ছিলেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওয়ানডে শতকের একেবারে দ্বারপ্রান্তে। সাজঘরে সতীর্থ ও গ্যালারিতে সমর্থকরাও প্রস্তুত ছিলেন অভিনন্দন জানানোর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর হলো না। ৯১ রান করে আউট হতে হলো এই ব্যাটারকে।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুপার ওভারের নায়ক আকিল হোসেনের বলে কাটার পড়েন সরকার। লোভনীয় এক ডেলিভারিতে বড় শট খেলেন মিড উইকেটে। ছক্কার আশায় খেলা বলটি শেষ পর্যন্ত যাত্রা থামায় বাউন্ডারিতে থাকা অগাস্টের হাতে।
সাইফ হাসানের বিদায়ে ১৭৬ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর দলীয় ১৮১ রানে ফিরলেন সৌম্যও। ৭ চার ও ৪ ছক্কায় দারুণ ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। প্রথম ওয়ানডেতে হতাশ করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেন ৪৫ রানের ইনিংস। সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ৯১ রানের ইনিংস খেলে বার্তা দিলেন দলে স্থায়ী হওয়ার।
টানা ৫ সিরিজ হার এড়াতে দারুণ শুরুর প্রয়োজন ছিল ব্যাটিংয়ে। সেটা একেবারে যথাযথভাবে পেয়েছে বাংলাদেশ সাইফ ও সৌম্যর ব্যাটে। ক্রিজে দুই নতুন ব্যাটার তাওহিদ হৃদয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত।
নিলয়/










