এশিয়া কাপের ফাইনালের রাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এশিয়া কাপের ফাইনালের রাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে অনেকদিন পর আলোচনায় আসেন সাকিব আল হাসান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাকিবের এই পোস্টের পর হয়েছে অনেক সমালোচনাও।শুভেচ্ছা জানিয়ে অনেকদিন পর আলোচনায় আসেন সাকিব আল হাসান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাকিবের এই পোস্টের পর হয়েছে অনেক সমালোচনাও।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে সাকিব পোস্টে লিখেন, ‘শুভ জন্মদিন আপা।’
সাকিবের এই পোস্টের পর অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ফেসবুকে লিখেন, ‘একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে। কিন্তু আমি সঠিক ছিলাম, আলোচনা এখানেই শেষ।’
ক্রীড়া উপদেষ্টার এমন পোস্টের পর পাল্টা পোস্ট করেন সাকিব। সেখানে উপদেষ্টার নাম না নিয়ে কিছুটা দোষারোপের সুরেই কথা বলেন তিনি, ‘যাক শেষমেষ কেউ একজন স্বীকার করে নিলেন যে তার জন্য আমার আর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেওয়া হলো না, বাংলাদেশের জন্য খেলতে পারলাম না! ফিরবো হয়তো কোন দিন আপন মাতৃভূমিতে, ভালোবাসি বাংলাদেশ।’
সাকিব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার এমন পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাস গতকাল এশিয়া কাপের ফাইনালের চেয়েও বেশি আলোচনার জন্ম দেয় বাংলাদেশে। আজ (২৯ সেপ্টেম্বর) ফের সাকিবকে খোঁচা দিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।
নতুন ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, ‘ভাইয়া, আমাকে জোর করে নমিনেশন দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধু নির্বাচনটাই করেছিলাম, আওয়ামিলীগের দলীয় রাজনীতিতে জড়িত হইনি। আপনারা জানেন কার কথা বলছি।’
পোস্টের প্রথম অংশ দেখেই নিশ্চিত হওয়া যায় তিনি সাকিবকে ইঙ্গিত করেই এই পোস্ট করেছেন। তবে পোস্টের বাকি অংশে উপদেষ্টা সম্ভবত বাংলাদেশ ক্রিকেটে সাকিবের ভবিষ্যতটাই স্পষ্ট করেছেন, ‘যার হাত ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত তাকে বাংলাদেশের পতাকা বহন করতে দেওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। বোর্ডের কর্তারা একাধিকবার রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করতে বললেও তা না করে বরং খুনিদের এনডোর্স করা ছাড়াও শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারি, মানি লন্ডারিং, ফাইনানশিয়াল ফ্রড করা কাউকে কেন শুধু ভালো ক্রিকেটার বলেই পুনর্বাসন করতে হবে? আইন সবার জন্য সমান, ফেইস ইট।’
উল্লেখ্য, সাকিব আল হাসান সবশেষ বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন ২০২৪ সালে ভারতের মাটিতে টেস্ট ম্যাচে। এরপর দেশে ফিরে বিদায়ী টেস্ট খেলতে চেয়েও পারেননি।
নিলয়/










