্মী জেমস ডায়াজও বলেন, ‘আমি ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছি কিন্তু তার প্রশাসন যেভাবে গণহারে চাকরি ছাঁটাই করছে, তাতে আমি একমত নই।’
বেশ কিছু চাকরি হারানো কর্মী জানিয়েছেন, তারা আশা করেছিলেন ট্রাম্প দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করবেন, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবেন এবং মূল্যস্ফীতি কমাবেন। কিন্তু এখন তারা বলছেন, ‘এমনটা জানলে আমরা কখনই তাকে ভোট দিতাম না।’
এমন গণচাকরিচ্যুতি ট্রাম্প এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ধনকুবের ইলন মাস্কের কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় কমানোর পরিকল্পনার অংশ। সূত্র: সিএনএন
তাওফিক/