ঢাকা ১০ শ্রাবণ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪

এমআইটি লিডিং এজ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট কনফারেন্স শুরু

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ০৫:৩০ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১০:২৮ এএম
এমআইটি লিডিং এজ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট কনফারেন্স শুরু
ছবি: বিজ্ঞাপন

দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের বিশ্বমানের নাগরিকে পরিণত করতে এমআইটির ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট কনফারেন্স বড় ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝেও ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে হেইলিবারি ভালুকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) এই ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট কনফারেন্স। 

মঙ্গলবার (১১ জুন) ময়মনসিংহ ভালুকার হেইলিবারির স্থায়ী ক্যাম্পাসে হেইলিবারি ভালুকা এবং এমআইটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপি এমআইটি লিডিং এজ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমনটাই জানান উপস্থিত বক্তারা। 

এমনকি ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখতে হেইলিবারি ভালুকা কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

এমআইটি লিডিং এজ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ ১১ আসনের এমপি মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ। 

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হেইলিবারি ভালুকার ফাউন্ডিং হেড মাস্টার সাইমন ও’ গ্রেডি এবং এমআইটির তিনজন ফ্যাকাল্টি ও ছয়জন গ্র্যাজুয়েটস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, ‘বিশ্বের নম্বর ওয়ান বিশ্ববিদ্যালয় এমআইটিকে অসংখ্য ধন্যবাদ এ ধরনের একটি প্রেসটিজিয়াস আয়োজনের কেন্দ্র হিসেবে হেইলিবারি ভালুকাকে বেছে নেওয়ার জন্য। আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে কিভাবে উন্নত জীবন গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে হয় তার অনুপ্রেরণা দিতেই এমআইটির এই তিনজন ফ্যাকাল্টি মেম্বার এবং গ্র্যজুয়েটরা আজকে এখানে উপস্থিত রয়েছেন।’

হেইলিবারি ভালুকার ফাউন্ডিং হেডমাস্টার সাইমন ও’ গ্রেডি বলেন, ‘বিশ্বের নম্বর ওয়ান বিশ্ববিদ্যালয় এমআইটিকে বাংলাদেশে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা গর্বিত। আট হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে এমআইটির ফ্যাকাল্টি মেম্বার এবং গ্র্যজুয়েটরা আসছে হ্যালিবারি ক্যাম্পাসে। তারা যে বাংলাদেশে এ ধরনের একটি আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট কনফারেন্স করতে আগ্রহ দেখিয়েছে এ জন্য আমরা তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এ ধরনের একটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে সহযোগীতার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি সাউথইস্ট ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, বার্জার পেইন্টস এবং পিএফইসি গ্লোবালকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হেইলিবারি ভালুকা হবে এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর যৌথ অবদানেই গড়ে উঠবে এক এক জন ভবিষ্যৎ নেতা।’ 

বিশ্বের নম্বর ওয়ান বিশ্ববিদ্যালয় এমআইটি এবং হেইলিবারি ভালুকার এই যৌথ অগ্রণী উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের নতুন কিছু শেখা এবং অভিজ্ঞতা তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন হেডমাস্টার সাইমন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভালুকার ১১ আসনের এমপি আব্দুল ওয়াহেদ জানান, ভালুকায় হেইলিবারির মত আন্তর্জাতিকমানের বোর্ডিং স্কুল প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তিনি গর্বিত। হেইলিবারির আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষক ও পরিবেশ আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার্থী ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন এমপি ওয়াহিদ। বিশ্বের নম্বর ওয়ান বিশ্ববিদ্যালয় এমআইটির সঙ্গে এ ধরনের একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টুডেন্ট কনফারেন্স আয়োজন তাকে মুগ্ধ ও গর্বিত করেছে বলেও জানান তিনি। 

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এমআইটির ফ্যাকাল্টি মেম্বার ক্রিস্টোফার জেমস মায়ের, ক্রিস্টিয়ান ইভান কার্ডোজো এভিলেস এবং এডওয়ার্ড জন মোরিয়ার্টি।

সম্পূর্ণ আবাসিক পরিবেশে আয়োজিত এই ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট কনফারেন্সে অংশ নিয়েছেন এমআইটির চারজন ফ্যাকাল্টি মেম্বার এবং ছয়জন এমআইটি গ্র্যাজুয়েট। তাদের তত্ত্বাবধানেই ইঞ্জিনিয়ারিং এবং উদ্ভাবনী শক্তিকে উন্নত স্তরে প্রসারিত করা এবং একটি কার্যকর সমাধানের লক্ষে পৌঁছে দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন বাংলাদেশ, ভারত ও যুক্তরাজ্য থেকে নির্বাচিত ১১-১৪ বছর বয়সী ১০০ জন শিক্ষার্থী।

কনফারেন্সে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্ডার ওয়াটার রোবোটিক্স, এআই-পওয়ারড হুইলচেয়ার এবং হ্যান্ডহেল্ড পলুউশন ম্যাপিং ডিভাইসসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনীমূলক কার্যক্রম এবং সেগুলোর পরিচালনা সম্পর্কেও হাতে কলমে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। 

এ ছাড়াও বিখ্যাত হ্যারি পটার সিরিজের আন্ডার ওয়াটার হ্যারি পটার কুইডিচ প্রতিযোগিতায়ও অংশ নেওয়ার একটি অনন্য সুযোগ থাকছে অংশগ্রহণকারীদের জন্য।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অবস্থিত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এজারটন সেন্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত এই ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স চলবে ১৫ জুন ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত। 

কনফারেন্সের শেষ দিনে অংশগ্রহণকারী সকলকে এমআইটির এজগারটন সেন্টারের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। 

বিজ্ঞপ্তি/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৩ পিএম
আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৩ পিএম
এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় স্থানীয় শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫৮৬ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধণা দেওয়া হয়েছে। 

বুধবার (১৭ জুলাই) উপজেলার দয়ারামপুর কাদিরাবাদ সেনানিবাসের স্যাপার কনভেনশন হলে লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলার কৃতি শিক্ষার্থীদের এই সংবর্ধণা দেওয়া হয়।

নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ প্রধান অতিথি থেকে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন।

শিক্ষাই সেবা-সেবাই শিক্ষা এই স্নোগানে স্থানীয় শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের আয়োজন করে। 

একই অনুষ্ঠানে বাগাতিপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী সমিতি সংসদ সদস্যকে সংবর্ধণা দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের সংবর্ধণা অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক ছিলেন আইডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা যশোর এমএম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সরকারী অধ্যাপক মো. হামিদুল হক।

প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রে নয়, দেশ ও সমাজের সব ক্ষেত্রে নিজেকে অনন্য হিসেবে গড়ে তুলতে কৃতিত্বের সাক্ষর রাখতে হবে। মানবিক ও নৈতিক মানুষ হিসেবে ২১ শতকের স্মার্ট নাগরিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বাউয়েটের তথ্য অফিসার মো. নাজমুল ইসলাম এবং সহকারী শিক্ষক মো. শামীম ইকবালের পরিচালনায় এবং আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও অতিরিক্ত সচিব (অব.) সিদ্দিকুর রহমান, রাজশাহী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. সাজেদুর রহমান, ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও গোপালপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আনেছ আলী সরদার প্রমুখ।

ক্রেস্ট ও সনদপত্র পেয়ে কৃতি শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞপ্তি/পপি/

হিন্দু আইন সংশোধনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন মতিয়া চৌধুরী

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৩:০৭ পিএম
আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৩:০৭ পিএম
হিন্দু আইন সংশোধনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন মতিয়া চৌধুরী
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

সম্পত্তিতে হিন্দু ও বৌদ্ধ নারীদের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন জাতীয় সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী। 

সোমবার (১৫ জুলাই) দেশে হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদের নেতারা তার সঙ্গে দেখা করে ১১ দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করার সময় তিনি এ কথা বলেন।

সংস্কার পরিষদের নেতারা হিন্দু আইনের আওতাধীন নারী, লিঙ্গবৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠি, প্রতিবন্ধী এবং দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা তুলে ধরে আইন সংশোধনের জন্য সংসদ উপনেতার সহায়তা চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি বিষয়টি নিয়ে নেত্রীর সঙ্গে কথা বলব।’

দাবির ন্যায্যতা ও যৌক্তিকতা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘তবে আপনাদেরকে লেগে থাকতে হবে, সমাজের মানুষকে বোঝাতে হবে, জাগাতে হবে।’

হিন্দু আইন সংস্কারের দাবিতে জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সদস্যের প্রত্যেকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীর উদ্বোধনী দিনে সোমবার সকাল ১১টায় ঢাকার রমনায় সংসদ উপনেতার সঙ্গে তার বাসভবনে দেখা করে প্রথম স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

সংস্কার পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ময়না তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক পুলক ঘটক, সহ-সভাপতি সাংবাদিক সুভাষ সাহা, ভানুলাল দাস (পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি) ও গোকুল কৃষ্ণ পোদ্দার (বায়ো কেমিস্ট), সংগঠনের সিনিয়র সদস্য ও মহিলা ঐক্য পরিষদের (বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নারী শাখা) সভাপতি সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য, সংস্কার পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক মুক্তা রাণী শেরপা, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. সুশান্ত বড়ুয়া (পেডিয়াট্রিস্ট), শুভ চন্দ্র দাস (নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক), অ্যাডভোকেট দেবাশীষ দেব উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদে লিঙ্গবৈষম্যহীন উন্নততর হিন্দু আইন পাসের জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে কোনো ভূমিহীন রাখবেন না ঘোষণা দিয়েছেন। তার এ মহৎ ইচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য বৈষম্যমূলক হিন্দু আইন সংশোধন করা জরুরি। কারণ বিদ্যমান আইন হিন্দু ও বৌদ্ধ নারীদের সবাইকে ভূমিহীন করেছে। 

প্রচলিত আইন সংশোধন করে সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্যের সম্পূর্ণ অবসান ঘটানোর দাবি জানিয়ে সংস্কার পরিষদের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘পিতামাতার সম্পত্তিতে সন্তানরা (লিঙ্গপরিচয় নির্বিশেষে) সমান অধিকার পাবেন। একই সঙ্গে স্বামীর সম্পত্তিতে স্ত্রী এবং স্ত্রীর সম্পত্তিতে স্বামী এক সন্তানের সমপরিমাণ উত্তরাধিকার পাবেন।’

সংখ্যালঘুদের বসতভিটা সংরক্ষণের স্বার্থে শরিকদের অনাপত্তি ছাড়া হিন্দু আইনের আওতাভুক্ত নয় এমন কারও কাছে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বসতভিটা ও বাড়ি বিক্রয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং ক্রেতা হিসেবে নিকটতম শরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ধর্মান্তরিত ব্যক্তির উত্তরাধিকার হরণের প্রস্তাব দিয়ে বলা হয়েছে, ‘ধর্মান্তরিতরা পূর্বপুরুষের ধর্ম, সংস্কৃতি, জীবনাচরণ ও পরিবার ত্যাগের সঙ্গে পূর্বপুরুষের সম্পত্তিতেও অধিকার ত্যাগ করেছেন বলে গণ্য হবেন। দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, ধর্ম, সংস্কৃতি, পরিবার এবং সম্পত্তি রক্ষার প্রয়োজনে ধর্মান্তরের ক্ষেত্রে সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিষিদ্ধ করে সংসদে সুস্পষ্ট সংবিধিবদ্ধ আইন পাস করা প্রয়োজন।’

বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু আইনে পুরুষরা স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও যতগুলো ইচ্ছা বিয়ে করতে পারেন, যার কোনো আইনগত নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই আদালতের অনুমতি ছাড়া একাধিক বিবাহ নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়।

অসবর্ণ বিবাহ বৈধকরণের দাবি জানিয়ে বলা হয়, “ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র ও বিভিন্ন উপবর্ণের নারী-পুরুষেরর মধ্যে অসবর্ণ বিবাহ হরহামেশাই ঘটছে। কিন্তু এসব বিয়ের আইনগত বৈধতা নেই। অবৈধ বিয়ের সন্তানরাও আইনত ‘অবৈধ’ বিবেচিত হয়। অবৈধ সন্তানের পৈত্রিক সম্পত্তিতে অধিকার নড়বড়ে থাকে। এগুলো মানুষের প্রতি অবিচারমূলক অমানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ। তাই বৃটিশ আমলে প্রণীত Hindu Marriage Disabilities Removal Act 1946 সংশোধন করে অসবর্ণ বিবাহের আইনগত বৈধতা দেওয়া প্রয়োজন।’

হিন্দু আইনে সন্তান দত্তক নেওয়া বৈধ হলেও স্বামীর অনুমতি ছাড়া নারী ও লিঙ্গবৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর দত্তক নেওয়ার অধিকার নেই। ছেলে দত্তক নেওয়া যায়, কিন্তু মেয়ে সন্তান দত্তক নেওয়া যায় না। প্রতিবন্ধী শিশুকে এবং ভিন্ন গোত্রের বা ভিন্ন বর্ণের শিশুকে দত্তক নেওয়া যায় না। এরকম নানাবিধ বৈষম্য নিরসন করে আধুনিক, উন্নত ও মানবিক দত্তক আইন প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে বিকলাঙ্গ, দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ, যৌন ও মানসিক প্রতিবন্ধী এবং যক্ষা ও কুষ্ঠ রোগের মতো তথাকথিত দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি সম্পত্তির অধিকার পান না। 

এর নিরসন দাবি করে বলা হয়, ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সবার সম্পত্তির সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, তাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বিধান ও অগ্রাধিকার ভিত্তিক সুযোগ দেওয়া জরুরি।’

অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে, বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা, শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদ আইন প্রণয়ন, সন্তানের অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে  বাবা ও মায়ের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং আওয়ামী লীগের বিগত নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত অঙ্গীকার অনুযায়ী সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি ও পার্বত্য ভূমি কমিশনের যথাযথ বাস্তবায়ন, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, সমতলের আদিবাসীদের জন্যে পৃথক ভূমি কমিশন গঠন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে রাষ্ট্র কারও প্রতি বৈষম্য করতে পারে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো, বৃটিশ আমলে প্রবর্তিত বিভিন্ন হিন্দু আইনে বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা এখনো চালু থাকায় নাগরিকরা রাষ্ট্রের কাছে বৈষম্যই পাচ্ছে। আদালতের কাছে বিচার প্রার্থী হলে হিন্দু নারীরা সম্পত্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা অসাংবিধানিক।

বিজ্ঞপ্তি/পপি/

আইএফআইএলের অর্ধবার্ষিক ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০২:২৬ পিএম
আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০২:২৬ পিএম
আইএফআইএলের অর্ধবার্ষিক ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের (আইএফআইএল) অর্ধবার্ষিক ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 
এতে উপস্থিত ছিলেন আইএফআইএলের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কে বি এম মঈন উদ্দিন চিশ্তী, পরিচালক আবুল কাশেম হায়দার, হোসাইন মাহমুদ, মোস্তানসের বিল্যাহ, আফজালুর রহমান এবং স্বতন্ত্র পরিচালক ইরতেজা রেজা চৌধুরী। 

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন আইএফআইএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। 

আইএফআইএলের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান এবং শাখা ব্যবস্থাপকরা অংশ নেন।

বিজ্ঞপ্তি/পপি/

ই-ক্যাব নির্বাচনে পরিচালক পদে লড়ছেন যাচাইয়ের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০২:১৫ পিএম
আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০২:১৫ পিএম
ই-ক্যাব নির্বাচনে পরিচালক পদে লড়ছেন যাচাইয়ের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ
যাচাইয়ের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ

ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের জাতীয় সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) ২০২৪-২৬ সালের পঞ্চম দ্বি-বার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উদ্যোক্তা এবং সংগঠক হিসেবে সুপরিচিত যাচাইয়ের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ।

আগামী শনিবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই সংগঠনের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আব্দুল আজিজের ব্যালট নং ১৮। 

আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আগামীর স্মার্ট  বাংলাদেশ বিনির্মাণে ই-ক্যাবের কার্যকর ও জোরালো পদক্ষেপ নিশ্চিতে কাজ করে যেতে চাই। সেই লক্ষ্যে নির্বাচিত হলে আমার কাজ হবে ই-ক্যাবের সদস্যদের জন্য সব সময় আপোষহীন থেকে সদস্য বান্ধব ই-ক্যাব গঠন, আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। ট্রেড লাইসেন্সে ই-কমার্স খাতকে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। দেশীয় ক্ষুদ্র, মাঝারী এবং নতুন উদ্যোক্তা উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। অ্যাসেটের ভিত্তিতে ঋন এবং অর্থায়ন পাওয়ার পলিসি নিয়ে কাজ করা। ই-ক্যাবের তহবিলে ফান্ডের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং ই-ক্যাবের তহবিল থেকে নতুন বা ছোট উদ্যোক্তাদেরকে পলিসি অনুযায়ী আর্থিক সাপোর্ট দেওয়া। ই-ক্যাবের স্থায়ী অবকাঠামোর জন্য নিজস্ব জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করা। আপনার প্রতিনিধি হিসেবে আপনার জন্য কাজ করার সুযোগ দিতে আমাকে ভোট দেবেন।’

এই নির্বাচনে ১১ পরিচালক পদে ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্ধন্ধিতা করছেন এবং ১৩ হাজার ৬৪ জন ভোটার ভোট দেবেন। 

বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতের উন্নয়ন সমস্যা নিরসন এবং কল্যাণের লক্ষ্য নিয়ে একটি বাণিজ্যিক সংগঠন হিসেবে ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।

ই-ক্যাব দেশের ই-কমার্স খাতের উন্নয়ন, সমস্যা নিরসন ও কল্যাণের লক্ষ্য নিয়ে একটি বানিজ্যিক সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ই-ক্যাবের বর্তমান সদস্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৩ হাজার ৬৪। 

বিজ্ঞপ্তি/পপি/

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উত্তরাঞ্চলের ‘হাফ-ইয়ারলি পারফর্মেন্স রিভিউ মিটিং ২০২৪’ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০১:১২ পিএম
আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৪, ০১:১২ পিএম
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উত্তরাঞ্চলের ‘হাফ-ইয়ারলি পারফর্মেন্স রিভিউ মিটিং ২০২৪’ অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসির ‘হাফ-ইয়ারলি পারফর্মেন্স রিভিউ মিটিং-২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত শনিবার (১৩ জুলাই) বগুড়ার মম ইন হোটেলে এ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে ব্যাংকের রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলার ২১ জন শাখাপ্রধান এবং আটজন উপশাখা ইনচার্জ অংশগ্রহণ করেন। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মু. মাহমুদ আলম চৌধুরী ও সিএফও ড. তাপস চন্দ্র পাল। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের উত্তরবঙ্গ জোনের প্রধান মো. মতিয়ার রহমান। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের এমডি মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী উত্তরবঙ্গের অর্থনেতিক উন্নয়নে এসএমই অর্থায়ন বৃদ্ধি এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পে অধিক গুরুত্ব দিতে ম্যানেজারদের প্রতি আহ্বান জানান।

পাশাপাশি আমদানি রপ্তানি ব্যবসা সম্প্রসারণ, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স আহরণসহ গ্রাহকসেবার সার্বিক মানোন্নয়নে আরও যত্নবান হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

বিজ্ঞপ্তি/পপি/