ঢাকা ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, রোববার, ২৬ মে ২০২৪

চাকরির প্রত্যাশায় পাঠের প্রতিযোগিতা

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৪, ১০:৩০ এএম
চাকরির প্রত্যাশায় পাঠের প্রতিযোগিতা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে প্রবেশের জন্য শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সারি। ছবি : খবরের কাগজ

পড়ালেখা শেষ করে সবাই ছুটছে সরকারি চাকরির পেছনে। আর এটা সবচেয়ে বেশি বোঝা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে গেলে। সকাল ৭টা থেকেই শুরু হয়ে যায় লাইনে দাঁড়ানোর প্রতিযোগিতা। প্রথমে শুধু ব্যাগ রেখে জায়গা রাখা হয়। ঠিক ৮টায় লাইব্রেরির গেট খুলে দেওয়া হয়…সারি বেঁধে সুশৃঙ্খলভাবে শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরির ভেতরে প্রবেশ করেন…তবে বিসিএস পরীক্ষার আগে এই লাইন শুরু হয় ভোর ৬টা থেকে, লাইনও থাকে অনেক দীর্ঘ।    

সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে সকালের প্রতিদিনের দৃশ্য দেখে অনেকেই অবাক হতে পারেন, কিন্তু এটাই বাস্তবতা। বাংলাদেশে সরকারি চাকরি সবার অতি কাঙ্ক্ষিত। এ জন্য কঠিন এক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। কিন্তু চাকরিপ্রত্যাশীদের নিয়মিত পড়াশোনার জন্য নেই পর্যাপ্ত লাইব্রেরি। অন্যদিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে পড়ে আছে পাবলিক লাইব্রেরি, এমনকি বিজনেস ফ্যাকাল্টির একমাত্র লাইব্রেরিও বন্ধ করে রাখা হয়েছে, আর এসব চাপ এসে পড়েছে সেন্ট্রাল লাইব্রেরির ওপর।   

সাবেকদের কারণে লাইব্রেরিতে জায়গা পান না বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীরা। চাইলেও পড়ালেখা করার জন্য লাইব্রেরিতে জায়গা হয় না, আর সব কিছু বিবেচনা করেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে প্রবেশ করানোর উদ্যোগ  নেওয়া হচ্ছে। এটি বাস্তাবায়ন হলে ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরও যারা গ্রন্থাগারে পড়তে যান, বিশেষ করে বিভিন্ন চাকরি ও বিসিএস প্রস্তুতির জন্য পড়তে যাওয়ারা গ্রন্থাগারে প্রবেশ করতে পারবেন না। আগামী বছর থেকেই এই নিয়ম চালু হবে। ১০মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের দেওয়া এমন ঘোষণায় বেশ শঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনরা, যারা নিয়মিত লাইব্রেরিতে চাকরির পড়ালেখা করেন। অন্যদিকে পাঞ্চ কার্ডে বর্তমান শিক্ষার্থীরা সুবিধা পেলেও সাবেকরাও যাতে বিপদে না পড়েন সে ব্যবস্থা নেওয়ার আশা ব্যক্ত করেন তারা। 

শফিকুল ইসলাম, ঢাবির সমাজকল্যাণ গবেষণা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘পাঞ্চ কার্ড কার্যকর হলে ভালো হবে কিন্তু আসলেই হবে কি না সেটাই বড় কথা। কারণ আগেও এমন উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। নতুন ভিসি এসে বলেন, কিন্তু বাস্তবায়ন হয় না। পাঞ্চ কার্ড চালু হলে প্রাক্তনরা লাইব্রেরিতে আসতে পারবেন না, সেক্ষেত্রে তাদের জন্য আলাদা একটা জায়গা নির্ধারণ করা উচিত। মাস্টার্স বা অনার্স শেষের দিকে সবাই চাকরির পড়া শুরু করেন। সেক্ষেত্রে তাদের কোথাও পড়ার সুযোগ না দিলে তারা পড়বেন কোথায়। সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে।’

সাব্বির হোসেন স্বাধীন, ঢাবির বিজনেস ফ্যাকাল্টির একজন সাবেক ছাত্র। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ করে ডিসিশন জানিয়ে দিলে তো হবে না, সময় দিতে হবে। লাইব্রেরিতে সাবেক যারা আসেন তাদের সংখ্যাও অনেক। তাই সময় নিয়ে যদি প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্ত জানায় তাহলে ভালো হয়। যারা সরকারি চাকরির জন্য পড়ছেন, তাদের কারণে বর্তমান শিক্ষার্থীরা অনেক সময় একাডেমিক পড়ালেখা করতেও আসতে পারেন না। বিজনেস ফ্যাকাল্টির লাইব্রেরি বন্ধ,পাবলিক লাইব্রেরি বন্ধ, সবাই সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতেই আসেন। এখানে চাপ পড়ে প্রচুর। প্রশাসন সিদ্ধান্ত যদি নিতেই চায় তাহলে অন্য লাইব্রেরিগুলো চালু করুক। সব জায়গা বন্ধ হয়ে গেলে চাকরিপ্রত্যাশীরা কোথায় পড়ালেখা করবে?’ 

তৌফিকুর রহমান ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার ডিপার্টমেন্টে পড়াশোনা করছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পাঞ্চ কার্ডের ব্যবস্থা করলে অবশ্যই রানিং স্টুডেন্টদের জন্য ভালো হয়, তারা এসেই লাইব্রেরিতে বসতে পারবেন, পড়ালেখা করতে পারবেন। কিন্তু এর বিপরীতেও কথা আছে। বিশ্ববিদ্যালয় একজন ছাত্রকে হলে সিট দেয় সেকেন্ড ইয়ার বা থার্ড ইয়ারে গিয়ে। আবার একাডেমিক পড়া শেষ হওয়ার পরেই হল ছেড়ে দিতে হবে, লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারবে না, এটা কেমন যুক্তি। তাহলে ফার্স্ট ইয়ার থেকেই হলে সিটের ব্যবস্থা করুক। সেটা তো করছে না। আগে চিন্তা করতে হবে দেশের সার্বিক কাঠামো কেমন। এখানে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নই থাকে একটা সরকারি চাকরি, এর জন্য একাডেমিক পড়ালেখা কাজে আসে না। সেক্ষেত্রে লাইব্রেরিতে তো সবাই এসে চাকরির পড়াই পড়বে। উদ্যোগ ভালো, বর্তমান শিক্ষার্থীরা অনেকেই লাভবান হবেন, কিন্তু সাবেক ছাত্ররা যে সময় প্রতিকূলতার ভেতর দিয়ে পার করেছেন, সেই সময় বিবেচনা করেও তাদের জন্য মিনিমাম দুই বছরের জন্য একটা কার্ডের ব্যবস্থা করে দেওয়া উচিত যাতে একাডেমিক পড়ালেখা শেষ হলেও তারা যেন লাইব্রেরিতে এসে পড়তে পারেন।’ 

ঢাবির দর্শন বিভাগের ছাত্র আব্দুল আলীম বলেন, ‘অনেকে আছেন যারা ঢাবিরও না, তারাও হলে থাকেন, লাইব্রেরিতে পড়েন। আবার যারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তারাও দীর্ঘসময় হলে থাকেন। সেক্ষেত্রে নতুনদের জন্য সমস্যা তৈরি হয়।’

চাকরি খোঁজার সহজ উপায়

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:৫৬ পিএম
চাকরি খোঁজার সহজ উপায়

ভালো ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ঠিকভাবে চাকরি খোঁজা বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। তবে এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য। এবারের লেখায় জানুন চাকরি খোঁজার কয়েকটি সাধারণ উপায় সম্পর্কে। জানাচ্ছেন আফসানা আক্তার 

সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিন
চাকরি খোঁজার জন্য সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিনের সহযোগিতা নিতে পারেন। চাকরিপ্রার্থীদের কাছে এটি সবচেয়ে পুরোনো ও বেশি ব্যবহৃত উপায়। প্রতিটি সংবাদপত্রে প্রতিদিন সরকারি ও বেসরকারি সেক্টরের বহু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া প্রতি সপ্তাহে শুধুমাত্র চাকরির খবরাখবর নিয়েই বেশ কয়েকটি পত্রিকা বের হয়। এগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখলে আপনি কাঙ্ক্ষিত চাকরি অবশ্যই পেয়ে যাবেন।

জব পোর্টাল
ইন্টারনেটের কল্যাণে চাকরি খোঁজার কাজ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। বর্তমানে দেশে চাকরি খোঁজার বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট রয়েছে। এগুলোর কল্যাণে আপনি এখন পছন্দের ক্যাটাগরিতে কিংবা প্রতিষ্ঠানে চাকরি খুঁজতে পারবেন কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই।

প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট
যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ওয়েবসাইটেও পরিবর্তন আনছে।  বর্তমানে বহু প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে চাকরির জন্য আলাদা সেকশন রয়েছে। আপনার যদি পছন্দের কোনো প্রতিষ্ঠান থাকে, তা হলে সে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে খোঁজ নিতে পারেন।

লিংকডইন
পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগেরমাধ্যম লিংকডইনের মাধ্যমে চাকরি খোঁজার প্রক্রিয়া খুব সহজ। এক্ষেত্রে বড় একটি সুবিধা হলো, নিয়োগদাতারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায় সময় দক্ষ কর্মী খুঁজে থাকেন। তাই আপনার যদি কাজের অভিজ্ঞতা ভালো হয় আর প্রয়োজনীয় দক্ষতাগুলো থাকে, তা হলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তবে এর জন্য আপনার প্রোফাইল ঠিকভাবে গোছানো থাকা জরুরি।

নেটওয়ার্কিং
আপনার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক কিংবা পরিচিত যেকোনো মানুষের মাধ্যমে চাকরির খবর আসতে পারে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকে এ কারণে বিভিন্ন পর্যায়ের পেশাজীবীদের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গঠন করা জরুরি। কারণ, তারাই আপনাকে সঠিক কাজের সন্ধান দিতে পারে।

 কলি

 

কোস্ট ফাউন্ডেশনে কাজের সুযোগ, বেতন ৯০ হাজার

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:৪৯ পিএম
কোস্ট ফাউন্ডেশনে কাজের সুযোগ, বেতন ৯০ হাজার

বেসরকারি সংস্থা কোস্ট ফাউন্ডেশন জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি কক্সবাজারে স্ট্রেনদেন দ্য প্রোটেকটিভ এনভায়রনমেন্ট ফর দ্য চিলড্রেন অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্টস অব রোহিঙ্গা ক্যাম্পস অ্যান্ড হোস্ট কমিউনিটিস ইন কক্সবাজার ডিস্ট্রিক্ট প্রকল্পে প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে একজনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত সিভির ফরম্যাট পূরণ করে ই-মেইলে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

পদের নাম: প্রজেক্ট ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। কোনো বেসরকারি সংস্থায় চাইল্ড প্রোটেকশন প্রোগ্রামে অন্তত দুই বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। রোহিঙ্গা রেসপন্সে চাইল্ড প্রোটেকশন প্রোগ্রামে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও কেস ম্যানেজমেন্টে অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নেতৃত্বের সক্ষমতা থাকতে হবে। কম্পিউটারে দক্ষতাসহ এমএস অফিস অ্যাপ্লিকেশনের কাজ জানতে হবে। যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে।
বয়স: ৩০ থেকে ৪০ বছর
চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক
কর্মস্থল: উখিয়া, কক্সবাজার

বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: মাসিক বেতন ৯০,০০০ টাকা (আলোচনা সাপেক্ষে)। এ ছাড়া ইন্টারনেট ও মুঠোফোন বিলসহ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে।

আবেদন যেভাবে আগ্রহী প্রার্থীদের https://hotjobs.bdjobs.com/jobs/coastfound/coastfound56.htm এই লিংক থেকে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে হবে। একই লিংক থেকে নির্ধারিত সিভির ফরম্যাট ডাউনলোডের পর তা পূরণ করে পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবিসহ [email protected] এই ঠিকানায় ই-মেইল করতে হবে। সাবজেক্টে পদের নাম উল্লেখ করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৫ মে ২০২৪।

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে চাকরি

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:৪৭ পিএম
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডে চাকরি

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সম্প্রতি অস্থায়ীভাবে ১০টি পদে মোট ৪৮ জনকে নিয়োগের https://bkkb.gov.bd/ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে পদগুলোয় যোগ্যতা পূরণসাপেক্ষে যোগ দিতে পারবেন যে কেউ। অনলাইনে পদগুলোর জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ৩১ মে পর্যন্ত।

পদের নাম ও পদসংখ্যা
১। সহকারী পরিচালক-২, গ্রেড-৯  
২। সহকারী প্রোগ্রামার-১, গ্রেড-৯
৩। সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার-১, গ্রেড-৯
৪। পরিবহন কর্মকর্তা-১, গ্রেড-১০
৫। কম্পিউটার অপারেটর-৪, গ্রেড-১৩
৬। হিসাবরক্ষক-৯, গ্রেড-১৩
৭। ক্যাশিয়ার-১, গ্রেড-১৪
৮। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক-১৮, গ্রেড-১৬
৯। ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর-৯, গ্রেড-১৬
১০। গাড়িচালক-২, গ্রেড-১৬

আবেদনের যোগ্যতা
প্রতিটি পদে আবেদনের জন্য আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বয়সসীমা আলাদা। পদভেদে আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বয়সসীমার শর্তাবলি জানা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে।

চাকরিতে আবেদনের বয়স
প্রার্থীর বয়স ৩১ মে তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা /শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদনের বিস্তারিত জানা যাবে  https://bkkb.gov.bd/ এই লিংক থেকে।

কলি

 

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়োগ

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:২৮ পিএম
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়োগ

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই হাসপাতালে ৬ ক্যাটাগরির পদে ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে ৮৫ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা। সাঁটলিপিতে প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন গতি ইংরেজিতে ৭০ শব্দ ও বাংলায় ৪৫ শব্দ এবং কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৩০ শব্দ ও বাংলায় ২৫ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

২. পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ শব্দ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের ন্যূনতম গতি এবং স্ট্যান্ডার্ড অ্যাপটিটিউড টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৩. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৪
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ শব্দ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৪. পদের নাম: ইনস্ট্রুমেন্ট কেয়ারটেকার
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল বা মেকানিক্যাল ট্রেডে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৫. পদের নাম: রিসিপশনিস্ট
পদসংখ্যা: ২
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। ই-মেইল, স্ক্যানার, ফ্যাক্স ও টেলিফোন চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৬. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৭৬
যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)
যেসব জেলার প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন: মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ী, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, কুমিল্লা, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, বরিশাল জেলা ছাড়া অন্য সব জেলার প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন। তবে সব জেলার প্রতিবন্ধী ও এতিম প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

বয়সসীমা
১৩ জুন ২০২৪ তারিখে আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীর ক্ষেত্রে বয়স অনূর্ধ্ব ৩২ বছর। বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনির ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের http://kgh.teletalk.com.bd/ এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য https://kgh.gov.bd/ এই লিংকে জানা যাবে।

আবেদন ফি
অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার ফি বাবদ ১ থেকে ৫ নম্বর পদের জন্য ২০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ২৩ টাকাসহ মোট ২২৩ টাকা এবং ৬ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা: ১৬ মে থেকে ১৩ জুন ২০২৪, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

 কলি

অফিসের পরিবেশ কি আপনার জন্য উপযুক্ত?

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৪, ১২:২৫ পিএম
অফিসের পরিবেশ কি আপনার জন্য উপযুক্ত?
অফিসের পরিবেশ কর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক, উৎসাহজনক হওয়া উচিত। মডেল: তাম্মি, রহমান ওয়ায়েজ, ছবি: শরিফ মাহমুদ

কর্মক্ষেত্র হচ্ছে এমন একটি জায়গা, যেখানে কর্মীরা পেশাগত কাজ করেন। আর এই কর্মক্ষেত্র বা অফিসে কাজের পরিবেশ বলতে এমন কিছু উপাদানের সমন্বয়কে বোঝানো হয়, যেগুলো অফিসের কর্মীদের শরীর ও মনের ওপর প্রভাব ফেলে। এই উপাদানগুলোর মধ্যে পড়তে পারে অফিসের নিয়মনীতি, কোম্পানির এইচআর পলিসি, কোম্পানির মূল্যবোধ, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি (ইন-হাউস পলিটিক্স), কর্মীদের মাঝে অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক (এমপ্লয়ি রিলেশন), কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা, অবকাঠামোগত বিভিন্ন দিক, যেমন- বসার চেয়ার থেকে বাথরুমের পরিস্থিতি ইত্যাদি।

সাধারণভাবে এই উপাদানগুলোর সমন্বয়কে আমরা কর্মক্ষেত্রে বা অফিসে কাজের পরিবেশ বলতে পারি। এগুলো একসঙ্গে একটি অফিসের কাজের পরিবেশ তৈরি করে। এগুলোর কম প্রয়োগ, অতি প্রয়োগ কিংবা এক বা একাধিক উপাদানের অনুপস্থিতি কর্মক্ষেত্রে বা অফিসে কাজের পরিবেশ নষ্ট করতে পারে।

কর্মীদের জন্য কাজ করার পরিবেশ অনুপ্রেরণাদায়ক, উৎসাহজনক এবং শান্ত হওয়া উচিত। সমালোচনার মধ্যে কাজ করা, চরম চাপ কখনোই যুক্তিযুক্ত নয়। তাই আপনার সবসময় এমন লক্ষণের দিকে নজর দেওয়া উচিত। অফিসে প্রথমদিন কাজ করতে গিয়েই আপনি কিছু বিষয় বুঝতে পারবেন। যদিও এক দিনেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। তবু শুরুতেই কিছু ধারণা পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

প্রথম দিনই একাকিত্ব বোধ করেন
অফিসে প্রথম দিনই আপনার নতুন সহকর্মী এবং ব্যবস্থাপকের উচিত এমন কিছু করা যাতে আপনি স্বাগত বোধ করেন। নতুন কাজগুলোতে আপনাকে তাদের সঙ্গে নেওয়া উচিত। প্রথম দিনেই যদি একা বোধ করেন তাহলে নতুন অফিস সম্পর্কে সতর্ক হোন। যদি আপনার কর্মক্ষেত্র তাদের নতুন কর্মীকে প্রথম দিনেই যত্ন না করে, তাহলে বুঝে নেবেন সেখানে সমস্যা আছে।

অপেশাদার আচরণ
যদি দেখেন সহকর্মীদের মধ্যে ই-মেইল, চ্যাট এবং এমনকি কথা বলার সময়ও প্রচুর কটূক্তি এবং অভদ্র আচরণ চলছে, তাহলে বুঝে নেবেন আপনার বস কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের আচরণ বন্ধ করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেন না এবং এটাই তাদের কাছে স্বাভাবিক। কাজেই নতুন অফিস সম্পর্কে আপনার হয়তো আরেকটু ভেবে দেখা দরকার।

ব্যক্তিগত বিষয়ে আলোচনা
গসিপ আপনার কর্মক্ষেত্রে চারপাশে ছড়িয়ে পড়লে তা মোটেই ভালো লক্ষণ নয়। কর্মক্ষেত্রে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা থাকা উচিত নয়। গসিপ এবং গুজবকে চারপাশে উড়তে না দিয়ে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

অন্য কাজ করতে হচ্ছে 
আপনি যে চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন, চাকরি পাওয়ার পর দেখা গেল আপনাকে আসলে অন্য কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে। এমন কোনো কাজ আপনাকে করতে হচ্ছে, যার সঙ্গে আপনার আবেদন করা কাজটির কোনো মিলই নেই। আপনার প্রত্যাশিত চাকরির বদলে যদি সম্পূর্ণ আলাদা কোনো চাকরি করতে দেওয়া হয় তবে সতর্ক হোন। হতে পারে এটি আপনার জন্য উপযুক্ত নয়।

পরের দিন নিয়ে ভয়
আপনি যদি প্রথম দিনে আপনার কাজ শেষ করেন এবং পরবর্তীতে কী ঘটবে তা নিয়ে মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, তবে এই চাকরি আপনার জন্য মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়। আপনার প্রত্যাশা এবং প্রাপ্তিতে ব্যাপক ঘাটতি থাকলে সতর্ক হোন। অতিরিক্ত চাপ কিংবা দুশ্চিন্তা নিয়ে কাজ করা আপনার জন্য যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে।

 কলি